āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1359 (1)

অবশেষে পিচ্ছি মেয়ের সাথে বিয়ে
লেখক:আমি হিমু
১ম পর্ব
-
:কিরে পিচ্চি কী করিস(নিলয়)
:ওই তুমি আমাকে পিচ্চি বলবানা।আমি মোটেও পিচ্চি না।(মায়া)
:কে বলেছে তুই পিচ্চি না।
:আম্মু বলেছে।আর আমি ইন্টারে পড়ি আমি মোটেও পিচ্চি না।এরপর তুমি যদি আমাকে পিচ্চি বলো তাহলে তোমার খবর আছে।
রাগ কটকট করতে করতে কথাটি বলে চলে গেলো মায়া।
এতক্ষণ কথা হচ্ছিলো নিলয় আর মায়ার মধ্যে।মায়া নিলয়ের খালাতো বোন।নিলয় এবার অনার্স ৩য় বর্ষে পড়ে আর মায়া এবার ইন্টারে ভর্তি হয়েছে।নিলয়ের কলেজ ছুঁটি দিয়েছে তাই খালার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে।নিলয় সবসময় ইচ্ছা করেই মায়াকে রাগিয়ে দেই।
কিছুক্ষণ পরে
:নিলয় তোমাকে আম্মু ডাকছে(মায়া)
মায়ার মুখে নিলয় তাঁর নাম শুনে আঁকাশ থেকে পড়লো।এতটুকু মেয়ে কীনা তাঁর নাম ধরে ডাকছে।
:ওই তুই আমাকে নাম ধরে ডাকলি কেনো?তোর থেকে বয়সে আমি কত বড় জানিস।
:জানিতো।মাএ ৭ বছর ৬ মাস ১২ দিনের বড়।হি হি হি
হাসতে হাতে মায়া নিলয়ের রুম থেকে চলে গেলো।
নিলয় আবারো মায়ার কথা শুনে অবাক হলো।তাঁর থেকে ছোট একটা মেয়ে তাঁর সাথে এমনভাবে কথা বলছে মনে হচ্ছে সে মায়ার থেকে ছোট।সে তাঁর খালার কাছে গিয়ে বললো
:খালা আমাকে ডেকেছো।(নিলয়)
:তোর কী কোন কাজ আছে এখন(নিলয়ের খালা)
:না।
:তাহলে মায়াকে ওর কলেজে নামিয়ে দিয়ে আই।আজ অবরোধ তাই ও একলা যেতে ভয় পাচ্ছে।
নিলয় কখনো তাঁর খালার কথার অবাধ্য হয়না তাই ইচ্ছা না থাকলেও যেতে রাজি হলো।নিলয় মায়ার কাছে গিয়ে বললো
:তাঁড়াতাঁড়ি রেডি হয়ে নে।
:আমিতো রেডি।
নিলয়ও রেডি হয়ে বেড়িয়ে পড়লো।গেটের সামনে এসে রিক্সা খুঁজতে লাগলো কিন্তু আঁশেপাশে কোন রিক্সা দেখতে পেলোনা।আরো কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর একটা রিক্সা পেলো।রিক্সায় ওঠার পর নিলয় যতই মায়ার কাছ থেকে সরে বইতে চাইছে মায়া ততই নিলয়ের কাছে সরে আসছে।
:মায়া তুই আমার থেকে একটু সরে বস(নিলয়)
:সরে বসবো কেনো।এক রিক্সায় দুজন গেলেতো পাশাপাশিই বসতে হয় তাইনা।
নিলয় আর কিছু না বলে চুপ করে বসে থাকলো কারণ সে জানে এই মেয়েকে কিছু বলে লাভ নেই।

নিলয় রিক্সা ওয়ালাকে বললো রিক্সা থামাতে। নিলয় রিক্সা থেকে নেমে একটা মেয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো।
:কিরে নীরা তুই এখানে(নিলয়)
নীরা নিলয়ের বান্ধবি
:আরে নিলয় তুই এখানে(নীরা)
:এইতো খালার বাড়িতে বেড়াতে এসেছি।তুই এখানে কী করিস।
:আমি ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছি।বাড়িতে যাবি কবে।
:আরো তিনদিন এখানে থাকবো।তুই
:কাল চলে যাবো।এখন যাইরে কলেজে গিয়ে কথা হবে।
:আচ্ছা
নিলয় নীরার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আবার রিক্সায় এসে বসলো।রিক্সাওয়াল
াকে বললো যেতে। মায়ার দিকে তাঁকিয়ে দেখলো মায়া এমন ভাবে তাঁর দিকে তাঁকিয়ে আছে মনে হচ্ছে এখনি তাঁকে কাঁচা গিলে ফেলবে।
:মেয়টা কে(মায়া)
:আমার ক্লাসমেট।আর ও যেইহোক তাঁতে তোর কী(নিলয়)
:শুধু ক্লাসমেট হলে কেউ এভাবে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে কথা বলে।
:আরে আমি যার সাথে কথা বলি তাঁতে তোর কী।আমি কোন মেয়ের সাথে কথা বললে তোর এত জ্বলে কেনো।
:কারন আমি তোমাকে-
:তুই আমাকে কী?
:কিছুনা।
মায়া আর কিছু না বলে অন্যদিকে তাঁকিয়ে বসে থাকলো।নিলয়ের উপর তাঁর খুব রাগ হচ্ছে।মায়ার কলেজের সামনে এসে রিক্সা থামতেই মায়া রিক্সা থেকে মেনে এক দৌঁড়ে কলেজের ভিতর চলে গেলো।নিলয়ও ওখান থেকে বাড়িতে চলে এলো।বাড়িতে এসেই দিলো লম্বা এক ঘুম।ঘুম থেকে ওঠলো দুপুর ২ টায়।ঘুম থেকে ওঠে ফ্রেশ হয়ে তাঁর খালাকে বললো খাবার দিতে।খাওয়া দাওয়া করে আবার তাঁর রুমে চলে এলো নিলয়।রুমে বসে বসে মোবাইলে গেম খেলছিলো তখনি মায়া তাঁর রুমে আসলো
:তোমার কী কোন গালফ্রেন্ড আছে(মায়া)
মায়ার কথা শুনে নিলয় ফোনের দিক থেকে মাথা ওঠিয়ে মায়ার দিকে তাঁকিয়ে আবার গেম খেলায় মনোযোগ দিলো।মায়া নিলয়ের হাঁত থেকে ফোন কেঁড়ে নিলো।সে আবার জিঙ্গেস করলো একই কথা জিঙ্গেস করলো
:আছে।(নিলয়)
নিলয়ের কথাশুনে মায়া নিলয়ের ফোনটা বিছানার উপর ফেলে দিয়ে রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো।নিলয় মায়ার এভাবে রেগে যাওয়ার কারণ কিছুতেই ভেবে পেলোনা।
---(চলবে)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ