āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3454 (4)

শার্ট খুলে বললোঃ-
- গেঞ্জিটাও খুলুন।
মৌয়ের চোখ দেখে একটু হলেও ভয় পেলাম। বললামঃ-
- কী করবা শুনি? ভরদুপুরে গেঞ্জি খুলবো কেনো?
মৌ পেপার কাটা অংশের দিকে আঙ্গুল তুলে বুঝালো দরকার আছে। আমি গেঞ্জি খুললাম। কিছুটা লজ্জাও লাগছে।
ওমা গেঞ্জি খুলার পর মৌয়ের কান্নার গতি আরো বেড়ে গেলো! বললোঃ-
- এখন আমি শতভাগ নিশ্চিত আপনিই ফারায।
কথাটা বলতে বলতে মৌ একটা পেপারের অংশের বিপরীত দিক দেখালো। যেখানে একটা ছবি ফারাযের।
লেখা আছে তাঁর জীবনে একবারই গুলি খেয়েছিলো ২০০৭ সালে। কোমড়ের একটু উপরে।
ভাগ্যক্রমে গুলিটা তেমনভাবে আঘাত করেনি। ফারায বেঁচে যায়। কিন্তু গুলির দাগ আমার পেটে কেনো? আশ্চর্যের ব্যাপার। মাথা ঘুরাচ্ছে খুব।
চিন্তিত হয়ে পরলাম। আমার জানামতে আমি একবার ছোট বেলায় সাইকেল চালানো শিখতে যাওয়ার সময় পায়ে কেটে গিয়েছিলো। তাছাড়া কোনো আঘাত আমার গা'য়ে পরেনি! তাহলে এই দাগ আসলো কিভাবে?
হুবহু ফারাযের গুলি লাগার জায়গায়! আর যাই হোক আমি শতভাগ নিশ্চিত কিছু একটা তো হচ্ছে আমার সাথে। মৌকে বললামঃ-
- দাগটা কিভাবে আসলো আমি জানি না মৌ। বিশ্বাস করো।
- জলজ্যান্ত একটা গুলি লাগার দাগ আপনার শরীরে লেগেছে আর আপনি জানেন না? তখন কী আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন?
মৌয়ের কথায় এক মিনিটের জন্য মনে হচ্ছে সত্যিই আমি মনে হয় তখন ঘুমিয়ে পরেছিলাম। বললামঃ-
- আমি যদি ফারায হই তাহলে কেনো আমার ব্যাপারে লেখা কলাম আমি নিজেই আমার বিছানার নিচে রাখবো?
- আপনি তো সাধারণ কিলার নন। কোনো বড় প্ল্যান যে করছেন না সেটার গ্যারান্টি কী?
এবার আমি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করতে থাকলাম। আমি কী আসলেই ফারায? নাহলে এতো সব মিল কেনো আমার সাথে ফারাযের? বললামঃ-
- দেখো আমি যদি ফারায হই তাহলে কেনো আমাকে পুলিশ গ্রেফতার করছে না? আমি কী লুকিয়ে থাকি? প্রতিদিন অফিসে যাই আসি।
- আমাকে এতোটা বোকা ভাববেন না। আপনাকে কোন সাহসে গ্রেফতার করবে পুলিশ? মন্ত্রী-মিনিষ্টারের গোলামই তো আপনি। আপনি যেমন তেমন কিলার না সেটা আমি বুঝেছি।
মৌয়ের হাতদুটো ধরলাম। এবার বাধা দিলো না। বললামঃ-
- দেখো আমার চাকরীর বয়স প্রায় তিন বছর। আমি যদি কিলার হতাম তাহলে কেনো চাকরী করা লাগবে?
মৌ কান্নাস্বরে বললোঃ-
- সেটা তো আমি নিজেও ভাবছি।
- আমার নাম সব জায়গাতেই সিয়াম আহমেদ জয়। সব ধরণের সার্টিফিকেটে, ভোটার আইডি কার্ড সহ। আর সে ফারায। তুমিই বলো তাহলে আমি ফারায হই কিভাবে?
মৌ জোর গলায় বললোঃ-
- আমি বলছি না আপনি সিয়াম আহমে জয় না। আমি সেটাও ভালো করে বুঝতে পেরেছি আপনিই ফারায আহমেদ।
- দেখো এসব কথা আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। এমনিতেই মাথা ব্যাথা শুরু হয়েছে। প্লীজ বুঝিয়ে বলো।
- আপনার ছদ্মনাম হচ্ছে, ফারায আহমেদ। সে নামটা আপনার বস দিয়েছিলো। ফারায নামটা এসেছে, ফায়ার- ফা রাজত্ব- রা যম- য = ফারায। আর নামের টাইটেল আহমেদ শেষে তো আছেই। নামটা আপনার বসের দেয়া।
- আশ্চর্য যদি তাই হয় তাহলে তুমি জানো কিভাবে?
মৌ আমার কথা শুনে বিছানার নিচ থেকে একটা ডায়েরী এনে বললোঃ-
- এই ডায়েরীটাও পেলাম। আপনার মনের সব কথা এখানে লিখা আছে। আপনিই লিখেছেন সব। প্রায় একটা ঘণ্টা ধরে আমি ডায়েরীটা পড়ে সব জেনেছি।
ডায়েরীটা দেখে চোখ কপালে উঠলো। এসব কী হচ্ছে আমার সাথে? ফারায, ডায়েরী, বস, কিলার সব মিলিয়ে একটা চোখ ধাঁধানো রহস্য মনে হচ্ছে।
মায়ের কাছে গেলাম। সব খুলে বললাম। মা নিজেও চিন্তিত হয়ে পরলো। আশ্চর্যের ব্যাপার মা নিজেও বিশ্বাস করে ফেললো সব কিছু দেখে যে আমিই ফারায! সেজন্য মৌ আরো কান্না করছে!
মৌয়ের কাছে গেলাম আবারো। মৌ বিয়ের দিনে তুলা ছবিগুলো আমার ফোনে দেখে কাঁদছে। আমাকে দেখে বললোঃ-
- আপনি আমার কাছে আসবেন না দয়া করে। আসলে আমি কিছু একটা করে বসবো।
আমি গিয়ে মৌয়ের হাতদুটো ধরলাম। কপালে চুমু দিয়ে বললামঃ-
- লক্ষ্মী, দেখো আমি বুঝতে পারছি তোমার বিষয়টা। আমি তোমার জায়গায় থাকলে আমিও এরকমই করতাম। কিন্তু তুমি আমার উপর বিশ্বাস রাখো। আমি প্রমাণ করে দিবো আমি ফারায না।
মৌ আমার দিকে অসহায়ের মতো তাকিয়ে বললোঃ-
- কিভাবে........?
.
পর্বঃ- ১০
গল্পঃ- লুডু

মৌ আমার দিকে অসহায়ের মতো তাকিয়ে বললোঃ-
- কিভাবে?
নিজের মাথাতেই এখন কিছু ঢুকছে না। সবকিছু কেমন যেনো কালো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। ভাবছি একবার পুলিশের কাছে যাবো। গিয়ে দেখিই না কী হয়।
তাছাড়া আমি যে ফারায না তা পুলিশের কাছে গেলেই প্রমাণ হয়ে যাবে। তাহলে মৌও নিশ্চিন্ত হবে। মৌকে বললামঃ-
- কালকে চলো থানায় যাবো। সেখানে গিয়ে সব খুলে বলবো। তাহলেই তো প্রমাণ হয়ে যাবে, আমি কে?
মৌ চোখের পানি মুছতে মুছতে বললোঃ-
- একবার না বলেছি আপনাকে পুলিশ ধরবে না। কারণ আপনাকে তো মন্ত্রি-মিনিষ্টারেরাই লালনপালন করে।
মৌ মনে হয় শতভাগ ধরেই নিয়েছে যে আমিই ফারায। এই হলো আমার কপাল। মানুষ বিয়ের পরে হানিমুনে যায় আর আমার প্রমাণ করতে হবে যে আমি একজন কিলার না।
না হলো বিড়াল মারা। না হলো অন্য কিছু। এখন নিজেই মরার অবস্থা। ডায়েরীটা দেখে তো আমার নিজের কাছে এক সেকেন্ডের জন্য মনে হয়েছে আমিই লিখেছি সব।
সম্পূর্ণ আমার হাতের লেখার মতো। আমার মাথা ঘুরাচ্ছে। না ঘুমুলে ঠিক হবে না বুঝতে পারছি। মৌকে রেখে খাটে হাত পা ছেড়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।
অনেক্ষণ হলো ঘুমিয়েছি মনে হয়। মৌকে নিয়ে বাসর রাতে লুডু খেলার কিছু মুহূর্ত চোখে ভাসছিলো। কিছু একটা তো হচ্ছে আমার সাথে। কেনো হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
আচ্ছা আমার কোনো যমজ ভাই ছিলো না তো? ধুর কী যে বলি। একবার মাকে জিজ্ঞেস করে দেখা যাক। মায়ের রুমে গেলাম। মা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে।
মা আমাকে দেখে কাঁদতে আরম্ভ করলো। এখন রাগই হচ্ছে। জীবনে একটা মাছিও মারতে পারলাম না আর এখন হয়ে গিয়েছি প্রফেশনাল কিলার।
মা কেঁদে কেঁদে বললোঃ-
- আর লুকিয়ে কী হবে বাবা? শিকার কর সবকিছু।
চোখ কপালে উঠলো আমার। বললামঃ-
- মানে? কী লুকাচ্ছি, কী শিকার করবো?
মা আর কিছু বলছে না। আজব কথা! মাও ধরেই নিয়েছে আমিই ফারায। কী যে করি বুঝতে পারছি না। বললামঃ-
- আমার কী কোনো যমজ ভাই ছিলো?
মা মাথা নাড়িয়ে বুঝালো ছিলো না। না এবার পুলিশ নাহয় কোনো মানসিক ডাক্তারের কাছে যেতেই হবে। নাহলে এভাবে কদিনে চলতে থাকলে আমি পাগল হয়ে যাবো নিশ্চিত।
বলতে না বলতে মৌ একটি ফ্যামিলি এলবামের ছবি হাতে করে নিয়ে এসে হাজির। মৌয়ের ঠোঁটের কোণে হাসি দেখতে পাচ্ছি। ভালো লাগছে।
কিন্তু ছবি দেখে যেনো আকাশ থেকে পরলাম! বাবা মার পাশে শুধু আমি না! আরেকটা আমি! দুজনে দুজনের কাঁধে ধরে আছি।
তাহলে কী আমার সত্যিই যমজ ভাই ছিলো? মা ছবিটি দেখে স্থীর হয়ে রয়েছে। মুখ থেকে কিছু বের হচ্ছে না। আমার নিজেরও মনে হচ্ছে না যে আমার কোনো ভাই ছিলো। কিন্তু ছবিটা তো বলছে ভাই ছিলো!
মায়ের কান্নার পিছনে খুব বড় রহস্য আছে বুঝতে পারছি। কিন্তু এর থেকেও বড় রহস্য হলো যে মৌ কিছুক্ষণ আগেও মা কালির রূপ ধারন করে ছিলো সে কী না এখন লজ্জাবতী হয়ে গেলো! সব কিছুই যেনো উল্টাপাল্টা হচ্ছে।
মৌ আমাকে নিয়ে আমাদের রুমে আসলো। দুষ্টুমিষ্টি হাসি! রহস্যময় চোখ! আমার কেমন জানি লাগছে। লজ্জা মাঁখা চাহনী দিয়ে হাতদুটো ধরে বললোঃ-
- চলেন এখন লুডু খেলবো।
আমি অবাক হয়ে বললামঃ-
- তোমার কী হইছে একটু বলা যাবে? কিছুক্ষণ আগে বলছো, ডিভোর্স চাই। এখন আবার লুডু খেলতে বলছো।
- এতো কথা শুনায়েন না তো। যা বলেছি তাই করেন।
এ কীরকম আচরণ রে বাবা? নরম স্বরে বললামঃ-
- লক্ষ্মী, ফারাযের রহস্যটাই আমার মাথা সামলাতে পারছে না। আর তোমার রহস্য কিভাবে সামলাবে? বলো না কাহিনী কী?
মৌ শুধুশুধু চোখ মুছতে মুছতে বললোঃ-
- আরেকটা কথা বললে কিন্তু কান্না আরম্ভ করে দিবো হুম।
.
পর্বঃ- ১১
গল্পঃ- লুডু

মৌ শুধুশুধু চোখ মুছতে মুছতে বললোঃ-
- আরেকটা কথা বললে কিন্তু কান্না আরম্ভ করে দিবো হুম।
একটা কথা আসলেই ঠিক। মেয়েদের মন বুঝা, নয় রে নয় সোজা। বললামঃ-
- আমি না ফারায? তাহলে আমার সাথে লুডু খেলতে চাচ্ছো কেনো?
মৌ কিছু বললো না। কেমন চিন্তায় ফেলে দিলো মা আর মৌ মিলে আমাকে। মৌ নীরবতা ভেঙ্গে বললোঃ-
- এই, আপনার বিড়াল মারার কী খবর? বিড়ালটাকে যে দেখছি না।
কথাটা বলে দাঁত বের করে হিহিহি করে হাসলো। কী হচ্ছে আমার সাথে কিছুই বুঝতে পারছি না। আরেক থার্ড পার্সন সিঙ্গলার নাম্বার ফারায আমার মাথা তো হ্যাং করে দিয়েছেই। বললামঃ-
- আচ্ছা বিছানার নিচে কখন তুমি পেপারের টুকরো গুলো দেখছো?
মৌ নরম স্বরে বললোঃ-
- আপনি ফারায আমি ভালো করেই বুঝেছি। কিন্তু কী আর করা? আমার বাঁচা মরা তো এখন আপনারই হাতে। তাই সেগুলো ভেবে আর কী লাভ?
- আমি ফারায না রে বাবা।
- হইছে ঠিকাছে, আপনি ফারায না। এখন চলেন লুডু খেলবো। 
অবাক হলাম, খুব অবাক হলাম। ক্ষণেক্ষণে রঙ বদলাচ্ছে মেয়েটা। এটা কোনোভাবেই শুভ লক্ষণ নয়। সেটা আমি ভালো করেই বুঝতে পারছি।
এই চোখ ধাঁধানো রহস্যটা উন্মোচন করতে হলে আমাকে রহস্যের সাথেই, সূত্র ধরে চলতে হবে। বললামঃ-
- ঠিকাছে লুডু আনো।
মৌ খুশি হলো। সাধারণ হাসি না এটা মৌয়ের আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। মৌ লুডু বের করতে গেলো। এমন সময় একটা ফোন এলো। অচেনা নাম্বার।
রিসিব করার সাথে সাথেই ওপাশ থেকে কেউ একজন অট্টহাসি হাসতে শুরু করে দিলো। বললামঃ-
- বাহ খুব মধুর হাসি আপনার। তা জনাব জানতে পারি আপনি কে?
লোকটি কিঞ্চিৎ ভিলিনের মতো বললোঃ-
- মাত্র তো শুরু সাহেব। পাগল হবেন পুরোপুরি, পাগল হা হা হা।
বলেই ফোনটা রেখে দিলো। মেজাজটা খারাপ করে দিলো। সাথে চিন্তাও বাড়িয়ে দিলো।
কে এই লোক? এসব কেনো আমাকে বললো?
প্রশ্ন আর প্রশ্ন। অগণিত প্রশ্ন। কৌতূহলজনক প্রশ্ন, রহস্যময় প্রশ্ন। কিন্তু কোনো উত্তর নেই।
তারমধ্যে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো মৌ এসে বললোঃ-
- শরীরটা কেমন জানি করছে। লুডু খেলবো না।
অবাক হয়ে বললামঃ-
- কী হলো শরীরের এই পাঁচ মিনিটে?
- জ্বর জ্বর লাগছে।
- আচ্ছা ঠিকাছে, ঘুমাও গিয়ে।
মৌ না গিয়ে আমার শার্টের কলার ধরে আমার নিশ্বাসের কাছাকাছি এলো। বললামঃ-
- কী আবার শার্ট খুলতে হবে?
মৌ সাথে সাথে কলারটা ছেড়ে দিয়ে বললোঃ-
- না, আমার সাথে একটু ঘুমুতে হবে।
- আমি কিছুক্ষণ আগে মাত্র ঘুম থেকে উঠলাম।
- বলছি তো বলছি। আর কিছু জানি না।
আমার লজ্জাবতী বৌটা এখন রহস্যবতী হয়ে যাচ্ছে। দুঃখ রাখার জায়গা নাই। কার রহস্য বেশি জটিল?
ফারাযের না মৌয়ের? বুঝতে পারছি না। মেয়েটার একটু পরপর কী হয় আল্লাহ জানে।
কী আর করা। বাধ্য ছেলের মতো মৌয়ের পাশে শুয়ে পরলাম। মৌ কিছুক্ষণ পর ঝারি দিয়ে বললোঃ-
- মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়ার কথাটাও কী আমার বলে দেয়া লাগবে?
আজব কাহিনী! জ্বর জ্বর লাগলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়া লাগে নাকি? বললামঃ-
- আমি এক লাইন কম বুঝি তো তাই বললেই বুঝতে সুবিধা হয়।
মৌ হিহিহি করে হেসে বললোঃ-
- এই।
- হুম।
- কালকে আপনার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।
- কী........?
.
পর্বঃ- ১২
গল্পঃ- লুডু

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ