āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1345

গল্প- অভিমান (রোমান্টিক)
========================

দৃশ্যপট-১
.
--- কল্পনায় কি ভাবো?
--- তোমার সাথে কথা বলি?
--- শুধু কথা?
--- আর মাঝে মাঝে জরিয়ে ধরি।
--- আর কিছু না?
--- তাই কি যথেষ্ট নয় জরিয়ে ধরে কান্না করি। এই কান্নাই তো তুমি রেখে গেলে।
--- এভাবে বলো না আমার কষ্ট হচ্ছে।
--- হোক, আমার কান্না দেখে তখনতো তোমার কষ্ট লাগে না। কল্পনায় একটুওতো থামাও না আমার কান্না।
--- আজতো সামনেই আছি। আজ আর তোমার কাঁদতে দিবো না।
--- প্রতিদিনই কাঁদি, আজ আর বাদ পরবে কেনো।
--- এই প্রিয় এভাবে বলছো কেনো?
--- প্রিয়া তোমার কি মনে নেই। আগে আমরা কতো দুজনে বসে এভাবে গল্প করতাম।
--- মনে থাকবে না! তুমি হাঁসিয়ে আমার পেট ব্যাথা করে ফেলতে।
--- আর তুমি! তুমি হাসলে আমি চাঁদের আলোয় তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে দেখতাম। যেন এই হাসি আমার রাজ্যেশ্বরীর মুখ্য সৌন্দর্য।
--- তারপর.......
কথোপ-কথনের মধ্যস্থে বাধা হয়ে আসলো এক লোক।
--- ভাই আম্নেতো আমারতে বড় পাগল। রাইত অনেক ওইসে। যান বাসায় যান।
--- যাচ্ছি ভাই।
.
আর কল্পনায় মেতে থাকতে পারলাম না। রাত আসলেই অনেক হয়েছে। প্রতিদিন রাতেই এখানে এসে বসে তাকে নিয়ে কল্পনায় মেতে থাকি। এমন আরো অনেক রোমান্টিক কথোপ-কথন করি।
.
জায়গাটায় আমি প্রায়ই আসি। প্রিয়ার সাথে আগে এখানে বসে গল্প করা হতো। তার ফুচকা খাওয়ানের আবদার রক্ষা করে দুজন রিক্সা করে বাসায় যেতাম। হুডতোলা রিক্সায় উঁকি দিয়ে সে ব্যস্ত শহরের ব্যস্ততা দেখতো আর আমি দেখতাম তার চোখের ভাষা।
.
ল্যাম্পপোস্টের আলোয় হাঁটছি। এইতো সেই বাদামওয়ালা।
--- চাচা কেমন আছেন?
--- ভালা বাবা। তোমার বউ কই। কয়েকদিন তুমি একা আহো। আগে না প্রতেকদিন তোমরা এদেক দিয়া যাইতে আমারতে বাদাম নিতা। ওহন কয়েকদিন তুমি একা আহো?
--- চাচা। ওঁ একটু অসুস্থ।
--- ওহ আইচ্চা।
.
বাদামওয়ালার গাড়ির সামন দিয়ে যাওয়ার সময়ই প্রিয়া বাদাম খেতে চাইতো। আমরা উঁনার নিয়মিত খরিদ্দার হয়ে গেলাম এভাবে। আজ কয়েকদিন প্রিয়া নেই। বাদামওয়ালাকেও মিথ্যে বলেছি। আর কতো মিথ্য বলবো আর কতো মিথ্যে কল্পনায় যাপন করবো। আর নয়, আর নয়, আর কোন মতেই নয়। এবারতো এর বিরাম টানতেই হবে।
.
বাসায় পৌছেই স্মার্টফোন হাতে নিয়ে বসলাম। একটা খুদে বার্তা (SMS) লেখা শুরু করলাম।
লেখাটা-------
"প্রিয়া তোমার প্রিয়র কথা কি মনে পরে না? একবারও না? এক মুহূর্ত বা সেকেন্ডের জন্যও না? সত্যি বলছি- আর সম্ভব নয়। তোমাকে ছাড়া থাকা সম্ভব নয়।
আমি হেরে গেলাম তোমার কাছে। সত্যি হেরে গেলাম। কিন্তু আমি হেরেও জিতেছি। ফিরে এসো। আর এমন ভুল হবে না। আমায় ক্ষমা করে ফিরে এসো।"
-
দৃশ্যপট- ২
.
চোখে জল বেয়ে পরছে। নিজের নিজের ঘৃণা হচ্ছে আমি প্রিয়কে এতোটা কষ্ট দিয়ে ফেললাম। কেনোই বা জেদ করে চলে এলাম। আমিও ভেবেছি পরেরদিন সে নিতে আসবে আমায়। কিন্তু আর এলো না। এখন বুঝতে পারছি কেনো এলো না। এতোটা কষ্ট পেয়েছে, সে ভেবেছে আমি সত্যিই বুঝি এবার সব শেষ করে দিয়ে চলে গেলাম। অভিমানটা সে বুঝলো না। বোকা একটা! আবার মেসেজে আমার কাছে ক্ষমাও চেয়েছে। ফিরে এসো -- লিখেছে। ফিরেতো আগেই যেতাম, কেনো আমায় নিতে এলে না, পাগল! এতো রাগ কেনো তোমার। এই রাগের কারণে সেদিন কথা কাটাকাটি করেছো। বলেছিলে, আমায় ছাড়া দিব্যি থাকতে পারবে। তারপর আমিও বললাম, তাহলে থাকো তুমি, আমি আমার বাবার বাড়িতেই গিয়ে থাকবো। আমায় আর কোনদিন ফিরানোর চেষ্টা করবে না। সারাজীবন তুমি একাই থাকো। আর পারলে ডিবোর্স পেপার পাঠিয়ে দিও সাইন করে দিবো। আমিও সেদিন "যা না তা" বলে দিয়েছিলাম। ছি!
না জানি কিভাবে এতোদিন ছিলো আমায় ছাড়া। আমি যে তাকে নিয়ে কল্পনায় মেতে ছিলাম।
.
বাড়ির কাজের মেয়েকে ফোন করে তার খোজ নিতাম। শুনলাম, সব নাকি স্বাভাবিকই আছে। তার জন্য রান্না করে টিফিন বক্সে কাজের মেয়ের কাছে খাবার দিয়ে যেতাম।
.
আমার অস্থিত্ব তোমার চারপাশে ছিলো, আছে এবং থাকবে। মেসেজ পেয়ে আর আমি আমায় বাধতে পারলাম না। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় একটা গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পরেছি। তোমার বুকে মাথা ঠাই করার প্রতিক্ষায় ছুটে যাচ্ছে ব্যাকুল মন।
-
দৃশ্যপট- ৩
.
প্রিয়া এসেই প্রিয়র বুকে লাফিয়ে পরলো। দুইজনের চোখে পানির ছড়া-ছড়ি আবার সাথেও হাসিও। তাদের আলিঙ্গন যেন শেষ হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, এই প্রথম দুজন-দুজনকে কাছে পেলো। অভিমানের আড়ালে জমে থাকা ভালোবাসারর বহিঃপ্রকাশ ঘটছে।
.
রাতে দুজনে মিলে রান্না করে খাওয়া শেষ করে বিছানায় নিজেদের আবিষ্কার করলো। বিছানায় তাদের শরীর ঠেকেছে কিন্তু ঘুমের দরজায় তারা তালা লাগিয়ে দুজনে গল্প মেতে আছে। যেন আজ তাদের প্রথম রাত কাটানো। দুষ্টুমি মাতামাতি আর হাতাহাতি মধ্যে কাটানো রাতটি আজ তাদের শ্রেষ্ঠ রাত।
---সমাপ্তি---
.
Writer- Mehedi Hasan Hasib

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ