āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3441 (2)

অগ্নিশিখা
:
লেখা : Farhan Ahmed Farabi (ভবিষ্যৎ সেনাবাহিনীর দুর্ধর্ষ অফিসার)
:
পর্ব : ৩
ব্যাগ-পত্র কাধে নিয়ে প্রস্তুত হয় সবাই। গাড়িতে উঠার আগে আকাশপানে চেয়ে সৃষ্টিকর্তার নিকট ক্ষমা চেয়ে নিল ফারাবী। পাঁচটি জিপগাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে রাঙ্গামাটি ক্যাম্পের উদ্দেশে। ড্রাইভারের পাশের সিটে বসলো ফারাবী, পেছন ঘুরে সৈন্যদের বলল,
.
--কারো কোনো সমস্যা নেই তো? (ফারাবী)
--নো স্যার!
--কারো কোনো সমস্যা থাকলে বলো। ক্যাম্পে গিয়ে "আমার এটা নেই সেজা নেই" এসব যেন না শুনি! (ফারাবী)
--স্যার, যদি পার্মিশন দিতেন, তাহলে একটা প্রশ্ন করতাম! (তাহসির)
--হ্যাঁ তাহসির বলো, আমি শুনছি। (ফারাবী)
--স্যার, কিছুদিন পর নাকি আপনাদের মেরিজ এনিভার্সারি? (তাহসির)
--আরে তুমি কিভাবে জানলে? (তাহসিরের কথা শুনে হেসে বলল ফারাবী)
--গতবার বলেছিলেন স্যার, ভুলে গেছেন হয়তো। (তাহসির)
--হতেও পারে, এত ব্যস্ততার মাঝে সবকিছু কি আর মনে থাকে বলো! (ফারাবী)
--ক্যাপ্টেন, আমরা কতদিন সেখানে থাকব? (রাসেল)
--বেশিদিন নয় রাসেল, এইতো মাত্র এক সপ্তাহ। (ফারাবী)
.
রাসেল কিছু বলতে যাবে এমন সময় উচুনিচু রাস্তায় প্রচন্ড ভাবে ঝাকুনি খায় জিপগাড়িটি। ঝাকুনির ধাক্কায় সিট থেকে পড়ে যায় কাওসার।
.
--এই ছেলেরা, ঠিক ভাবে ধরে বসো। রাস্তা-ঘাট অবস্থা দেখছি ভালো না। গাড়ি থেকে পড়ে গেলে কিন্তু পেছনের গাড়ির চাকায় একদম পিশে যাবে। (ফারাবী)
.
সার্জেন্ট নিরব হাসতে হাসতে বলল,
.
--কাওসার বেচারার ভাগ্য ভালো যে মেঝেতে পড়েছে!
.
নিরবের কথা শুনে একসাথে হেসে উঠলো সবাই। এক সারিতে ছুটে চলছে পাঁচটি জিপগাড়ি, পথেঘাটের মানুষেরা জলপাই রঙের জিপগাড়িগুলো চেয়ে চেয়ে দেখছে। দীর্ঘ তিন ঘন্টা ভ্রমণের পর রাঙ্গামাটি ক্যাম্পে পৌঁছে তারা। এক সারিতে পাঁচটি জিপগাড়ি প্রবেশ করলো ক্যাপে। গাড়ি থেকে নেমে এলো ফারাবী, তার সাথে প্রথম গাড়ি থেকে নেমে ফারাবীর কাছে এসে দাড়ায় লেফটেন্যান্ট শিহাব। গাড়িগুলো থেকে নেমে সোজা হয়ে দাড়ায় সবাই। ফারাবী সবার উদ্দেশে বলল,
.
--Listen carefully! আমরা আমাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গিয়েছি, So আমি চাই যে, মানে আমাদের ছোটখাটো করণীয় যা আছে, তা শেষ করে নিতে। তাবু করার প্রয়োজনীয় সবকিছু গাড়িতেই রাখা আছে, তোমরা প্রতি পাঁচজন মিলে একটি তাবু ফেলবে। তাবু করার লোকেশন আমি বুঝিয়ে দেব। আপাতত তোমরা গাড়ি থেকে সব নামিয়ে রাখো। আর এইযে লেঃ শিহাব আছেন, কোনো প্রকার সমস্যা হলে আমাদের ডাকবে, Understand?
--Yes sir!!
.
ফারাবীর নির্দেশ মতো তাবু তৈরির সবকিছু গাড়ি থেকে নামিয়ে আনে সবাই। ফারাবী ওয়্যারলেসে হাটহাজারী ক্যাম্পে খবর পাঠিয়ে দেয় যে সবাই নিরাপদে পৌঁছেছে। ফারাবী হাতের রিস্ট ওয়াচটার দিকে চেয়ে লেঃ শিহাবের উদ্দেশে বলল,
.
--Anyway, এখানের অফিস রুমটা কোন দিকে?
--আছে হয়তো আশেপাশেই! উফ আজ অসম্ভব রোদ পড়েছে স্যার! (লেঃ শিহাব)
--Yes I know, তাতো দেখছিই! (ফারাবী)
--এত গাছপালা থাকার পরও এমন গরম। Oh my God! (লেঃ শিহাব)
--Hey you! এদিকে এসো। তোমাদের অফিস রুম কোথায়? (একজন কর্পরালের উদ্দেশে বলল ফারাবী)
--This way sir, আসুন আমার সাথে!
.
ফারাবী আর শিহাবকে অফিস রুমে নিয়ে যায় সে। যাওয়ার পথে ফারাবী জিজ্ঞেস করলো,
.
--এই ছেলে নাম কি তোমার? (ফারাবী)
--আমার নাম সাদ স্যার! ( কর্পরাল সাদ)
--ওহ আচ্ছা, আমি হচ্ছি ক্যাপ্টেন ফারাবী, আর ওনি হলেন লেঃ শিহাব!
.
কথা বলতে বলতে অফিস রুমে পৌঁছে যায় তারা, অফিসে গিয়ে সাদ বলল,
.
--স্যার, ওনারা হাটহাজারী ক্যাম্প থেকে এসেছেন, আপনার সাথে দেখা করতে চায় স্যার। (কর্পরাল সাদ)
--হ্যাঁ নিশ্চয়ই, ভেতরে এসো তোমরা। আমি হলাম মেজর মাহবুব। (হাত বাড়িয়ে বলল মেজর মাহবুব)
.
ফারাবী হাত মিলিয়ে বলল,
.
--আমি হলাম ক্যাপ্টেন ফারাবী, আর ওনি হলেন লেঃ শিহাব!
--জ্বি আমি মেজর মাহবুব। (শিহাবের দিকে হাত বাড়িয়ে বলল)
--আমি হচ্ছি লেঃ শিহাব। (হাত মিলিয়ে বলল লেঃ শিহাব)
--তোমরা দাড়িয়ে আছো কেন? বসো? (মেজর মাহবুব)
--শুনলাম যে রাঙ্গামাটির অবস্থা ।খুব খারাপ? (বসতে বসতে বলল ফারাবী)
--হুম আর কিই বা বলি বলো? সেনাবাহিনী ক্যাম্প বলে হয়তো এই আশপাশে সন্ত্রাসীদের চলাফেরা নেই। তবে, অন্যান্য এলাকা যেন ধ্বংস করে ফেলছে তারা! (মেজর মাহবুব)
--আপনি বুঝাতে চাচ্ছেন যে এই এলাকায় সন্ত্রাসীদের ঝুঁকি নেই? (ফারাবী)
--নেই বটে! তবে এর বাইরের এলাকা মোটেও নিরাপদ নয় ক্যাপ্টেন। (মেজর মাহবুব)
.
বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার পর ফারাবী উঠে দাড়িয়ে বলল,
.
--ওহ আচ্ছা। তো আজ তাহলে আসি! (ফারাবী)
--হ্যাঁ তোমরা আসতে পারো!
.
চারদিক প্রায় অন্ধকার হয়ে আসছে। সন্ধ্যা নামার আগেই তাবু ফেলতে হবে তাদের। ফারাবী সবাইকে বলল,
.
--Boys, তবু করার ব্যবস্থা করো সবাই। চারদিক অন্ধকার হয়ে আসছে। সন্ধ্যা নেমে আসার আগেই কিন্তু আমাদের তাবু করতে হবে। আমি লোকেশন বুঝিয়ে দিচ্ছি, তোমরা তাড়াতাড়ি হাত চালাও। হাতে একদম সময় নেই। Quick quick, fast!
.
সৈন্যদের তাবু করার লোকেশন বুঝিয়ে দিল ফারাবী। ফারাবী লোকেশন অনুযায়ী তাবুর করা শুরু করে সবাই। এক সারিতে পাঁচটি তাবু ফেলে তারা। ব্যস্ততা কাটাতে রাত প্রায় ৯:৩০ টা বেজে যায় তাদের।
.
.
এখন রাত প্রায় ০৩:০০ টা! রাইফেল হাতে ডিউটিতে ব্যস্ত সৈনিক রাসেল। আশেপাশের সৈনিকরা সতর্ক ভাবে দৃষ্টি ফেলছে চারদিকে। মৃদু বাতাস বইছে, ঝিরঝিরি বৃষ্টি যেন আল্ত করে ভিজিয়ে দিতে চাইছে সারা শরীর। ঝিঝি পোকার ডাকে ছেয়ে আছে চারপাশ। হঠাৎই রাসেল খেয়াল করলো, তাবু থেকে কিছু দূরে চুপ করে দাড়িয়ে আছে তাদের ক্যাপ্টেন। ভালোবাসার মানুষটিকে দূরে রেখে আসায় হয়তো তার মন খারাপ। কাছে যাবে নাকি ভেবে পাচ্ছেনা রাসেল। সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ধীর পায়ে এগিয়ে গেলো ফারাবীর দিকে।
.
--ক্যাপ্টেন? Anything wrong sir? (নিচু সুরে বলল রাসেল)
.
ফারাবী রাসেলের দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে বলল,
.
--No রালেস! I'm ok! (ফারাবী)
--কোনো বিষয়ে মন খারাপ ক্যাপ্টেন? (রাসেল)
--হুম! (ফারাবী)
--কি হয়েছে? (রাসেল)
.
রাসেলের দিকে চোখ তুলে ফারাবী বলল,
.
--তোমার ডিউটি নেই?
--ইয়ে মানে স্যার ....(রাসেল)
--যাও, আগে ডিউটি করো! (ফারাবী)
--সরি স্যার, এখনি যাচ্ছি!
.
রাসেল স্পষ্ট বুঝতে পারছিল, ক্যাপ্টেনের চোখ জোড়া লাল হয়ে আছে। এখনো ঘুমায়নি হয়তো, হয়তো ভালোবাসার মানুষটির কথা মনে পড়ছে খুব। পেছন ফিরে তাকায় রাসেল, এখনো চুপ করে দাড়িয়ে আছে সে। সেনাবাহিনীদের জীবনটাই এমন..শত কষ্টের পরও প্রিয়জনদের ছেড়ে থাকতে হয় দীর্ঘদিন!
.
.
এক, দুই করে আজ সাতদিন! প্রশিক্ষণের শেষদিন। সিনথিয়া অধীর আগ্রহে দিনটি শেষ হওয়ার অপেক্ষা করছে। গতকাল অফিসের টেলিফোন থেকে বলেছিল, আজ তার ফারাবী ফিরে আসবে। ভেবেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠছে সিনথিয়া। কিন্তু সে হয়তো জানেনা, ফারাবীর দলের সাথে ঠিক কি হতে চলেছে!
.
ক্যাম্প থেকে বেশ দূরে হলে টহলে বেরিয়েছে সবাই। সবার হাতে তখন BD-08 রাইফেল। আজ প্রশিক্ষণের শেষদিন, বিভিন্ন কথা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করছে সবাই।
.
--তাহসির বাড়ি ফিরেই বিয়ে বসবি তাইনা? (কাওসার)
--হ্যাঁ, তো কি হয়েছে?? বউ যারযার, গফ যেন সবার!! (তাহসির)
--ওহ তার মানে তোর গফ আমাদেরও গফ!! (রাসেল)
--এই এমন হলে তো সব গফ মারামারি লেগে যাবে!! (নিরব)
--তাহসির বিয়ে করো আর যেই বিয়ে করোনা কেন, আমায় ইনভাইট করতে ভুলোনা কিন্তু। নইলে তোমাদের চাকরি কেড়ে নিব! (ফারাবী)
--কি বলেন স্যার!! সামান্য বিয়ে খাওয়ার জন্য আপনি চাকরি কেড়ে নিবেন!! (তাহসির)
.
একসাথে হেসে উঠে সবাই। হঠাৎ থমকে দাড়ায় সাদ। আশেপাশে চেয়ে বলে,
.
--স্যার, আমার মনে হয় কেউ আমাদের লক্ষ করছে স্যার!!
.
সাদের কথা শুনে থমকে দাড়ায় সবাই।
.
--কি বলছো এসব? কে লক্ষ করবে আমাদের? (ফারাবী)
--জানিনা স্যার, আমার কেমন যেন অস্বস্তি বোধ করছে! (সাদ)
--স্যার, আমারও কেন জেন মনে হচ্ছে কেউ আমাদের দেখছে!! (মাহমুদ)
--আরে কি হয়েছে কি সবার?? শুনো এসব তোমাদের মনের ভুল, বুঝেছো? এখন এগিয়ে চলো সবাই!
.
এই বলে ফারাবী এগুতে যাবে এমন সময় সামনে থাকা কুকুরটা প্যান্টের পা কামড়ে ধরে ফারাবীর। ফারাবী দু তিনবার লাথি মারার পরও ছাড়ছে না কুকুরটি!
.
--What is he doing! stupid dog!! (ফারাবী)
--ক্যাপ্টেন be careful!!!
:
পরবর্তী পর্ব... ..

অগ্নিশিখা
:
লেখা : Farhan Ahmed Farabi (ভবিষ্যৎ সেনাবাহিনীর দুর্ধর্ষ অফিসার)
:
পর্ব : ৪
--ক্যাপ্টেন be careful!!!!
.
রাসেলের সতর্কবার্তার উত্তর দেওয়ার সময় পেলোনা ফারাবী। তার আগেই প্রচন্ড গুলিবর্ষণে ওয়্যারলেসম্যান সহ তিনজন লুটিয়ে পড়ে মাটিতে।
.
--পজিশন নাও সবাই!! ফায়ার!!
.
চেঁচিয়ে বলল ফারাবী। সমস্ত পরিবেশ কাপিয়ে গর্জে উঠলো সবার রাইফেল!! তবে তারা সংখ্যায় ছিল মাত্র পঁচিশজন। ইতি মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরো একজন!! প্রচন্ড যন্ত্রণায় চিৎকার করছে সে! তাকের উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ হারায় ইমরান! ওয়্যারলেসম্যান নিহত হওয়ায় কোনো ক্যাম্পে কোনো প্রকার সিগন্যাল পাঠাতে পারছেনা তারা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্ক্রুলিং করে ওয়্যারলেসম্যানকে উদ্ধার করে আনে রাসেল,
.
--সৈনিক রাসেল বলছি স্যার। স্যার, টহল হতে ক্যাম্পে ফেরার পথে আমাদের উপর আক্রমণ করা হয় স্যার। এখন পর্যন্ত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে! যতদ্রুত সম্ভব সাহায্যের ব্যবস্থা করুন ওবার!! (রাসেল)
.
ক্যাম্পে খবর পাঠানোর চেষ্টা করে রাসেল। চারপাশ ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে এসেছে, তার উপর ভয়াবহ গোলাগুলি। কিছুক্ষণ পরই দূর হতে হ্যালিকোপ্টারের আওয়াজ কানে ভেসে এলো ফারাবীর,
.
--Well done রাসেল!! (চেঁচিয়ে বলল ফারাবী)
.
ফারাবীর দিকে চেয়ে সাফল্যের হাসি দেয় রাসেল। এবার হয়তো পেরে উঠতে পারবে তারা! হেলিকপ্টারের বাতাসে সবকিছু যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে, জঙ্গলের উপড় আলো ফেলা হচ্ছে হেলিকপ্টার থেকে। তীব্র গোলাগুলি, সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের রাইফেল। হঠাৎ সবকিছু আলোকিত করে ফোটে উঠে গ্রেনেড!! গ্রেনেডের আঘাতে মৃত্যু ঘটে কর্পরাল সাদের! তার দিকে ছুটে যায় ফারাবী। তবে কিছুক্ষণের মাঝেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সাদ। গাল বেয়ে দুফোটা পানি গড়িয়ে পড়ে ফারাবী। টহলের কিছু আগেও ছেলেটি টেলিফোনে তার মাকে বলছিল, "দোয়া করো মা, সবাইকে নিয়ে টহলে যাচ্ছি। আর মাত্র আজকের দিন, তারপরই ছুটিতে আসবো। তুমি দেখো তোমার ছেলে কত বড় হয়েছে মা। মা তোমার জন্য কি নিয়ে আসবো বল মা!" অপর প্রান্ত থেকে তার মা হয়তো কিছু না আনার জন্য বোকছিল। তবুও সে বলে আসার সময় শাড়ি নিয়ে আসবে। তবে কিছুই করার নেই তার! সবাইকে ছেড়ে চলে গিয়েছে সে। রক্তাক্ত ইউনিফোর্মে পড়ে আছে তার নিথর দেহ। শুধু সাদই নয়, তাদের সংখ্যা আরো কমে আসছে!! তবে হারমানলে চলবে না!! এই ইউনিফোর্ম মরতে শেখায়নি, মারতে শিখিয়েছে!! চিৎকার করে সবাইকে এগিয়ে যেতে বলল ফারাবী। প্রচন্ড গুলিবর্ষণের মধ্যে গুলি করে করে এগিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে পড়েছে। সেনাবাহিনীর পুরো দলটি সন্ত্রাসীদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, আর সন্ত্রাসীরা গুলি করে করে পিছু হোটছে। তৈরি হচ্ছে ভিতিকর পরিস্থিতি। এর মাঝেই আরো কিছু সৈনিক প্রাণ হারিয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে নেমে আসে আরো কিছু আর্মি! দেখেই বুঝা যায় যে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে এসেছে! সন্ত্রাসীদের দিকে গ্রেনেড ছুড়ে ফারাবী। বেশ গোলাগুলির পর ধীরে ধীরে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা!!
.
দ্রুত আশপাশল সার্চ করছে সবাই। টর্চের আলোয় মনে হচ্ছে যেন জোনাকি পোকারা লুকোচুরি খেলছে। হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে ফারাবী, রক্তাক্ত লাশগুলোর দিকে এক নজরে চেয়ে আছে সে। চোখ বেয়ে অধর ধারায় অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে তার। সার্জেন্ট নিরব তার কাধে হাত রেখে বলল,
.
--ক্যাপ্টেন, কাঁদবেন না! আজই তাদের মৃত্যু লেখা ছিল ক্যাপ্টেন!
.
নিরবের কথার উত্তর দেয়না ফারাবী, কেঁদেই চলেছে সে। তার কান্না দেখে নিরবে কেঁদে উঠে সমস্ত প্লাটুন। উঠে দাড়ায় ফারাবী, নিজেকে শক্ত করার চেষ্টা করে সে। একটি ফাঁকা জায়গায় ল্যান্ড করে হেলিকপ্টার, হেলিকপ্টার থেকে নেমে আসেন মেজর মাহবুব।
.
--ক্যাপ্টেন, are you okay? (মাহবুব)
--Yeah, I'm okay sir! (ফারাবী)
.
চোখের জল মুছে রাসেলের দিকে ফিরে ফারাবী বলল,
.
--Good job man, তুমিই ক্যাম্পে খবর পাঠিয়েছো! Well done রাসেল, we are proud of you!!
.
ফারাবীর মুখে এমন প্রশংসা শুনে কিছুটা লজ্জা পেয়ে যায় রাসেল। সৈনিকরা চারপাশে সার্চ করে দেখে সব নিরাপদ। ফারাবীর চোখে শুধু ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো ভাসছে, কানে ভাসছে গুলিবিদ্ধ সৈনিকের আর্তনাদ। সহ্য করতে না পেরে চোখ বন্ধ করে নেয় ফারাবী। প্লাটুনের সবাই বিভিন্নভাবে শান্তনা দিচ্ছে তাকে, তবে তারা যে কাঁদছেনা তা নয়। সবার চোখে জল! মেজর মাহবুব ফারাবীর কাধে হাত রেখে বলল,
.
--ফারাবী, তুমি সমস্ত দলের লিডার! তুমি এভাবে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা ক্যাপ্টেন!
--I know sir! (নিচু সুরে)
.
হাতের ঘড়ির দিকে তাকায় ফারাবী, রাত ০৯:২৩ বাজে। প্রায় তিন ঘন্টা বিপদের মুখে কাটেছে তাদের! ঘড়ি থেকে চোখ তুলে ফারাবী বলল,
.
--তোমরা সবাই ঠিক আছো তো? (ফারবী)
--Yes sir!
--লাশগুলো এবার হেলিকপ্টারে তুলো, আর তাদের বাসায় খবর পাঠানোর ব্যবস্থা করো! (ফারাবী)
--Yes sir!
.
ফারাবীর অর্ডার মতো কাজে লেগে যায় সবাই। হঠাৎ কি যেন খুঁজতে খুঁজতে উত্তেজিত হয়ে রাসেল বলল,
.
--স্যার! তাহসির, আবির, এনায়েতকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা স্যার!!
--পাওয়া যাচ্ছেনা মানে???
.
উত্তেজিত হয়ে পড়ে ফারাবী,
.
--আবির??? তাহসির??? এনায়েত???!!!!
:
পরবর্তী পর্ব... .

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ