ঘুমের মাঝে হঠাৎ মোবাইল টা কেঁপে ওঠল।
এতো রাতে আবার কে কল দিল।যাক তাহলে
কলটা ধরি...
-হ্যালো, এত রাতে কেউ ফোন দেয়
-কি এখনো রাত,বাজে কয়টা তোমার খবর
অাছে(রিপা)
তাহলে রিপা কল দিছে। আর আমি
ভাবছিলাম রাত বুঝি ওমা,এখন বাজে সকাল
৮ টা।রিপা কে বললাম....
-আমি ৯ টার মধ্যে আসতেছি
-আচ্ছা তাড়াতাড়ি আস
যাক বাবা বাঁচা গেল।রিপা হলো আমার
জানপাখি।আজকে ওর সাথে শপিং এ
যাওয়ার কথা তাই সকাল সকাল কল দিছে।
ঈদ তো আইসা পড়ছে।দুই-তিন পরেই তো ঈদ
তাই রিপার সাথে শপিং এ যাব।
গার্লফ্রেন্ড কে নিয়ে শপিং করব,ভাবতেই
অবাক লাগে।আরে আমার তো পরিচয়ই
দেওয়া হলো না।আমি জুবায়ের। এই বছর
অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে। আর ওনি, মানে
রিপা আমার সাথেই পড়ে।আমাদের
প্রেমটা হয়েছিল একটা এক্সিডেন্ট।একদিন
আমি আমার ছাত্রকে পড়াতে যাচ্ছি।
ছাত্র যে বাসাতে থাকে সেই বাসার
গেটের সামনে রিপার সাথে আমার ধাক্কা
লাগে।
-স্যরি
-দেখে শুনে চলতে পারেন না(রিপা)
-বললাম তো,স্যরি
-যান
তারপর বাসাতে গেলাম পড়াতে।কিছুক্ষণ
পরে চেয়ে দেখি রিপা এই বাসায়।পরে
জানতে পারলাম রিপার ছোট ভাইকে আমি
পড়ায়।আর রিপা পাশের একটি কলেজে পড়ে
হোস্টেলে থেকে।মানে তখন আমি ইন্টার
সেকেন্ড ইয়ারে আর রিপাও। আমার আর
রিপার মাঝে প্রায় সময় কথা হতো।আমি
যখন রিপার ভাইকে পড়াতাম তখন রিপা
আমাকে লুকিয়ে দেখত।আমি তা টের
পেতাম।এভাবে চলতে থাকে অনেক দিন।
একদিন রিপা কলেজ থেকে আসতেছে।
আমার সামনে পরে গেল।আমাকে দেখে
বলতেছে...
-আরে জুবায়ের ভাই কই গেছিলেন(রিপা)
-এই তো, সামনে এক বন্ধুর বাসায়
-আমাদের বাসায় আসেন
-না,এখন না, প্রাইভেট পড়াতে তো আসবই
-আচ্ছা,এখন যাই
-ওকে
এই বলে চলে গেল।আসলে আমিও রিপাকে
ভালোবেসি ফেলি। কিন্তু রিপা যদি
রাজি না হয়, এই ভেবে বলি না।অন্য একিদন
কিসের জন্য যে মার্কেটে গেলাম গিয়ে
দেখি রিপা ও সেখানে।ভাবলাম আজকে
বলব।রিপাকে ডাক দিলাম।
-রিপা
-আরে জুবায়ের ভাই
-হুম,কিসের জন্য এসেছ
-এই তো কিছু কেনা কাটা করলাম
-ভালো, আপনার সাথে আমার কিছু কথা
ছিল
রিপার দিকে চেয়ে দেখি রিপার মুখে
হাসি ফুটে ওঠেছে।সে ও ভাবছে তাকে
ভালোবাসার কথা বলব।
-হুম বলেন
-চলেন ঐ দিকটাই বসি
তারপর কিছু নাস্তা খেলাম।আমি রিপাকে
বললাম....
-কিভাবে যে বলি
-কোনো সমস্যা নাই বলেন
-লজ্জা করতেছে
-আরে বলেন
-আসলে রিপা আ.....
-আরে বলেন তো আ...আ...কি
-রিপা আমার হাতটা এদিকে খালি যদি
টিউশনির টাকাটা দিতেন(কি বলতে গিয়ে
বলে ফেলাম)
-সমস্যা নাই দিয়ে দেব(রাগি চেহারা
দেখিয়ে বলল)
।
এভাবে চলতে থাকে দিনকাল। ভালোই
চলছে টিউশনি আর লুকিয়ে লুকিয়ে আমাকে
দেখা।খুব ভালোই লাগতেছে। কিন্তু
এভাবে কতদিন।আমি কি করুম কিছুই মাথাই
আসতেছে না।
হঠাৎ একিদন রিপা আমাকে বলল ও নাকি
আমাকে কিছু বলবে।রিপাকে আমার খুব
পছন্দ জানেন ওই তো।কিন্তু কোনো দিন
রিপাকে বলি নাই।যদি টিউশনিটা চলে
যায় তাই।যাক রিপা তাহলে তার
ভালোবাসার কথা বলবে।আমি রিপাকে
বললাম....
-কি বলবেন বলেন
-আসলে কি করে যে আপনাকে বলি
-আরে সমস্যা নাই
-আমি অাপনাকে ভালোবাসি
-মানে কি বলতেছেন এসব (ভাব নিয়ে)
-সত্যি আমি আপনাকে ভালোবাসি
-কিন্তু
-কোনো কিন্তু নাই,আমাকে ভালোবাসেন
কিনা বলেন
-আচ্ছা আজকে বিকেলে প্রাইভেট পড়াতে
এসে বলব।
আমি তো খুশিতে আত্মহারা।কি যে খুশি
বলার বাইরে।যেটা এতদিন আমি বলব বলে
প্রস্থুত হচ্ছি সেটা আজ রিপা নিজেই বলে
দিছে।অবশেষে বিকেল বেলা গেলাম
রিপাদের বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতে।
পড়ানে শেষ করেই বেড়োলাম এমন সেই
রিপা ডাক দিল।আমি কিছু না ভেবে দু
চোখ বন্ধ করে রিপাকে বললাম.....
-আমিও তোমাকে ভালোবাসি রিপা
।
সেই দিনের পর থেকে চলতে থাকে
আমাদের ভালোবাসা।নানা রাগ-
অভিমান, ঝগড়া-ঝাটি, মারামারি দিয়ে
আরো বাড়তে থাকে আমার আর রিপার
ভালোবাসা।
আরে আমি তু চলে আসলাম।রিপার বাড়ির
সামনে কিন্তু রিপা কই।কল দিলাস
রিপাকে...
-এই কই তুমি, তোমার বাসার সামনে
দাঁড়িয়ে আছি
-আসছি দাঁড়াও
রিপা চলে আসল আর একটা রিক্সা নিল।
রিক্সাতে আমি আর রিপা।গন্তব্য শপিং
করব।গেলাম শপিং মলে।এদিকে যে আমার
কাছে একটা টাকাও নাই।যা টাকা টিউশনি
করে পাইছি সব গ্রামের বাড়িতে মা-
বাবার জন্য পাঠিয়ে দিছি।কিন্তু শপিং
করব কিভাবে।রিপা যে শপিং করতে
এসেছে।আর কিভাবেই রিপাকে শপিং করে
দিব।টেনশন ঢুকে গেল।রিপা আমাকে বলল...
-এই কি ভাবতেছ
-কিছু না,চল
।
গেলাম রিপার সাথে সাথে।আমার জন্য
একটা পাঞ্জাবি আর একটা পাইজামা আর
কিছু টোকটোক কিনল।আর রিপার জন্য একটা
শাড়ি কিছু কাঁচের চুড়ি আর এক পাতা টিপ
কিনল।আল এদিকে আমি ভাবতেছা
এতকিছুর টাকা কিভাবে দিব।এমন সময়
রিপা আমাকে বলল....
-কি ভাবছ,টাকা কিভাবে দিবা তাই তো
-না,মানে
-কোনো মানে টানে নাই,আমি তোমারে
শপিং এ আনছি টাকা আমি দিব।
এই বলে টাকা রিপা দিয়ে দিল।শপিং করে
আসার সময় আমি রিপাকে বললাম...
-তুমি আমাকে এতো ভালোবাস
-হুমম, অনেক ভালোবাসি
-আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি রিপা
এই বলে রিপা আমার কাধে মাথা রাখল।
আর পরম সুখে আমার চোখ দিয়ে দু ফোটা
পানি চলে আসল।আমি যে রিপাকে অনেক
ভালোবাসি......
।
আসলে আমাদের মাঝে এমন প্রকৃত
ভালোবাসা একটু কম দেখা যায়।যারা
নিজের ভালোবাসার কথা একবারও চিন্তা
করে না।কিভাবে তার কাছ থেকে শপিং
করবে।এসব ভাবনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে
সারাক্ষণ। একবার হলেও ভাববার দরকার যে
আমাকে শপিং করে দিবে,তার পরিবারে
কি শপিং করছে বা সে নিজে করছে
কিনা।আমাদের দেশে আজ অনেক মেয়ে
আছে যারা এই কথাটুকু একবার ও চিন্তা
করে না।ভালোবাসার মানুষকে খুশি
রাখার জন্য পিছনে সব কিছু ফেলে দিয়ে
চলে আসে একটি ছেলে।আর মেয়েরা সেই
ছেলেটিকে শপিং করিয়ে দেওয়ার জন্য
নানাভাবে চাপ দেয়।কেন আমি কি পরি
না আমার ভালোবাসার মানুষকে শপিং
করিয়ে দিতে।সবাই সব সময় এই টুকু চিন্তা
করবেন।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
"সবাইকে ধন্যবাদ"
লেখাঃ-Abdullah Al Jobayer Jafor (পথচারি
শিশুদের বন্ধু)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
1331
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ģ:ā§Ģ⧝ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ