āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1342

---মিষ্টি মুখ---
’’’’’’’’’’’’’’’’’’’’’’’’’
আকাশ মনি (অব্যর্থ বৈজ্ঞানিক)
,
,
---ভালো বাসিস?
---কে বললো?
---তাইলে সমস্যা কি?
---কই সমস্যা?
---সমস্যা না হইলে আমার বিয়ের কথা শুনে মুখটা অমন করলি ক্যান?
---কেমন করলাম?
---বাংলার পাচের মতো?
---কই না তো।
---দ্যাখ, আকাইশ্যা মিথ্যা কথা বলবি না। আমার মিথ্যা বলা একদম পছন্দ না।
---আরে মিথ্যা বলবো কেন? তোর বিয়ে মানে তো অনেক আয়োজন। আর তোর বন্ধু কিংবা কাজিন হিসেবে সব কাজ তো আমাকেই করতে হবে, নাকি?
---ও এজন্যেই মন খারাপ। শালা কাম চোরা।
---হ। আমি কাম চোরা। তোর তাতে কি?
---দেখ আকাশ মিথ্যা কথা বলবি না। এটা ছেলেখেলা না। সারাজীবনের ব্যাপার।
---তো কি হইছে?
---পারবি, আমাকে ছেড়ে বাকি জীবনটা কাটাতে?
---কেন পারবো না? না পারার কি আছে?
---দেখ তোর চোখই বলে দিচ্ছে তুই মিথ্যা বলছিস।
---সবার চোখের ভাষা তুই বুঝতে পারিস?
---সবারটা না। তবে তোরটা পারি।

---কেন? আমি কি তোর বিশেষ কেউ?
---জানি না।
---জানতে হবে না। চল বাসায় যাবো।
---আকাশ তুই কিন্তু বিষয়টা এড়ানোর চেষ্টা করছিস।
---একদমই না।
---আমি সব জানি।
---কি জানিস?
---এই যে তুই আমাকে পছন্দ করিস। আমাকে তুই ভালোবাসিস। আমি চলে গেলে তুই অনেক কষ্ট পাবি।
---এহ! কি আমার জানোয়ার আইছে। ঐ শালি আমার মনের কথা তুই জানবি কেমনে? আমি তোরে কইছি?
---মনের মানুষের মনের কথা এমনিতেই জানা যায়। কাউকে বলে দিতে হয় না।
---মনের মানুষ?
---হুম।
---তার মানে তো তুইও আমাকে......
---হ্যা ভালোবাসি। অনেক ভালোবাসিরে তোকে। তোকে ছাড়া আমার চলবে নারে...। প্লিজ আমায় যেতে দিস না। আমায় তোর করে রাখ, চিরদিনের জন্য।
---তার মানে তুই সব জেনেই এই বিয়েতে রাজি হয়েছিস?
---হতে হয়েছে।
---তাইলে আর কি? তুই তোর স্বামীকে নিয়ে সুখে থাক। আমাকে এর মধ্যে টেনে আর লাভ কি? শুধু শুধু কষ্ট বাড়ানো।
---হয় তো তাই।
---আমি চলি রে.........
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো আকাশ। শুধু সেই জানে সে কতটা ভালোবাসে অবন্তিকাকে। তার জীবনের থেকেও বেশি। সে জানে অবন্তিকাকে হারালে তার অনেক কষ্ট হবে। তবুও তাকে বাচতে হবে। অবন্তিকার সুখের কথা ভেবে হলেও তাকে সব মেনে নিতে হবে। অবন্তিকা সুখে থাক এটাই তার একমাত্র চাওয়া। এর চাইতে বেশি আর কিই বা করতে পারে সে। সে যে বেকার। কোন কামাই রোজগার নেই। এখনো বাবার টাকায় চলতে হয় তাকে।
তাহলে কি আকশ ভন্ড, অকর্মা? না অকর্মা, অপরদার্থ, অলস, গালি গুলো আকাশের জন্য নয়। চাকরী করার জন্য যে যোগ্যতা থাকা দরকার সেটা আকাশের ভালোই আছে। বলা যায় অন্যান্যদের তুলনায় কিছুটা বেশিই আছে। কিন্তু যেটা নেই তা হলো, ঘুষের টাকা। দেশ উন্নত হয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে সত্য। সেই সাথে তাল মিলিয়ে বেড়েছে ঘুষ নেয়ার নতুন নতুন উপায়। বলা যায় ঘুষ নেয়াটাও এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে হয়। আর সে কারনেই, আকাশের মতো একজন ফার্স্ট ক্লাস বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার আজও বেকার।
,
আর অবন্তিকা? আকাশ জানে অবন্তিকাও তাকে ভালোবাসে। যতটা আকাশ বাসে ঠিক ততটাই। হয়তোবা তার চেয়েও বেশি। কিন্তু তাতে কি আসে যায়। ভালোবাসা দিয়ে তো পেট ভরে না। ভালোবাসা দিয়ে তো আর সংসার চলে না। অবন্তিকার পরিবারটাও খুব সচ্চল না। আকাশের পরিবারের মতোই। হাজার হলেও অবন্তিকার বাবা আকাশের বাবারই আপন ভাই।
যাই হোক। হোক অবন্তিকাও এবার ডিপ্লোমা শেষ করেছে। সেও আকাশের মতোই কম্পিউটারের ছাত্রী। যেহেতু অবন্তিকার ডিপ্লোমা শেষ, তাই ওর পরিবার থেকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। কয়েকটা ছেলেও দেখা হয়েছে। সবাই অবন্তিকাকে পছন্দ করেছে। অপছন্দ করার মতো মেয়ে অবন্তিকা নয়। খুবই মিষ্টি একটা মেয়ে অবন্তিকা। রুপে-গুনে, শিক্ষার-দীক্ষায় সব দিক থেকেই অবন্তিকা এগিয়ে। কিন্তু তবুও বিয়ে ঠিক হচ্ছে না।
কারন? কারনটা আমাদের সবার জানা। বাংলাদেশের সবচাইতে বড় অভিশাপ যৌতুক। যদিও যৌতুক শব্দটা এখন আর যথেষ্ট নয়। এটাও এখন ডিজিটাল হয়ে গেছে। এই যৌতুকের কারনেই অবন্তিকার বিয়ে আটকে আছে। অবন্তিকার বাবা যৌতুক দিতে রাজি না। তার মতে যৌতুক দিয়ে বিয়ে দেয়া মানে মেয়েকে বিক্রি করে দেয়া। কিন্তু বর্তমান যুগে রুপ-গুনের চাইতেও এর কদরটাই বেশি।
,
,
---কিরে মন খারাপ করলি নাকি?
---না।
---তাহলে চলে যাচ্ছিস যে।
---এমনিই। কাজ আছে একটু। বাসায় ফিরতে হবে।
---আমার বিয়ে কার সাথে ঠিক হয়েছে জিজ্ঞেস করলি না?
---জিজ্ঞেস করার কি আছে। নিশ্চয় এমন কেউ হবে যে চাকরি করে। যে তোকে সুখে রাখতে পারবে।
---তাতো অবশ্যই। তাই বলে নামটাও জানতে চাইবি না।
---না দরকার নেই। বিয়ের দিনই নাহয় দেখবো।
---ঐ দিন তো তুই আমাকে দেখার সময়ই পাবি না। নিজেকে নিয়েই ব্যাস্ত থাকবি।
---মানে কি? বুঝাইয়া বল।
---নিজের বিয়ের দিন কি কেউ অন্য কারো খবর নিতে পারে রে পাগলা?
---বিয়ে তো তোর ঠিক হইছে আমার না।
---এখানেই তো সমস্যা মামু।
---কিসের সমস্যা?
---তোর আর আমার বিয়ে যে একদিনেই।
---কি আজে বাজে কথা বলছিস? আমার বিয়ে মানে? আমাকে আবার বিয়ে করবে কে? কোন মেয়ের বাপের মাথা নষ্ট হইছে যে আমার মতো বেকারের হাতে তার মেয়েকে তুলে দেবে।
---আছে এমন বাপও আছে।
---কে সেই গাধা।
---খবরদার! আমার আব্বাকে গাধা বলবি না।
---তোর আব্বা মানে?
---আমার আব্বা মানে তোর বর্তমান চাচা আর ভবিষ্যত শ্বশুর।
---কি বলছিস? সব আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। খোলাসা করে বল।
---ধ্যাত্তেরি শালা। কিছুই বুঝস না।
---বুঝাইয়া বল।
---আরে শালা, আমার সাথে যার বিয়ে ঠিক হইছে সে আর অন্য কেউ না তুই। তুইই আমার বাপের হবু মেয়ের জামাই।
---অ্যা...
---অ্যা না হ্যা।
---ঐ শালী মাথা নষ্ট হইছে তোর। আমার মতো বেকার ছেলের সাথে মেয়ে দিবে তোর বাবা।
---ওই শালা বেকার বেকার করবি না।
---আমি তো বেকারই।
---ছিলি......
---মানে?
---মানে তুই বেকার ছিলি এখন থেকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে। এখন তুই চাকরিজিবী। তুই এখন “মেইক আইটি” কোম্পানীর একজন সম্মানিত ইঞ্জিনিয়ার।
---বলিস কি? সত্যি? সত্যিই আমার চাকরি হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
---হ্যারে পাগলা। তোর চাকরি হয়েছে।
---কেমতে কি?
---কাল যখন তুই বাইরে গেলি তখন তোর ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে তোর ডাইরিটা আন্টি দেখে ফেলে। সেখানে আমাকে নিয়ে তোর সব লিখা তিনি দেখে ফেলেন। এবং তোর আর আমার সব কাহিনি বুঝতে পারেন। তিনি সেটা পরে তোর আব্বাকেও দেখান। তোর আব্বাও বিষয়টা বুঝতে পেরে আমার আব্বার সাথে কথা বলেন। আব্বা আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমিও হ্যা বলে দেই। কিন্তু আব্বা বেকার ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি হননি। অবশেষে আব্বার এক বন্ধুর কোম্পানীতে তোর চাকরি ঠিক হয় আব্বার সুপারিশেই। আর তোর আব্বার সুপারিশে তোর আর আমার বিয়ে। তারপর......
---তারপর আর বলতে হবে না। বাকিটা বুঝার ক্ষমতা আমার আছে।
---তাইলে আর কি?
---আর কি?
---ওই শালা ইঞ্জিনিয়ারের বাচ্চা। আর কি মানে, এখন কি এখানেই বসে থাকবি নাকি বাসায় যাবি। গিয়ে অফিসে যাওয়ার জন্য তৈরী হবি।
---ও তাই তো। তবে তার আগে বন্ধুদের মিষ্টিমুখ করাতে হবে।
---তাহলে আমাকে দিয়েই শুরু কর। আমিই তো তোর সবচেয়ে কাছের বন্ধু।
---হ্যা তা ঠিক। তবে তুই অন্য সবার থেকে আলাদা। তুই আমার বউ বন্ধু।
---তাইলে মিষ্টি কিনে আন।
---আরে দোকানের কেনা মিষ্ট তো অন্য সবাই খাবে। তুই তো স্পেশ্যাল। তাই তোর মিষ্টিও স্পেশ্যাল।
---এই দেখ, একদম উল্টাপাল্টা কিছু করবি না বলে দিলাম।
---না উল্টাপাল্টার কি আছে আমি তো শুধু আমার বউকে মিষ্টিমুখ করাবো।
---এই না না...
কে শোনে কার কথা। ও না না করে যাচ্ছে আর আকাশ তার বাহুবন্ধনে ওকে আটকে দিয়েছে। এবার অবন্তিকাও তাকে জড়িয়ে ধরেছে। অবন্তিকার মিষ্টি মুখটা আরো মিষ্টি করার জন্য নিজের মুখটা ওর মুখের কাছে নিয়ে যাচ্ছে আকাশ। অবন্তিকা চোখ বন্ধ করে ফেলেছে। এখন আর ওর মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। শুধু ঘন ঘন নিঃশ্বাসের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। আকাশ তার মুখটা অবন্তিকার মুখের আরো কাছে নিয়ে যাচ্ছে। দুজনের নিঃশ্বাস মিশে যাচ্ছে একসাথে।
তারপর? তারপর আর কি.............

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ