( নাটকীয় ভালোবাসা )
,
পথের ধুলি উড়িয়ে , বাতাসে চুল উড়িয়ে , গোধূলির সময় ইনো বাসস্ট্যান্ডে এসে হাজির্। এসময় ইনোর বাসস্ট্যান্ডে থাকার কথা নয়। তার এখন ক্লাসে পরিক্ষা দেবার কথা। তিন ঘন্টার পরিক্ষা সে দুঘন্টায় দিয়ে কোনো এক রমনীর দেখা পাবার আশায় বাসস্ট্যান্ডে এসে হাজির্। এইতো গতকালের কথা। ইনো তখন বাসস্টপে চা খাচ্ছিলো। ঠিক ওই সময় এক সুন্দরী রূপসী বালিকা, খোলা চুলে, বাতাসে চুল উড়িয়ে, বান্ধবীদের সাথে হাসতে হাসতে কথা বলতে বলতে অটোতে উঠে চলে গেলো। ইনোর ঘোর কাটতেই সে দেখে তারা অনেক দুরে চলে গেছে। ইনো মেয়েটার বাড়ি চেনার জন্য বাইকে পিছু নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু কপাল খারাপ হলে যা হয় আর কি। বাইক স্টার্ট নেয় না। . . . . . . . . .
,
মেয়েটিকে তো সেদিনের জন্য হারালো , কিন্তু মেয়েটির জন্য ইনোর মনে দাগ রয়ে গেলো। মেয়েটিকে সে হারাতে দিতে চায় না।
কারন ভালোবাসার গভীরতা এতোই বিশাল যে , সেখানে পড়ে গেলে উঠা সহজ নয়। আর যাকে এক দেখাতেই ভালোবাসা যায় তাকে মন থেকে সরানোর কোনো প্রশ্নই আসেনা। সেই মেয়েটিকে দেখার জন্যই ইনোর আজ আবার ঐ একি স্থানে আসা। কিন্তু ভাগ্য বোধহয় সব সময় মানুষের সহায় হয়না। আধাঘন্টা অপেক্ষার পর ইনোর গোমরামুখে চলে যেতে হলো। মনে যেনো কালবৈশাখীর ঝড় নেমেছে। ইনো এই বুঝি মেয়েটিকে চিরজীবনের জন্য হারিয়ে ফেললো। কিন্তু সে এতো সহজে হাল ছড়ে দেবার পাত্র নয়। ইনো মনস্থির করলো , যতদিন না বালিকাটির সাথে দেখা হয় ততদিন এই একি স্থানে এসে তার জন্য অপেক্ষা করবে। আর যেই ভাবা সেই কাজ। . . . . . .
,
আজ তৃতীয় দিন। আজো ইনো ঐ একি স্থানে উপস্থিত, ঐ একই সময়ে। ইনোর ধারনা , আজো হয়তো দেখা পাবেনা তার্। হয়তো কখনোই পাবেনা। কিন্তু রোজ বাসস্টপে এসে চা খাওয়া , আর আধা ঘন্টা অপেক্ষা করাটা যেনো ইনোর নিত্যদিনের রুটিং হয়ে গেছে। ইনোর ভাগ্য খারাপ হলেও অতটাও খারাপ না। ঠিকি বালিকা ইনোর মুখে হাসি ফিরিয়ে দেবার জন্য আজ চলে এসেছে। আজ বালিকার সাথে তার কোনো ফ্রেন্ড নেই। বালিকা একা , এ যেনো বালিকা নিজেই ইনো কে তার পিছু নেবার একটা বড় সুযোগ দিলো। কিন্তু হুট করে আসা যেকোনো বস্তু অন্য কাউকে নার্ভাস করে দেবার জন্যই যথেষ্ট। আর ইনোর ক্ষেত্রেও ওই একি ঘটনা ঘটলো। বালিকা একটা অটোওয়ালা কে ডাক দিলো: . . . . .
__এই মামা শিমুলতলি যাবেন।
__হে যাবো।
__ভাড়া কত?
__১৫ টাকা।
__মানে কি মামা? ১০ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা কেনো। যাবো না, আপনি যান। . . . . .
,
মেয়েটি অন্য একটি অটো ধরে চলে গেলো। ইনো আজো মেয়েটির পিছু নিতে পারলো না। নার্ভাসনেসের কারনে মেয়েটি চলে গেলো। কিন্তু ইনো অতোটা বোকা নয়। সে ঠিক বুদ্ধি করে অটোওয়ালার থেকে যেনে নিলো মেয়েটি কোথায় যেতে চাচ্ছিলো। . . . . . . . . . .
,
এখন আর ইনো বাসস্টপে অপেক্ষা করেনা। ইনোর তো এখন প্রমোশন হয়েছে। অটোওয়ালার থেকে পাওয়া ঠিকানায় এখন সে অপেক্ষা করে। কিন্তু অপেক্ষা যেনো শুধু অপেক্ষাতেই রয়ে যায়।
,
অপেক্ষায় ছিলাম, অপেক্ষায় রইলাম ,
অপেক্ষায় কাটে দিন রাত্রি।
,
অপেক্ষায় আছি, অপেক্ষায় রবো,
অপেক্ষাকৃত ক্লান্ত যাত্রী।
,
অপেক্ষা এমন একটি নিরলস কাজ , যে কাজে কোনো পরিশ্রম নেই কিন্তু কষ্ট অসীম। কষ্ট হলেও একি কাজ ইনোর রুটিং মাফিক করতে হয়। কারন বড্ডো ভালোবেসে ফেলেছে মেয়েটাকে। . . . . . .
,
বেশকয়েকদিন ইনো মেয়েটার এলাকায় ঘুরাঘুরি করে , কিন্তু দিনে দিনে যেনো দেখা হবার সম্ভাবনা মুছে যেতে লাগলো। আশার আলো যখন অন্ধকারে পরিনত হয়ে গেলো তখন অন্ধকারের বুকে জোনাকি হয়ে ইনোর সামনে অন্তু এতো। অন্তু ইনোর বন্ধু , একদিন ইনো দেখে অন্তু মেয়েটার সাথে কথা বলতেছে। তারপর অন্তুর থেকেই মেয়েটার পরিচয় নিলো। মেয়েটার নাম ইভা। ইভা অন্তুর চাচাতো বোন। অন্তুই ইনো কে ইভার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। ইনো সেই সুযোগটিই কাজে লাগায়। পরিচিত হবার সুবিধার্থে ওদের মাঝে খুব ভালো বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠতে খুব বেশী একটা সময় লাগলো না। . . . . . .
,
ভালো বন্ধু হবার সত্বেও ইনো যেনো কিছুতেই ইভা কে তার মনের কথা বলতে পারছে না। একটা ভয় সব সময় পিছুটানে। যদি বন্ধুত্ব টা নষ্ট হয়ে যায়? কিন্তু ইনো না বলেও থাকতে পারছে না। সে ইভাকে তার মনের কথা জানানোর জন্য একটা বিশেষ দিন খুজতে থাকে। আর সেই বিশেষ দিনটা ইনোর জন্মদিন ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। কারন ইভা এখনো ইনোর জন্মদিন জানেনা। তাহলে দেখা করার কথা বললে, ইভা আর সব সাধারন দিন গুলার মতনই নরমাল মুডে আসবে। তখন ইনো ইভাকে প্রপোজ করবে। ইভার চাওয়াটা যদি ইনোর চাওয়ার বিপরীত হয় তাহলে ইনো তার জন্মদিনের উপহার হিসেবে তাদের বন্ধুত্ব টাকে চাইবে। আজকের কারনে যেনো তাদের বন্ধুত্বে কোনো রকমের কোনো ব্যাঘাত না ঘটে বা এর প্রভাব তাদের ফ্রেন্ডশীপের উপর না পরে , তাদের বন্ধুত্ব যেনো আগের মতনই থাকে সেইটাই ইনো তার জন্মদিনের উপহার হিসেবে চাইবে। এখন শুধু সেই দিনটারই অপেক্ষা , . . . . . . . . . . . . . .
,
দেখতে দেখতে সেই দিন টাও এসে গেলো .
আজ ইনোর নার্ভাস ময় একটা দিন। তবুও নিজেকে নিজেই সান্তনা দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই তার্। কেননা আজ বলা না হলে আর কখনো হবে কিনা সে যানেনা। . . . . . . . . . . .
,
বিকেলে ইনো ইভাকে দেখা করার জন্য নদীর ধারে বটতলায় ডাকলো।
ইভা আসলো। ইনোর পাশে বসে বললোঃ
•
__কি ব্যাপার কালকেই তো আড্ডা দিলাম আজ আবার দেখা করতে বললে কেন? তাও আবার এইরকম একটা রোমান্টিক স্থানে , ঘটনাটা কি জনাব?
__ঘটনা তেমন কিছুই না। আজ আমার জন্মদিন।
__কিইইইইইই. . . . আজ তোমার জন্মদিন আর তুমি এখন বলতেছো! আগে বললা না কেন হু।
__কেন আগে বললে কি হতো। আগে বললে আসতেনা বুঝি।
__হে আসতামিনা তো। অন্তত এইভাবে আসতাম না। গিফট ঠিফ নিয়ে পুরা ব্যান্ড পার্টি নিয়ে আসতাম।
__এর জন্যই তো বলিনি। আমি চেয়েছিলাম তুমি খালি হাতে আসো।
__কেনোওওওও্? এইরকম অদ্ভুত চাওয়া।
__যাতে উপহার টা আমি নিজেই চেয়ে নিতে পারি।
__ঠিক আছে চাও কিন্তু আমি আগেই বলে দিতেছি ট্রিট অনুযায়ী গিফট হবে। আন্দাজে চাইলেই হবে না। যেমন ট্রিট দিবা তেমন গিফট পাইবা। এখন চাও তো শুনি কি উপহার চাও।
__সেটা চাওয়ার আগে আমি তোমায় কিছু কথা বলতে চাই।
__হু বলো , শুনতেই তো আসছি।
__জানো আমি না একটা মেয়েকে খুব ভালোবাসি। কিন্তু কিছুতেই বলতে পারিনি। মেয়েটাকে আমি প্রথম বাসস্টপে দেখেছিলাম। বান্ধবীদের সাথে হাসতে হাসতে আর কথা বলতে বলতে যাচ্ছিলো। প্রথম দেখাতেই আমি মেয়েটাকে ভালো বেসে ফেলি। পরেরদিন মেয়েটার সাথে দেখার করার জন্য ১ ঘন্টা আগে পরীক্ষা শেষ করে বাসস্টপে মেয়েটার জন্য অপেক্ষা করি। কিন্তু সেইদিন মেয়েটার কোনো দেখাই পাইনা। আধাঘন্টা অপেক্ষা করার পর আমি চলে যাই। তার পরের দিন আবার সেখানে যাই তার জন্য। সেদিন মেয়েটাকে দেখেছিলাম কিন্তু কথা হয়নি। মেয়েটা এক অটোওয়ালা কে জিগেস করলো তারপর অন্য অটোতে করে চলে গেলো। যেই অটোওয়ালাকে জিগেস করেছিলো যাবে কিনা সেই অটোওয়ালার থেকে আমি জেনে নেই মেয়েটা কোথায় যাবার কথা জিগেস করেছিলো। তারপর সেই ঠিকানায় গিয়ে মেয়েটাকে অনেক খুজি , কিন্তু পাইনা। তারপর একদিন মেয়েটাকে আমার এর ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলতে দেখে সেই ফ্রেন্ডের থেকে মেয়েটার পরিচয় নেই। তারপর মেয়েটার সাথে বন্ধুত্ব হয়। এখন মেয়েটাকে মনের কথা বলতে ভয় হয়। যদি আমাদের বন্ধুত্ব টা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু আমি না বলেও থাকতে পারছি না। তুমি কি জানো আমি যেই মেয়েটাকে ভালোবাসি , যার কথাই এতক্ষণ বললাম সেই মেয়েটা আর কেউ না , তুমি।
I love u ইভা। আমি তোমাকে সত্যিই অনেক ভালোবাসি।
__আর তোমার উপহার টা কি, বলো শুনি।
__ সেইটা নির্ভর করবে তোমার উওর এর উপর্। যদি তুমি আমায় তোমার ভালোবাসা পাবার যোগ্য মনে না করো , আমায় ফিরিয়ে দেও তাহলে আমার জন্মদিনের উপহার হিসেবে আমি আমাদের বন্ধুত্ব টাকে চাই। আমাদের বন্ধুত্ব যাতে নষ্ট না হয়।
__তুমিকি সিরিয়াসলি আমায় প্রপোজ করছো।
__আমি তোমায় সত্যিই অনেক ভালোবাসি। এই পাচটি শব্দ ছাড়া আমি তোমায় আর কোনো ভাবে বুঝাতে পারবোনা।
__তুমি কি জানো আমার জীবনেও একটা ছেলে আছে , যাকে আমিও অনেক ভালোবাসি তোমার সেই পাচটি শব্দ দিয়ে।
__কি বলছো এইসব? দেখো এখন দুষ্টামি করার সময় না। তাছাড়া তুমি কোনোদিন বলো ও নাই তুমি কাউকে ভালোবাসো।
__আজিব তো। তুমিকি কোনোদিন জিগেস করছো যে আমি তোমায় নিজে থেকে বলতে যাবো। অবশ্য আজ যখন তার কথা উঠলো তো আজ বলতেই পারি।
__না থাক শুনবো না। আমার ভালো লাগছে না, আমি চলে যাবো এখন।
__ওই চইলা যাইবা মানে। তুমি তোমার টা বললা আর আমার টা না শুইনাই যাইবাগা। ঠিক আছে যাও , গেলে আর উপহার টা পাইবা না।
__আচ্ছা ঠিক আছে, বলো শুনছি।
__তুমি যখন বলছো তখন আমি কিন্তু তোমার কথার মাঝে কথা বলিনাই। তুমিও আমার কথার মাঝে কথা বলবা না। আমার বলা শেষ হবার পরে বলবা ঠিক আছে।
__আচ্ছা ঠিক আছে , বলো।
__আমিও তোমারি মতো ছেলেটাকে বাসস্টপে দেখি। ছেলেটা দাড়াই দাড়াই চা খাচ্ছিলো, আর আমার দিকে ভেবলার মত হা করে চেয়েছিলো। আমিযে আড়চোখে ছেলেটাকে দেখছি ছেলেটা হয়তো দেখেইনি। সাথে বন্ধুরা ছিলো বলে তাদের সাথে চলে আসতে হয়। তারপরের দিন এক বন্ধুর জন্মদিন হবার কারনে সময় মত ছেলেটাকে দেখতে বাসস্টপে যেতে পারিনি। বন্ধুদের জন্য আধাঘন্টা লেটে পৌছাই। কিন্তু সেইদিন আর দেখা হয়না। তারপরের দিন আমি আবার বাসস্টপে যাই। কারন আমার বিশ্বাস ছিলো সে আসবে, কেননা সেও আমায় পছন্দ করে। এবং সে আসলো , আমি তাকে দেখে এক অটোওয়ালাকে বলি শিমুল তলি যাবে কিনা , তারপর অটোওয়ালার সাথে ভাড়া নিয়ে তর্ক করে অন্য অটোতে উঠে এসে পরি , যাতে ছেলেটি ঐ অটোওয়ালার থেকে ঠিকানা নিতে পারে আমি কোথায় যাবার কথা বলছি , এবং আমাকে খুজতে সেখানে আসে। আমি ছেলেটিকে বেশ কয়েক দিন আমাদের এলাকায় ঘুরাঘুরি করতেও দেখি , কিন্তু তাকে দেখলেই আমি লুকিয়ে যেতাম যাতে সে আমায় দেখতে না পারে। এতো সহজেই ধরা দিলে কি হয় বলো। তারপর একদিন আমি অন্তুত পিসিতে অন্তুর সাথে সেই ছেলেটার ছবি দেখি। বুঝলাম ছেলেটা অন্তুর ফ্রেন্ড। তারপর একদিন ছেলেটাকে আসতে দেখে আমি অন্তুর সাথে কথা বলতে লাগলাম। ব্যাস তারপর হয়েগেলো সব। তারপর আর আমার কিছু করতে হয়নি ছেলেটা নিজেই সব করেছে। পরিচয় হওয়া থেকে বন্ধুত্ব পর্যন্ত সব সেই ছেলেটাই করেছে। আর আজ আবার সেই ছেলেটাই আমাকে প্রপোজ করে আমারি পাশে বলদের মত বসে আছে। . . . . . . .
__না মানে , কি , কি . . কেমনে কি। . . . আ আ আমি ত কিছুই বুঝলাম না।
__হইছে আর তুতলাতে হবেনা , ভীতুর ডিম একটা।
__মানে তুমিও কি আমায় সত্যি ভালোবাসো।
__আজব তো ভালো না বাসলে এতো কিছু কার জন্য করলাম।
__হে তাও তো ঠিক কিন্তু আমার তোমার মুখ থেকে শুনতে ইচ্ছে করতেছে। তুমিকি সত্যিই আমাকে ভালোবাসো।
__তোমার ঐ পাচটি শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ দেবো? আমি তোমায় সত্যিই অনেক ভালোবাসি।
__না মানে আমার মনে হইতেছে আমি কোনো এর ঘোরের মধ্যে আছি। এই তোমার হাতটা একটু ধরি।
__বেশরম ছেলে কোথাকার . . . . . আমি কি বাড়ন করছি? ধরো।
__I love u
__I love u 3
,
#Hrridoy_Hassen_Inno
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
1357
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ŧ:ā§§ā§Ž AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ