āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1370

#ছাদঘরে
.
অানমনে গান গেয়ে যাচ্ছি।অাজকাল অার অাগের মত রোমান্টিক গান গাইতে বা শুনতে কোনটাই ভালোলাগে না।তাই ছাদঘরে একা বসে গাইছি।
'গাজার নৌকা পাহাড় তলি যায় ও মীরাবাই
গাজার নৌকা পাহাড় তলি যায়...
গাজা খাবো অাটিঅাটি মাদ খাবো বাটিবাটি ফেন্সি খেলে টাস্কি খেয়ে যাই
ও মীরাবাই।গাজার নৌকা পাহাড় তলি যায়।
জানি অাসবে না তুমি অাধারে এই কানাকানি।
জানি অাসবে না তুমি বাতাসে এই কথা শুনি।
তোমায় ভুলে গাজার নৌকাই বাই ও মীরাবাই।
গাজার নৌকা পাহাড় তলি যায়;
.
এখনো সন্ধ্যা হয়নি।এর মধ্যেই চারপাশে অাবছা অন্ধকারে ছেয়ে যাচ্ছে।যেন অালো চলাচলের সব পথ অাজ অবরুদ্ধ।একটা সময় মনে হলো হয়তো অামার নিজের ঘড়িই বন্ধ হয়ে অাছে,সময় বাড়ছে টের পাচ্ছি না।কানের কাছে ঘড়ি ধরতেই ঘড়ির অাওয়াজ ছাপিয়ে তনুর গলা শোনা গেল।তনু ওদের ছাদের যেখানে ইটের স্তুপ রয়েছে।সেখান থেকে ভাঙা একখন্ড ইটের কোনা হাতে নিয়ে ক্ষিপ্ত গলায় বলল,মাত্র কদিন দেখা নেই এর মধ্যেই গাজার নৌকা বাইতে শুরু করলে?
কয়েকদিন ধরে তনুর কোন খোঁজ খবর নেই।তনুকে না পরছি দেখতে না পারছি ওর সাথে ফোনে কন্ট্রাক্ট করতে।অাজ হঠাৎ তনুকে এভাবে দেখে অামি চমকে বললাম,কি হয়েছে তোমার?কোথায় ছিলে এতদিন?
তনু ধরা গলায় বলল,হঠাৎ করে দাদুর মৃত্যুতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া।সেখানে গিয়ে কিছু বুঝে ওঠার অাগেই ফোনটা চুরি হলো।
তনু এবার মাথা উচিয়ে খানিকটা ভ্রুকুচকে বলল।এখন তুমি বলো মাত্র এই কদিনেই গাজার নৌকা কবার বেয়েছ?
অামি কিছুটা ইতস্তত ভাবে অামতা অামতা করে,না মানে একবারও না।
তনু এবার যান্ত্রিক দৃষ্টিতে চেয়ে হাতের ইটটা তেড়ে অনেকটা ক্ষেপাটে ভঙ্গিতে বলল।
একবারও না?ইচ্ছে করছে একদম মাথাটা ফাটিয়ে দেই,এই তুই অামার সাথে মিথ্যা বলতে পারিস না তারপরও কেনো বলিস?
অামি সৌজন্যতার হাসি হেসে ভীতিবিহ্বল চোখে পলকহীনভাবে তনুর দিকে চেয়ে থাকলাম।তনুও স্থিরদৃষ্টিতে অামার দিকে চেয়ে অাছে।তবে তার সে চাহুনি জুড়ে অাছে হাজারো প্রশ্নের বিচরন।
.
এই অসম্ভব রাগি মেয়েটা অামার মন খারাপের কারন।তার রাগের পরিমান খানিকটা বেড়ে গেলেই অামাকে তুই অথবা অপনি বলে সম্বোধন করে।তবে সে রাগের কত ডিগ্রিতে অাপনি কত ডিগ্রিতে তুই বলে তা অামি নির্দিষ্ট করে জানি না।বেশ কয়েকদিন ধরে তার সাথে কোন ভাবেই কন্ট্রাক্ট করতে পারছি না।
যখন খুব বেশি কাছের মানুষগুলো নিরুদ্দেশ হয়ে যায়,ঠিক তখনই শুরু হয় নির্ঘুম চোখে হাজারো রাত্রিজাপনের কিছু বিষাদিত গল্পের।কাছের মানুষের সাথে বিচ্ছেদ মানেই তো বুকের ভেতর চিনচিন ব্যথা।
কিন্তু তনুকে কখনই অামার অসম্ভব সুন্দরী মনে হয় না।ওর মধ্যে ঘটা করে বলার মত তেমন কিছুই নেই।মেয়েটা না পারে সুন্দর করে কথা বলতে,না পারে গুছিয়ে চুল বাঁধতে।তবুও তাকে অামার অসম্ভব ভালোলাগে।তার চোখে থাকে অগ্নিকেতু,অগোছালো তার চুল গুলো,সে কখনই গুছিয়ে কথা বলতে পারে না।তবে তার এমন শত না এর মধ্যে অামি খুজে পাই কিছু অদ্ভুত অনুভূতি।তনু বলে অামাদের এমন সম্পর্কের নামই নাকি ভালোবাসা,তবে সে কতটা সত্যি বলে তা অামি জানি না।হয়তো কখন জানতেই চাইনি।কিন্তু তার প্রতি অামার ভালোলাগা সেই প্রথম দিন থেকেই অনেকটা অালোর গতিতে বেড়েই চলছে।এই বাড়তে থাকা ভালোলাগার পেছনে অবশ্যই যথাযথ কারন রয়েছে।কারন তার সকল চাওয়া পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দতে শুধুই অামি।অামি ঠিক থাকলেই সে স্বস্তিতে থাকে।অামার অর্থ সম্পদ দোষগুণ এসব নিয়ে সে কখনই কোন প্রশ্ন করে না।অামি যেমনটা অাছি যেভাবেই বাঁচি সেভাবেই সে অামাকে চায়।এর প্রমান অামি বহুবার পেয়েছি।এই যান্ত্রিক শহুরে জিবনে এতএত চাহিদাতত্ত্ব চলা সত্ত্বেও তার চাহিদার কেন্দ্রবিন্দু জুড়ে শুধু অামার চলাচল।
.
একটা শিশির ভেজা স্নিগ্ধতা ছড়ানো শীতের সকালে অামি তাকে প্রথম দেখেছিলাম।সেদিন সকালটা ছিলো সত্যিই অদ্ভুত সুন্দর।অামি ছাদঘরের এককোনে বসে গলাছেড়ে গাইছি।
`শীতলও বাতাসে দেখেছি তোমায়,
`মেঘও মিলনে চেযে রাগ করো না,
হঠাৎ পাশের ছাদে ঢক করে শব্দ হলো।তাকিয়ে দেখি ছিপছিপে একটা মেয়ে,মেয়েটা গভীর অাগ্রহে অামার দিকে চেয়ে অাছে।অামার চোখেচোখ পরতেই চট করে মাথাটা নামিয়ে নিলো।অামি প্রায় প্রতিদিনিই ছাদে সময় কাটাই।মাঝেমাঝে এমন কিছু শব্দও শুনতে পাই,অনুমান করি কারও উপস্থিতির,কিন্তু কখনই কাউকে সশরীরে চোখে পরেনি।অাজ হঠাৎ করেই কারও এরূপ উপস্থিতিতে অামি খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে পরলাম।অামি বিস্ময়ের দৃষ্টিতে চেয়ে অাছি।মেয়েটা খাবি খেতেখেতে অামার দিকে কেমন যেন পিটপিট করে তাকিয়ে নাক বরাবর তর্জনী উচিয়ে কিছু বলতে চেয়েও বলল না।সে খুব দ্রুততার সাথে ছাদথেকে চলে গেলো।অবশ্য যাওয়ার পূর্বে সে রহস্যজনক দৃষ্টিতে অামার দিকে চেয়েছিল।রহস্যজনক মনে হলো কারন তার সে চাহুনিতে কিছু হাসির বিচরন ছিলো।তারপরে শুরু গণ্ডেপিণ্ডে চোখাচোখি।অামি মাঝেমাঝে কিছু সাদা কাগজের চিরকুট পেতে শুরু করলাম।হ্যাঁ কিংবা না এসব দিধায় ভুগতে ভুগতে একটা সময় সম্পর্কে জালে অাটকে গেলাম।সত্যিই অামি তারে শীতলও বাতাসে দেখেছিলাম।
.
তনু কঠিন গলায় বলল`সেই কখন থেকে তাকিয়ে অাছো,কিছু বললে বলো না হলে সত্যিই মাথা ফাটাচ্ছি।
তার হাতে এখনও সেই ইটের টুকরা অাছে কিনা তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না।অন্ধকারে একদম চারিপাশ ছেয়ে অাছে তনুকে অস্পষ্টভাবে দেখছি।তবে সে যেমন রাগি তাতে ইট অামার মাথায় না পারলেও অাশেপাশে পরতে পারে।এই মুহূর্তে কোন ইন্টারেস্টিং গল্প বলে তাকে অভিভূত করতে হবে।হুটকরে কারও হাসির শব্দ পেলাম,কিন্তু এই অসময়ে ছাদঘরে কে বা কারা?মনে হচ্ছে কয়েকজন মিলে হাসছে,সে হাসির শব্দে শুনে মনে হচ্ছে তাদের হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরার মত অবস্থা।অামি পেছনে ফিরতে কাউকে চোখে পরলো না।তবে হাসির সে শব্দ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।কাউকে না দেখে অামি সামনে তাকিয়ে দেখি তনুও নেই।এত অল্পতে কোথায় মিলিয়ে গেলো সে?
চলবে.....
©Hasibur Rahman Joy(অনুভূতিওয়ালা)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ