--------:অপেক্ষাকৃত ভালোবাসা:------
"
"
লেখায় : কানন তালুকদার (অভিশপ্ত জীবন)
"
কতবার ভাবি আর লিখবো না। কিন্তু তোমায় নিয়ে আমার স্মৃতিগুলো যে ভুলে থাকার মত ছিল না। প্রতিটিক্ষণে মনে পড়ে তোমাকে। তুমি হয়ত ভূলেও মনে কর না। তুমি চাও নি তোমার জীবনের সাথে আমার জীবন মিশে থাকুক জনম ভর। তুমি আমার থেকে মুক্তি চেয়েছিলে, আর তাই আমিও মুক্ত করে দিয়েছি তোমায়। তোমাকে বলেছিলাম না আমি অভিনয় করতে শিখে গেছি, হ্যাঁ সত্যিই আমি অভিনয় করতে শিখে গেছি। যার জন্য এখন আমি অনেক বদলে গেছি। জানো পুরনো সেই স্মৃতিগুলো মনে পরলে খুব কষ্ট হয় আবার হাঁসিও পায়। তোমার জন্য আমি এতো পাগল ছিলাম। তোমার একটু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কত ত্যাগ স্বীকার করেছি কিন্তু অবশেষে জিরো টা ছাড়া আর কিছু কপালে জুটেনি। কষ্ট, অভিমান সবকিছু একা নিয়েই বেঁচে আছি। মনটা কবে মরে গেছে। বেঁচে থাকতে হবে তো, তাই মরে যাওয়া মনে একটু প্রাণ ফিরানোর চেষ্টা করি। বড্ড বেশি ভালোবেসে ছিলাম তোমাকে। জীবনের শেষ পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিলাম কিন্তু থাকা আর হলো না। দুজন দুদিকে যাবো কখনো ভাবিনি কিন্তু দেখো আজ তাই হলো। ভালোবাসার কি অদ্ভূত নিয়তি।
তোমার সাথে এইতো সেদিনের পরিচয় -
২০১৪ সাল। সবেমাত্র স্কুলজীবন পেরিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছি। নতুন শহর, নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধু-বান্ধব। ভালোই কাটছিলো দিনগুলো। একদিন ইংরেজি প্রাইভেট পড়তে গিয়ে তোমার সাথে পরিচয় হয়। ছেলেদের সাথে কথা বলতাম না বলে তুমি আমায় ক্ষ্যাপাতে। আমার সবকিছুতে তোমার আগ্রহ বেশি ছিলো। আমার সাথে তোমার যেদিন প্রথম কথা -
এই যে,একটু শুনবেন?
হুম,বলেন?
আপনাকে তো আজ বেশ ভালো লাগছে।
তাই!
হুম।
আচ্ছা অনুমতি দিলে একটা কথা বলবো?
বলেন?
আপনার গালে টোল পড়ে এইটা আপনি জানেন?
হুম জানি।
আপনার হাঁসিটা সুন্দর জানেন?
হুম জানি।
আপনার কথা বলার স্টাইল সুন্দর চলার স্টাইল, সব কিছু আমার ভালো লাগে।
তাই!
হুম।
আপনার কথা শেষ?
না।
আর কিছু বলবেন?
হুম,আমি কি প্রতিদিন আপনার পিছু পিছু আসতে পারি
হুম।
ওকে ধন্যবাদ!
সেদিনের মত আর কিছু বলোনি। প্রাইভেটে আমাকে দেখা যায় এমন জায়গাতেই বসতে তুমি। আড়চোখে চেয়ে থাকতে তুমি আমার দিকে। এতে অবশ্য আমার তেমন একটা খারাপ লাগত না। কারণ তোমার এসব পাগলামী আমি বেশ উপভোগ করতাম। তোমার পাগলামি গুলা ভালো লাগতে লাগতে যে কখন তোমার প্রেমে পরে গেছি বুঝতে পারি নি। রায়না যখন এসে বলছিলো তুমি আমাকে ভালোবাসো, প্রপোজ করতে চাও। এ কথা শুনে রায়নাকে অনেক বকে ছিলাম। কিন্তু মনে মনে আমিও চাইতাম তুমি আমাকে প্রপোজ করো। তুমি তো ভয়ে প্রপোজ করতে না এতো ভয় ছিলো তোমার। কখনো রাগ করলে তুমি সারাদিন রাগ ভাঙ্গানোর চেষ্টা করতে। শুক্রবার প্রাইভেট বন্ধ তাই স্যার আমাকে আর তোমাকে ডেকে পাঠিয়ে ছিলেন। সে দিন রায়নাও এসেছিলো। দুজনের মধ্য কি অদ্ভুত মিল ছিলো সেদিন। ওইদিন আমি গোলাপী ড্রেস পড়েছিলাম আর তুমি গোলাপী শার্ট। ওইটা আমি খেয়াল করি নাই কিন্তু রায়না বলায় খেয়াল করি। স্যার ওইদিন তোমার বিষয়ে অনেক কথা বলেছিলো। তোমার মত করে কোন ছেলে কোন মেয়েকে ভালোবাসতে পারে না। স্যারের মূখে এসব শুনে আমি অবাক হয়ে গেছিলাম। স্যার তোমার এতো বক্ত। তবু তোমাকে ভালোবাসি বলার মত সাহস হয়নি।তুমি আমাকে যেদিন প্রথম প্রপোজ করেছিলে _
এই যে টোলওয়ালী!
উওর নাই
তোমাকে কিছু বলছি শুনতে পাচ্ছো?
হুম।
তাহলে কথা বলো না কেনো?
আমার নাম তো টোলওয়ালী না তাই!
তাহলে কি বলে ডাকবো।
আমার নাম আছে একটা ওই নামে ডাকো।
আমি তোমায় এ নামে ডাকতে চাই না।
কেন?
কারন, আমি তোমার একটা নাম রাখতে চাই।
কি, আর আপনি কে যে আমার নাম রাখবেন?
আমি তোমার,,,,,
কি আমি তোমার!
জানিনা।
আচ্ছা বাই পরে কথা হবে। এইদিন ও আর বলা হয়নি।
রাত ঘুমাচ্ছি হঠাৎ পাশে বেটের আপুর কথা শুনে ঘুম ভেঙ্গে যায়।কি রোমান্টিক কথাবার্তা আপু ফোনে বলতাছে। ওরা কতো ভালো প্রেমিক, প্রেমিকা। কতো ভালোবাসা রাত জেগে কথা বলা। আপুদের এসব দেখে অনেক ভেবে দেখলাম ভালোবাসা মানুষকে আত্ননির্ভরশীল বানায়। এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে যাই। সকালে প্রাইভেটে গিয়ে তোমাকে দেখে ইচ্ছা করছিলো আমি তোমাকে প্রপোজ করি কিন্তু মেয়েরা আগে প্রপোজ করে কেমন জানি বেমানান দেখায়। তাই কিছু বলি নাই। কিন্তু মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। তোমাকে যেমন করে আজ প্রপোজ করতে হবে। তাই রায়নাকে বলে তিনজন একসাথে প্রাইভট থেকে বের হই।হাঁটতে হাটঁতে রায়না তোমার কাছে একটা চিঠি দেয়। এই মাঝে আমি লিখেছিলাম -
অভি তুমি তোমার না বলা কথাটা বলো প্লিজ আমি শুনতে চাই।
চিঠিটা পরে তুমি আমার পাশে পাশে হাঁটছিলে হঠাৎ করে কানের কাছে এসে ফিস ফিস করে বললে I love you আমি একটু হেঁসে চলে আসি ওইদিন পর থেকে দুজনের নতুন জীবন শুরু । খুব ভালো চলেছিলো দুষ্টমিষ্টি ভালোবাসা এর কিছুদিন পর ফাইনাল পরিক্ষা শুরু। এতোদিন প্রেম করে তো সময়টা হাওয়ায় কাটিয়ে দিছি তাই পরিক্ষা ও তেমন ভালো হয়নি। আমার রেজাল্ট তেমন খারাপ হয়নি তাই ভার্সিটিতে চান্স পেয়ে যাই। কিন্তু রেজাল্টের পর থেকে তোমার কোন খবর পাওয়া যায়নি। খুব চিন্তা হচ্ছিলো। এরপর অনেকদিন কাটিয়োকাটিয়ে দেই তোমার চিন্তা করে। একদিন হঠাৎ করে একটা আওয়াজ শুনে তাকিয়ে দেখি তুমি কোথা থেকে হুট করে এসে পাশে বসে আছো _ তারপর বললাম,
কি ব্যাপার তুমি?
হুম।
এইখানে, এতোদিন কোথায় ছিলে,আমার কথা একবারও মনে পড়েনি?
ওয়েট,ওয়েট আমি তো তোমার পাশে বসা আছি। তাহলে একটা একটা করে প্রশ্নের উওর দেই। রেজাল্ট খারাপ হওয়ার পর আব্বু অনেক বকা দিছিলো,বাসা থেকে অনেক চাপ দেয়।তাই এক বছর সবার আড়ালে থেকে তোমার সমান যোগ্যতা নিয়ে সামনে এসেছি। কিন্তুু!
কিন্তু কি?
আমি তো তোমার জুনিয়র হয়ে গেলাম এখন কি তুমি আমাকে মেনে নিবে।
যার জন্য একটা বছর চোখের পানি ফেলেছি,প্রতিরাত তোমার কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেছি,আবার সকাল তোমার কথা ভেবে সজাগ হইছি সে যেমনি থাক, ভালোবাসা কমবে না।
তাই!
হুম।
তুমি এতো ভালো কেন?
এজন্য তো কষ্ট দাও।
আর দিবো না ময়নাপাখি সারাজীবন তোমারি থাকব কেমন।
এখন খুশি তো!
হুম।
I love you.
I love you too.....
" সমাপ্ত"
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
1329
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ģ:ā§Ģā§ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ