āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1390 (1)

১ম পর্ব,
অতঃপর শুরু .........

.
লিখা:Ashraf Khanঅচিন পুরের অচিন মানুষ ............

.

প্রচন্ড কুয়াশার মধ্যে আমি এগিয়ে চলছি কলেজের দিকে। কলেজ থেকে অনার্স ১ম এবং ২য় বর্ষের ছাত্রছাত্রী এবং কয়েকজন শিক্ষক মিলে পিকনিকে যাব।আমাদের গাড়ি সকাল আটটায় রওয়ানা হবে।
.
এখন ঘড়ি সাতটা ত্রিশ বাজে,বাড়ি থেকে কলেজ বেশি দুড় নয় তাই কানে হেডফন লাগিয়ে গান শুনে শুনে, আস্তে আস্তে হেটে চলছি ।আজ প্রচন্ড কুয়াশা পড়েছে রাস্তাঘাট কিছুই ভালো করে দেখা যাচ্ছে না, মনেহয় না কুয়াশা এগারোটার আগে পরিস্কার হবে বলে।
.
আমার পরিচয়টা দিয়ে নেই, আমি আশরাফুল ইসলাম। অনার্স ২য় বর্ষে পড়ি।

পৌছে গেলাম কলেজে, সব কিছু শেষ করে গাড়িতে উঠলাম,গাড়ি চলতে লাগলো।সবাই বসে বসে মজা করছে গান গাচ্ছে কিন্তু আমি কানে হেডফন লাগিয়ে আমার পছন্দের একটা প্লে করে বাইড়ের দিকে চেয়ে আছি। আজকের আবহাওয়াটা খুব সুন্দরি বটে।
.
অনেক সময় পর ,,
উফ ,,বাইরের দিকে একভাবে অনেক্ষণ যাবত তাকানোর ফলে গাড়ে ব্যথা হয়ে গেছে।
দেখি ওদের সাথে একটু আড্ডা দেওয়া যায় কি না।
মাথাটা যেই গুরালাম,, ওমনি আমি চমকে উঠলাম।আমার পাশে একটি মেয়ে বসে আছে। সিটে হেলানদিয়ে বসে,, আমার মত কানে হেডফন গুজে আছে। আমার পাশেত আমার বন্ধু ইরহান বসা ছিল, ও কুথায় গেলো। চার পাশ চেয়ে দেখি পিছনের সিটে বসে আড্ডা দিচ্ছে।
.
হ্রামিরে দেখাচ্ছি মজা ,আমার কাছ থেকে চলে যায়? উফ ,,নড়তে পাড়ছি না যায়গা থেকে। কেমনে যে ইরহান কে ডাক দেই, এই বুদ্দি এসেছে ওকে একটা কল দেই। দিলাম কল, ,
-- হ্যলো।
-- আর হ্যলো, হ্রামি কুথাকার আমার পাশ থেকে চলে গেলি কেন?
-- রাগছিস কেন? স্যারত আমাকে তুলে ওই মেয়েটিকে বসিয়েছেন। মেয়েটির নাকি নিরবতা ভালো লাগে তাই আরেক নিরব দর্শক এর কাছে বসিয়ে দিছেন।
-- হ্লা, ,,,আমি নিরব দর্শক?দেখ এবার করি।
-- এই, এই ,আস্তে ওই মেয়েটিকে ডাকিস না যেন।
-- কেন কেন?
-- ওর ঘুম ভাংলে বমি করবে।
-- আশরাফ এভার লও টেলা তুমি মহা বিপদে পড়েছ। মনে মনে বল্লাম।
-- কি হলো কথা বলছ না কেন?
-- তুই আমায় যা পেছে ফেলচস। কথাত আমার মুখদিয়ে বের হতে চায় না।
--  আচ্ছা ,তুই মুখে আংগুল দিয়ে বসে থাক আমরা মজা করি।
-- ধুর ভাল্লাগেনা ..
টুট, ,,,টুট
.
এইরে, ,এই মেয়েটি দেখি জেগে গেছে।
-- আপনি জেগে গেছেন?
-- হুম কিন্তু,,
-- কিন্তু নয় আমাকে একটু রাস্তা দেন,আমি এখান থেকে বের হই।
-- না, না ,আমিই উঠে যাচ্ছি। আমার জন্যইত আপনার সমস্যা হচ্ছে?
বলেই চলে গেলো সামনের ,সামনে একটা সিট খালি ওঈ সিটে গিয়ে বসল।মেয়েটি খুব ভদ্র মনে হচ্ছে আর মুখটা ভিষণ মায়াবী ।
.
আমি গিয়ে ইরহানকে শায়েস্তা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু এখন আর মন চাইছে না।একটা ভালো কাজ হয়েছে এখনো একটা প্রেম করতে পাড়ি নি এবার করব, আমার সাথিত পেয়েই গেছি, হু।উহ, আমার ভালোবাসার শুরু হবে ভাবতেই কী রকম লাগছে।
.
যাই হোক,, আমার যে জায়গায় যাওয়ার কথা সেখানে পৌছে গেলাম। অনেক মজা মস্তি করে ফিরতে প্রায় সন্ধা হয়ে এসেছে।
.
পরদিন সকালে ঘুমিয়ে আছি,
ওমনি ত্রিং, ,,ত্রিং, মোবাইলে ডাকা শুরি করল।
স্কিনে চেয়ে দেখি ইরহান কল দিয়েছে,রিসিভ করলাম।

-- হ্যলো। (ঘুম ঘুম কন্ঠে)
-- তুই এখনো ঘুমে।
-- হু,ত কি করব?
-- কলেজ যাবে কে?
-- উফ, ,কি ঠান্ডা তার মাঝে আবার কলেজ যাব। তুই যা আমি আজ যাব না।
-- তুই আসবি না আমি তর বাড়ি আসব।
-- ধুর, তুই এসে কি করবি? আমার রুমের দড়জা বন্ধ।
-- ভাংব।
-- হ্রামি একটু শান্তিতে ঘুমাতেও দিবি না।
-- তারাতারি আয়।
-- আচ্ছা।
রেগে বল্লাম।
এই ঠান্ডার মধ্যে কেউ বিছানা ছেড়ে উঠে।
.
ফ্রেস হয়ে গেলাম কলেজে। গিয়ে দেখি ইরহান গেটের সামনে দাড়ানো।
ওর কাছে যাওয়া মাত্রই দিলো আমার পিটে ধুম করে বসিয়ে দৌড়।
আমিও পিছে পিছে, আমাকে মারে এত্ত সাহস ও পেলো কোথায়?
কারো সাথে আমার ধাক্কা লাগলো, কার  সাথে লাগলো না দেখেই স্যরি ,,বলে চলে গেলাম।
ক্লাসে গিয়ে ইরহান কে ধরে আচ্ছা মত শায়েস্তা করলাম ।
.
কিছু দিন পর, ,
আমি আর ইরহান ক্যম্পাসে বসে মোবাইল টিপছি।
হঠাৎ, ইরহান আমাকে বলে উঠল,
-- সামনে দেখ ।বলেই চলে গেলো।
কি দেখব আমি?মাথা তুলতেই দেখি পিকনিকে যাওয়ার পথে যেই মেয়েটির সাথে গাড়িতে দেখা হয়েছিলো, সেই মেয়েটি আমার দিকে অগ্নি  দৃষ্টিতে চেয়ে আছে।
আমি আবার কী করলাম ওর সাথে?তাছাড়া,,
আমিত খবর নিয়ে জেনেছি ও ১ম বর্ষে পড়ে আর আমি ২য় এদিকেও আমি সিনিয়র।
দেখি জিজ্ঞাস করে,আর নামটা জানি।
.
-- কী হয়েছে? এভাবে চেয়ে আছেন কেন?
-- চেয়ে আছি কেন আপনি জানেন না?
-- না বল্লে জানমু কীভাবে?
-- সেদিন আপনি কী করছেন?
-- কেন কি করছি?
-- ধাক্কা দিয়ে ফেলছিলেন কেন?
-- ওহ,মনে পড়েছে আমিত স্যরি বলেছিলাম।
-- শুধু স্যরি বল্লেই হলো। একটু জন্য আমি ইটে গিয়ে পড়িনি ,পড়লে কীহত জানেন?আর আমি এই কয়দিন আপনাকে ভালো করে সামনে পাই নি আর নাহয়,,
-- কি করতেন?
-- যা করবার করতাম।
-- ত এখন আমায় কী করতে হবে?
-- সবার সামনে ক্ষমা চাইতে হবে।
-- বল্লেই হলো?আচ্ছা চাইব, এখন আপনার নামটা বলবেন?
-- কেন নামদিয়ে কী করবেন?
-- নাম ধরে ক্ষমা চাইব।
-- আচ্ছা আমি যেহেতু ছোট নাম ধরে ক্ষমা চাইলে সমস্যা নেই, আমার নাম তানহা।
-- খুব সুন্দর নাম।
-- হু, কালকেই ক্ষমা চাইবেন।
-- আচ্ছা।
.
রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবছি মেয়েটি তুক্কু তানহাকে যেভাবে ভাবছিলাম সেভাবে নয়,আর এই কয়েকদিনে আমি ওকে মনথেকে খুব ভালোবেসে ফেলেছি। ও খুব রাগি। কাল কলেজ গিয়ে কী করব সেই চিন্তাই করছি, বলেত দিছি ক্ষমা চাইব কিন্তু সব কিছু কি বল্লেই হয়।
কাল আর কলেজ যাব না। পরদিন গিয়ে একবারে প্রপোজ করব।তারপর দেখা যাবে কি হয়।
.
মাঝে একদিন কলেজে না এসে আজ আসলাম।
দেখি কী হয়। এইত তানহা ওর বান্ধবীদের নিয়ে আমার দিকে আসছে।
সোজা আমার সামনে এসে দাড়াল।
-- কাল আসেন নি কেন?
-- এমনি।
-- তাহলে আজ ক্ষমা চান।
-- এই সবার সামনে ?
-- হুম।
যেহেতু আগে থেকেই ফুল নিয়ে আসছি তাই ওকে বল্লাম।
-- চোখটা বন্ধ করলে সুবিধা হত।
-- আচ্ছা এই করলাম।
আমার বুকটা ধুকপুক করছে, তুবুও হাটু গেড়ে ওর সামনে বসে পকেট থেকে ফুল বের করে বলা শুরু করলাম।
-- তানহা আমি তুমায় প্রথম দেখায় বড্ড বেশি ভালোবেসে ফেলেছি। তুমি কি আমায় একটু বাসবে ভালো? আর আমি সেদিনের না দেখে ধাক্কার জন্য অত্যন্ত দুঃখীত।
-- কী? ????
সবাই অবাক হয়ে গেছে। আমি ফুলটা কোনো মতে ওর হাতে দিয়ে দৌড়ে চলে গেলাম।
.
দুড়ে গিয়ে ভাবছি। এটা কি ঠিক করলাম?ভালো করে পরিচিত হবার আগেই প্রপোজ করে দিলাম।
নাহ, যা হবার হয়েছে এখন দেখি পড়ে কি হয়।

.

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ