āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2961

অনুশোচনা
.
শুভ্র এবার হাই স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে উঠলো।
শুভ্র দেখতে আট দশটা ছেলের মতো না,কারণ তার চেহাড়ার মধ্যে আছে অন্যরখম এক মায়া যে কেউ দেখলেই তার চেহাড়ার প্রেমে যাবে।এলাকার প্রায় সব মেয়েরাই তার জন্য পাগল।শুভ্র মেয়েদের পিছে ঘুরবে কি উল্টো মেয়েরাই তার পিছে ঘুরে।
তবে শুভ্র তাদের নিরাশ করে না,বলা যায় শুভ্র ও এই সুযোগের সৎ ব্যবহার করে।যেমন ধরুন একটি মেয়ের চেহাড়া বা চামড়া যদি র্ফসা হয় তাহলে সেই মেয়েটির পিছনে ছেলেরা হামড়ি খেঁয়ে পড়ে।মেয়েটির মন সুন্দর বা কুৎসীত যাই হোক না কেন মেয়েটিকে প্রায় প্রত্যেক ছেলেই তার করে পেতে চায়।
মেয়েটিও এর সুযোগটা লুফে নিয়ে একাধিক ছেলের সাথে প্রেম নামক মিথ্যা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।ঠিক তেমনি শুভ্র অনেক মেয়ের সাথে প্রেম নামক মিথ্যা সম্পর্কে জড়িয়ে একের পর মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। শুভ্র একটি মেয়ের সাথে বেশিদিন সম্পর্ক টিকিয়ে না রেখে নতুন মেয়ে পেলেই তার সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে আর এভাবেই তার কলেজ জীবন চলতে থাকে।
সে নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষ ভাবে এবং নিজেকে নিয়েঅনেক অহংকার করে।
.
এক সময়ে কলেজ বন্ধ থাকার কারণে শুভ্র বাসায় বেড়াতে এসে পড়ে। তখন এলাকায় ধর্মীয় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন হচ্ছিলো ।শুভ্র কোনদিন মসজিদ কিংবা ধর্মীয় কোন অনুষ্ঠানে যায়নি।কিন্ত এবার তার বাবা-মায়ের জোড়াজোড়িতে সেই অনুষ্ঠানের যেতে বাধ্য হতে হলো।শুভ্র যথা সময়ে যথা স্থানে গিয়ে দেখলো দুর দুরান্ত থেকে প্রচুর লোকজন সেই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এসেছে।ধর্মীয় অনুষ্ঠান বলতে সেখানে বেশকিছু আলেম-ওলামারা মিলে ইসলামের নিয়ম-কারুন, বিধি-বিধান নিয়ে আলোচনা করবে।অনেক আলোচনার হলো কোরআনের আলো সম্পর্কে। শেষের দিকে তারা ছেলে-মেয়েদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে লাগলো।শুভ্র খুব মনযোগ সহকারে কথাগুলো শুনতে লাগলো।
আলেম-ওলামারা বলতে লাগলো.. তোমরা কি জানো বিয়ের আগে ছেলে-মেয়েদের প্রেম ভালোবাসা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম। বিয়ের আগে অবৈধ মেলা-মেশা অনেক বড় গুনাহের কাজ এবং মূত্যুর পর এর শাস্তি অনেক ভয়াবহ। তাছাড়া দুনিয়ায় একজন ব্যভিচারিনী বক্তি কেমব ব্যভিচারিনী বক্তিকে বিয়ে করে অথাৎ যে বক্তির চরিএ যেমন তার তেমন চরিত্রের সঙ্গিনী ভাগ্যে জুটবে।
সর্বশেষে তারা বললো অবৈধ সম্পর্ক মানে যেনা করা এমনি একটা ঘৃণ্য কাজ যে, কোরআনে স্পষ্ট আছে একটি ছেলে কারো সাথে যেনা করলো কিন্ত সে আর কারো সাথে করলো না তার নিজ মায়ের সাথেই যেনা করলো।
কথাটি শুনে শুভ্রর লজ্জায়,ঘৃণায়, অনুশোচনায় দু-চোখের কোণ দিয়ে অশ্রু ঝড়তে লাগলো।
এমন সময় কেউ একজন আলেমদের প্রশ্ন করলো,এই জগণ্য পাপ থেকে বাঁচার কি কোন উপায় নেই??? আলেমরা উওর দিল...
কেউ যদি এই পাপ কাজ করে থাকেন তবে আজই তওবা করুন। সর্বদা আল্লাহর পথে থাকুন,নামাজ পড়ুন,রোজা রাখুন,যাকাত দিন, হজ্জ করুন,মিথ্যে পরিহার করুন, নিজেদের চোখকে সর্বদা নিম্মগামি রাখুন,সর্বদা আল্লাহকে ভয় করুন, আর কালিমাটি শুধু মুখে নয় বরং অন্তর থেকেবিশ্বাস করুন, (আরো অনেক কিছু বললো আলেমরা)
দেখুন আল্লাহ রাহমানুর রাহীম, অধিক ক্ষমাশীল।সর্বদা আল্লাহর পথে থাকলে আপনাকে ক্ষমা করেও দিতে পারে এই জগণ্য পাপ কাজ থেকে। শুভ্র তখন সাথে সাথেই
প্রতিজ্ঞা করলো যে আর কখনো এ রখম ঘৃণ্য জঘন্য
কাজ করবে না।সর্বদা আল্লাহর পথে থাকবে,আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশ করবে,নিয়মিত নামাজ আদায় করবে।
অতএব শুভ্র এখন একজন
পরহেজগার মানুষ হিসাবে এলাকায় পরিচিত।সবাই তাকে সম্মান করে কথা বলে।
.
আসুন আমরা এই ঘৃণ্য পাপ থেকে নিজেদের বিরত রাখি
এবং অন্যদের এর কুফল সম্পর্কে সচেতন করে তুলি।কারণ সর্বদা মনে রাখবেন এই পৃথিবীটা ক্ষণস্থায়ী আর পরকাল স্থায়ী আর মানুষ একসময় এ পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে একদিন চলে যাবে এটাই চিরন্তন সত্য।মানুষ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যাবে পৃথিবীতে তার অস্তিত্ব থাকবে না ঠিক কিন্ত থেকে যাবে তার কর্ম।সে ভালো কাজ করলে অন্য মানুষের মুখে থাকবে তার জয়গান আর খারাপ কাজ করলে তার জন্য থাকবে একরাশ ঘৃণা।
দুনিয়ায় কথা বাদ দিলাম পরকালের কথা মনে করে আসুন আমরা নবী রাসুলের দেখানো পথে চলি।
.
লেখা-Md Jasim uddin Shuvo
(ক্ষুদ্র লেখক)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ