(গল্প :দুষ্টু বউয়ের মিষ্টি ঝগড়া)
.
.
-এই নাও ব্যাগ তারাতারি বাজারে যাও?
-পারব না রিফাত কে বল।
-নিজে কি করেন হ্যা আজ তুমি বাজার
করবা?
-দেখো না গান শুনছি আর ফেসবুক চালাচ্ছি!
-ওহ হ্যা নিশ্চয় মেয়েদের সাথে লুতুপুতু করা
হচ্ছে।
-ধুর এই সব কি বল?
-আমি তোমাকে ভাল করেই চিনি, তুমি
সেদিন ওই মেয়েটিকে ছিঃ কি সব ইজ্ঞিত।
-কি সব ইজ্ঞিত মানে?
-বুঝো না বুঝি। যাও বাজার করে নিয়া আস
নইলে দুপুরে মুখে খাবার জুটবে না হু।
বউ না যেন এটোম বোম। যে কোন সময়
ফুটবে
তখন আমার ফাটবে। আমাদের বিয়ে টা
পারিবারিক ভাবেই হয়েছে। বিয়ার আগে দুই
জন দুই জনের শুধু ছবি দেখে ছিলাম। আর
কিছুই জানতাম না।তবে তিথির ছবি দেখেই
প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। ওহ সরি আমার
গিন্নির নাম হল তিথি। যেমন সুন্দর তেমনি
ডাইনি। একটু ভুল করলে থার্ড ড্রিগ্রি দেয়া
শুরু করে।
-এই শুন না? (আমি)
-কি? একটু মুচকি হেসে (সুমাইয়া)
-একটু কাছে আসো না?
-আমি আসব কেনো যাও তুমি তোমার
ফেসবুকের সেই মেয়েগুলার কাছে।
আমাকে
একটু ও ডাকবা না। (কিছুটা রেগে)
-যাক বাবা তারা কি আমার লক্ষি বউ নাকি?
তুমি আমার লক্ষি বউ তাই যত বার ইচ্ছা
ডাকব।
-আসছে রে আমার জামাই টা হু
-এই শুনছো
-কি?
-একটু কাছে আস না!
- এই দুষ্টুমি করবা না। ছারতে বলছি তা না
হলে বাবা মাকে ডাক দিব সাথে
রিফাতকেও।
- না ছারব না।
..........
বিয়া টা পারিবারিক ভাবে হলেও, কখনো
মনে হয় নি বিয়ার আগে দুই জন অপরিচিত
ছিলাম। বিয়ার প্রথম রাতে যখন তিথির
সাথে প্রথম কথা বলি তখন কিছুটা অবাক,
সাধারনত সুন্দর মেয়েদের কন্ঠ সুন্দর হয় না
কিন্তু এখানে তো বিপরিত ঘটল। পুরাই
কোকিল কন্ঠ। তবে একটু রাগি বিয়ের প্রথম
রাতেই ঝাড়ি খেয়েছিলাম। সেদিন থেকে
রোজ খেয়ে আসতেছি। এটা একটা দৈনিক
রুটিনে পরিনিত হয়েছে। তার ঝাড়ি না
দিলে পেটের ভাত হজম হয় না আর আমার না
খাইলে। মাঝে মাঝে তার ঝগড়া গুলি খুব
ইনজয় করি। তার দুষ্টু মিষ্টি ঝগড়ার জন্যে
মাঝে মাঝে জেনে শুনে ভুল করে থাকি।
তার আরেক টা জিনিস আমার খুব ভাল লাগে।
অতিমাত্রায় রেগে গেলে তুই তুকারি করা
টা। তখন তাকে দেখতে এত কিউট লাগে যা
বলার বাইরে। নাক আর কান পুরা লাল হয়ে
যায়। চোখে পানি টলমল করে। মনে হয় আষাঢ়
মাসে রাগান্বিত আকাশ এই বুঝি বৃস্টি আসল
কিন্তু দক্ষিনা বাতাসের জন্যে তা আসল না।
ঠিক তেমনি বউ যখন বেশি রেগে যাবে
চোখে পানি আসার আগেই আমার সামনে
থেকে চলে যাব। বিষয় টা খারাপ হলেও
উপভোগ করার মত একটা মূহর্ত।
মেয়েটা আমাকে খুব বেশি ভালবাসে।
একদিন অসুস্থ ছিলাম তার কি কান্না আর
সেবাযত্ন দেখে আমি মুগ্ধ। তিথির মধ্য একটা
ভাল গুন আছে সেটা হল মেয়েটা খুব
তারাতারি মানুষের মন জয় করতে পারি।
আমার মেজো চাচির মত মানুষের মন দুই দিনে
জয় করে নিয়েছিল যা আমি ২৫ বছরেও পারি
নি।
-ওই তোর ফোন ওয়েটিং এ ছিল কেনো?
(সুমাইয়া)
আমার ফোন ওয়েটিং এ পেলে আর পাশের
বাসার মেয়েটির সাথে কথা বলতে দেখলে
তার মাথা ঠিক থাকে না।
-বসের ফোন আসছিল?
-মিথ্যা কথা বলার যায়গা পাইলি না বস
ফোন দিছিলো তাই না আজ তুই ঘড়ে কি করে
ডুকিস তাই দেখব।
কথা টা বলেই ফোন রেখে দিল। কি মেয়ে
রে বাবা। অফিসে তেমন কাজ না থাকায়
বাসার উদ্দেশ্য রহনা দিলাম। যাওয়ার সময়
ফুলের দোকান থেকে দুইটা রজনীগন্ধা
ফুলের
মালা নিলাম।।তিথির খুব পছন্দের ফুল।
বিশেষ করে খোপাতে পড়তে খুব বেশি
ভালবাসে। ফুল নিয়ে দরজায় দুইবার কলিং
বেল বাজানোর পর দরজা খুলে দিল। আমাকে
দেখার পর দরজা লাগিয়ে দিয়ে সোজা
নিজের রুমে চলে গেল তিথি। বুঝতে আর
বাকি রইল না মেয়েটা কান্না করে চোখ
ফুলে ফেলছে। আসতে আসতে রুমে
গিয়ে তার
খোপায় মালা পরিয়ে দিলাম।
-ওই তুই কার সাথে এতক্ষন কথা বলছিলি?
(সুমাইয়া)
-সত্যি বলছি বউ বসের ফোন ছিল। অফিসের
জরুরী কাজের জন্যে।
-সত্যি বলছ তো নাকি কোন মেয়ে ফোন
দিছিলো?
-হ্যা মেয়েই ফোন দিছিলো? (একটু রাগানো
জন্য?
-থাকো তুমি তোমার ওই মেয়েকে নিয়ে
আমি
চলাম বাপের বাড়ি?
বলতে বলতে নিজের ব্যাগ গুচানো শুরু করল।
যদিও এটা আজ প্রথম না বেশ কয়েকবার এমন
করেছে, ব্যাগে কাপড় ভরা অব্ধি বাবার
বাড়ি তো দুরের কথা রুমের বাইরেও যাবে
না।
-সত্যি চলে যাবে? (একটু মুচকি হেসে)
-হ্যা চলে যাচ্ছি।
-যাও, পাশের বাসার মেয়েটিকে নিয়ে আসব
তাহলে।
-হ্যা জানতাম এটাই বলবা আমি যাই আর তুমি
আরেক জন নিয়া আসবা সেই সুযোগ আর দিব
না ইন্দুর, বিলাই, হনুমান, গরু
-হা হা হা
-ওই হাসবা না
-আচ্ছা মহারানী। একটু কাছে আসো।
,
হাত ধরে কাছে টেনে নিয়া। চোখের পানি
মুচে দিয়ে বুকে জরিয়ে ধরলাম পাগলি
টাকে। পাগলি টাও আমাকে জরিয়ে
রেখেছে খুব শক্ত করে। এভাবে কেটে
যাচ্ছে আমাদের দিন গুলি।
,
অল্প খুনশুটি আর ভালবাসার ফুলঝুড়ি।
কেটে যাচ্ছে দিনগুলি।
মাঝে মাঝে ভুলকরি তার মুখের বকা শুনি।
তাকে যে আমি খুব বেশি ভালবাসি।
তাইতো বার বার তাকে রাগিয়ে তুলি।
কাল্পনিক কাহিনি এগুলা আমার আর আমার বউ
এর কেউ নজর দিবেন না কিন্তু
আল্লাহ তুমি এমন একটা বউ দিও কপালে আমার
#ভদ্র_পোলা (রাজ)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
1362
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ŧ:ā§Šā§¨ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ