আশা করি লেখাটা পড়বেন আর না পড়ে মন্তব্যের দিকে অগ্রসর হবেন না।
.
বিকালবেলা বট গাছের নিচে
বসে আড্ডা দিতেছি,যদিও এ আড্ডার
ব্যপারটা একটি দৈনিক রুটিনে
পরিণত গেছে।খোলামেলে পরিবেশ,
পাখির কিচিমিচি শব্দ আর নিয়মিত
দক্ষিণা বাতাস এগুলো মিলিয়ে অন্যরখম ভালো লাগা কাজ করে আমার
এই জায়গারটার মধ্যে এসে বসলে।
কি করবো বলেন ছন্নছাড়া মানে
একা মানুষের আবার কাজ কি
থাকবে?
অন্যদের মত তো আর ঘন্টার
পর ঘন্টা কথা বলে কাটিয়ে দিতে
পারি না।সেজন্য আমার রোজ
এখানে আসা,এখন অবশ্য এটা অভ্যাসে
পরিণত হয়ে গেছে।
এই ব্যপারটার জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে চরম একটা উপাধি পেয়েছি
সেটা হলো ক্ষেত!!!হি হি কি মূল্যবান উপাধি তাই নয় কি??
.
যাই বসে আছি আর সামান্য
শব্দে ফোনটার বুক চিরে রবীন্দ্র সংঙ্গীত বের হচ্ছে,ভালোই লাগছে যদিও
গানের প্রতি কোন খেয়াল নেই,
শুধু প্রকৃতির চালিকা শক্তিই
আমাকে টানছে তার কাছে আর আমি ও হারিয়ে যাচ্ছি তার চাওয়াতে।
দেখলাম শুভ্র এদিকে আসছে।
শুভ্র আমার জানে জিগার দোস্ত।
দৌড়ে এসেই কাঁদতে শুরু করলো, ব্যপারটা বুঝতে পারলাম না যে ছেলেটা সবসময় হাসি-খুশি থাকতো সে আজ কাঁদছে বেশ খটকা লাগলো।
--কি হইছে দোস্ত তোর...আমি??
--নিশ্চুপ..শুভ্র
--বলবি তো কি হইছে?
--নুসরাতের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে! (কথাটুকু বলেই বাচ্চাদের মত কাঁদতে শুরু করলো শুভ্র।আর নুসরাত হচ্ছে শুভ্রের প্রেমিকা)
--তো কি হইছে?
--কি হইছে মানে!! আমার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে আর তুই বলছিস আমাকে তাতে কি হয়েছে!!
--তাই তো এতে কাঁদার কি হলো!
--তুই আর কি বুঝবি!! জীবনে
তো আর কারো সাথে প্রেম করতে পারিস নাই,বুঝবি কি করে প্রেমিকা হারানোর বেদনা।
--তবে তুই বলে দে প্রেমিকা হারানো বেদনা কেমন??
--ইয়ারকি ছাড়! ওকে ছাড়া আমি বাঁচবো নারে দোস্ত তুই একটা কিছু কর।
--নুসরাত কি বলছে কি তোকে?
--বলছে আমার কিছু করার নাই, পালাতে বলছিলাম..বলছে পালাতে পারবে না তাকে ভুলে যেতে বলছে।
--তবে চল তোকে একটু সাহায্য করি,জানে জিগার দোস্ত বলে কথা! .
শুভ্রকে নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি,উদ্দেশ্য রেল লাইন।
পিছন থেকে শুভ্র বার বার বলছে আমরা জঙ্গলের এই নির্জন জায়গা দিয়ে কোথায় যাচ্ছি।
আমার উওর একই থাকছে তোকে সাহায্য করতে যাচ্ছি।যথা স্থানে পৌঁছে শুভ্রকে বললাম,নে রেল লাইনটায় চোখ বন্ধ করে দাঁড়া।
--রেল লাইনে দাঁড়াবো মানে!!
--কেন তুইতো বললি তুই নুসরাতকে ছাড়া বাঁচতে পারবি না,তাই তোকে মরার সহজ পদ্ধতিরটা দেখিয়ে দিচ্ছি,নে দাঁড়িয়ে পড় একটু পর ট্রেন এসে পড়বে তারপর তোর সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
--আমার সাথে মজা নিছিস।
--মজা নিবো কেন বল?? দেখ
আজ যদি তুই এখানে সুইসাইড করিস তুই তো নুসরাতের কাছে হিরো হয়ে যাবি রে।
--তুই পাগল হয়ে গেলি দোস্ত!
--কেন এভাবে মরতে বুঝি তোর পছন্দ হচ্ছে না? ঠিক আছে বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে চল পাহাড়ে যাই, পাহাড়ে গিয়ে লাফ দিয়ে সুইসাইড করবি এতে কষ্টটাও কম হবে। তুই যদি ভয় পাস তাহলে চোখ,হাত,পা বেঁধে দেই আয়।
--ঐ মেয়েটার জন্য আমি সুইসাইড করবো কেন??
তাছাড়া আমার বাঁচার প্রয়োজন আছে।
---এই কথাটা শুনার জন্য এতো নাটক করলাম।আবেগের চাদর ছেড়ে তুই ও এবার বুঝতে পারলি তোর বাঁচার প্রয়োজনটা।
--নিশ্চুপ
--দেখ এতে তুই কষ্ট পাবি কেন?? কষ্ট পাওয়ার কথা তো নুসরাত মেয়েটার।কারণ তুই হারালি একটা মিথ্যা ভালোবাসা আর নুসরাত হারালো একটা সত্যিকারের ভালোবাসা।তারপর ও তুই তোর মা-বাবার কথাটা ভাব,তোকে নিয়ে তারা কত স্বপ্ন বুনছে, আশার আলো দেখছে।
---(শুভ্র কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে) আমার ভুল ভাঙ্গিয়ে দিলি দোস্ত। এরখম ভুল সিদ্ধান্ত আর ভুলেও নিবো না।
.
শুভ এখন নিজের ভবিষ্যত
গড়তে ব্যস্ত।নুসরাত নামের মেয়েটার কথা মনেই হয় না শুভ্রর কারণ নুসরাত মিথ্যা ছিলো মিথ্যা ছিলো তার ভালোবাসা তার জন্য কেন শুভ্র কষ্ট পাবে।তবু মাঝে মাঝে রাস্তার মধ্যে জোড়া ক্যাপল দেখল পূরোনো দিনের কথা মনে পড়বে এটাই স্বাভাবিক কারণ শুভ্রর ভালোবাসা যে নিঃস্বার্থ ছিলো।
.
আচ্ছা ছেলেটা মানে শুভ্র যদি আমার কথা না শুনে সুইসাইড করতো তাহলে কি হতো????
হতো অনেক কিছুই যেমন পর
দিন পত্রিকায় বড় অক্ষরের লেখা বের হতো কিংবা টেলিভিশনের পর্দায় শিরোনাম হিসাবে থাকতো তার নামটা আর অন্য মানুষদের মুখে মুখে থাকতো ছেলেটা কতোই না ভালোবাসতো মেয়েটাকে নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে দিয়ে গেল এটুকু বলে হয়তো দুফোঁটা চোখের জল উৎস্বর্গ করে দিতো। কিন্ত এতে ছেলেটার লাভ কি হলো?? ছেলেটা মানে শুভ্র তার প্রাণ ফিরে পেল বা তার প্রেমিকাকে ফিরে পেল।না পেল না আর সম্ভব ও না।
তবে একটা জিনিজ পাবে শিউর, সেটা কি জানেন????
সেটা হলো জাহান্নাম কারণ আত্নাহত্যা মহা পাপ।জাহান্নাম সমন্ধে আর নাই লিখলাম এটা সবার জানা আছে।
.
যদিও এটা কাল্পনিক লেখা কিন্ত প্রতিনিহত এসব ঘটনা অহরোহ ঘটতেছে।প্রতিনিহত অনেক শুভ্র এভাবে প্রেম নামক বস্তর জন্য আত্নাহরণের পথটি বেছে নিচ্ছে। আর যারা এই পথটি বেছে নিতে চাচ্ছেন তাদের বলবো একবার নিজের মনকে প্রশ্ন করুন এবং ভাবুন এটা করে কি পাবেন???
.
যদিও আজকাল সত্যিকারে ভালোবাসা পাওয়া দুর্লভ ব্যপার,সত্যিকারের ভালোবাসা আজ টাকার কাছে পরাজিত।আলু পটলের মতো আজকাল ভালোবাসা বিক্রি হয় চড়া মূল্যে।প্রেম-ভালোবাসা আজ কতোটা নিচে নেমে গেছে তা পত্রিকা বা টেলিভিশনের পর্দায় চোখ বুলালেই দেখা যায়,এই যেমন..অমুক গলিতে ড্রাসবিনে নবজাতকের লাশ। কি ভালোবাসা মায়রি,এগুলো শুনলে এখন মনটা তীক্ষ যন্তনায় ভোগে। তবু এর মধ্যেই সত্যিকারের ভালোবাসা লুকিয়ে আছে,যেগুলো মধ্যে নেই কোন পাপ,নেই কোন চাওয়া,নেই কোন লোভ আছে শুধু নিঃস্বার্থ ভালোবাসা,আর এজন্যেই পৃথিবীটা আজও এতো সুন্দর। অনেক কিছুই লিখলাম তবু ভাষা শেষ হতেই চাচ্ছে না,মন চাচ্ছে আরো কিছু লেখি কিন্ত না আর লিখবো না।পরিশেষে একটা কথাই বলবো,সত্যিকারের ভালোবাসা বেঁচে থাকুক চিরকাল যুগযুগ ধরে।
.
লেখা-Md Jasim uddin Shuvo
(ক্ষুদ্র লেখক)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻ āĻ্āĻোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
2963
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§§:⧍ā§Ļ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ