āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2962

স্মৃতির পাতা
.
প্রতিটি মানুষের জীবনে প্রতিদিন কিছু না কিছু ঘটনা ঘটে থাকে আর এসব ঘটনা তাকে ফেস করতেই হবে এটাই স্বাভাবিক।
হয়তো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে
তা একটু পরেই ভুলে যেতে হয় আর কিছু ঘটনা ঘটে তা সহজে ভুলে যাওয়া যায় না প্রমাণিত। উদাহরণ সরুপ নিজেকে দিয়েই দিচ্ছি....গত পরশু কয়েকটা কাজের জন্য শহরমুখী হইছিলাম। কাজ বলতে একটা ফ্রীজ কিনার জন্য ব্যাংক থেকে ভাইয়ার দেওয়া টাকা তুলা আর নিজের জন্য ডাঃ দেখানো প্রধান কাজ ছিলো।যাইহোক যাওয়ার জন্য সি এন জি একমাএ বাহক।তো সি এন জি তে অর্ধেক পথ আসার সময় অনেকটা পথ আসার পর একজন যাত্রী নেমে গেল আর একটু পথ আসার পর একজন যাত্রী উঠলো। যাত্রীটা ছিলো একজন মেয়ে বলে রাখা ভালো আমার সাথে ছিলো আমার আপু।
তো মেয়েটাকে বসতে আপুর ঐ পাশে সিট খালি করে দিলাম কিন্ত মেয়েটা এসে আমার এই পাশে বসলো।অনুমান করলাম বয়স ১৮ থেকে ২১ এর মধ্যে
হবে হয়তো।
দেখলাম তার সাথে একটা ছোট মেয়ে উঠলো পর মূহুত্বে বুঝতে পারলাম সেটা তার মেয়ে।
সি এন জি ছাড়লো তখন মেয়েটি গা থেকে গন্ধ নাকি সুভাস ছাড়তে লাগলো আমি তো শেষ!!
আগে জানতাম মেয়েরা আটা-ময়দা মাখে কিন্ত এবার দেখলাম তারা পারফিউমের বোতল ঢেলে গায়ে মাখে।কি অসহ্য গন্ধে সারাটা পথ সি এন জিতে কাটালাম।
.
তার ডাঃ এর কাছে গেলাম। আনুমানিক প্রায়ে দেয় ঘন্টা নানা রখম ফর্মালেটি পুরণ করে জানতে পারলাম ডাঃ আজকে রোগি দেখবে না!! মাথায় আগুন ধরে গেল! ধুর বৃথা কতোগুলো সময় অপচয় করলাম।
.
সেখান থেকে ব্যাংকে গেলাম টাকা তুলতে,যেই না আমাদের সিরিয়াল এলো তখনি নামাজের সময় হয়ে গেল বিধায় ব্যাংকের কর্মকর্তা চলে গেল নামাজে।তখন কিছু মনে করি নাই।অনেকক্ষণ বসে রইলাম তার সোফায় বসে
সি ও সি গেম খেলতেছি এমন
সময় একটা একটা মহিলার
সাথে একটা মেয়ের প্রবেশ। ক্রাশ কি হয়তো জানতাম না মেয়েটাকে দেখে আমার কি হইছিলো আমার আমি নিজেই জানি না।
যে ছেলেটা নাকি মেয়েদের তাকাতেই সাহস পায় সেই ছেলেটা মেয়েটার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো ভাবা যায়!!!! মেয়েটা ছিলো আমার বিপরীত পাশের সিটে একদম প্রায় মুখোমুখি।মেয়েটার বিররণ নয় নাই দিলাম গোপন রাখলাম। আমার ভিতরের কি ঝড় উঠছিলো তা বলতে পারবো না।
মেয়ঠার পাশের সিটটা খালিছিলো তাই উঠলাম উদ্দেশ্য ঐ সিটটায় বসবো কিন্ত দাঁড়িয়ে আবার উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে আমার এই সাড়ির অন্য সিটে বসলাম।
আমার ফোন দিয়ে নিজের পিক তুলি কিন্ত সেদিন আড়াল থেকে মেয়েটার কিছু পিক তুলছিলাম। মেয়েটা হয়তো আমার চোখের ভাষা বুঝতে পারছিলো তাই
বার বার আমার দিকে ফিরে তাকাছিলো।তবু উঠে মেয়েটার পাশে গিয়ে বসতে পারি নাই।সেদিন আমার নিজের সাহস নিজেই দেখলাম
আর নিজেকে নিজেকে অনেক
বকা দিয়েছিলাম এই ভেবে যে,মন তোর এতো সাহস যে মেয়েটার নামটি ও জিজ্ঞেস করতে পারলি না!!! ব্যাংকে আমাদের কাজ শেষ কিন্ত মেয়েটার আম্মুর কাজ শেষ হইছিলো না আমি বেরিয়ে যাচ্ছি ব্যাংক থেকে।
তারপর কি জানি ভেবে পিছন ফিরে তাকালাম,দেখি মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে কিনা।
পিছন ফিরে আমি তো পুরাই অবাক..দেখি মেয়েটা অপলক দৃষ্টিতে আমার চলে যাওয়া দিকে তাকিয়ে আছে।
আর পিছন ফিরে তাকাইনি
যেটা আমার দ্বারা সম্ভব না সেটার দিকে ফিরে তাকিয়ে মায়া বাড়িয়ে লাভ কি???
চলে এলাম সেখান থেকে মায়ার বাঁধন থেকে মুক্ত হয়ে।
.
এবার বাসায় ফেরার পালা
আপু বললো কিছু ফল নিয়ে
যাই। তো বললাম কিনে আনতে,
মন ভালো বিধায় আমি গেলাম
না ফলের দোকানে।
দাঁড়িয়ে আছি রাস্তার পাশে আনমনে।একটু পরে তিন চারটে মেয়ে আসলো।দেখলাম দুটো মেয়ে ঠোঁটে লিপস্টিক নিয়ে যা তা অবস্থা ধ্যাত মুটটা খারাপ করে দিলো।
তারপর দেখলাম সেই দুটো মেয়ের মধ্যে একটা মেয়ে আমার পাশ ঘেঁসে দাঁড়িয়ে পড়লো প্রায় একদম গা ঘেঁসে দুনিয়ায় আর মনে হয় জায়গা খুঁজে পায় নাই। কি বিরক্ত যে লাগছিলো বলে বুঝানো সম্ভব না।
যাইহোক সারাদিনের কান্তি,বিরক্ততা আর ক্রাশময় একটা দিনের স্মৃতি নিয়ে ফিরলাম আমার স্বপ্নের নীড়ে মানে বাসায়।
সত্যি এই দিনটির স্মৃতি কথা মন থেকে সহজে ভুলতে পারবো কিনা জানা নাই।এখন বাহিরে প্রচুর ঝড় হচ্ছে আর ঝড়ের সাথে আমার সেদিনের স্মৃতি গুলো ভেসে বেড়াচ্ছে।
.
উপরেই বলছি এমন কিছু
স্মৃতি থাকে সেগুলো ভুলতে পারা যায় না স্মৃতির পাতায় গেঁথে থাকে অনেকদিন হয়তো
বা সারাজীবন।সেটা কষ্টের স্মৃতি হোক কিংবা আনন্দময় স্মৃতিহোক।
তবু বলবো যে সময়টা চলে যায় সে সময়ের স্মৃতি মনে রাখা ঠিক না এতে আনন্দের চাইতে দুঃটাই বেশী পাওয়া যাবে।
তাই সামনের দিনের কথা ভাবাই উত্তম কাজ তবেই জীবনে উন্নতি করা সম্ভব।
.
লেখা-Md Jasim  Shuvo
(ক্ষুদ্র লেখক)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ