āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

956 {3}

---গল্প---
"বুদ্ধু"(তৃতীয় এবং শেষ পর্ব)
.
লেখকঃসংগ্রামী মধ্যবিত্ত (স্বপ্নিল লেখক)
.
-পরেরদিন প্রণয়ার বাবা এলো আমার কাছে বাবা আজকে প্রনয়া তোমার সাথে নদীর পারে যেতে চায়,,আসলে ছোট বেলায় মায়ের আদর পায়নিতো তাই কষ্ট দেই না যা চায় তাই দেই বরং চাওয়ার চাইতে বেশি দেই।আজ তাই তোমাকে.....
-বুঝেছি এবার আমাকে ঠেলা সামলাতে হবে!(আমি)
-তো তুই ঠেলা সামলা আমরা যাই।(সুমন)
-আচ্ছা মামা আমরা যাই!(লিটন)
-বেস্ট অফ লাক!(শহীদ)
-তারপর ওরা যাওয়ার আগে আমাকে এক গুচ্ছ কদমফুল দিয়ে গেছে।
-চলেন আমি তৈরি! (প্রণয়া)
-ইস আসছে আমি তৈরি,মনে হয় শশুর বাড়ি যাচ্ছে।(আমি)
-আজ না হয় কাল তো যাবোই!(প্রণয়া)
-ইহ,শখ কত!(আমি)
-শখই তো!চলেন!(প্রণয়া)
-আচ্ছা চলেন!(আমি)
-আর শুনেন আপনি আমাকে তুমি করে বলবেন। আর আমার যখন যেটা ইচ্ছে হয় সেটাই বলবো!এই কথার উপর যদি প্রশ্ন  করছেন তো মেরে দাত ভেঙ্গে দিবো!(প্রণয়া)
-ভয়ে আর কেনো জিজ্ঞাস করতে পারলাম না শুধু বললাম আচ্ছা!
[তারপর নদীর পাড়ে আসলাম]
-কালকের চ্যাটিংয়ের শর্তের কথা মনে আছে?(প্রণয়া)
-হুম বুঝেছি বলেই কোলে তুলে নিলাম জ্যোৎস্না সিক্ত নদীর পাড় হেটে গেলাম অদূরেই এক কলমি ঝাড়ের নিকট। যেখানে জ্বল জ্বল করছে হাজারো জোনাক পোকা!মনে হচ্ছে আজকের সন্ধ্যাটা শুধুই আমার!তারপর কোল থেকে নামিয়ে কদমফুলের গুচ্ছ হাতে গুঁজে দিয়ে বলতে শুরু করলাম ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি,পঁয়ষট্টি বার পর্যন্ত এসে যখন শ্বাস ফেলতে যাব তখনই সেখান থেকে ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি বলে এক নিঃশ্বাসে শতক পুরন করে দিলো প্রণয়া!তারপর আমি পরম যত্নে বুকে জড়িয়ে ধরলে মায়াবী পরিটাও আমার বুকে মুখলুকায়!
-[একবছর পর ঠিক যে তারিখে আমাদের ভালোবাসি ভালোবাসার শুরু হয়েছে ঠিক সে তারিখেই আমাদের বাসর ঘরে ভালোবাসা পূর্নতা পেলো!
[পরেরদিন ডাইনিং টেবিলে বসে আছি]
-দেখতো ছবিটা!(মা)
-আচ্ছা বুঝলাম এটা আমি ছোট হাসিব কিন্তু পিচ্ছিটা কে??
-মা দেখেন আমাকে পিচ্ছি বলছে!(প্রণয়া)
-মানে?(আমি)
-আরে এটা তোর আর প্রণয়ার ছোটবেলার ছবি!(বাবা)
-হুম তোর বাবা আর প্রণয়ার বাবা দুজন বেস্ট ফ্রেন্ড ছোট বেলা থেকেই তোদের ইয়ে মানে বিয়ে ঠিক।(মা)
-ও তাই বলি প্রণয়ার বাবা মানে আমার শশুর আব্বাকে ঠিক চেনা চেনা লাগছে কেনো! (আমি)
-ফেসবুকে যখন তোমার গল্প পড়ে তোমায় আমার স্বপ্নের লেখক ভেবে বাবাকে যখন তোমার ছবি দেখাই তখন বাবা আমাকে সব বলে।তখন থেকেই তোমাকে ফলো করি,আর যখন তুমি রিপ্লে দিতে না তখন খুব রাগ হতো একটা জেদ চাপে তোমার সাথে বিয়ের আগে প্রেম করবই!তাই যখন তুমি চাঁদপুর যাচ্ছিলে আমার শাশুড়ি আম্মা আমার বাবাকে বলে আর আমিও এই সুযোগটা কাজে লাগাই।সাক্সেসফুল প্ল্যান।
-ওরে সাবাস,এই না হলে আমার বৌমা!(বাবা)
-আচ্ছা তোমরা সবাই আমার সাথে শত্রুতামি করেছো!যাই হোক শত্রুতামি থেকে যদি দারুন কিছু হয় তাহলে এরকম শত্রু সবারই থাকা উচিৎ।(আমি)
-হাহাহাহা (সবাই একসাথে)
-আর প্রণয়া তুমি আমাকে বুদ্ধু বানানোর জন্য একটা শাস্তি পাবে!(আমি)
-কি?(প্রণয়া)
-আমার হৃদয়ে মায়াবী পরী হয়ে থাকতে হবে!(আমি)
-আমারো শর্ত আছে!(প্রণয়া)
-কি?(আমি)
-আমার মনে যেমন স্বপ্নের লেখক হিসেবে আছো ঠিক তেমন স্বপ্নের রাজকুমার হয়ে থাকতে হবে। আমি জানি তুমি ফেসবুকে অনেক ফিমেলের স্বপ্নের লেখক তাই কারো ম্যাসেজের রিপ্লে দেয়া যাবে না!কোনো মেয়ের দিকে তাকানো যাবে না আমি আর তোমার ফ্যামিলির ফিমেল ছাড়া!(প্রণয়া)
-আচ্ছা যথা আজ্ঞা রাজকুমারী সরি মায়াবী পরী!(আমি)
-তারপর টেবিলে হাসার একটা রোল পড়ে গেলো আমাদের নিয়ে!
[বিকেলে বন্ধুসভায় গেলাম]
-কিরে হাসিব শেষ অব্দি হ্যাপি এন্ডিং দিলিই!(সুমন)
-রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস সিংগেল থেকে ম্যারেড আনবি কবে?(শহীদ)
-আরে ওটা সিংগেল না তোর ভাবীর সাথে ইন এ রিলেশনশিপ ছিলো!(আমি)
-পার্টি কবে দিবি? (লিটন)
-আভিতো পার্টি শুরু হইয়ে!(সুমন)
.
তারপর একদিন পার্টি শেষে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিলাম। স্ট্যাটাসে মায়াবী পরী নামের একটা আইডি থেকে কমেন্ট:
-কংগ্রেচুলেশন বুদ্ধু!
-আমার পিক প্রোফাইলে আর কমেন্টের ভাষা দেখে আমার বুঝতে বাকি আমার বুঝতে বাকি রইলো এটা আমার মায়াবী পরী প্রণয়া!
-অতঃপর আমার রিপ্লে, তোমাকেও!
.
হ্যাপি এন্ডিং!
(বিঃদ্রঃ পরবর্তী গল্প "দেমাগি" শীঘ্রই আসছে)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ