āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

957

"গল্প"
.
"অগুছালো"
.
-কিরে হারামি তুই কি ঠিক করে নিয়েছিস যে তুই
আজীবন এরকম ফাজিলই থাকবি??
-আমি আবার কি করলাম!
-কি করিস নাই দুনিয়ার সব রকমের ফাইজলামি তোরে
দ্বারাই সম্ভব!
-নারে দোস্ত একটা ফাইজলামি সম্ভব না তোদের
ফেলে চলে যাওয়া!
-হাহাহা আমার জানা আছে এরকম সব্বাই বলে ভাবি
আসলে তুই হারামিও ভুলে যাবি!হ্যারে তুই প্রেম-
টেম করবি না নাকি??ক্যাম্পাসে দেখছ না কতগুলা
জোড়া!
-আর জোড়া,একাই ভালো নিজেরেই চাইলাইতে
পারি না আবার আরেকটাকে জোড়া কইরা নিজেরে
গর্তায় ফালানোর সখ হয় নাই!!
-তোরে তো জোড়া বাধামু এটা সিওর,,,এবার দুদিন
আগে হোক বা পরে!(মনে মনে)তো বাসায় যাবি
না?অনেকতো আড্ডাবাজি হলো।
-হুম চল!
(এতোক্ষন যারা সাথে কথা বলছিল তারা দুজন আমি
সংগ্রাম আর আমার বন্ধু সাহাদ, হারামি বন্ধুগুলা উঠে
পরে লাগছে আমারে দিয়া একটা প্রেম করাইবো।
আমার প্রেম করার এতো শখ নাই কিন্তু হারামিগুলা যে
কেনো এমন করে!!)
-কিরে হারামি সংগ্রামের বাচ্চা তুই না বললি প্রেম করবি
না!নিজে তো ভিতরে ভিতরে ঠিকই গাড়ি চালাও আমরা
বললেই হরতাল!!বুঝেছি সব ট্রিট না দেয়ার ধান্দা!
(সাহাদ)
-কি বলছিস আমি কিছুই বুঝতে পারছি না,এটা কিন্তু
একপ্রকার ফোনে থ্রেড করছিস!দ্যাখ আমি কিন্তু
তোর বন্ধু (আমি)।
-ও তাই!!তাহলে হারামি কেয়া মেয়েটা কে??ও এসব
বললো কেনো??
-কি বলছে?আমিতো ওকে ভালোমতো চিনিও না!
একেতো আমাদের পাড়ায় নতুন,তার ওপরে আবার
জারিজুরি!! দেখাচ্ছি শালিরে!
-ওই সংগ্রামের বাচ্চা এতো কিউট একটা মেয়েকে
শালী বললি! আমি তোর যায়গায় হলে বউ বলতাম!
-হারামি তোরে কিন্তু!!
-আচ্ছা সে দেখা যাবে কে কি করে,,,আর যাই
বলিস ওই মেয়েকেই ভাবি বানাবো তোর
অগুছালো জীবনটা গুছালো করে দিতে,,বান্দর
মার্কা চুলগুলা ঠিক করে দিতে!
-হারামি তবেরে তোরে!!(দৌড়াই দেই সামনে
থেকে)
.
-হারামি সাহাদটারে কি করে বুঝাইতাম যে আমি আপাদত
প্রেম করছি না।বাবার হোটেলে থেকে অন্য
মেয়েকে কৈফিয়ত দিবো কেনো!
-দোস্ত তুই যা বলিস কেয়া মেয়েটা কিন্তু সেই
লেবেলের এই পাড়ায় একদম এক পিস!দোস্ত
প্রেম কর প্লিজ,আমাদের এই রকম একটা ভাবি
উপহার দে নারে ভাই প্লিজ!(সাহাদ)
-নারে দোস্ত তোর যখন এতোই ভালো লাগে
তাহলে যানা তুই বউ বানা,ভাবি বানানোর কিট দরকার!
(আমি)
-দোস্ত মেয়েটাকে সামনে থেকে
দেখবিতো একবার ভালো করে!(সাহাদ)
-আসলেই দোস্ত সাহাদ কিছু ভুল বলেনি। মেয়েটা
আসলেই সুন্দর। একদম একটা ডানাকাটা পরী!
একবারে নতুন এসেই পাড়ার সবছেলেদের ক্রাশ!
(আবির)
-তো যানা তোরা প্রেম কর।আমাকে টানছিস
কেনো!(আমি)
আসলেই এতো বেশি গুনগাইছে যে একবার না
দেখলেই নয়(মনেমনে)
-দোস্ত কেয়া মেয়েটা কিন্তু ককটেল সুন্দরি!
(সাহাদ)
-মেয়েটা এবার ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে!
কলেজে ওর অনেকগুলা ক্রাশ আছে!(আবির)
-ওহ গল্প করতে করতে পরিচয়টাই দেয়া হয়নি।আমি
সংগ্রাম।ডিপ্লোমা করে এখন টুইনওয়ান
কোম্পানিতে টি-সার্ট ডিজাইনার হিসেবে আছি।
সেলারি আপাদত ত্রিশ হাজার।
-এই যে মি. এখানে আড্ডা মারবার যায়গা না এটা পাড়ার
গার্ডেন প্লেস এখানে মেয়েরা খেলাধুলা
করবে।আপনাদের আড্ডা দেয়ার জন্য
প্লেগ্রাউন্ড আছে সেখানে চলে যান। (একটা
মেয়ে)
-দোস্ত দেখছিস একেই বলে মেয়ে যেমন
আগুন মার্কা রূপ তেমন তার দেমাগ! গার্লফ্রেন্ড
হিসেবে তো এমন মেয়েই চাই!(আমি)
-হারামি সংগ্রামের বাচ্চা জানিস মেয়েটা কে?(সাহাদ)
-আরে হারামি দেখলি তুইও ক্রাশ খেয়ে গেলি,এই
মেয়েই কেয়া। পাড়ার ককটেল সুন্দরি! (আবির)
-ধুর এটাতো ক্ষ্যাত মার্কা একটা মাইয়া। আমিতো
তোদের ইমপ্রেস করার জন্য বলছি!(আমি)
আসলেই মেয়াটা একটা অপ্সরী যেভাবে খোলা
চুলে আইসা ঝারি দিছে কথা বলার স্টাইল,সত্যিই ক্রাশ।
(মনেমনে)
-দোস্ত কেয়াকে আমাদের ভাবি বানাবি?তোর
অগুছালো জীবনটা গুছালো করে দিতে??
-হুম (আমি),এই না এই মেয়ে আমার চোখের বালি!
-আরে না প্রথমে হুম বলেছিস আমরাতো
যথারীতি ফরমায়েশ পেয়ে গেছি এই
মেয়েকে ভাবি বানানোর। এবার আর ঠেকায় কে!
(আবির)
-দেখ তোরা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অবিচার করে
বেড়াচ্ছিস!
-বিচার অবিচার পরে হবে আগেতো ভাবি বানাই!(সাহাদ)
-দোস্ত আমরা কালকেই কেয়ার সাথে কথা
বলবো!(আবির)
পরেরদিন সাহাদ আর আবির একপ্রকার জোর করেই
নিয়ে আসলো কেয়াদের কলেজের কাছে!
-ভাই তোরা বুঝতেছিস না কেনো আমি প্রেম
করবো না এসব আমার দ্বারা হবে না!(আমি)
-হবে হবে একবার ট্রাই কর ভাই!(সাহাদ)
-হ্যা দোস্ত আমি পিছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছি যাতে
সহজে কেয়ার প্রেমে পড়তে পারিস!(আবির)
-তোরা আমাকে বদমাইশ বলিস তোরা যে এক একটা
বজ্জাতের হাড্ডি সেটা নিজেদের চোখে লাগে
না?(আমি)
-সেটা দেখবি পরেই আগে ধাক্কা দিয়া তোরে
কেয়ার প্রেমে ফালাইয়া লই!(আবির)
-খাইছেরে মাইয়াটা আইতাছে প্রথম দিন যেভাবে
ঝাড়ি দিছে আজ না জানি কি করে!(আমি,মনে মনে)
-এইযে আপনারা আমার পথ আগলে দাঁড়াইছেন
কেনো?(কেয়া)
-পথের মধ্যে লেখা নাই যে এটা আপনার পথ!
(আবির)
-আপনারা তো ভারি বখাটে ছেলে!সেদিন গার্ডেন
পয়েন্টে দেখে বাজে ধারনা হইছিল আজ দেখি
অনেক বেশিই বখাটে ছেলে!(কেয়া)
-দেখুন প্রেমের কেস হলে ছেলেদের
মাঝে মাঝে বখাটেও ভালো লাগে!(সাহাদ)
-আপনি কি মিন করছেন? এসবের মানে কি??(কেয়া)
-মানেটা না হয় সংগ্রামের কাছ থেকেই শুনে নেন!
(আমাকে দেখিয়ে, আবির)
-আমি কিছু জানি না,,বিশ্বাস করুন এরা আমাকে জোর
করে এখানে নিয়ে আসছে!(ভয়ে ভয়ে,আমি)
-পথ ছাড়ুন,তিনটা কথা বলার সাহস নাই আবার পথ আটকায়!
ভীতু!(রাগি লুক নিয়ে,কেয়া)
-দেখুন আমি মোটেও ভীতু নই! এসব মেয়ে
টেয়ে আমি কেয়ার করি না তাই!(আমি)
-হুহ,,,,সেতো দেখতেই পাচ্ছি কেমন ধরনের
মানুষ!(কেয়া)
-দেখুন কেউ আমাকে বাজে ভাবলে তার কাছে
বাজে,ভালো ভাবলে ভালো,আর নিজের কাছে
নিজের মতো!(আমি)
-হয়েছে সিনেমার মতো আর ডায়লগ না ছেড়ে
পথটা ছেড়ে দিন!(কেয়া)
-আমরা পথ আগলে দাঁড়িয়ে আছি,আপনাকে জড়িয়ে
ধরে দাঁড়াই থাকি নাই!(আমি)
-কিহ!তবেরে তোদের!(কেয়া)
-এই সেরেছে চল এখানে থেকে লাভ নাই ভাবী
রেগে গেছে যত দ্রুত সম্ভব প্রস্থান কর!
(আবির)
-কি ভাবী বললেন কেনো?আমি আপনার কোন
কালের ভাবী?(কেয়া)
-চল,পালাই!(সাহাদ)
-তারপর তিনজনেই প্রস্থান!আর দৌড়াতে দৌড়াতে সাহাদ
বলছে,ভাবী আমার এ অগুছালো বন্ধুটাকে
গুছালো করার দায়িত্ব নিবেন?ওর সাথে চাদ
দেখতে যাবেন কি জ্যোৎস্না সিক্ত নদীর
পাড়ে?বৃষ্টিতে ভেজার সাথী হবেন?আমার বন্ধুটা
ঠিক করে গোছলও করে না ওর সকালবেলা
গোছল করার কারন হবেন?(দৌড়াতে দৌড়াতে)!
একবার কেয়ার দিকে তাকিয়ে দেখলাম এবার আর
রাগী লুক নেই সে কি মায়াবী দৃষ্টিতে তাকিয়ে
আছে!এ যেনো এক আকাশপরী!আমার হৃদয়পাতার
আকা সেই রাজকুমারী!
মুখে না বললেও ইচ্ছে করছে সাহাদ আর
আবিরটারে ধন্যবাদ দেই!তাই মনে মনেই দিলাম!
ওদের জন্যই অপ্সরী এতো মায়াবী একটা লুক
দিছে যা স্বপ্নিল ভাবে এতোদিন খুজছিলাম সেটা
বাস্তবিকতায় নেমে এসেছে!
-পরেরদিন আবার কেয়ার সামনে আমরা তিনজন!
-কী ব্যাপার আজকে আবার পথ আটকালেন
কেনো?(কেয়া)
-কালকে দৌড়াতে দৌড়াতে যে কথাগুলো বলেছিলাম
তার উত্তর নিতে!(সাহাদ)
-তো আপনার যে বন্ধুর জন্য বলেছেন সে
ভীতু বন্ধুর কি বলার সাহস নেই?(কেয়া)
-দেখুন আমি ভীতু নই!আমার জাস্ট ওসবে
ইন্টারেস্ট নাই তাই!(আমি)
-হুহ এমনিতে ভীতুর ডিম সেটা বলতে পারে না!
ইন্টারেস্ট নাই!ব্ল্যা ব্ল্যা!!(কেয়া)
-আপনি আগামীকাল একবার গার্ডেন পয়েন্টে
আসতে পারবেন??নীল শাড়ী পড়ে?(সাহাদ)
-তো যার সাথে কথা বলানোর জন্য নিচ্ছেন
সেতো মুখে ট্যাপ মেরে বসে আছে!(কেয়া)
-হুহ,,,আমি রাজি কাল আসবেন ঠিক বিকাল তিনটেয়!
(আমি)
-বাহ তাহলে ভীতু সাহেবের কথার খই ফুটলো!
-এই যে আমি মোটেও ভীতু নই!(আমি)
-হুহ,,,,সেটা কাল বিকেলেই দেখবো!(কেয়া)
-চল দোস্ত রেডি হয়ে নে কেয়া চলে আসবে
আবার।(পরেরদিন,সাহাদ)
-দোস্ত তোকে কিন্তু হলুদ পাঞ্জাবী পড়তেই
হবে আজ!(আবির)
-আজ তাই হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে তৈরি হয়ে গার্ডেন
পয়েন্টে গেলাম।
-আরে দোস্ত তোকেতো একদম নব্বই
দশকের হিমুর মতো লাগছে!সেই রোমান্টিক!
(আবির)
-যাহ হারামির দল!(আমি)
-দেখ পৃথিবীর সব বন্ধুগুলাই হারামি আর সবগুলাই
কলিজার টুকরা!(সাহাদ)
-হুম তাইতো!কলিজার অর্ধেকটা বাইচ্চা আছে
হয়তো তোদের জন্যই!(আমি)
-দেখ দোস্ত রূপা আসতেছে!(আবির)
-রূপা মানে রূপা কে?(আমি)
-আরে হিমুর নাইকা নীল শাড়ীর অপরূপ সৌন্দর্য!
(সাহাদ)
-ও এতোক্ষনে বুঝলাম তোরা ওই বজ্জাত
মেয়েটাকে মিন করছিস!(আমি)
-ওই বজ্জাত না হারামি তোর বউ! (আবির)
-ইহ বউ! যে কিনা প্রপোজই করতে পারে না তার
আবার বউ!(কেয়া)
-ওহে ম্যাম আমি খুব ভালো পারি!বলেছিম না এসবে
আমার ইন্টারেস্ট নাই তাই!(আমি)
-খুব ভালো পারি মানে?আগে কয়টা মেয়েকে
প্রপোজ করছেন নাকি?(কেয়া)
-ইয়ে নাহ,,,,,,আমি সত্যিই বলছি কাউকে প্রপোজ
করিনি!(আমি)
-তো হিমু সেজে বসে আছেন কাউকে
প্রপোজ করবেন না??(কেয়া)
-কাকে করবো?(আমি)
-ন্যাকা!যাকে রূপা সাজে আসতে বলছেন এবং
চোখের সামনে দেখছেন!(কেয়া)
-কীভাবে করবো??(আমি)
-একদম ভিন্ন রকম ভাবে করতে হবে!সবার চেয়ে
আলাদা ভাবে!(কেয়া)
-আমিতো প্রপোজই করতে জানি না তাও আবার
আলাদা ভাবে!(আমি)
-হুম,সেটাই করতে হবে না হলে আমাকে
ভালোবাসতে হবে না!(কেয়া)
-যাহ,এখন কি করি!পড়লাম তো মহা বিপদে!হারামি
বন্ধুগুলাও ভাগছে তোরা প্রেম কর বলে,এখন কি
করি! সামনে থাকলে কিছু টিপস দিতে পারতো!
(আমি,মনে মনে)
-কি ভাবছেন আপনার সাথের বখাটে গুলার কথা!ওরা
আপাদত আসছে না!(কেয়া)
-ওমাগো এ বিপদ থেকে কে উদ্ধার করবে!
(আমি,আবার মনে মনে ভাবছি)
-এখন কি করি?বললো যে ভিন্নরকম ভাবে
প্রপোজ করতে হবে!এখন কি করি!
(আমি,মনেমনে)
-কি হলো দাঁড়িয়ে আছো কেনো?(কেয়া)
-ওইতো হারামিগুলা আসছে!ওমা হাতে দেখি এক
গোছা কদম ফুল!একেই বলে বন্ধুত্ব শালা এক
একটা হারামি আবার হারামিগুলাই কলিজার টুকরা! (আমি মনে
মনে)
-এই নে ধর প্রপোজ কর,,যেখানেই বিপদ
সেখানেই বন্ধুত্ব! (সাহাদ)
-কিছু বলতে পারলাম না,খালি একপলকে তাকিয়ে আছি
ওদের কিছুটা আড়ালে চলে যাওয়ার দিকে!(আমি)
-কি ফুল কি অন্য মেয়েকে দেওয়ার কথা আছে
নাকি?যদিও থাকে তাহলে এখানেই তোমাকে
মেরে দিবো!(কেয়া)
-ওরে বাবা মেয়ে নাকি ডাইনোসর (মনে মনে) তা
কাউকে দিবোনা তোমায় ছাড়া! (আমি)
-তাহলে দিচ্ছ না কেনো?(কেয়া)
-ফুলগুলো ওর হাতে দিয়ে সামনে হাটু গেড়ে
বসে দুহাত প্রসারিত করে,,,,আমার অগুছালো
জীবনটা গুছালো করে দিবে?নদীর তীরে
হাটতে যাওয়ার সাথী হবে?চাদ দেখার সঙ্গী
হবে?সকালবেলা গোছল করার কারন হবে?আমার
মনের রানী হবে?আমার কবিতার ছন্দ হবে?সুখ-
দুঃখের ভাগীদার হবে?আমি তোমার হিমু হবো তুমি
আমার রূপা হবে?আমার বাবুর মা হবে?আমার গল্পের
নাইকা হবে?(আমি,কথাগুলো বলে চোখ বন্ধ
করে আছি,ভয়ে)
-চোখ খুলেই দেখি কেয়া একদম আমার সামনে!
এক সুতার মাত্র দূরুত্ব!
-তাহলে তোমার জীবনটা আরো বেশি
অগুছালো করে দিবো!যাতে আমায় ছাড়া তোমার
একটি দিনও না কাটে!যাতে আমায় ছেড়ে কোথাও
না যাও!যাতে শুধু আমাকেই ভালোবাসো!(কেয়া)
-আমি জন্ম জন্মান্তর শুধু তোমার জীবনের
অগুছালো হিরো হয়ে থাকবো!(আমি)
-আমিও তোমায় হৃদয়ের গহীনে যত্ন করে
রাখবো!(কেয়া)
-তারপর পাগলীটা আমার বুকে মুখ লুকালে আমিও
আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরি!
-কিরে তাহলে প্রেম করলি তো!!!(সাহাদ)
-ধুর হারামিগুলাও আসছে কি রোমান্টিক একটা সময়ে!
আসার আর টাইম পেলো না!(মনে মনে)
-কিরে কেমন হলো আমাদের প্ল্যান?(আবির)
-প্ল্যান মানে?কিভাবে কি!(আমি)
-আরে হারামি এসব ছিলো আমার,আবির,আর ভাবীর
প্ল্যান করা মেকিং গেম!তো কেমন হলো
আমাদের প্ল্যান?আসলে ভাবী তোকে পাড়ায়
আসার পর থেকেই লাভ করতে চাইছে,,আর তুই
তার দিকে চোখ তুলেই তাকালি না!তাই এমটা করতেই
হলো!(সাহাদ)
-প্ল্যান না?(আমি)
-হুম!(আবির)
-তবেরে হারামি তোদের!(দৌড়ানি দিয়া ভাগাইয়া দিছি)!
-আচ্ছা কেয়া তো খুব ভালো একটা প্ল্যান করলে
একদম সাক্সেসফুল!তো এই ভীতুটাকে
কীভাবে লাইক হলো?(আমি)
-আসলে কী জানো সংগ্রাম এই পাড়ায় আসার আগে
ফেসবুকে লেখা তোমার কবিতা-গল্পের প্রতি
আমার ক্রাশ ছিলো,,তোমাকে অনেক ম্যাসেজ
করতাম রিপ্লে পেতাম না,,,তবে কমেন্টের
রিপ্লে ঠিক পেতাম!কিন্তু এ পাড়ায় যখন আসলাম
তোমায় দেখে তোমার ভীতু মার্কা চেহারাটারও
প্রেমে পড়ে গেছি তাই এই প্ল্যান! (কেয়া)
-ও তাহলে এই ব্যাপার?খুব ভালোই,,,,একদম
সাক্সেসফুল বালিকা,,,মিসেস বাংলাদেশ!! (আমি)
-হাহাহাহা! (কেয়া)
-এমা দাতে এতোগুলা পোকা!(আমি,রাগানোর জন্য
একটু ফাইজলামি)
-যাও তোমার সাথে কথা নাই!তুমি বদমাইশ,, আমাকে
কেমন ভালোবাসো বুঝছি!(কেয়া)
-ওমা,, বাবুনী রাগ করছে! সত্যিই তোমাকে
এতোগুলা ভালোবাসি! (আমি,দুহাত প্রাসারিত করে
দেখালাম)
-সত্যিই?তাহলে তোমার প্রত্যেকটা গল্প-কবিতা
এখন থেকে আমাকে নিয়ে লিখতে হবে!(কেয়া)
-হুম শুধু তুমিই থাকবে আমার হৃদয়-মন,গল্প-কবিতা সবটা
জুড়ে! (আমি)
-আই লাভ ইউ বাবু!(কেয়া)
-আই লাভ ইউ টু বাবুনী! (আমি)
.
(সাত মাস পর)
কেয়ার পরীক্ষা শেষ,বিয়ে ঠিক,পাত্রটা আমিই!হারামি
বন্ধুগুলাই ঘটকালি করছে।আমার বাবা-মা আর কেয়ার
বাবা-মাকেও ওরাই রাজি করাইছে!সেই জন্যইতো
বলি বন্ধু গুলা হারামি হইলে কি হইছে কলিজার
অর্ধেকটা দখল কইরা বসে আছে!
-এতো কিছু করলাম ট্রিট দেওয়া ছাড়া বাসর ঘরে
ঢুকতে পারবি না!(সাহাদ)
-হুম ট্রিটতো দিতেই হবে!(আবির)
-কি আর করা সাত হাজার টাকা দিয়ে দেই! এই নে সাত
মাসের ট্রিট!(আমি)
-হাহাহাহা থ্যাংকু কলিজা!(আবির)
-আমিও না হেসে পারলাম না!!
(পরে অবশ্য সবাই মিলেই ওইটাকা দিয়ে
ছোটখাটো পার্টি করছি)!
-তারপর হারামিগুলার সুবাদে আমি আর কেয়া বাসর ঘরে,
এক খাটে,কেয়া আমার বুকে মাথা রেখে চুলে বিলি
কেটে দিচ্ছে......
.
.
.
.
.
.
.
ওই মিয়া এতো বাজে ক্যান আপনি? আর কি শুনার জন্য
এখানে আসছেন?বিয়া করলে পরে বউয়ের থেকা
শিখে নিয়েন!আর যারা বিয়া করছেন তারা তো
জানেনই!বৃষ্টি দিনে বউরে নিয়া একটা ঘুম দেই!টা টা!
লেখকঃসংগ্রামী মধ্যবিত্ত (সপ্নিল লেখক )

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ