āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1349

গল্পঃ প্রতিশোধ
রিহান আজকে ভার্সিটিতে আসেনি, তাই পুরো গ্রুপটাই যেন প্রাণহীন হয়ে পড়ছে।গ্রুপের সবাই নিয়মিত ভার্সিটিতে আসে,তাই রিহান না আসায় সবাই টেনশানে পড়ে গেছে। ইরফান রিহানকে ফোন করে।দুই তিনবার রিং হওয়ার পর ফোন ধরে।
ইরফান:দোস্ত আজকে ভার্সিটিতে আসলি না কেন??তোর কিছু হইছে?
রিহান:আরে দোস্ত বলিস না পচন্ড জ্বর আর মাথাব্যাথা,তাই আজকে আসতে পারতেছি না।
>রিহানের অসুখের কথা শুনে সবার মন খারাফ হয়ে গেল।সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল রিহানের বাসায় যাবে। তাদের ছয় সদস্যের গ্রুপের অন্য চারজন হল ফারিহা,ইরা,শেহজাদ ও সাইফুল।
>রিহানদের বাসায় গিয়ে কলিংবেল দেওয়ার কিছু সময় পর রিহানের আম্মু দরজা খুলে দেয়।দরজা খোলার সাথে সাথে সবাই একসাথে বলে উঠে আন্টি রিহানের নাকি অসুখ???
রিহানের আম্মু:আমিত দেখছি রিহান ভালোই আছে।ঘুমুচ্ছে এখনো আজকে ওকে ঘুম থেকেই উঠাতে পারছি না।তোমরা ওর রুমে গিয়ে দেখ।
সবাই রিহানের রুমে গিয়ে কয়েকবার ডাকার পর চোখ খোলে।সবাইকে একসাথে দেখে চমকে উঠে।
রিহান:দোস্ত তোরা এখানে??
শেহজাদ:তোর নাকি অসুখ তাই আমরা দেখতে আসছি।
ইরা: কিরে কোথায় তোর অসুখ নাকি মিথ্যা বলেছিস।।
রিহান: দোস্ত একটা সত্য কথা বলব। আগে বল তোরা আমাকে মারবি নাতো???
ফারিহা: তোর মত কিউট একটা বন্ধুকে আমরা মারতে পারি বল!!!!আবে উল্লু এখন বুঝতেই পারছ না বললে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না।যত তাড়াতাড়ি বলবা তত কম খাবা।
রিহান: দোস্ত তোরা আমাকে মারবি না আমি জানি। আসলে কালকে রাএে রইস মুভিটা দেখছি তাই সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারি নাই। তোদের অত্যাচার থেকে স্বাদের ঘুমটাকে বাঁচানোর জন্য মিথ্যা বলছি।
সবাই হালকা পাতলা কয়টা দিয়ে ছেড়ে দেয়।রিহান রেডি হয় এবং সবাই একসাথে নাস্তা করে বেরিয়ে পড়ে।
ভার্সিটিতে গিয়ে সবাই তাদের প্রিয় আড্ডার স্থান আমগাছটার নিচে বসে। সবাই সাইফুল কে নিয়ে ঠাট্টায় মেতে উঠে।কারন সাইফুল চুপচাপ স্বভাবের।কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কথা বলে সবাইকে নাকানি চুবানি খাইয়ে দেয়।
>এমন সময় সুমন এসে ফারিহাকে ডাক দেয়।ফারিহা যেতে পারবেনা বলে দেয়।সুমন ফারিহাকে চোখ রাঙিয়ে চলে যায়।ঐ দিনের মত সবাই আড্ডা শেষ করে চলে যায়।
>সুমন তাদের ভাসিটিতে ক্ষমতাসীন দলের ছাএনেতা। সুমনের বাবাও অনেক প্রভাবশালী। সুমন ইদানিং ফারিহাকে অতিরিক্ত ডির্স্টাব করছে। কেউ ভয়ে কিছু বলতে পারছেনা কারন সুমন যেমন প্রভাবশালী ঠিক তেমন খারাফ হওয়ার জন্য যতগুলো গুনের প্রয়োজন সব গুলোই তার মাজে আছে।
পরের দিন তারা আমগাছটার নিছে বসেই আড্ডা দিতেছে আর ভাবতেছে কীভাবে ফারিহাকে সুমনের কুনজর থেকে রক্ষা করা যায়। ঠিক সেই সময় সুমন এসে ফারিহাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়।ফারিহা সরাসরি না করে দেয়। না করায় সুমন রেগে ফারিহাকে অনেক খারাফ খারাফ কথা বলতে থাকে। হঠাৎ করে সাইফুল উঠে গিয়ে সুমন কে এক চড় বসিয়ে দেয়। সুমন সাইফুল কে মারার জন্য তেড়ে আসে। কিন্তু সাইফুলের বন্ধুরা ধরে পেলে। কিছু করতে পেরে সুমন সাইফুল কে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।সাইফুলের বন্ধুরা তাকে নিয়ে ঐ জায়গা ত্যাগ করে এবং সিদ্ধান্ত নেয় কয়েক দিন কলেজে আসবে না। কারন,,সুমনের বিশ্বাস নেই,,,সে যেকোনো কিছু করে বসতে পারে।
>> তারা কয়েকদিন কলেজে না আসলেও অন্যান্য বন্ধু দের থেকে খবর পায় যে সে সাইফুলকে খুজছে....
তারা আরও সতর্ক হয়ে যায়।
এর কিছুদিন পর সন্ধ্যাবেলা সুমন আর রিহান নববর্ষ উপলক্ষে মার্কেট করার জন্য জংসন মার্কেটে যায়। তারা ফিরতে ফিরতে রাত দশ টা বেজে যায়। সুমন কিভাবে যেন এই খবরটা পেয়ে যায়। তাই সে তাদের কে ফলো করতে থাকে। ঠিক যখন তারা একটা নির্জন জায়গায় আসে তখন হঠাৎ করে সুমন সাইফুলের মাথায় হকস্টিক দিয়ে আঘাত করে। রিহান বাধা দিতে গেলে তাকেও আঘাত করায় রিহান অজ্ঞান হয়ে যায়।সাইফুুল কে প্রচুর মারধর করে। তাদের সেখানে ফেলেই তারা চলে যায়। সকাল বেলা ঐ রাস্তা দিয়ে ইরপানের দাদা বাজারে যাওয়ার তাদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে ইরফানকে ফোন দেয় এবং তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সাইফুলের অতিরিক্ত রক্তক্ষরন হওয়ায়,,,,চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এর কিছুক্ষন পরেই রিহানের জ্ঞান ফেরে। রিহান ইরফান কে সব কিছু বলে। সাইফুলে মৃত্যুর সংবাদ শুনে রিহান আরও ভেঙ্গে পড়ে। তারা থানায় যায় মামলা করার জন্য। কিন্তু সুমনের বিরুদ্ধে মামলা নিতে তারা রাজি হয় নি। বরং সুমন তাদের উল্টো হুমকি দিয়ে যায়। এর থেকে নাকি একটু আগালেই ও তাদের ও একই অবস্থা করে ছাড়বে। সুমনের ভয়ে সবাই দমে যায়।
কিন্তু রিহান তার বন্ধুর এই অকাল পরিনতি মোটেই মেনে নিতে পারে নি। সে প্রতিজ্ঞা করে যে নিজের জীবনের বিনিময় হলেও সে তার বন্ধু সাইফুলের হত্যার প্রতিশোধ নিবে। এর জন্য সে পরিকল্পনা তৈরি করে রাখে।
এ দিকে ফারিহা ও ইরা থেকে জানতে পারে সাইফুল ফারিহা কে ভালোবাসতো। এটা শুনে ফারিহা আরও ভেঙ্গে পড়ে।
এদিকে সময় ও গড়াতে থাকে। তাদের ভার্সিটি লাইফ শেষ করে এবং সবাই তাদের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে। এদিকে ইরফান আর ইরাও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সবার দিন ভালোই যাচ্ছিল।
এদিকে রিহানও তার পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীতে চাকরির জন্য আ্যপলাই করে। তার মামা উচ্চ পদস্থ অফিসার হওয়ায় চাকরি সহজেই হয়ে যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী সে এগোতে থাকে। কিছুদিন পর সে রেব ফোর্সে একজন উচ্ছপদস্থ অফিসারে ট্রান্সপার হয়। এদিকে সুমন আরও দুর্ধর্ষ হয়ে উঠে। কৌশলে সে সুমনের নামে কয়েকটা মামলা করিয়ে নেয়। সুমনকে গ্রেপতার করার অনুমতি ও সে পেয়ে যায়। তার শুরু হয় তার অভিযান। অতঃপর সুমনকে সে একটা নাইট ক্লাব থেকে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় গ্রেফতার করে। সাইফুলকে যে জায়গায় মারা হয়েছিল ঠিক সেই জায়গায় ওকে নিয় যায়। তারপর সে সুমনকে প্রথমে সেই হকস্টিক দিয়ে আঘাত করে মাথা পাটিয়ে দেয়। এতদিন তার ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ সে মিটিয়ে নেয়। সবশেষে সুমনকে ব্রাসফায়ার করে। এরপর সে ক্রস ফায়ারের নাটক তৈরি করে সব কিছু মেনেজ করে নেয়।
কাজগুলো সমাপ্ত করতে রাত অনেক হয়ে গেলেও সে অফিস থেকে বাসায় না গিয়ে সাইফুলের কবর জিয়ারত করতে যায়। দুই রাকাত নামাজ পড়ে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে।আর চোখের পানি পেলতে পেলতে বলতে থাকে বন্ধু আমি আজ সফল।আমি আজ পেরেছি বন্ধুত্ব নামক পবিএ বন্ধনের সঠিক মূল্য দিতে।রিহান আজ যেন আত্নিক শান্ত্বিটা খুঁজে পেল।
এ ধরনের বন্ধুত্বের বন্ধনগুলো পৃথিবীতে বর্তমান থাকায় আজও বন্ধুত্ব নামক পবিত্র বন্ধনটিকে সবাই মনে প্রানে শ্রদ্ধা করে।

Collected

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ