আমাদের ভালোবাসা
ঘড়িতে ১২টা বাঁজে.....
এমন সময় নীলা ফোন দিলো,,,
:-বাবু তুমি এতো রাতে ফোন দিছো,কিছু হয় নি তো,তুমি ঠিক আছো তো?
:-হ্যা বাবু আমি ঠিক আছি,তুমি এখন একটু আমার বাড়ির সামনে আসতে পারবা।
:-কেন,,,বেবি?
:-উফ আসতে বলেছি আসবা,,আসো এখনি এসো,আর এসে আমাকে ফোন দিবা হুম।
বলেই ফোনটা কেটে দিলো।
কি পাগলি মেয়ে রে বাবা,এত রাতে কেও কারো বাসার সামনে যাই,কেও দেখলে কি ভাববে।
তাও বাধ্য ছেলের মতন যেতে হলো,না গিয়ে উপায় নেই।
কারন নীলার খুব জেদ,মুখ দিয়ে একবার বার করেছে যখন যেতে হবে তখন যেতেই হবে।
তাই দেরি না করে টি-শার্ট টা গায়ে দিতে দিতে বার হয়ে গেলাম।
:-কোই তুমি?
:-তুমি এসেছো?
:-হুম,,না এসে উপাই আছে নাকি?
:-এইতো আমারর লক্ষি বাবু,তুমি একটু ওয়েট করো আমি আসতেছি।
:-ওকে আসো।
:
একটু পরে দেখি নীলা ঘরের দরজা খুলে বার হচ্ছে,রাতের অন্ধকারে জ্বলতে থাকা ডিম লাইটের আলোতে আরো সুন্দরি লাগছে,হালকা মেকাপ আর কাজল এর সাথে একটা ছোট্ট কালো টিপ পরে খুব সুন্দর লাগছে পাগলিটাকে।
উফ চোখ ফেরাতে পারছি না।
নীলার কথাতে কল্পনা ছেড়ে বাস্তবে আসলাম।
:-এই যে মিষ্টার এভাবে হা করে কি দেখো হুম.
:-আমার রাজকুমারী কে।
:-এভাবে দেখার কি আছে হুম,,রোজ ই তো দেখো।
:-হুম রোজ দেখি তবে অন্যদিনের থেকে আজকে একটু বেশি সুন্দর লাগছে ।
:-কেমন লাগছে,হুম।
:-অনেক সুন্দরি লাগছে,ইচ্ছে করছে আবার নতুন করে প্রেমে পড়ি।
:-হুম, হয়ছে।
কি পাম রে বাবা
:-পাম না,সত্যি বলছি।
তোমাকে আজকে অনেক অনেক সুন্দরি লাগছে,মনে হচ্ছে আমার সামনে আকাশ থেকে সাক্ষাৎ পরী নেমে এসেছে।
:-এভাবে বলো না,আমার লজ্জা লাগে না বুঝি।
:-লজ্জাবতী,লজ্জা পেলে তো তোমাকে আরো সুন্দর লাগে,টমেটোর মতন গাল দুটো লজ্জা পেয়ে লাল হয়ে যাই,,
বলেই গাল দুটি টেনে দিলাম।
:-হুম,,সুযোগ পেলেই গাল ধরে টানা,তোমারো টেনে দিবো হুম।
:-আচ্ছা দিও এখন তো বলো এতো রাতে ফোন করে ডাক দিলে কেন?
:-ওহ,,ভুলেই গেছিলাম।।চোখ বন্ধ করো তো।
:-কেন?
:-করো না।
:-আচ্ছা করলাম।
নীলা পিছন থেকে পায়েসের বাটি টা হাতে নিয়ে
:-হুম,,এবার চোখ খুলো।
:-পায়েস! পায়েস কোথায় পেলে তুমি এতো রাতে।
:-তুমি তখন ফোনে বলছিলে না,তোমার পায়েস খেতে খুব মন চাইছে তাই আম্মুর কাছ থেকে শিখে নিয়ে বানিয়েছি।
:-বাবু তুমি পায়েস রান্না করেছো?
:-হুম,,কি মনে হয় আমি পারি না।
:-হুম,,কিন্তু এতো রাতে কষ্ট করে না করলেও হতো,অন্যদিন খাওয়াতে।
:-উহু না,তোমার খেতে ইচ্ছে করছিলো তাই বানিয়েছি।।
খাবে নাকি গল্প করবে ঠান্ডা হয়ে যাবে তো।
:-হুম,,দাও।
:-না,,আমি নিজের হাতে খাওয়ায়ে দেয়।
:-হুম,,দাও।
এক চামচ মুখে তুলে দিয়ে জিজ্ঞাসাা করলো
:- কেমন হয়ছে?
:-বাবু তুমি এতো সুন্দর করে পায়েস রান্না করতে পারো,অসাধারন হয়ছে।
:-তাই না.।
:-হুম,,,সত্যি অনেক সুন্দর হয়ছে।
:-হুম,,কথা পরে বলো আগে খেয়ে নাও এমনিতেই ঠান্ডা হয়ে যাবে।
:-এই তুমি খাবে না।
:-না,,এটা আমি বানিয়েছি শুধু তোমার জন্য।
:-না,একবার হলেও খেতে হবে।
:-আচ্ছা,তুমি নিজের হাতে খাওয়ায়ে দাও।
:-আচ্ছা,এই নাও।
দু জন মিলে পায়েস খাওয়া শেষ করলাম।
:-তুমি সত্যি পাগলি।
:-হুম,,কেন জানতে না।
:-হুম জানি তো,আর সেই জন্য তো তোমাকে এতো ভালোবাসি।
:-এই একটা দাও না।
:-এই নাহ,,এখন না।
:-দিবা নাহ।
:-নাহ।
:-নীলা দেখো ওখানে কে যেন দাড়িয়ে আছে।
আমার কথা শুনে যেই নীলা তাকিয়ে দেখতো গেলো,অমনি হাত টা ধরে টেনে বুকের ভিতরে নিয়ে কপালে আলতো করে একটা চুমু দিয়ে দিলাম।
দিয়ে ফেলেছি।
:-তুমি না, ,,মাইর দিবো ধরে।
:-বললেই হলো,,ভালো ভাবে দিলে তো আর এমন করতাম না।
:-হুম,,হয়ছে এখন বাসায় যাও।
:-ইচ্ছে করছে না।
:-কেন হুম....
:-ইচ্ছে করছে তোমাকে সারারাত দু চোখ ভরে দেখি।
:-সারারাত দেখার লাগবে না,তাহলে আবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারবে না,তাড়াতাড়ি বাসায় যাবে রাস্তাতে কারো সাথে আর আড্ডা দিবে না।
আর হ্যা বাসায় গিয়ে ফোন দিবে কিন্তু আমি অপেক্ষাতে থাকবো।
:-আচ্ছা দিবো,,বলেই চলে আসছিলাম।
হঠাৎ থমকে গেলাম।
পিছু ফিরে তাকালাম"দেখি পাগলিটা দাড়িয়ে আছে।
দৌড়িয়ে গিয়ে ,,,
পাগলি বড্ড ভালোবাসি তোকে,,,I love U নীলা।
:-love u too বাবু।
এখন যাও বাসার কেও দেখলে মাইন্ড করবে।
:-আচ্ছা যাচ্ছি,তুমি আগে যাও তুমি গেইট আটকালে আমি চলে যাবো।
:-ততক্ষনে কি করবা হুম।
:-তোমাকে দেখবো।
:-এতো দেখার লাগবে না,যাও না বাবু অনেক রাত হয়ছে তো।
:-আচ্ছা যাচ্ছি।
:-ফোন দিবে কিন্তু বাসায় পৌছ।
:-আচ্ছা দিবো।
বলেই চলে আসলাম.........
ভালোবাসতে বেশি কিছুর দরকার হয় না,,মাঝে মাঝে ভালোবাসার গভীরতা বাড়াতে প্রিয়মানুষটার একটু খামখেয়ালি পনা আর একটু পাগলামি যথেষ্ট।
এই সব পাগলামি গুলো ভালোবাসার ভিত্তিকে আরো মঁজবুত করতে সাহায্য করে।
✍Ariyan Ashiq Nill (আদ্রিতার আব্বু)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ