āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1339

গল্পঃ ভালবাসা ২২০
.
লিখাঃ Arindam Sarker (হলুদ ওড়না)
.
.
-> তুমি কি আমাকে ইগনোর করতেছো?
-- কখন ইগনোর করলাম তোমাকে?
-> তাহলে ভাল করে কথা বলোনা কেনো?
-- দেখো বাবু তুমি তো জানোই আর মাত্র ৩ দিন পর আমার বড় আপুর বিয়ে। তুমি বুঝোনা কেন। কতো কিছু আমাকে সামলাতে হচ্ছে। তাই একটু ব্যস্ত।
নিহিনের মুখে "ব্যস্ত" কথাটা শুনে কেনো জানি খুব রাগ লাগলো। গুণীজন বলেন ব্যস্ততা নাকি ছ্যাক দেয়ার পূর্ব লক্ষন। আর গত ১০/১৫ দিন নিহিন আমার সাথে ভাল মত কথা বলতেছে না। শুধু বলে যে সে নাকি ব্যস্ত ছিল।
-> তুমি কি আমাকে ছ্যাক দেয়ার ধান্দায় আছো?
-- কি বলো? আমি তোমাকে ছ্যাক দিবো কেন?
-> বলা লাগবে কেন? আমি কি কিছু বুঝিনা?
-- হ্যাঁ... তুমি একটু বেশিই বুঝো
-> তাইতো। এখন বাড়িতে তো তোমার ওই কাজিন টা এসেছে না? কি যেন নাম হ্যা আলিফ। ওইতো তোমাকে প্রপোজ করছিলো তাইনা। ও থাকলে কি আর আমার কথা মনে পরে?
এবার মনে হয় নিহিনের মেজাজ টা একটু খারাপ হলো
-- দেখো উৎস, তুমি কিন্তু এবার বাড়াবাড়ি করতেছো। তুমি খুব ভাল করেই জানো আমি তখন কি করেছিলাম। তাহলে এসব কথা উঠছে কোথা থেকে?
-> জানিনা। দক্ষিণ দিক থেকে উঠছে মনে হয়
-- শোনো উৎস ভালো করে একটু কথা বলতে পারলে বলো না হলে আমি ফোন রাখছি। আমার অনেক কাজ আছে। আম্মু কখন থেকে ডাকতেছে।
এবার যেন আমার মাথার তাপমাত্রা ২২০° ছাড়িয়ে গেল।
-> আম্মু ডাকতেছে নাকি ওই কাজিন টা?
-- তোমার এসব বাজে কথা শোনার জন্য কিন্তু আমি এতো কাজের মধ্যেও তোমাকে ফোন দেই নাই। আমি রাখছি ফোন। রাখবো?
-> হ্যাঁ রাখো রাখো... রাখবাই তো। তুমহারা পেয়ার জো আগ্যায়া... তুই আমাকে আর ফোন দিবিনা

এটা বলে আমিই ফোনটা রেখে দিলাম। আমি অনেক রাগারাগিতেও ওর সাথে তুই তোকারি করিনা। বাট মাথার তাপমাত্রা ২২০° ছাড়ালে হয়ে যায় আরকি। ভাবলাম নিহিন হয়তো একটু পরই আমাকে ফোন দিবে। মন খারাপ করে সরি টরি বলবে। বাট ১ ঘন্টা পাড় হয়ে ২ ঘন্টা, তারপর ৩ ঘন্টা, ৪ ঘণ্টা তাও কোনো ফোল এলো না। আমি একটু হতাশ হয়ে গা টা বিছানায় এলিয়ে দিলাম আর বারবার ফোনের আলো অফ অন করতে লাগলাম।
চোখ মেলে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বিকাল ৫ টা। কখন যে ঘুম এসে গেছিলাম টেরই পাইনি। তাড়াতাড়ি ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলাম নিহিনের কোনো মিসড্ কল কিংবা টেক্স এসেছে কিনা। কিন্তু না। গিপি একটা এসএমএস দিছে "৩০০ MB ফেসবুক মাত্র ১৮ টাকা!!!" হালারাও মনে হয় বুইঝা গেছে যে আমার প্রেমের দিন শেষ এখন ফেজবুক চালাইয়াই দিন কাটাইতে হইবো। ওরে আমারে কেউ ধর। আমি ছ্যাক খাইতেছি। cry emoticon:'(
.
.
আজ ২ দিন হলো নিহিনের সাথে কথা হয়না। ওইদিনের পরে সে আমাকে আর কোনো কল বা টেক্স করেনি। আমার মাথা পুরা হ্যাং হয়ে যাচ্ছে ওর সাথে কথা না বলে। একবার ভাবলাম নিজেই একটা কল দেই। কিন্তু না ওর যখন আমার সাথে কথা না বলে থাকতে পারে তাহলে আমিও পারি হুহ্। কিন্তু আমি এখন কি করবো। না পারতেছি গিলতে না পারতেছি উগলাইতে। শেষে না পেরে একটা টেক্স দিলাম "তুমি আসলেই একটা ফাজিল মাইয়া"
কোনো রিপ্লে পেলাম না।
রিপ্লে এলো ঠিক রাত ৮ টায়। "কাল আপুর বিয়ে, কারো যদি ইচ্ছা হয় তাহলে সে আসতে পারে।"
কতো বড় ফাজিল মাইয়া চিন্তা করা যায়। কই এতোদিন পরে একটা কল দিয়ে বাবু বাবু বলে দাওয়াত দিবে তা না করে উনি ত্যাড়ামো করতেছেন।
আমি রিপ্লে করলাম "যাবো না"
ঠিক তখনি নিহিনের কল এলো। আমি রিসিভ করার সাথে সাথে ও বললো
-- কাল বিরিয়ানি আর মুরগির রোষ্ট হবে। গেলে তো ভালই আর না গেলে ওই ভাগটুকু আমার ওই কাজিন টাকে নিজ হাতে খাওয়ায় দিবো। বাই।
এটা বলেই ও ফোন রেখে দিল। কি ফাজিলের ফাজিল দেখছেন। আমার প্রিয় খাবার গুলার লোভ দেখায়ে বলে কিনা কাজিন টারে খাওয়াবে। যা খাওয়া। আমি যাবো নাতো। যাবোই না। তুই তোর ওই কাজিনরেই খাওয়া।
.
আজ নিধি আপুর বিয়ে। নিধি মানে নিহিনের বড় আপু। আমি সকাল থেকেই ভাবছি যাবো কি যাবোনা। তাছাড়া নিহিনের সাথে কতদিন দেখা হয়না। আজ নিশ্চই নিহিন সুন্দর করে সাজবে। আর বিয়ে বাড়িতে আসা পোলাপাইন সব ওর দিকে তাকায় থাকবে। আর ওই আলিফ না আলু ওর কথা তো বাদই দিলাম। খাটাশ পোলা কোথাকার।
.
সন্ধার দিকে আমি পাঞ্জাবি পড়ে বিছানায় বসে আছি। আর ভাবছি যে যাবোই না। ঠিক তখনি নিহিনের টেক্স "আলিফ বললো যে ও নাকি আমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাবে। যেহেতু কেউ একজন আসলো না তাহলে ওর সাথে করেই ঘুরতে যাই"
তখন আমার রাগের বদলে বুকের ভেতর কেমন যেন একটা করে উঠলো। মনে হলো আমার বুকে কেউ ২২০ কেজি ওজনের কিছু দিয়ে আঘাত করলো। আমি আমার টেবিলে রাখা AXE Signature টা মেখে দৌড় দিলাম নিহিনের বাড়ির উদ্দেশ্যে।

রিক্সা করে ঠিক ১২ মিনিট ২২ সেকেন্ড সময় লাগলো নিহিনের বাড়িতে আসতে। আমি গেট দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে দেখতেছি আসলেই বিশাল আয়োজন করা হয়েছে। বড়লোকের ব্যাপার স্যাপার। সে যাই হোক বাট নিহিন কোথায়। এতো লোকের মাঝে নিহিন কে কোথায় পাবো। নাকি ও ওই হারামি আলুটার সাথে কোথাও ঘুরতে চলে গেল। আমি যখন ওকে খুঁজতে খুঁজতে বিয়ে বাড়ি উলটায় ফেলতেছি তখন আবার ওর টেক্সট
"ওই এভাবে আমাকে খুঁজলে পাবে নাকি। লোকজন তো পাগল ভাবতেছে।"
আমি কি বলবো বুঝতে পারতেছি না। তখন আবার ওর টেক্স
"আমাদের বাড়ির পেছন দিকটায় আসো। যেখান থেকে আগে তুমি আমার ঘরে লাভ লেটার ছুড়ে পালাতে"
আমি ওখানে গিয়ে দেখি নিহিন বেগুনি শাড়ি পড়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেটাতে আমি ওকে ১ম দেখে কট (ক্রাশ) খেয়ে গেছিলাম। ওর হাতে একটা বিরিয়ানির প্যাকেট।
আমি হা করে ওর দিকে তাকিয়ে আছি। ভেবেছিলাম ওর সাথে দেখা হলে ওকে ইচ্ছামত ঝাড়ি দিবো। কিন্তু তার কিছুই হলো না। ওই বলা শুরু করলো
-- এতোক্ষন লাগে আসতে?
-> না আসলে আমি...
-- কি আমি... তোমার জন্য সেই কখন থেকে সেঁজে গুজে বসে আছি। দেখতো আমাকে কেমন লাগছে? (মুখে দুষ্টুমির হাসি)
-> আমি এতো সুন্দর মেয়ে জীবনেও দেখি নাই।
আমার কথা শুনে আর গরুর মতো ওর দিকে তাকায় থাকতে দেখে ও লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল।
তখন আমি বললাম
-> কিন্তু তোমার ওই কাজিন...
এবার ও আমার দিকে তাকালো উইথ অগ্নিদৃষ্টি!!
-- আর একবার কাজিন কাজিন করলে তোমার মাথার সব কয়টা চুল ছিঁড়ে ফেলবো বলে দিলাম।
-> (আমি ওর এমন ভয়ংকর দৃষ্টি দেখে আঙুল দিয়ে আমার মুখ বন্ধ করলাম)
একি!!! আমি ভাবলাম এই মেয়েকে আমি ঝাড়ি দিবো কিন্তু এতো উলটে আমাকেই ঝাড়ি দিচ্ছে। আর আমিই বা এতো ভয় পাচ্ছি কেন? নিহিন বললো
-- হম... গুড বয়। এখন এগুলো খেয়ে নাও। এগুলো ধরে রাখতে রাখতে আমার হাত ব্যাথা হয়ে গেলো।
আমি চুপচাপ খেতে লাগলাম। ও বললো
-> বাবু তুমি আমাকে এতো রাগ করায় দেও কেনো। তুমিতো জানই আমি আলিফের সাথে কথা বলি না। তাও এতো ভয় পাও কেনো?
আমি কিছু না বলে খেতে লাগলাম। খাওয়া শেষে বললাম
-> আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি নিহিন
এবার ও ফিক করে হেসে ফেললো। তখন আমি মন খারাপের মত করে মুখ ঘুরিয়ে নিলাম
ঠিক তখনি ও আমার গালে টুপ করে একটা চুমো খেলো!!! আমি ২২০ বালতি অবাক হয়ে ওর দিকে তাকায় রইলাম। কারণ এমন কিছু ১ম বার হলো। ও আমার হাত ধরে বললো
-- চলো অনুষ্ঠানের ভেতরে যাই।
আমি চুপচাপ ওর সাথে সাথে যেতে লাগলাম

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ