āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3441 (3)

অগ্নিশিখা
:
লেখা Farhan Ahmed Farabi (ভবিষ্যৎ সেনাবাহিনীর দুর্ধর্ষ অফিসার)
:
পর্ব : ৫
সমস্ত জঙ্গল তোলপাড় করে তাদের খুঁজতে থাকে সবাই। নেই, কোথাও নেই তারা!! নিরব ক্লান্তিতে হাপাতে হাপাতে বলল,
.
--ক্যাপ্টেন,টহলের পুরোটা সময় আমি, তাহসির আর এনায়েত একসাথেই ছিলাম। শুধু আবির পেছনে ছিল। গোলাগুলির সময়ও তাদের দেখেছি কাপ্টেন, তবে কিছুক্ষণ পর আর খেয়াল করিনি আমি।
--তাড়াতাড়ি quick!! হাটহাজারী ও রাঙ্গামাটি ক্যাম্প সহ সারা ক্যান্টনমেন্টে খবর পাঠাও, এখনি!! (ফারাবী)
--Yes sir!
.
সব জায়গায় খবর পাঠানো হয়, তবে কোনো খোঁজ মিলল না তাদের। উত্তেজিত হয়ে পড়ে সবাই। খুঁজতে খুঁজতে যেন জঙ্গলটিকে এলোমেলো করে ফেলেছে তারা। তবে নেই, তাদের কোনো চিহ্নও নেই কোথাও। কোনো ভিনগ্রহী প্রাণী যেন উধাও করে নিয়ে গেছে তাদের! হঠাৎ মেজর মাহবুব বলে উঠলেন,
.
--শুনো সবাই, যেহেতু তাদের পাওয়া যাচ্ছেনা সেহেতু আপাতত সবাই ক্যাম্পে ফিরে চলো। যারা মারা গিয়েছে তাদের বাড়িতেও খবর পাঠাতে হবে। আবির, তাহসির আর এনায়েতকে খোঁজা যাবে, প্রয়োজনে আমরা নতুন একটি মিশন ডাকবো।
.
মেজরের কথা মতো বাধ্য হয়ে হেলিকপ্টারে উঠে সবাই। ধীরে ধীরে শূন্যে ভেসে উঠে হেলিকপ্টারটা, রওনা দেয় ক্যাম্পের উদ্দেশে!
.
ক্যাম্পে পৌঁছেই নানারকম প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় সবাইকে। সেদিন রাতেই মৃতদের বাড়িতে খবর পাঠানো হয়, তবে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে শুধু ভেসে আসছিল আর্তনাদ!! কাল আর বাড়ি ফেরা হবেনা, মনে মনে ভাবলো ফারাবী। নিখোঁজদেরও খুঁজে পেতে হবে তাদের। হাতের সমস্ত কাজ সেরে অফিস থেকে সিনথিয়া ফোন দেয় ফারাবী। রিং হতে না হতেই রিসিভ করে সিনথিয়া,
.
--হ্যালো, সিনথিয়া আমি ফারাবী বলছি। (ফারাবী)
--হ্যাঁ চিনতে পেরেছি, তোমায় না চিনে পারি বলো? আচ্ছা, কাল না তোমার বাড়ি ফেরার কথা? সবকিছু গুছিয়ে রেখেছো তো? (বেশ খুশি মনে কথাগুলো বলল সিনথিয়া)
.
চুপ হয়ে যায় ফারাবী, কিভাবে কি বলবে ভেবে পায়না সে। কিভাবে বলবে তাদের বিপদের কথা! মৃতদের কথা! টেলিফোন কানে লাগিয়ে স্থির হয়ে দাড়িয়ে আছে ফারাবী। তার চুপ থাকা দেখে সিনথিয়া রেগে গিয়ে বলল,
.
--এই! কথা বলোনা কেন হ্যাঁ? কি হয়েছে তোমার? (ধমকের সুরে বলল সিনথিয়া)
.
চমকে গিয়ে ফারাবী বলল,
.
--সিনথিয়া আসলে হয়েছে কি.....
--কি হয়েছে? বারবার কথা আটকায় কেন? কি হয়েছে কি? আমি রাখছি, থাকো তুমি। (সিনথিয়া)
--দাড়াও দাড়াও শান্ত হও। সিনথিয়া আসলে আমরা একটা বিপদে ফেঁসে গেছি, আমাদের তিনজন সেনা সদস্য নিখোঁজ! (ফারাবী)
--কি? মানে কি? কিভাবে হলো?? (উত্তেজিত হয়ে বলল সিনথিয়া)
--আসলে, সকালে তোমার সাথে ফোনে আলাপের পর ইউনিট নিয়ে টহলে বেরিয়েছিলাম। সন্ধ্যা ছ টার সময় ক্যাম্পে ফেরার পথে আমাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়! এতে করে আমাদের পাঁচজন সৈন্য নিহত হয়েছে, আরো তিনজন নিখোঁজ! সারা এলাকা খোঁজেও কাউকে পাওয়া যায়নি। সিনথিয়া দেখো, যারা নিখোঁজ হয়েছে, তাদের খুঁজে পেতে হবে। একদম টেনশন ফ্রি থাকো সিনথিয়া। আমায় আরো কিছুদিন সময় দাও। আমি আরো এক সপ্তাহের মাঝেই বাড়ি ফিরছি।
.
এক শ্বাসে কথাগুলো বলে হাপাচ্ছে ফারাবী। সিনথিয়া সব শুনে যেন নির্বাক হয়ে যায়। কোনো কথা নেই কারো মুখে। নিরবতা ভেঙ্গে সিনথিয়া বলল,
.
--থাক, সমস্যা নেই। তুমি তোমার ব্যস্ততা কাটিয়ে আস্তে ধীরে বাড়ি ফিরবে, কেমন? আমি অপেক্ষায় আছি কিন্তু। এখন রাখছি হুম? (সিনথিয়া)
--Just a minute ম্যাডাম! আমার প্রতিদিনকার পাওনাটা কই হুম? (দুষ্টুমির হাসি দিয়ে বলে ফারাবী)
--উফফো, ফোনেও কি রেহাই দিবেনা! ফাজিল কোথাকার! (হাসতে হাসতে বলল সিনথিয়া)
--পাওনা না দিলে কিন্তু বাড়ি ফিরবো না, জঙ্গলের বানরের সাথি দিন কাটাব, বুঝলেন? (ফারাবী)
--ধুর! আচ্ছা নাও, ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি হুম? এবার হয়েছে? (সিনথিয়া)
--জ্বি ম্যাডাম, হয়েছে। শুনো, আপাতত আমার ডিউটি আছে, পরে কথা বলছি ok? রাত বেশ হয়েছে, খেয়ে-দেয়ে ঘুমিয়ে পড়। (ফারাবী)
--অক্কে স্যার, হিহিহিহি!!
.
টুট টুট টুট
ফোন রেখে দীর্ঘ শ্বাস ফেলে ফারাবী। এক সপ্তাহের মাঝে আসবে বলে সিনথিয়াকে শান্তনা দিয়েছে। কিন্তু আদও কি এক সপ্তাহের মাঝে ফিরবে কিনা, নিজেও জানেনা সে। হয়তো মাস খানেকও লেগে যেতে পারে, নয়তো নাও ফিরতে পারে। ভাবতে ভাবতে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ায় ফারাবী। হঠাৎ রাসেল এসে বলল,
.
--ক্যাপ্টেন, আমার মনে হয়, তাদের খুঁজতে নতুন মিশনে নামতে হবে। কেননা তাদের কোনো চিহ্নও নেই কোথাও! নিহত হলে অবশ্যই লাশ পাওয়া যেত! এমন গোলাগুলিতে কোথায়ই বা যাবে তারা! ক্যাপ্টেন, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো কাহিনী আছে ক্যাপ্টেন! (রাসেল)
--সে ব্যাপারে পরে দেখা যাবে রাসেল। আর হ্যাঁ, যদি সমস্যার সমাধান হয় তাহলে ভালো, আর যদি ব্যাপারটা জটিল হয়ে থাকে তবে অবশ্যই আমরা মিশনে নামবো। আর শুনো, কালই মৃতদের বাড়িতে তাদের লাশ পাঠাবার ব্যবস্থা নাও। সব শেষে আমাদেরই তাদের দাফন করতে হবে। (ফারাবী)
--What ever you say ক্যাপ্টেন!
.
বলেই কাজে চলে যায় রাসেল। তাবুর দিকে পা বাড়ায় ফারাবী। কেউ শুয়ে আছে, কেউ বা বসে আছে তাবুতে। সবাই চুপচাপ, বন্ধুদের হারিয়ে হয়তো সবার মন খারাপ। ফারাবীকে দেখেই উঠে দাড়ায় সবাই,
.
--বসো সবাই বসো, এত উত্তেজিত হওনা! তোমাদের সাথে আমার জরুরি কিছু কথা ছিল। (ফারাবী)
--কি কথা ক্যাপ্টেন? (হাসান)
--সব বলছি সব বলছি, আগে বসো। (ফারাবী)
.
ফারাবীর কথা মতো গোল হয়ে বসে সবাই। ফারাবী সার্জেন্ট নিরবের দিকে চেয়ে বলল,
.
--সার্জেন্ট নিরব, আমায় সবকিছু খুলে বলোতো! (ফারাবী)
--না মানে ক্যাপ্টেন.....
--এই তোমরা কি আমায় ভয় পাও? (ফারাবী)
--হ্যাঁ মানে কিছুটা!!
--শুনো, বন্ধু ভেবে যা বলার একদম নির্ভয়ে বলতে পারো। তোমাদের যদি কোনো দোষও থেকে থাকে, তবুও আমি কোনো punishment দিতে যাচ্ছিনা, এই সিদ্ধান্ত আমি নেইনি বুঝেছো? শুধু তোমরা সব খুলে বলো। (ফারাবী)
--Actually ক্যাপ্টেন, ক্যাম্পে ফেরার সময় তাহসির আর এনায়েত আমার সাথেই ছিল, আর আবির ছিল সবার পেছনে আর গোলাগুলির সময়.......
--Stop stop, এসব আগেও বলেছো, আর কিছু যদি জেনে থাকো তবে বলো! (ফারাবী)
--স্যার, রাগ করবেন না স্যার। আপনার কাছে একটা কথা লুকিয়েছি! (রনি)
--No problem, তুমি বলো। (ফারাবী)
--স্যার আসলে আপনার চোখ ফাকি দিয়ে তাহসির তার মোবাইল সাথে এনেছিল! (রনি)
--মানে?? What nonsense!! (রেগে গিয়ে বলল ফারাবী)
--ক্যাপ্টেন, রাগবেন না। এটাই তাদের খুঁজে পাওয়ার একমাত্র উপায়! (নিরব)
--হ্যাঁ হ্যাঁ, you are right! তোমাদের কারো তাহসিরের পার্সনাল নম্বর মুখস্ত আছে?? (ফারাবী)
--স্যার, আমার মোবাইলে সেভ করা ছিল স্যার। তবে মোবাইল তো নেই! (হাসান)
--উফফো প্রয়োজনের সময় কিছু পাওয়া যায়না!! এখন কি করার!! (ফারাবী)
--ক্যাপ্টেন, উত্তেজিত হবেন না, যা করার ঠান্ডা মাথায় করতে হবে। (নিরব)
--আচ্ছা যাও, সবাই ডিনার সেরে আসো। রাত ১১:৩৯ বাজে। আজ অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে! রাসেলকে আমি অন্য কাজ দিয়েছি, সো হাসান, মাহমুদ, সৌরভ, রনি আর কাওসার আজ রাতের ডিউটিতে থাকছ। Understand?? ফারাবী)
--Yes Sir!
.
অন্যদিকে,
চারদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার। মাঝেমাঝে কারো ফিসফিস করে কথা বলা শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ দরজা খুলে একজন ভেতরে ঢুকে একজন। তাহসির রুমে একা। লোকটিকে পানি খাবে বলে তাহসির! তাহসিরের সব অস্ত্র রেখে দেয় তারা! শুধু খেয়াল করেনি তাহসিরের বাম পায়ে বাঁধা নাইফটি!! লোকটি চোখের আড়াল হতেই হাত ঘুরিয়ে ছুরির ফোলায় হাতের দড়ি কেটে ফেলে তাহসির। লোকটি রুমে এসে কাউকে না পেয়ে অস্থির হয়ে পড়ে। হঠাৎ পেছন থেকে শক্ত একটা হাত মুখ চেপে ধরে লোকটির!! কিছু বুঝে উঠার আগেই লোকটির গলার ধমনি ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে রক্তের স্রোত!!
:
পরবর্তী পর্ব... ..

অগ্নিশিখা
:
লেখা : Farhan Ahmed Farabi (ভবিষ্যৎ সেনাবাহিনীর দুর্ধর্ষ অফিসার)
:
পর্ব : ৬
মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সন্ত্রাসী লোকটা! বাকিদের উদ্ধার করা তার একার পক্ষে সম্ভব না। কোনোরকমে বেঁচে ফিরতে হবে আগে। ধীর পায়ে সিড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসে তাহসির। তারপর কতক্ষণ দৌড়েছে ঠিক মনে নেই তার। নিরাপদ একটি জায়গায় এসে থামে তাহসির, ফোন বের করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। তবে এখানে নেটওয়ার্কে খুব প্রবলেম। কল গিয়েও বারবার কেটে যাচ্ছে। চারপাশ থেকে জানা অজানা জিব জন্তুর ডাক ভেসে আসছে। পাশের ঝোপে হঠাৎ কি যেন একটা নড়ে উঠলো! ঘাবড়ে যায় তাহসির। রাতের পাখিগুলো কেমন ভয়ানক ভাবে ডাকাডাকি করছে। মধ্য রাতে এমন জঙ্গলে ঘুরঘুর করা মোটেও নিরাপদ নয়, ফোনে নেটওয়ার্কও পাচ্ছেনা যে ইউনিটে খবর পাঠাবে। রাতটা কাটানোর জন্য শেষমেশ একটা বড় গাছ বেছে নেয় তাহসির, উপায় না পেয়ে ক্লান্ত শরীরে কোনোরকমে গাছ বেয়ে উপরে উঠে সে। আপাতত এখানেই রাত কাটাতে হবে তাকে।
.
পরদিন সকালে,,
প্রচন্ড রোদের আলোয় ঘুম ভাঙ্গলো তাহসিরের। পানির পিপাশায় গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে তার, তবে তার বোতলে পানি নেই এক ফোটাও! নিচে নেমে আসে সে। চারদিক তার অজানা, কোনদিকে যাবে ভেবে পায়না তাহসির। ক্যাম্পের কারো কাছেও তার নম্বর নেই যে উদ্ধার করবে তাকে। অচেনা পথে পা বাড়ায় সে, তবে কোথায় যাচ্ছে নিজেরও জানা নেই তার। হয়তো জঙ্গলের আরো গহিনে চলে যাচ্ছে!!! পকেট থেকে ফোন বের করে তাহসির,অফিসের নম্বরে ডায়াল করে। তবে যেইসেই আগের মতোই, নেটওয়ার্ক প্রবলেম!!
.
--shit!!!
.
নিজের অজান্তেই মুখ থেকে শব্দটি বেরিয়ে আসে তাহসিরের। আবার অফিসের নম্বরে ডায়াল করে সে। হঠাৎ রিং হওয়ার শব্দ ভেসে আসে অপর প্রান্ত থেকে!! নেটওয়ার্ক পেয়েছে!! সাফল্যের হাসি দেয় তাহসির!
.
টেলিফোনে রিং হচ্ছে দেখে রিসিভ করে ফারাবী। রিসিভ করতেই অপর পাশ থেকে ভেসে আসে এক পরিচিত কন্ঠ,
.
--হ্যালো? স্যার আমি তাহসির বলছি! তাহসির!!
.
নামটা শুনেই বুকটা যেন কেঁপে উঠে ফারাবীর! বসা থেকে উঠে দাড়িয়ে বলল,
.
--তাহসির?? তুমি?? এই তুমি কোথায়?? আবির আর এনায়েত কোথায়???তাড়াতাড়ি বলো!! (ফারাবী)
--স্যার আমি কোথায় ঠিক বলতে পারছি না..বাকি দুজন সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দি! আর আমি.............
.
টুট টুট টুট!!
.
--ওহ Shit!! (তাহসির)
.
আবার লাইন কেটে গেল, নেটওয়ার্ক চলে গেছে! আবার চেষ্টা করে তাহসির, আবার আগের মতো ব্যর্থ হতে শুরু করে সে! হঠাৎ কারো পায়ের শব্দ শুনে ঝুপের আড়ালে লুকিয়ে পড়ে তাহসির। তার জলপাই রঙের ইউনিফোর্মটা যেন সবুজ ঝুপের সাথে মিশে যায়। হঠাৎ দেখে আবিরকে কোথায় যেন নিয়ে যাচ্ছে তিনজন লোক, তাদের সাথে তখন অস্ত্র নেই!! এই সুযোগটি হাত ছাড়া করেনা তাহসির। বাঘের মতো গর্জে বের হয়ে ছুরি চালিয়ে দেয় একজনের গলার!! যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠে লোকটি। অন্যজন পেছন থেকে লাথি মেরে ফেলে দেয় তাহসিরকে, মাটিতে পড়ে স্লাইড কিক করে লোকটিকে ফেলে দেয় তাহসির। উঠে দাড়াতেই মাথায় প্রচন্ড এক বাড়ি অনুভব করে সে। জ্ঞান হারানোর আগে ঝাপশা ভাবে বড় গাছের ডাল হাতে এক লোককে দেখতে পায় তাহসির।
.
অন্যদিকে,
তাহসিরের ফোন পেয়েই কন্ট্রোল রুমে ছুটে যায় ফারাবী। তার এই অবস্থা দেখে কন্ট্রোল অফিসার জাকির বলল,
.
--কি হয়েছে ক্যাপ্টেন?? এত উত্তেজিত কেন? কি হয়েছে? (জাকির)
--অফিসার, তাহসির ফোন করেছিল এইমাত্র! আবির আর এনায়েতকে সন্ত্রাসীরা ধরে নিয়ে গিয়েছে! বাকিটা আর বলতে পারেনি তাহসির, তার আগেই লাইন কেটে গিয়েছিল। আমি অনেক চেষ্টা করেছি যোগাযোগ করার। কিন্তু, কিন্তু কল যাচ্ছেই না অফিসার!! (হাপাতে হাপাতে বলল ফারাবী)
--আরে কি বলছেন এসব?? (অফিসার মামুন)
--অফিসার, আমি মজা করছি না স্যার! তাহসির আরো বলেছে যে জায়গাটা তার পুরোপুরি অচেনা! (ফারাবী)
--ক্যাপ্টেন,
টেনশনে হয়তো আপনার শরীর খারাপ করছে! (সার্জেন্ট নিরব)
--আরে কি হয়েছে সবার?? এমন কি অবিশ্বাসের কথা বললাম যে কেউ আমার কথা বিশ্বাসই করতে চাইছে না?? (ফারাবী)
--আচ্ছা আমরা সব শুনছি। আপনি বসুন, শান্ত হও তুমি। নিরব, ক্যাপ্টেনকে এক গ্লাস পানি দাও! (অফিসার ফারুক)
.
কন্ট্রোল রুমের কম্পিউটারের পাশের চেয়ারে বসে ফারাবী! ফারাবীর দিকে পানির গ্লাস এগিয়ে দেয় সার্জেন্ট নিরব। ঢগঢগ করে সব পানি খেয়ে নেয়, পিপাশায় যেন অস্থির ছিল সে। পানির গ্লাসটা টেবিলের উপর রেখে ফারাবী তাড়াহুড়ো গলায় কম্পিউটারে বসা অফিসার জাকিরকে বলল,
.
--অফিসার please, আমাদের হাতে সময় বেশি নেই। 018........ এটা তাহসিরের ফোন নম্বর, এই নম্বরের লোকেশন সার্চ করুন! Fast officer Fast!! (ফারাবী)
.
ফারাবীর কথা মতো হাত চালায় অফিসার জাকির, তবে সিম বন্ধ দেখাচ্ছে তাহসিরের! এখনো নেটওয়ার্ক নেই।
.
--অফিসার মামুন, লোকেশন পাচ্ছেনা! সিব Off দেখাচ্ছে! আপনি ফোন করে দেখুন please অফিসার!!! Quick! (অফিসার জাকির)
--অফিসার, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সিম off! সে যেই জায়গাতে আছে সে জায়গা জঙ্গলের বেশ গভীরে! (অফিসার মামুন)
--Oh my god! এভাবেই যদি চলতে থাকে তাহলে তাকে পাবো কিভাবে!! (ফারাবী)
--অফিসার!! লোকেশন পেয়েছে!! আমাদের থেকে ৫৭ কিলোমিটার দূরে আছে অফিসার!! (অফিসার জাকির)
--What!! okay আমি এখনি কল করছি!! (ফারাবী)
--Again লোকেশন off হয়ে গেছে ক্যাপ্টেন!! (অফিসার জাকির)
--Oh no! okay don't worry, আমি ক্যান্টনমেন্টে খবর দিয়েছি, তারাও হয়তো লোকেশন সার্চ করছে। You please দেখুন তাহসিরের লোকেশনটা ঠিক কোথায়! Quick officer! (ফারাবী)
--Okay wait a minute! (অফিসার জাকির)
.
হঠাৎ টেবিলে রাখা টেলিফোনটা বেজে উঠলো, রিসিভ করে ফারাবী,
.
--হ্যালো, রাঙ্গামাটি ক্যাম্প থেকে ক্যাপ্টেন ফারাবী বলছি।
--ক্যাপ্টেন, আমি সাভার ক্যান্টনমেন্ট থেকে কন্ট্রোল অফিসার সাদী বলছি! ক্যাপ্টেন, লোকেশন একদমই পাচ্ছেনা যে আমরা সার্চ করবো। কম্পিউটারের সার্চিং ম্যাপটা পুরোপুরি ফাঁকা! (অফিসার সাদী)
--সে যেখানে আছে সেখানে নেটওয়ার্ক পাচ্ছেনা অফিসার। কিছুক্ষণ আগেই লোকেশন পেয়েছিল, রাঙ্গামাটি ক্যাম্প থেকে লোকেশন ৫৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখনো আমরা সার্চ করে যাচ্ছি, আপনারাও পুরো দমে চেষ্টা চালিয়ে যান! Best of luck!! (ফারাবী)
--What ever you say ক্যাপ্টেন!
.
টেলিফোন রাখতেই অফিসার ফারুক বলল,
.
--কি বলল তারা?? (অফিসার ফারুক)
--তাদেরও আমাদের মতোই অবস্থা! লোকেশন পাচ্ছেনা! (ফারাবী)
--এইতো এইতো, লোকেশন পেয়েছে!! ঠিক আগের জায়গাতেই!! (অফিসার জাকির)
--আপনি লোকেশনের দিকে নজর রাখুন অফিসার, আমি আবার কল করছি! (ফারাবী)
--No ক্যাপ্টেন!! Don't do that! কল করার সঙ্গেসঙ্গেই নেটওয়ার্ক প্রবলেম বেড়ে যাচ্ছে!! (অফিসার মামুন)
--ওহ yeah, You are right! অফিসার জাকির, লোকেশনটা ঠিক কোন জায়গায় তা দেখুন now! (ফারাবী)
--Yes ক্যাপ্টেন, এখনি দেখছি! লোকেশনটা ক্যাম্প থেকে ৫৭ কিলোমিটার পূর্বে, আর যেখানে গোলাগুলি হয়েছিল সেখান থেকে ৩১ কিলোমিটার দক্ষিণে! (অফিসার জাকির)
.
আবারো টেলিভোনটা বেজে উঠে, ফারাবী রিসিভ করতেই,
.
--ক্যাপ্টেন, লোকেশন পাওয়া গেছে! আপনাদের ক্যাম্প থেকে ৫৭ কিলোমিটার! (অফিসার সাদী)
--হ্যাঁ আমরাও দেখছি, আপনারাও লোকেশনের দিকে নজর রাখুন Ok? and কোনো প্রকার information পেলেই আমাদের জানাবেন। (ফারাবী)
.
ফারাবী টেলিফোনে কথা বলা অবস্থায়ই হঠাৎ কম্পিউটার স্ক্রিন দেখে চেঁচিয়ে উঠে অফিসার জাকির!
.
--Oh no, ক্যাপ্টেন কি হচ্ছে কি এসব!! (অফিসার জাকির)
--কি হয়েছে অফিসার?? Oh my god what's happening!! (ফারাবী)
:
পরবর্তী পর্ব... ..

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ