āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1325

-ঠাসসসসস
-তুমি আমায় মারলে[কান্না জড়িত কন্ঠে]
-রিদিকে কি বলছো তুমি
-তাহলে সিগারেট খাও ক্যানো
-সেটা আমার পার্সোনাল ব্যাপার।।তোমায় মাথা ঘামাতে কে বলছে
-দাঁড়াও দেখাইতেছি মজা।।মারছোনা এর শোধ আমি তুলবো
-কি করবা করো।।কিন্তু আমার ব্যাপারে আর মাথ ঘামাবা না
-তোমার আব্বু কখন বাসায় আসবে যেন
-কে....কেনো
-ভয় পেয়োনা।।তোমার সিগারেটের কথা বলবো না।।তুমি আমায় চর মেরেছো সেটা বলবো
-বাসা থেকে বেড় করে দিবে
-তাতে আমার কি।।আজ রাতে তোমার বাসায় দেখা হবে।।গুড় বাই
-প্লিজ মিম এমনটা করোনা
-ফাস্ট কেউ আমার গায়ে হাত তুললো।।এত্ত সহজে ছেড়ে দিই কিকরে
*
কথায় আছে,,সিগারেট স্মার্টেনেসের ২০%।।বন্ধুদের পাল্লায় পরে তাই হালে খাওয়া শুরু করছি।।
পেটও ভরেনা স্বাদো লাগেনা।।তবে ফিলিংসটা দারুণ।।
কাল বিকেলে প্যারায় পরে ছাদে বসে একটা ব্যন্সন ধরাইছি।।আর মিমের আগমন।।
বালিকা আমায় দেখে গেট থেকেই ঘুরে চলে গেলো।।ভাবছিলাম কিছু হবেনা।।
কিন্তু রাতে রিদির<ছোট বোন>থ্রেডে বুঝলাম অনেক কিছু হয়ে গেছে।।
তাই নিজেকে সামলাতে না পেরে আজ বিকেলে মিমকে ডেকে আস্তে করে একটা চর মারলাম।।
এখন সত্যি ভয় লাগছে,,মিম যদি আব্বুকে চর মারার কথা বলে তবে শিওর সিগারেটের কথা সামনে আসবে।।আর তখন মুটামাটি আমারো চর থাপ্পড় খেয়ে বনবাসে যেতে হবে।।
.
রাতে শুয়ে আছি আর প্রার্থনা করছি মিম যেন আব্বুকে কিছু না বলে।।কিন্তু কলিংবেল বেজে উঠতেই বুকের মাঝে কেঁপে উঠলো।।
যা হবার তাই হলো।।মিম এসে আব্বুর কাছে সব ফাস করে দিয়েছে।।বিনীময়ে রাতেই বনবাসে যেতে হলো।।
ডিজিটাল যুগ তাই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফোনটা নিয়ে আসতে পেরেছি।।
তবে প্রব্লেম হলো কত দিনের বনবাস সেটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নাই।।
আর খাবার-দাবারের জন্য কোনো সু-ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়নি।।
.
অনাথের মতন রাস্তা দিয়ে হাঁটছি।।এদিকে ক্ষিদেয় পেটের অবস্থা পুরাই খারাপ।।বুঝতেছি পরিবার ছাড়া আমি কতটা সচল!!
আফসুস বালিকা ফোন দিছে।।
-হ্যালো রফি কোথায় তুমি
-5star হোটেলে বসে ডিনার করছি।।আসবা নাকি তুমি
-ধ্যাত,,মজা করো না।।আন্টি বললো কিছু খাওনি বলে
-বলছে যখন তাহলে খাইনি
-রাতে কোথায় থাকবা
-রাস্তায়
-হিহিহি,,বুঝো কেমন লাগে।।আর মারবা না আমায়!!
-হাসবানা একদম
-আচ্ছা তুমি দেয়াল টপকে আমাদের ফ্লাটের সামনে আসো
-আবার কোনো প্লান করছো নাতো
-ধ্যাত।।আসো তো
*
৬ফিটের দেয়াল টপকে ভেতরে গেলাম।।কি সৌভাগ্য আমার,,নিজের বাড়ি নিজেকেই পালিয়ে ঢুকতে হয়।।
মিমদের ফ্লাটের সামনে গিয়ে দেখি মিম দরজা খুলে দাঁড়িয়ে আছে।।
চুপি চুপি ঢুকে পরলাম।।
.
-আন্টি-আংকেল কোথায়
-ঘুমাচ্ছে
-এখন কি করবো
-আমার রুমে আসো।।আর একদম কথা বলবানা
-ক্যানো
-ধুরর,,আব্বু-আম্মু জেগে যাবে নাহলে
-ওওওও
[রুমে গিয়ে বসলাম।।হাঁটতে হাঁটতে পা পুরাই গেছে]
-মিম পানি দাওতো
-আমি খাবার এনে দিচ্ছি,,খেয়ে নেও
-ডিম অমলেট করে দিও তো
-আহা,,বিয়ে করা বউ পাইছে।।পারবো না
(বালিকা বাঁশও দিলো,,আবার ঘরে এনে ভোজনও করাচ্ছে।।
টানা ১০মিনিট অপেক্ষার পর মাংস,,ডিমের অমলেট,,সাথে নুডুলস নিয়ে হাজির হলো)
-ভাত নাই
-আছে
-ভাত নিয়ে এসো
-নাহ্,,এগুলোই খাও
{আজোব ম্যাইয়া।।অমলেট দিবেনা বলে তাও দিলো।।আবার ভাত থাকতেও দিবেনা।।
যাইহোক এত্ত কিছু ভাবা বাদ দিয়ে খাওয়া শুরু করলাম}
-আমি খেয়েছি কিনা জিজ্ঞাসা করবানা
-খেয়েছো
-নাহ্
-খেয়ে নেও
-তুমি খাইয়ে দেও
-হাত নেই নাকি
-হুম,,তবে ডিম অমলেট করতে গিয়ে পুরে গেছে
[বলেই হাত জোড়া সামনে মেলে ধরলো।।হাসবো নাকি নাচবো বুঝতেছিনা।।তবে দারুণ খুশি লাগছে।।আমারে বাঁশ দেওয়ার পরিণাম।।
আমার আবার দয়ার সাগর,,তাই মিমকে খাইয়ে দিলাম।।
.
খাওয়ার পর্ব শেষ হতেই মনে মনে পরলাম মহা বিপদে,,রাতে ঘুমাবো কই!!মনে মনে টেনশনে পুরাই কাহিল]
-মিম এখন আসি তবে
-কোথায় যাবা
-এমনি ঘুরতে
-বাইরে যেতে হবেনা।।এখন চুপচাপ ঘুমাও
-কোথায় ঘুমাবো
-তুমি বিছানায় ঘুমাও,,আমি নিচে ঘুমাচ্ছি
-সকালে আন্টি-আংকেল কি মনে করবেন
-আমি ম্যানেজ করে নিবো
-ওই তুমি বড় কোনো প্লান করছো নাতো
-আচ্ছা থাকতে হবেনা।।যাও রাস্তায় ধুলোর মাঝে ঘুমাও
-না....এখানেই ঘুমাবো তো
(রাতটা কোনো ভাবে কাটিয়ে সকালে উঠলাম।।টেনশন ইজ মোবাইলে ৩৯টা মিসকল।।সব কয়টা আব্বু-আম্মুর।।
মনেহয় বনবাস শেষে সময় ঘমিয়ে এসেছে।।তাই মনের সুখে আব্বুকে কল ব্যাক দিলাম)
-ওই হারামজাদা তুই কোথায়
-এক বন্ধুর বাড়ি
-এক্ষণি বাসায় আয়
-কিছু বলবেন নাতো
-আয় তারপর দেখছি
.
মিমের কাছথেকে বিদায় নিয়ে পালিয়ে বেড় হলাম।।আমাদের ফ্লাটের সামনে গিয়ে কলিংবেল চাপতেই আম্মু ঘর খুলে দিলো।।
-কোন বন্ধুর বাড়ি ছিলি
-ওইতো আছে
-২মিনিটে বাড়ি ফিরে আসা যায় এমন তো তোর কোনো বন্ধুর বাড়ি দেখতে পাচ্ছি না
{খাইছেরে,,পুরাই ধরা।।সাজিয়ে বিশ্বাস যোগ্য একটা মিথ্যা না বললে আবারো কপালে বনবাস জুটতে পারে}
-আসলে আব্বু আমি রাতে ছাদে ছিলাম।।এই দূরন্ত শহরে কোন বন্ধু আপন করে ঘরে থাকতে দিবে বলেন
-কিন্তু ছাদ তো তালামারা(আম্মু)
-ওইতো ছাদে বলতে সিঁড়িতেই ঘুমাইছিলাম
-ও আচ্ছা।।যাও বাবা এখন ফ্রেস হয়ে নেও।।আর কাল থেকে আমার বিজনেসে জয়েন করার জন্য প্রস্তুতি নিও
-হুম[মাথা নিচু করে]
*
ফ্রেস হয়ে শুয়ে একটু ফেসবুক লগ ইন করলাম।।আর মিমের ফোন
-রফি
-হুম বলো
-ফ্রেস হয়েছো
-হুম
-ব্রেকফাস্ট করছো
-করবো
-করতে হবেনা,,এখন রেডি হও
-ক্যানো
-শপিং করতে যাবো
-যাও
-তোমারো যেতে হবে
-আমি যাবোনা
-আংকেলকে বলবো রাতে কোথায় ছিলে
-১০মিনিটে নিচে আসো।।আমি আসছি
-গুড বয়
.
তো কথা হইতেছে গিয়া শপিং করতে গেছি ওইটা কোনো কথা না,,কথা হলো মিম শেরওয়ানি আর বিয়ের শাড়ী কিনলো ক্যা!!
সাথে ১০০বার জিজ্ঞাসা করছে আমার পছন্দ হয়েছে কিনা!!
শপিং শেষে বাসায় ফিরে আসলাম।।মিম আমার হাতে শেরওয়ানি ধরিয়ে দিয়ে ঘরে যেতে বললো।।
তখন তো ডাবল চিন্তিত হয়ে পরলাম।।
আরো ত্রিপুল চিন্তা হতে শুরু হলো আব্বু-আম্মুর আজব বিহেব দেখে।।
সবাই শুধু হাসে!!
বিকেলে আব্বু-আম্মুও মার্কেটে গিয়ে এত্তগুলা শপিং করে নিয়ে আসলো।।
.
তারপরের দিন কিছুটা নরমাল ফিল হলো।।আব্বু তাঁর বিজনেসের সব কিছু বুঝিয়ে সবার সাথে পরিচর করি দিলো।।
পাঁচ দিন বিজনেসে পুরাই ডুবে গেলাম।।এত্ত ঝামেলা লাগে ক্যারে!!
শান্তি-স্মৃংখলা ইজ,,এই কয়দিন মিমের সাথে একটুও দেখা বা কথা হয়নি।।
অবশ্য ধামাকা হইলো ষষ্ট দিন।।
সকাল সকাল সবাই গাড়ি নিয়ে আমার অজানা গন্তব্যে রওনা দিলো।।
পৌছে বুঝলাম গন্তব্য স্থানটা কমিউনিটি সেন্টার।।
সাবার কাছথেকে জানলাম আজ আমার বিয়ে।।
আরো খবর নিয়ে জানতে পারলাম কণে মিম।।
এত্ত মেয়ে থাকবে এই মেয়েটাই আব্বু-আম্মুর চোখে পড়লো।।
বিয়েতে সব বন্ধু-বান্ধব হাজির।।তবে শিওর ওরা নিশ্চই আমার জন্য আসেনি।।
৫০%আসছে মেয়ে দেখতে ৫০%আসছে খাইতে।।
আমার চোখের সামনে হালায়গুলা আমার ছুডু-ছুডু শালী গুলারে পটায়ে ফেললো আর মুরগীর রান গুলা চিবিয়ে চিবিয়ে খাইলো।।
তবে মজা লাগলো বাসর ঘরে যাবার সময় বালকগণের আইডিয়া শুনে।।
ওদের সবার সাহস এক করে দিয়ে আমায় বাঘের মতন ঘরে ঢুকতে সাহায্য করলো।।
-মিম
-হুম বলো
-একটা সত্যি কথা বলবা
-হুম
-কাউকে ভালবাসতা
-হুম
-ওহ্
-শুনবেনা সেটা কে
-বলো শুনি
-তুমি
-কিইইইইই
-হিহিহি
<এখন সব কিছু একটু একটু করে ক্লিয়ার হতে লাগলো।।
আর মনের মাঝে একটাই প্রশ্ন"সবকিছু মিমের প্লানিং নাতো">
-Aryan Rofi(রূপকল্প রহস্য)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ