গল্পঃ #তুমি_রবে_নিরবে
,
আকাশটা মেঘলা কিন্তু বৃষ্টির ছিটে ফোঁটাও নেই, আশে পাশের পরিবেশটাও শুষ্ক, মাঝে মাঝে হালকা বাতাস ও বইছে, বলা যায় এক বিমর্ষ প্রকৃতি। বরাবরের মত পরিবেশটা আমার কাছে ভালো লাগে। এমন পরিবেশ দেখলেই কোথাও না কোথাও চলে আসি পরিবেশটা উপভোগ করার জন্য, তাই এবার ও আর বিলম্ব না করে চলে আসলাম সি.আর.বি তে। জায়গাটা সুন্দর বলা চলে। চার দিকে বিভিন্ন বয়সের মানুষ কে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যাচ্ছে, আমার বয়সি ছেলেদের ক্যামেরা নিয়ে দোড়াদোড়ি করতে ও দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন মানুষ কে দেখলাম আনন্দ উপভোগ করতে আসছে, কিন্তু আমি এসেছি প্রকৃতির বিমর্ষতা উপভোগ করতে। আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম আমার মত একা কেউ এসেছে কী না, কিন্তু আমার মত কাউকেই দেখতে পেলাম না। নিজেকে বড়ই দুর্লভ মনে হচ্ছে। অবশ্য আমার মত মানুষ দুর্লভ ই। এসে একটা গাছের শেকড়ে বসলাম, কিন্তু গাছের উপরে একটা কাক খুব জালাচ্ছিলো তাই এসে একটা বাংলোর পাশে বসলাম। আমার সামনে দিয়ে অনেক প্রেমিক যুগল হেঁটে যাচ্ছে, দৃশ্যটা আমার একাকীত্বের যন্ত্রনা কে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। পাশ দিয়ে একটা কুকুর কে যেতে দেখলাম, ভাবলাম ওটার সাথে কিছু সময় কাটানো যায় তাই কুকুরটা কে ডাকলাম, কিন্তু কুকুর টাও আমার ডাক অগ্রাহ্য করলো। এই মুহুর্তে নিজেকে খুব মুল্যহীন মনে হচ্ছে। হেডফোন টা বের করে একটা গান চালু করলাম,,,
,,,,,,ভালোবেসে সখি নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে,,,,,,,,
এই বিমর্ষ প্রকৃতি তে গানটা শুনতে খারাপ লাগছে না। আকাশের দিকে তাকিয়ে গানটা শুনতে ভালোই লাগছে। ,
হঠাৎ কেউ একজন সৈকত সৈকত
বলে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলো, ঘটনার আকষ্মিকতায় আমি খুব হতবাক হয়ে পরি। পেছনে তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে,,
- আরে!! কে আপনি!? ছাড়ুন বলছি,,
> সৈকত আমি রুশা,,
- কোন রুশা.? ছাড়ুন আমাকে,, আমি সৈকত নই।
> প্লিজ, সৈকত প্লিজ আমার সাথে চলো,, আর রাগ করে থেকো না।
- আরে কী আজে বাজে বলছেন.? সরুন তো,
এমন সময় এক লোক এসে মেয়েটা কে নিয়ে যাচ্ছে, মেয়ে টা যেতে চাইছে না, তারপরও জোর করে মেয়েটাকে এখান থেকে নিয়ে গেল। আমার এখনো আকষ্মিকতা কাটে নি। একটু পর লোকটি আবার এলো।
> তোমার নাম কী বাবা..?
- নয়ন
> ও,,ঘটনাটার জন্য আমি দুঃখিত বাবা, রুশা আমার মেয়ে।
- না না, ঠিকআছে,, কিন্তু ও এরকম করলো কেন.?
> কী বলবো দুঃখের কথা। এই তো মাস দুয়েক আগেও রুশা ভালো মেয়ে ছিলো। সৈকত নামের একটা ছেলের সাথে ওর সম্পর্ক ছিলো। আমরা তখন কিছু জানতাম না, আর ছেলেটা কেও চিনতাম না, পরে ওর বান্ধবীদের কাছ থেকে শুনেছি। এখন হঠাৎ করে সৈকতের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর থেকে ও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে , আজ অনেক দিন পর ওকে বাসার বাইরে নিয়ে আসলাম তাই তোমাকেই সৈকত ভেবে বসেছে।
,
এ কথা বলে লোকটি একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন, বোঝাই যাচ্ছে ওই শ্বাসে কতটা কষ্ট ভেসে আসছে। লোকটা ভেবেছে হয়তো আমি কিছু বলবো, কিন্তু আমি কিছুই বল্লাম না, শুধুই লোকটার দিকে চেয়ে আছি। একপর্যায় লোকটা আমার হাতটা ধরে বল্লো,,
> বাবা আমার একটা কথা রাখবে..?
আমি কম্পিত গলায় জবাব দিলাম,,
- হ্যাঁ বলুন।
> তুমি আজ থেকে রুশার জীবনে সৈকত সাজবে.? প্লিজ বাবা,, ও আমার একমাত্র মেয়ে, ওর কিছু হলে আমি আর ওর মা কেউই বাঁচবো না। আমার মেয়েটা কে বাঁচাও বাবা, ডাক্তার রা প্রায় সময় ওকে ঘুম পাড়িয়ে রাখে। ওর কষ্ট আমি আর সহ্য করতে পারছি না। ও তোমাকে সৈকত ভাবতে শুরু করেছে,, তুমিই পারবে ওকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে।
,
আমি মূর্তির মত দাড়িয়ে লোকটির দিকে চেয়ে আছি। লোকটির চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছে, হয়তো লোকটি আমার বাবার বয়সি হবে যদিও নিজের বাবাকে কখনো দেখি নি। এ সময় আমি কি বলবো এটা খূঁজে পাচ্ছিলাম না, তবে লোকটির চোখের জল আর প্রানের আকুতি এড়াতে পারলাম না।
- ঠিকআছে আংকেল, আপনি যা বলছেন তাই হবে।
লোকটি যেন ঈদের চাঁদ হাতে পেলেন। খুশিতে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন।
> বাবা, তোমার প্রতি কি বলে কৃতজ্ঞতা জানাবো এর কোনো ভাষা নেই। তুমি এখনই একবার আমার সাথে আমার বাসায় চলো।
আমি আর কিছু বল্লাম না, ওনার সাথে বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা হলাম।
প্রায় বিশ মিনিট পর আমি ওনার বাসায় পোঁছালাম।
ওনার বাসায় এসে বুঝতে পারলাম লোকটা যথেস্ট বিত্তশালী ব্যাক্তি। এত ধনী পরিবারের মেয়ের এমন করুন দশা আমাকে খুব অবাক করেছে। বাসায় ঢুকে লোকটির পেছন পেছন যেতে লাগলাম, লোকটি একটা রুমের সামনে এসে থামলো, ওই রুমের ভেতর থেকে আমি একটা মৃদু কান্নার আওয়াজ পেলাম। বুঝতে বাকি রইলো না এটাই রুশার রুম। আংকেল একবার আমার মুখের দিকে তাকালেন, আবার ওই রুমের ভেতর প্রবেশ করলেন, সাথে আমিও করলাম।
আমাকে দেখে মেয়েটির ক্রন্দনরত মুখটা মুহুর্তেই হাস্যজ্বল মুখে পরিনত হলো। মেয়েদের সৌন্দর্যের বর্ননা দেওয়া আমার সাধ্যেরও অতীত। তবে মেয়েটাকে দেখা মাত্র আমি এক অদ্ভুত মায়ায় পরে গেলাম। মেয়েটির মুখখানা যথেস্ট মায়াবী, ওর নাম রুশা না হয়ে মায়াবতী হলে আরো ভালো হত, রুশা নামটাও খারাপ না। রুশা আমাকে দেখে যেন তার হারিয়ে যাওয়া মহা মুল্যবান বস্তু খুঁজে পেলো। তখনকার মত মেয়েটিকে বুঝিয়ে সুজিয়ে ঘুমপাড়িয়ে চলে এলাম আমার মেসে। শুয়ে শুয়ে নিজের ভাগ্যের কথা চিন্তা করতে লাগলাম।
পরেরদিন সকাল সকাল রুশার ফোন পেয়ে চমকে উঠলাম, এখনি ওদের বাসায় যেতে হবে, আর সকালের নাস্তাটাও ওখানে করতে হবে। আমিও আর কিছু না বলে ওদের বাসায় চলে গেলাম। গিয়ে দেখি মেয়েটি আমার জন্যেই অপেক্ষায় ছিলো, সবাই মিলে একসাথে নাস্তা করলাম কিন্তু আসার সময়ই বাঁধলো বিপত্তি, রুশাও নাকী আমার সাথে ঘুরতে যাবে, আমাকে কোনো ভাবেই ছাড়বে না, কী মহা ঝামেলা, অসহায়ের মত ওর বাবা মায়ের দিকে তাকালাম কিন্তু তারাও আমার দিকে অসহায়ের মত তাকিয়ে আছে। অগত্যা ওকে নিয়ে আসতেই হলো। ওকে নিয়ে আবারও সেই জায়গায় গেলাম যেখানে ওর সাথে প্রথম দেখা হয়ে ছিলো। জায়গাটাতে আসলে নিজের মাঝে একটা ভালো লাগা কাজ করে। দুজন হাঁটছিলাম হঠাৎ খেয়াল করলাম রুশা আমার হাতটা ধরে হাঁটছে। দিন দিন ওর প্রতি খু্ব দুর্বল হয়ে পরেছি সেটা এখন বুঝতে পারছি। বুঝতে পারছি ও আস্তে আস্তে আমার হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে। কিন্তু পরক্ষনেই একটা কথা ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গেল, আমি ওকে ঠকাচ্ছিনা তো..?? রুশাকে নিয়ে সেই আগের জায়গাটাতে গিয়ে বসলাম। একটা চাওয়ালা থেকে দুকাপ চা আর দুটো বিস্কিট নিয়ে খেতে লাগলাম, এই খোলা পরিবেশে চা খেতে একটা আলাদা মজা রয়েছে সেটা এখন বুঝলাম। হঠাৎ সেইদিনের কুকুরটাকে দেখলাম আজ নিজে থেকেই আমার কাছে আসছে। এ এক কঠিন সত্যকে মনে করিয়ে দিলো। এটা ভেবে একটু হাঁসি পেল। হাতের বিস্কিটা ছুড়ে ফেল্লাম আর সাথে সাথেই কুকুরটা তা লুফে নিলো।
,
> কী হলো তুমি এমন হাঁসছো কেন..?
-- এমনিই,,
> এমনি মানে.?
-- এমনি মানে এমনিই,
> এই তুমি এত অদ্ভুত হলে কবে থেকে বলতো..?
-- আমিতো বরাবর ই অদ্ভুত।
,
কেটে গেল প্রায় চারটা মাস। ওর সাথে খুনসুটিময় এক অদ্ভুত সম্পর্ক চলতে লাগলো। ইদানিং ও আমার হৃদয়ের অনেকাংশ জুড়ে স্হান করে নিয়েছে। কিন্তু ও এখনো আগের মতই আছে। ওর সবকিছু স্বাভাবিকই আছে কিন্তু আমাকে এখনো সৈকতই ভাবছে। বিষয়টা আমার কাছে কেন যেন এক অদ্ভুত ব্যাপার এর মত লাগে। মাঝে মাঝে এক অজনা ভয় মনের মাঝে উঁকি দেয়, এর শেষ কী হবে.?
,
আজ চার দিনের মত রুশার সাথে তেমন কোনো কথা বার্তা হয় নি। একটা বিশেষ কাজে ব্যাস্ত ছিলাম তাই আর আমিও তেমন কোনো খোঁজ খবর নিই নি, ভাবছি একেবারে ওর বাসায় গিয়ে দেখা করবো।
,
কলিংবেল বাজানোর সাথে সাথে আংকেল দরজা টা খুলে দিলেন। উনি আমাকে দেখে তেমন কোনো দ্রুক্ষেপ করলেন না। ওনার আচরনের বেশ পরিবর্তন লক্ষ করলাম। রুশার কথা জিজ্ঞেস করতেই বল্লো ও ওর রুমে আছে। আমি আর কিছু না বলে রুশার রুমের দিকে যেতে লাগলাম, মানুষগুলোর কেমন একটা পরিবর্তন লক্ষ করছি। ওর রুমে গিয়ে দেখি ও ফোনে কার সাথে কথা বলছে আমাকে দেখে ফোন টা রেখে দিলো।
-- কেমন আছো.?
> ভালো, তুমি.?
- ভালো,,
মেয়েটাও কেমন পাল্টে গেছে। আমাকে নিয়ে সবার একটা আগ্রহ ছিলো, কিন্তু আজ যেন সব শেষ হয়ে গেছে। এ চার দিনে কী এমন হলো.?
> তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো,
- হ্যাঁ বলো,,
> এখন না, আজ বিকেলে একবার দেখা করো, তখন বলবো।
-- আচ্ছা।
আমি আর কিছু না বলে চলে এলাম। ওদের সবাইকে আজ কেমন জানি এক অপরিচিত অপরিচিত মনে হচ্ছে। মনের মাঝে নানান চিন্তা উঁকি দিচ্ছে।
,
অতঃপর বিকেলবেলা সেই জায়গাটাতে রুশার অপেক্ষায় আছি। আজও প্রকৃতি সেদিনের মত বিষন্ন সাজে সেজেছে, কিন্তু আজ এই বিষন্নতা কেন জানি ভালো লাগছিলো না।
হঠাৎ রুশার আগমন,
> কেমন আছ নয়ন..?
-- হ্যাঁ ভালো,,
হঠাৎ আমার বুকটা যেন দুমড়ে উঠলো। ওর তো আমাকে সৈকত বলার কথা। তবে কী ও..!!
> কি ভাবছো.?
-- না মানে নয়ন কে..?
> নাটক আর কতদিন করবে..? এবার নাটকটা শেষ করা দরকার।
-- মানে..?
> এখনো মানে বলতে হবে..? আমি আরো একমাস আগে থেকেই জানতাম তুমি সৈকত নও। তখন কিছু বলি নি, কারন তখন সময় কাটানোর জন্য একজন দরকার ছিলো। কিন্তু এখন আমি সৈকতকে পেয়ে গেছি।
-- তার মানে তুমি একমাস আগে থেকে আমার সাথে অভিনয় করছিলে..?
> হ্যাঁ, যেমনটা তুমি আমার সাথে করেছিলে।
আমি আর কিছু বল্লাম না। মনে হয় হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এমন সময় রুশার কাছে আমার বয়সি একটা ছেলে এলো। তারা দুজনে একে অপরের হাত ধরে হেঁটে চলে যেতে লাগলো। দৃশ্যটা যে আমার কাছে কতখানি কষ্টের তা বোঝানোর মত ভাষা আমার নেই। চোখের জলটা কে অনেক্ষন আগে থেকেই আটকে রাখার চেষ্টা করছি কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যার্থ। হঠাৎ ফোনটা কেঁপে উঠলো, ফোনটা ধরতেই রুশার বাবা জিজ্ঞেস করলো,,
> তুমি কোথাই..??
-- আপনার সাথে যেখানে প্রথম দেখা হয়েছিলো ঠিক সেখানেই আছি।
ঠিক দুই মিনিট পরই রুশার বাবা এখানে এসে হাজির হলো। উনি এসেই প্রথমে একটা সিগারেট ধরালেন। তারপর পকেট থেকে একটা ছোটখাট টাকার বান্ডেল বের করলেন।
> এই নাও এটা তোমার পারিশ্রমিক।
আমার চোখেরজল ততক্ষনে শুকিয়ে গেছে। আমি টাকাটার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইলাম। আমার কিছুটা হাঁসি পেল। ওনার সিগারেটের ধোঁয়া গুলো আমার নাকে এসে লাগছে। সিগোরেট খাওয়ার একটা পুরোনো অভ্যাস আমার ছিলো যেটা বেশ কিছুদিন বন্ধ আছে।
-- আংকেল একটা সিগারেট দিন তো,,
উনি বিস্ময়ের সাথে আমার দিকে একটু তাকিয়ে তারপর একটা সিগারেট বাড়িয়ে দিলেন। আমি ওটা নিলাম,
-- লাইটার টাও একটু দিন।
উনি লাইটার টাও বাড়িয়ে দিলেন। আমি সিগারেট টা ধরিয়ে ওনাকে একটা ধন্যবাদ দিলাম, আর বল্লাম,,টাকাটা আপনার কাছেই রেখে দিন।
ওখানে আর দেরী করলাম না, সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে হাঁটতে লাগলাম। হেডফোনটা বের করে একটা গান বাজালাম,,,
,,,,,তুমি রবে নিরবে হৃদয়ে মম,,,,,,
,,,,,,,,,,,,,তুমি রবে নিরবে,,,,,,,,,,,,,
,
,
#Noyan_Bhowmik
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
1378
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ŧ:ā§Ēā§ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ