āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1335

নামহীন গল্প
লেখক:-আমি হিমু
-
বিকেল ৪:৩৫ মিনিট।
:-তুমি কোথায়?(ইশিতা)
:-বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি।(আমি)
:-এখন আমার সাথে একটু মার্কেটে যেতে পারবে?
:-আচ্ছা আমি আসছি।তুমি রেডি হয়ে গেটের সামনে দাঁড়াও।
:-আচ্ছা
ফোন রেখে বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইশিতাদের বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।আমি হুসাইন।অনার্স ১ম বর্ষের ছাএ।মধ্যবিত্য ঘরের ছেলে আমি।পড়াশুনার জন্য শহরে আসা।ইশিতা আমার গালফ্রেন্ড।বড়লোক বাবার একমাএ মেয়ে।ইশিতাও আমার সাথে পড়ে।ইশিতার সাথে আমার রিলেশনের ৩ মাস পুর্ণ হয়ে গেছে।ইশিতাকে প্রথমদিন ক্লাসে দেখেই ওর প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। পরে যখন শুনি ইশিতা বড়লোক ঘরের মেয়ে তখন ওকে ভালবাসার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেছিলাম কিন্তু ভাগ্যক্রমে পরে ওর সাথে রিলেশন হয়ে যায়।
ইশিতাদের বাসার সামনে গিয়ে দেখি ও দাঁড়িয়ে আছে।আমি ওর সামনে যেতেই বললো
:-রিক্সা ঠিক করো।
আমি একটা রিক্সা ঠিক করে দুজন রিক্সাতে চড়ে বসলাম। রিক্সাতে ওঠার পর
:-এত তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে গেছো?(আমি)
:-হ্যাঁ।(ইশিতা)
:-আজ মুখে আটা ময়দা মাখনি তাই তাড়াতাড়ি রেডি হতে পেরেছো তাইনা।
কথাটা বলে একটা হাসলাম কিন্তু হাসি বেশিক্ষণ টিকলো না।ইশিতা চোখ গরম করে আমার দিকে তাঁকিয়ে বললো
:-আমি মুখে আটা ময়দা মাখি তাইনা?(ইশিতা)
কথাটা বলেই আমার গলা চেপে ধরলো।
:-এই ছারো দম বন্ধ হয়ে আসছে।(আমি)
:-না ছাড়বো না।তোমাকে আজ মেরে ফেলবো।
:-আমি মরে গেলে তোমার কষ্ট হবেনা।
:-না হবেনা।
আমি একটা কাঁশি দিলাম।আমার কাঁশি দেওয়া দেখে ইশিতা আমার গলা ছেড়ে দিলো।
:-কী ডায়নি মেয়েরে বাবা নিজের বিএফকে এভাবে মেরে ফেলতে চায়।(আমি)
এইযা কী বলে ফেললাম।নিশ্চিত আমার কপালে আজ দুঃখ আছে
:-ওই কী বললি তুই?আবার বল কথাটা?(ইশিতা)
:-না কিছুনা।
:-আমি ডায়নি তাইনা।তুই আজ থেকে আমার সাথে আর কোনদিন কথা বলবিনা।আমাকে আর ফোনও দিবিনা।
ইশিতা বেশি রেগে গেলে তুই তোকারি করে
:-সরি। মুখ ফসকে বলে ফেলেছি।এই দেখো কান ধরছি।
আমাদের কান্ড দেখে রিক্সাওয়ালা মামা মিটমিট করে হাঁসছে।
ইশিতা ছলছল চোখে আমার দিকে তাঁকালো।মেয়েটা এমনি কেউ ওকে একটু পচালে কান্না করে দেয়।আবার বেশি সময় কারো অভিমান করে থাকতেও পারেনা।বেশি হলেও ৫ মিনিট ওর অভিমান টিকে
:-আমি মুখে আটা ময়দা না মাখলে আমায় একটুও সুন্দর দেখায়না তাইনা?আমি ডায়নির মত তাইনা?(অভিমানি সুরে)
:-সরি বললাম তো।আমার পাগলীটা অনেক সুন্দর।মুখে আটা ময়দা না মাখলেও আমার পাগলীটাকে সুন্দর লাগে
:-মিথ্যা কথা।আমি এখন পুরনো হয়ে গেছি তাই আমাকে আর তোমার ভালো লাগেনা সেটা আমি জানি।তুমি যদি চাও আমি তোমার জীবন থেকে চলে যাবো।
এবার সত্যি চোখ বেয়ে পানি পড়া শুরু করলো ইশিতার
:-চুপ আর একটা বাজে কথা বললে তোমার সবগুলো দাঁত ফেলে দিবো।আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি আমার নিজের জীবনের থেকেও বেশি।
আমি হাত দিয়ে ইশিতার চোখ থেকে পানি মুছে দিলাম।
:-আমার কাধে মাথা রাখো।(আমি)
:-নিশ্চুপ
:-কীহলো রাখো?
:-নিশ্চুপ
:-ঠিক আছে রাখতে হবেনা।আমি রিক্সা থেকে নেমে যাচ্ছি।
:-নেমে দেখো তোমার হাত পা ভেঙ্গে দেবো।
:-তাহলে আমার কথা শুনছো না কেনো?
ইশিতা আর কিছু না বলে আমার কাঁধে মাথা রাখলো।বাতাসে ইশিতার চুলগুলো আমার মুখে এসে পড়ছে আর আমি মুগ্ধ হয়ে সেটা দেখছি।
:-মামা চলে এসেছি।(রিক্সাওয়ালা)
রিক্সা থেকে নেমে রিক্সা ভাড়া দিয়ে দুজন মার্কেটে ঢুকলাম।একটা দোকানে গিয়ে দুজন বসলাম।
:-ভাইয়া ১০ থেকে ১২ বছরের ছেলে মেয়েদের জন্য ভালো পোশাক পাওয়া যাবে?(ইশিতা দোকানদার কে বললো)
:-হ্যাঁ আছে(দোকানদার)
:-ভালো দেখে ১২ পিক প্যান্ট ১২ পিছ শার্ট আর ১২ পিছ মেয়েদের পোশাক দেন
:-একটু বসুন দিচ্ছি।
ইশিতা এত শার্ট প্যান্ট কী করবে?ইশিতার এতকিছু কেনা আমার কাছে অবাক লাগছে
:-এতকিছু কিনে কী করবে?(আমি)
:-আগে কিনি তারপর দেখো কী করি।(ইশিতা)
আমি আর কিছু না বলে চুপ করে বসে থাকলাম।সবকিছু কেনা হলে ইশিতা আর আমি মার্কেট থেকে বেরিয়ে একটা রিক্সা নিলাম।ইশিতা রিক্সাওয়ালাকে একটা জায়গার নাম বলে ওখানে নিয়ে যেতে বললো।
:-এখন বলো এতকিছু কী করবে?(আমি)
:-আব্বু ১০ হাজার টাকা দিছে মার্কেট করার জন্য।ছোট কাকু দিছে ৭ হাজার।।এতটাকার মার্কেট কিনে আমি কী করবো তাই ভাবলাম কিছু জামা কাপড় কিনে এতিন খানায় দিবো।(ইশিতা)
আমি কী বলবো ভেবে পাচ্ছিনা।ইশিতাকে যত দেখছি ততই অবাক হচ্ছি।১৫ দিন আগেও একটা গরিব পরিবারকে ৫ হাজার টাকা দিলো আবার আজ এত টাকা খচর করে এতিমদের জন্য জামা কাপড় কিনলো।ইশিতাকে পেয়ে নিজেকে অনেক বেশি ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।পৃথিবীর সব মানুষ যদি ইশিতার মত গরিবদের সাহায্যর জন্য এগিয়ে আসতো তাহলে পৃথিবীটা অনেক সুখের হতো।
:-এই কী ভাবছো?(ইশিতা)
:-না কিছুনা।তোমার কাঁধে একটু মাথা রাখবো(আমি)
:-রাখতে কে মানা করেছে।
আমি আর কিছু না বলে ইশিতার কাধে মাথা রাখলাম।
রিক্সা এসে একটা এতিম খানার সামনে থামলো।রিক্সা থেকে নেমে আমি আর ইশিতা এতিম খানার ভিতরে ঢুকলাম।প্রথমে ম্যানেজারের রুম থেকে অনুমতি নিতে হলো।অনুমতি নিয়ে ইশিতা একএক করে সবাইকে জামাকাপড় দিলো।নতুন পোশাক পেয়ে সব ছেলে মেয়ের মুখে হাসির রেখা দেখা গেলো।এরপর ওদের সাথে আমি আর ইশিতা কিছুক্ষণ গল্প করলাম।গল্প করা শেষ হলে ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম।সন্ধা ঘনিয়ে এসেছে তাই এখন বাসার দিকে রওনা দিতে হবে।একটা রিক্সা নিয়ে দুজন তাতে ওঠে বসলাম।রিক্সা চলতে শুরু করলো
:-ইশিতা তুমি কী এর আগেও এখানে এসেছিলে?(আমি)
:-হ্যাঁ।(ইশিতা)
:-ও।
:-আচ্ছা ইশিতা তোমার পরিবার থেকে আমাদের রিলেশন মেনে নিবে?
:-নিবে সোনা।
:-মনে হয়না নিবে।কারণ তোমার আর আমার মাঝে আকাশ পাতাল ব্যবধান।
:-আমার আব্বু আম্মুকে আমি চিনি উনারা আমার পছন্দের বাইরে যাবেনা।
:-তাই যেনো হয়।
ইশিতা আমার কানের কাছে মুখ এনে বললো তাই হবে।ইশিতাকে এত কাছে পেয়ে আমার মাথায় দুষ্টুমি ভর করে বসলো।আমি মুখটা ঘুরিয়ে ইশিতার ঠোঁটে কিস করে বসলাম।কিস করার পরে ইশিতার দিকে তাকাতেই দেখলাম ও আমার দিকে তাঁকিয়ে আছে।আমি এমন কিছু করে বসবো ইশিতা ভাবতে পারেনি।নিজের কাছেই এখন মনে হচ্ছে এটা কেনো করলাম।সারা রাস্তা ইশিতা আমার সাথে কথা বললোনা।ইশিতাদের বাসার সামনে রিক্সা থামতেই ও নেমে গেলো।আমাকেও নামতে বললো।রিক্সা ভাড়া দিয়ে রিক্সাওয়ালাকে বিদায় করলাম।চারদিকে অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছে।
হঠাৎ করে ইশিতা আমার কাছে এসে মাথা ধরে আমার ঠোঁটে কিস করলো।
:-শোধ নিলাম।(ইশিতা)
:-আরেকটা করি?(আমি)
:-এই তুমি এত দুষ্টু কবে থেকে হলে শুনি?
:-এখন থেকে।
:-দাঁড়াও তোমার দুষ্টুমির ভুত এখনি মাথা থেকে নামাচ্ছি।
কথাটা বলে ইশিতা আমাকে মারতে শুরু করলো।
এভাবেই চলতে থাকবে আমাদের দুষ্টু মিষ্টি ভালবাসা ।
*সমাপ্ত*
--
গল্পটা কাল্পনিক।কিন্তু বাস্তবে যদি আমরা সবাই মানুষের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিই তাহলে পৃথিবীটা অনেক সুখের হবে।আমাদের যার যতটুকু সামর্থ আছে ততটুকু দিয়েই অন্যকে সাহায্য করা উচিত।আসুন আমরা হিংসা বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের সাহায্য এগিয়ে আসি।বিশেষ করে ওই সকল মানুষের সাহায্য করবো যাদের ১বেলা খাবার থাকে আর দুইবেলা তাঁরা না খেয়ে থাকে।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ