_____ "আত্মচিৎকার"
.
✍Suhanur Rahman Suhan
.
গভীর রাত!
আজকের দিনটা খুব ভালো ছিলো...রাতটাও ভালোই যাচ্ছে। কোন পিছুটান আমাকে আকৃষ্ট করছে না!
.
ঘুম টাও খুব ভালো হচ্ছে, শান্তির ঘুম।
আমি ঘুমিয়ে আছি, সবচেয়ে আরামধায়ক মনে হচ্ছে এই ঘুমটাকে। এই ঘুমের সময়টা আমি ভালো ভাবে উপভোগ করতে চাই। আরো ঘুমাতে চাই আমি, কেও যেন আমায় ডিস্টার্ব না করে!
.
তখনই হঠাৎ নাকে মুখে এবং চোখ সহ পুরো মুখমন্ডলে কিছু একটা চাপ অনুভব করলাম। চাপদেয়া বস্তুটা কেমন তোলবোলে মনে হচ্ছে, কিন্তু যন্ত্রনা টা খুব বেদনাদায়ক। অসহ্য লাগছে, চাপ টা বেড়েই চলছে- খুব ছটফট করছি আমি। হাতগুলোও কাজ করার শক্তি পাচ্ছি না, হাত নাড়ানোর শক্তিটা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে। প্রচন্ড ঘেমে গেছি, চোখ থেকেও পানি পরছে।এবার পা টা খুব জোরে নাড়ানো শুরু করছি....তবুও রেহাই পাচ্ছি না। নরম বস্তুটায় যন্ত্রনা টা খুব কঠোর হয়ে উঠছে। এ এক অসহ্যকর যন্ত্রনা, সব কিছুই বেরিয়ে আসছে চাইছে ভেতর থেকে। হার্ট টা আর কাজ করছে না, একটু আগেও ঝরের গতিতে নড়ছিলো। পা টাও শান্ত হয়ে গেলো, হাত গুলোও অকেজু। নিমিষেই স্থির হয়ে যেতে থাকলাম। খুব চেষ্টা করছি কথা বলার জন্য, হাত পা নাড়ানোর জন্য। মুহূর্তেই প্রচন্ড ব্যার্থতা আমায় ঘীরে ধরেছে। চেষ্টা করেও যেন পারছি না দেহটাকে চালাতে।
আস্তে আস্তে নিঃস্বাস টাও বন্ধ যেতে থাকলো, খুব চেষ্টা করছি দম টা ভেতরে নেয়ার জন্য। চোখ দিয়ে অবিরাম পানি পরছে। তবুও ব্যর্থ হচ্ছি। যন্ত্রনা টা অনেকটাই কমে গেছে। এখন আর শরীর চালনা করতে হচ্ছে না। ভাগ হয়ে গেছি আমি শরীর থেকে!
.
বালিশ টা আমার মুখের উপরেই পরে আছে। নিথর দেহটা কোন বিন্দু পরিমান হুস নেই। মনের সুখে ঘুমাচ্ছে! আমিও আর ডিস্টার্ব করছি না। বাড়ির চারপাশে ঘুর ঘুর করতে লাগলাম। সকাল হতে এখনো অনেক বাকী।
রাস্তার ধারে অনেকের সাথে কথা বলার চেষ্টা করছি! কেন জানি মানুষগুলো আমাকে অবহেলা করছে, কেও ই আমার কথা শুনে না।
আবার যেন যন্ত্রনা টা বেড়ে গেছে। ভেতরটা দুমরে মুচরে দিচ্ছে। মানুষগুলোকে চিৎকার দিয়ে ডাকছি খুব জোরে! -আমাকে একটু বিশ্রাম দাও, দয়া করে কেও আমার কথা শুনো। আমি খুব ক্লান্ত, আমি বিশ্রাম নিতে পারছি না! কেও আমাকে সাহায্য করো।
আর মানুষগুলাও কিনা আমার কথা বিন্দু পরিমানও শুনতে পাচ্ছে না।
খুব রাগ হচ্ছে, নিজের হাত পা নিজেই মাঠিতে ছুরে মারছি। আবারো যন্ত্রনা টা বেড়েই চলেছে, এক অসহ্য যন্ত্রনা!
.
চিৎকার করতে করতেই নিজের ঘরে চলে আসলাম,
আরে! এ কি? আমি তো আমার রুমেই ছিলাম। কোথায় গেলো আমার দেহটা?
খুব রাগ হচ্ছে আবার যন্ত্রনা টা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হঠাৎই দরজা খোলার আওয়াজ....
-আরে দোস্ত! তুই? কখন আসলি? আর তোর সাথে এই দুজন কে??? তোকে এমন ভয়ংকর লাগছে কেনো? আর এমন ছটফট করছিস কেনো?
কিরে কথা বলিস না কেনো? আমার কথার থেকে তোর কাজ খুব বেশী জরুরি? আমার খুব যন্ত্রনা হচ্ছে রে! দয়া করে আমাকে একটু শান্তি দে।
.
-একি?? তুই আমাকে কোথায় নিয়ে যাস? বস্তার ভিতরে তুলছিস কেনো আমায়?
আমি ব্যথা পাচ্ছি , আমাকে আর কষ্ট দিস না!
কি ব্যাপার? তুই আমার একটা কথাও শুনবি না? আমি তোর কত কথা শুনেছি মনে নাই তোর? পরশু তুই এক্সিডেন্ট করেছিলি, আর আমি নিজে রক্ত দিয়েছিলাম তোকে! তুই তো এখন ভালোই আছিস।
আমাকে দয়া করে একটু শান্তি দে, আমার খুব কষ্ট হচ্ছে রে! কথা দিয়েছিলি সবসময় পাশে থাকবি।
আর আমি কখন থেকেই বকে চলছি, তুই তোর মতোই কাজ করে যাচ্ছিস। একটা কথা তো শুন।
.
প্লিজ আমার বস্তায় গিট দিস না। আমার খুব কষ্ট হচ্ছে, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস আমায়??
এভাবে ধরাধরি করে সবাই মিলে মাথায় তুলে না নিলেও তো পারস! আমি একাই যাবো, আমাকে নামিয়ে ফেল। আমি একাই য়াচ্ছি, প্লিজ তারপরও আমাকে মাথায় নিস না....!!
যন্ত্রনাটা খুব অসহ্যকর। তুই আমার জায়গায় হলে বুঝতি।
.
আর কতদূর যাবি? আমি আর পারছি না রে। তোর পায়ে পরি, আমাকে বস্তা থেকে বের কর! যন্ত্রনায় আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। আমি তোদের সাথেই তো যাচ্ছি আমার দেহটা বস্তায় কেন তুললি? কি ক্ষতি করেছি আমি?
.
ওইতো সেই খাল এর কাছে চলে আসছি, দুজনে মিলে কত আড্ডা দিয়েছি খালের উপরে ছোট পুলটাতে। আমাকে আগে বললেই পারতি, আমি একাই তোদের সাথে চলে আসতাম। দেহটা বস্তায় তোলার কি দরকার ছিলো?
.
কিরে আর যাবিনা? থামছিস ভালো হয়েছে! একটু জিরিয়ে নিই। আমি আর পারছি না, ভেতরটা জ্বলে যাচ্ছে আমার।
.
- এ কি করলি? আমাকে ফেলে দিলি কেন? পানি আমার খুব ভয় হয়। রাতের বেলায় আমি পানি খুব ভয় পাই। এখানে একা ফেলে যাস নে আমায়!
কিরে তুই শুনতে পাচ্ছিস না আমার কথা? আমার খুব কষ্ট হচ্ছে! আমাকে বাচা প্লিজ।
.
.
তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করার জন্য রাতের এলার্ম দিয়ে রাখায়...হঠাৎ ই ফোনের এলার্ম বাজা শুরু করলো।
-একি! আমি খাট থেকে পরে গেছি কখন?
ঠিক তখনই সেই অশরীরী পরিস্থিতি মনে হতো থাকলো। শরীর টা ঘেমে একাকার হয়ে গেছে। মাথাটাও ব্যাথা শুরু করে দিয়েছে...!
.
মুখে কথা বললাম... কি হচ্ছে এসব আমার সাথে!
গলার সুরটাও পরিবর্তন হয়ে গেছে। অনেক চিৎকার করেছি, সপ্নটায়।
শরীর টা আবারো ঝাঁকি দিয়ে উঠলো।
হার্টটা খুব বেশী নাড়াচাড়া করছে।নিঃস্বাস গুলোও ঘন হয়ে গেছে।
তবে কি আমার সেই আপন শুভাকাংখিরাই আমার আশেপাশে কালো রুপ ধারন করে ঘুরে বেড়াচ্ছে??????????????????????
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
1373
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ŧ:ā§Ēā§Š AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ