āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1353

ঈদ_স্পেশাল
গল্প: "ধলু"
.
লেখা: মোঃ আমিনুল ইসলাম (অভিশপ্ত ভ্যাম্পায়ার)।
..
রতন মাঠে বসে বাঁশি বাজাচ্ছে। আর ধলু মনের আনন্দে মাঠের কচি ঘাস খাচ্ছে।রতন বয়স যখন ০৮ বছর। তখন রতনের বাবা একটা গরু কিনে।আর সেই গরুর নাম রাখা হয় ধলু।রতনের বয়স এখন ১৫।এই দীর্ঘ সময়ে গরুটি যেন এখন রতনের প্রান।
দারিদ্র্যতার কারনে রতনের আর লেখা পড়া করা হয় নি।স্কুল ছেড়েছে অনেক আগে।এখন সারাদিন ধলুকে নিয়েই ব্যাস্ত থাকে।
..
..
রতনের পরিবার বলতে মা,বাবা,আর একটি বড় বোন।রতনের বাবা পেশায় বর্গা চাষী।গ্রামের মহাজন এর থেকে উচ্চ সুদে ঋন নিয়ে আজ রতনরা প্রায় সর্ব শান্ত।দিন আনে দিন খায় অবস্থা।এদিকে মেয়েও বড় হচ্ছে তাকেও বিয়ে দিতে হবে।কিন্তু বিয়ে দিতে তো অনেক খরচ।এসব বিষয় প্রতিনিয়ত ভাবায় রতনের বাবাকে।
..
..
একদিন সকালে রতনের বাবা হাটে যায়।তখনি দেখা হয় মজিদ ঘটকের সাথে।মজিদ ঘটক রতনের বাবাকে দেখেই দাঁড়াতে বললো..
== কই যাও মিয়া।(মজিদ ঘটক)
== এইতো হাটে আইলাম।কিছু সদয় পাতি লাগবো।(রতনের বাবা)
==আরে রাখো মিয়া তোমার সদয় পাতি।ভালো একখান পোলা আছে।তোমার মাইয়ার লগে মানাইবো ভালো।
== কিন্তু বিয়া মানে তো ম্যালা খরচ।এত টাহা পামু কই।
== ভাইবা দ্যাহো মিয়া।এমন পোলা লাখে একখান মিলে।
== আচ্ছা আমি রতনের মায়ের লগে কথা কইয়া দেহি।
..
তারপর দুজনে দুজনার গন্তব্যের দিকে রওনা দিলো।
..
..
বাজার শেষে বাসায় ফিরে রতনের বাবা। রতনের মা কে ডাকলো।
তারপর ঘটকের বলা কথা শুনে। রতনের মা রাজি হয়ে গেলো।রতনের মা। রতনের বাবা কে বললো মাইয়ার বয়স দিন দিন বাড়তাছে।তাই যহন ভালো পোলা পাওয়া গেছে।তাই এহানেই দিমু মাইয়ার বিয়া।রতনের বাবা আইচ্ছা বলে বারান্দায় এসে বসলো।
..
..
বসে বসে রতনের বাবা ভাবতে লাগলো।বিয়ে দিতে হলে অনেক টাকা লাগবে।কিন্তু এতো টাকা কোথায় পাবে।তারপর হঠাৎ মনে এলো ধলুর কথা।সামনে কুরবানি এখন হাটে নিয়ে গেলে ধলুর বেশ দাম পাওয়া যাবে।তাই সে রতনের মা এর সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করলো।রতনের মা অভয় দিয়ে বললো তাই করো।ধলুকে বিক্রি করা হবে শুনে রতন ওর বাবাকে বললো......
== আব্বা তুমি ধলুরে বেইচা দিও না।লাগলে আমি শহরে যাইয়া কামাই করমু।তবুও তুমি ধলুরে বেইচা দিও না।(রতন)
== আরে বাপ আমি জানি তুই ধলুরে ছাড়া কিছু বুঝ না।তবুও ওরে হাটে নিয়া বেচতে হইবো।তোর বুইনের বিয়ার টাহা ওরে বেচলেই কিছু পাওন যাইবে।
..
..
তারপর রতন আর কিছুই বললো না।চুপ করে বসে রইলো।রাতে খাওয়া দাওয়াও করলো না।সকালে ধলুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো মাঠে।ধলুর গায়ে হাত বুলিয়ে বলতে লাগলো।তোরে আব্বায় বেইচা দিবে।আমি তোরে ছাড়া কেমনে থাকমু।এসব বলে কাঁদতে লাগলো........ রতন।
..
..
পরের দিন রতন আর ওর বাবা।ধলুকে নিয়ে হাটে যাবার জন্য প্রস্তুত হলো।কিন্তু ধলু যেতে চাইছিলো না।পরে বাধ্য হয়ে রতন ধলুকে একটি লাঠি দ্বারা আঘাত করে।নিজেই কেঁদে দিলো।হাটে নেবার পর অনেকেই অনেক দামাদামি করে চলে যায়।পরে এক লোক রতন এর বাবার চাওয়া দামেই ধলুকে কিনতে রাজি হয়।
লোকটি ধলুকে নিয়ে যেতে চাইলে রতন হাত থেকে দড়ি ছাড়তে চায় না।কিন্তু কি আর করা।ছাড়তে তো হবেই।পরে ছেড়েই দিলো দড়ি কিন্তু রতনের চোখ থেকে পানি পড়ছে।ধলুও যেন যেতে চাইছিলো না।অনেক জোড় করেই নিয়া যাওয়া হয় ধলুকে।ধলু অনেক ডাকাডাকি করে।রতন এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছিলো সবটা.......
..

..
..
(বিঃদ্রঃ কোনো ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করে দিবেন)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ