āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2742

#একটি_মেয়ের_গল্প
Written by - Zobayer Bappy (Emotionless ßoy)
-
-
""আমাদের পরিবেশ, পরিস্থিতি কতটা রুক্ষ তা আমরা তখনই বুঝতে পারি যখন আমরা ঐ পরিস্থিতির সম্মুখীন হই।""
-
-
মেয়েটির নাম মুক্তা। নামের মতই মুক্ত তার মন, মুক্ত তার জীবন। বলা হয়ে থাকে বাবা মায়ের কাছে ছোট সন্তান আদুরে হয় কিন্তু মুক্তা পরিবারের বড় মেয়ে হয়েও বাবা মায়ের চোখের মনি। মুক্তার একটি ছোট বোন আছে নাম মিনা। তাদের বাবার নাম করিম উদ্দিন আর মায়ের নাম রাহেলা বেগম। করিম উদ্দিন এক কৃষক। নিজ জমিতে কৃষিকাজ করেন। সে গ্রামের বাকি দশজন থেকে ভিন্ন। সাধারণত গ্রামের অন্যান্যরা মেয়ের বয়স চৌদ্দ বা পনের পার হলেই বিয়ে দেয়ার জন্য উঠেপরে লাগে। কিন্তু করিমের স্বপ্ন তার মেয়ে দুটোকে পড়ালেখা করিয়ে অনেক বড় করবে যাতে তারা নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারে। সমাজে যেন তার মেয়েদের নাম থাকে। সমাজের লোকেদের হাজারো কটু কথা শুনেও করিম নিজ স্থান থেকে এক পাও নড়েনি। গ্রামের লোকজন প্রায়ই বলে, "কিরে করিম মিয়া মাইয়া দুডা কি বুড়ি বানাইয়া রাখবা? টেহা পয়সা না থাকলে মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়া মাইয়া দুডারে বিয়া দিয়া দাও।" এসব কিছু তোয়াক্কা করে করিম মেয়ে দুটোকে পড়ালেখা করাতে থাকে। মুক্তা মনি অপেক্ষা খুব মনোযোগী ও বুদ্ধিমতী। সে তার বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য দিন রাত মন দিয়ে পড়ালেখা করে। মুক্তাও লোকজনের নানান কথা শুনে ব্যথিত হয় কিন্তু বাবা মায়ের অনুপ্রেরণা মুক্তাকে সব ভুলে সামনে এগুতে সাহায্য করে। আসলে এই জিনিসটা আমাদের বর্তমান সমাজে খুব কম দেখতে পাওয়া যায়। বাবা মা সন্তানদেরকে একটা ভুলের জন্য বকাবকি করে ঠিকই কিন্তু অনুপ্রেরণা কয়জন বাবা মা দেয়? যার পরিণাম সন্তান ডিপ্রেশনে পরে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। তবে মুক্তা ও তার বোনের ক্ষেত্রে সেটি হয়নি। তাদের বাবা মা তাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
-
-
দেখতে দেখতে মুক্তা এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে খুব ভাল পাস করল। আশেপাশে ভাল কোনো কলেজন নেই। তাই মুক্তা বাবাকে বলল দূরের সরকারি কলেজে পড়বে। করিম খবর নিয়ে দেখল যাতায়াত ভাড়ায় অনেক খরচ হবে কিংবা হোস্টেলে থেকে পড়লেও অনেক খরচ হবে। তবুও তিনি রাজি হলেন। কিন্তু রাহেলা বাধা হয়ে দাঁড়াল। তিনি তার স্বামীর কষ্ট বুঝতে পারলেন তাই মুক্তাকে আশেপাশের কলেজে ভর্তি হতে বললেন। কিন্তু মুক্তা নারাজ। তার একটাই কথা যে বড় হতে হলে ভালোমানের কলেজেই পড়তে হবে। এই নিয়ে ব্যাপক ঝগড়া গেল মা ও মেয়ের মধ্যে। পরিশেষে করিমের কথায় রাহেলা থেমে গেল। করিম তার স্ত্রীকে বলল, "পড়ুক না মেয়ে ভালো কলেজে। আমরা না হয় আরেকটু কষ্ট করব। যেদিন মেয়ে বড় হবে সেদিন ঠিকই সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে।" পরিশেষে সিদ্ধান্ত হল মুক্তা হোস্টেলে থেকে পড়বে। হোস্টেলে অন্যান্য মেয়েদের সাথে চলতে চলতে মুক্তা ভুলে গিয়েছে যে তার বাবা একজন কৃষক। মুক্তা প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সবকিছু না ভেবেচিন্তেই বাবার কাছে চাইতে লাগল। শত কষ্ট করে হলেও করিমও মুক্তার সব চাহিদা পূরণ করতে লাগল। একদিকে মুক্তাএ বড় বড় চাহিদা অন্যদিকে মনির চাহিদা। করিম হবে হিমশিম খেতে লাগল। তবুও কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে চলতে লাগল।
-
-
গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে পরিবারের সাথে দেখা করতে মুক্তা বাড়ি এলো। এক রাতে পানি খাওয়ার জন্য উঠে মুক্তা তার বাবা মায়ের কথা শুনে তার চোখে বেয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল।
---- আর কত কষ্ট করবেন? এবার মাইয়াডারে বিয়া দিয়া দেন।
-- ধুর কি যে বল! একদিন দেখবা আমাদের মুক্তা অনেক বড় হবে। লোকে বলবে এরা হল মিক্তা বাবা মা।  তখন সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে।
---- ততদিন বাঁচলে তো? এভাবে অসুস্থ শরীর নিয়ে আর কতকাল কাজ করতে পারবেন? ডাক্তার কি বলছে মনে আছে তো?
-- আস্তে। মুক্তা শুনে ফেলবে তো।
---- মাইয়া এখন বড় হইছে তার চাহিদাও বড় হইছে। কিন্তু বুঝে না যে তার বাবার ক্ষমতা আগের থেকেও কমেছে।
-- এত চিন্তা না করে ঘুমাও তো। আল্লাহ সব ঠিক করে দিবে।
কথোপকথন গুলো শুনে মুক্তার চোখে বেয়ে পানি ঝরতে লাগল আর ভাবতে লাগল আমি কিভাবে স্বার্থপর হয়ে ভুলে গিয়েছিলাম যে আমার বাবা একজন কৃষক! পরেরদিন সকালে মুক্তা হোস্টেলে ফিরে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর মুক্তা দুটা ভালো টিউশনি পেল। প্রথম উপার্জন পেয়ে মুক্তা বাবা-মা ও মনির জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি এলো। নতুন জামাকাপড় পেয়ে মনি বেশ খুশি হল। বাবা মায়ের মন এসবে খুশি হয় না। তাদের মন সন্তানের খুশির মধ্যে থাকে। হোস্টেলে ফেরার আগে মুক্তা তার বাবাকে ডাক্তার দেখালো। এতকিছু দেখে মুক্তার বাবা বল,
---- তুই এতো টাকা কোথায় পেলি?
-- দুটা টিউশনি করিয়ে ভাল বেতন পাই।
---- এসবের দরকার নাইরে মা। তুই নিজের পড়ালেখার দিকে মনোযোগ দে।
-- মনোযোগ আছেই। আর এখন থেকে আমার খরচ দিতে হবে না। তুমি শুধু মা ও মনির দিকে খেয়াল রেখ। আর নিজের দিজেও রেখ।
করিমের চোখে বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পরলো। করিম তার মেয়ের দেয়া শার্ট পরে বাজারে যায় আর লোকজনকে বলে, "এগুলো আমার মেয়ে দিয়েছে।" দুষ্টু লোকের কটু কথার কি অভাব আছে? মেয়ে মানুষ এত টাকা কিভাবে পায়? কি করে কে জানে? এসব বলাবলি করতে লাগল। করিম ওসবের তোয়াক্কা করল না। নিজের মেয়ের উপর তার বিশ্বাস আছে।
-
-
টিউশনির টাকা দিয়ে মুক্তা নিজের পড়ালেখার খরচ চালাতে লাগল। কলেজের গন্ডি শেষ করে মুক্তা শহরে এসে ভার্সিটিতে ভর্তি হল। গ্রামের তুলনায় শহরের সবকিছুর মূল্যই বেশি। তেমনি টিউশনির  মূল্যও বেশি। তাই মুক্তা নিজের হাত খরচ বাবদ অল্প কিছু টাকা বাবা মাকেও পাঠাতে লাগল। করিমের অবস্থার উন্নতি দেখে গ্রামের মানুষ কথা বলাবলি আরও বাড়িয়ে দিল। শহরে গিয়ে কোন কুকাম করে টাকা দিচ্ছে কে জানে? মেয়ে মানুষ যদি এত টাকা আয় করতে পারতো তাহলে তো ছেলেদের প্রয়োজনই হত না। এসব কথা বলতে লাগল। কথাগুলো করিমের মনে আঘাত করতে লাগল। মেয়ে এমন একটা জাত যাদের গায়ে মিথ্যা কলংক দাগও সত্যের মত মনে হয়। সমাজ সবসময়ই তাদেরকে নিচু চোখে দেখে। বাবার কষ্ট দূর করতে মুক্তা অর্থের দিকে ঝুকে পড়ে। যার ফলে প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষায় খারাপ করে। করিম জানার পর অনেক বুঝালো যে পড়ালেখায় মন দিতে। টাকা পয়সা পরেও পাওয়া যাবে। মুক্তা কিছু টিউশনি ছেড়ে দিয়ে নিজের পড়ালেখায় সময় দিতে লাগল। অনেক উথালপাথাল পার করে মুক্তা অনার্স শেষ করল। এর মধ্যে গ্রামের লোকজনের কথা শুনতে শুনতে করিমও দুয়েকবার মুক্তার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। মুক্তার মা বুঝিয়ে শুনিয়ে থামি রেখেছিল। শত হোক বাবার মন। মেয়ের সম্পর্কে আর কত অপবাদ সহ্য করবে? আমাদের সমাজ চায় না নিচে থাকা মানুষগুলো উপরে উঠুক। তাইতো বারবার আঘাত করে।
-
-
কষ্ট, নিপীড়ন ও লোকের হাজারো কটু কথার মধ্য দিয়ে মুক্তা এমবিএ কম্পলিট করল। আজ মুক্তার বাবার শেষ সম্বল বলতে শুধু বাড়িটুকুই। মুক্তার এমবিএ শেষ করাতে করাতে করিম তার সব জমিজমা বিক্রি করে দিয়েছে। অন্যদিকে মনি অনার্স পড়ছে সেই খরচও তাকে চালাতে হয়েছে। এমবিএ পরীক্ষার রেজাল্ট হাতে পাওয়ার পরপরই মুক্তা বাবা মায়ের সাথে দেখা করতে বাড়ি এল। এসে লোকজনের কটু কথার মধ্য দিয়ে জানতে পারল যে তারা বাবা জমিজমা বিক্রি করে দিয়েছে। কারণটা মুক্তা ঠিকই বুঝেছে। কিছুদিন বাবা মায়ের সাথে থেকে মুক্তা জীবন যুদ্ধের অন্যতম নিষ্ঠুর পর্বে নেমে পরল। আর সেটা হল চাকরির খোঁজে। অনেক দৌড়াদৌড়ির পর মুক্তা একটা কম্পানিতে ভাল জব পেল। সুসংবাদটা আগে বাবা মাকেই দিয়েছে। তার বাবা তো পুরো গ্রামে ঢোল পিটানোর মত করে সবাইকে বলতে লাগল, "আমার মেয়ে অমুক কম্পানিতে চাকরি করে।" কিন্তু কটু লোকের কথার কি শেষ আছে? তারা সেখানেও কটু কথা জুড়ে দিল কিন্তু করিম সেটার তোয়াক্কা করল না।
-
-
কিছুদিন পর মুক্তার প্রমোশন হল। সে বসের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে নিয়োজিত হল। সবকিছু বেশ ভালই যাচ্ছে কিন্তু হঠাৎ মুক্তার বাবা অসুস্থ হয়ে পরে। জানা মাত্রই মুক্তা ছুটে চলে আসে। ডাক্তার দেখানোর পর জানতে পারে হৃদপিণ্ডে ছেদ হয়েছে। রিং লাগাতে হবে। অপারেশন শহরে করতে হবে। এতে অনেক খরচ হবে। মুক্তা তার পরিচিত বন্ধুদের থেকে ঋণ নেয় এবং বাবার সেই শেষ সম্বল বাড়িটা বিক্রি করে দেয়। অপারেশন শেষে করিম ভাল হয়ে উঠে। গ্রামের বাড়ি বিক্রি করায় মুক্তা তার সম্পূর্ণ পরিবারকে নিয়ে শহরেই থাকে। দু রুম বিশিষ্ট বাড়িতে তারা মোটামুটি ভাবে চলতে লাগল। কথায় আছে বিপদ যখন আসে চারদিক থেকে ঘিরেই আসে। একদিন মুক্তার বস তাকে কু-প্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় মুক্তাকে জব থেকে বের করে দেয়। মুক্তার মাথায় আকাশ ভেংগে পরে। সমাজে উচ্চপদস্থে থাকা লোকগুলোর আসল রূপ এত জঘন্য? ভাবতেই শিউরে উঠে মুক্তা। একদিকে তার পুরো পরিবারের দায়ভার আর অন্যদিকে ঋণ। তারওপর এমন সময়ে জবটা হাত ছাড়া হল। কি করবে ভেবে উঠতে পারছে না। প্রতিনিয়ত মুক্তা ডিপ্রেশনে ভুগতে লাগল। ওদিকে সেই বস বারবার কু-প্রস্তাবটা দিয়ে যাচ্ছে। একবার চিন্তা করে রাজি হয়ে যাবে আবার চিন্তা করে বাবা মা ও বোনকে মুখ দেখাবে কি করে? এদিকে মুক্তার উপর সম্পূর্ণ পরিবারটি নির্ভর হয়ে আছে। বাবার ঔষধ, ছোট বোনের পড়ালেখা ও ঘরের নিত্যদিনের খরচ সবকিছুর দায়ভার যে তারই উপর। মুক্তা কোনঠাসা হয়ে পরেছে। পরিবারের কথা ভেবে মৃত্যুবরণও করতে পারছে না। আবার কু-প্রস্তাবে রাজি হতেও পারছে না। তার সুন্দর জীবনটা মুহুর্তেই অতিষ্ঠ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্বাস নিতেই যেন কষ্ট হচ্ছে তবুও বাধ্য হয়ে নিতে হচ্ছে।
-
---- স্যার আমার জবটা কনফার্ম তো?
-- হ্যাঁ এই নাও লেটার। আগামী চার বছর তুমি আমাদের কম্পানিতে পার্মানেন্ট হয়ে গেছ।
---- স্যার আজই কিন্তু শেষ। আর কখনো না।
-- আরে হ্যাঁ হ্যাঁ। আজই শেষ। তুমি এত চিন্তা কর নাতো। কেউই জানতে পারবেনা। তোমার আগেও দুয়েক জনকে এভাবে চাকরি দিয়েছি। কেউ কি জানে? এত চিন্তা কর নাতো।
---- আগেও এমন করেছেন?
-- হ্যাঁ করেছি। এখন কথা বন্ধ করে প্রস্তুত হও। আমি সন্তুষ্ট হলেই তুমি ভাল থাকবে।
মুক্তার স্যার লুলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মুক্তা অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। তার স্যার ধীরুপায়ে এগিয়ে আসছে। মুক্তার ওড়নায় হাত দিতেই মুক্তা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল আর দরজা খুলে দিল। একদল পুলিশ ও মুক্তার মা বোন এবং কিছু বন্ধুরা ঢুকে পরল। এতক্ষণ যা যা হয়েছে তা সব মুক্তার গলায় থাকা চেইনের ছোট ক্যামেরায় রেকর্ড হয়েছে। প্রমাণ সহ পুলিশ সেই মানুষরূপী নরপিশাচকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গেল। মিডিয়ায় মুক্তার নামের ফুলছড়ি ফুটতে লাগল। নারী যোদ্ধা, বীর নারী, নারী জাতির অগ্রদূত ইত্যাদি মুক্তার নামের পাশে সাবটাইটেল হিসেবে বসে গেল। মুক্তা সসম্মানে নিজের আগের পদেই চাকরি ফেরত পেল।
-
-
হ্যাঁ পরিস্থিতি মুক্তার মত মেয়েদেরকে কু-প্রস্তাবে রাজি হতে বাধ্য করে। তবে ভিন্ন পথও আছে। আর মুক্তা সেটাই করেছে। মুক্তার কাছে স্যারের দেয়া কু-প্রস্তাবের কল রেকর্ডিং আছে। সে পুরো ব্যাপারটা তার বন্ধু ও পরিবারের সাথে শেয়ার করেছিল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব ব্যাপারে বাবা মা নিজেরাই হতাশ হয়ে পড়ে। তবে বন্ধুরা সবসময়ই কোনো না কোনো সলিউশন দিতে পারে। মুক্তার বন্ধুরা ব্যাপারটা শহরের নামকরা নারী সংস্থাকে জানায়। কল রেকর্ডিংয়ের আধারে পুলিশ তাদেরকে সাহায্য করল। তাছাড়া পুলিশের উপর নারী সংস্থাটির এক প্রকার চাপ ছিল। পরিশেষে পুলিশ মুক্তাকে দিয়ে এই প্ল্যান্টটি রচনা করল। কারণ সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের গায়ে হাত দেয়ার পূর্বে যথেষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন। প্রমাণ ব্যতীত তাদের গায়ে হাত দিলে উল্টো বিপদে পরতে হয়। প্রমাণ থাকায় সেই জঘন্য লোকটির জেল হল।
-
-
আমরা যখন ডিপ্রেশনে পরি তখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় আপন মানুষদের। কিন্তু আমরা যদি আমাদের প্রব্লেম খুলে না বলি তাহলে তারাইবা কিভাবে জানবে? তাই আমাদের উচিত যেকোনো প্রব্লেম আপনজনদের সাথে শেয়ার করা। এতে সলিউশন বের হতেও পারে। একা একা সিদ্ধান্ত নিলে অধিকাংশ সময় সেটা বিপদই ডেকে আনে। আর ডিপ্রেশনে পরলে আপনজনদের সঙ্গ প্রয়োজন। যত একা থাকবেন তত ডিপ্রেশন বাড়বে। মুক্তার মত মেয়েরা অসংখ্য মেয়েদের জন্য অনুপ্রেরণা।
-
-
Written by - Zobayer Bappy (Emotionless ßoy)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ