সিরিজঃ দেশের উন্নয়ন।
পর্বঃ নাটক, সচেতন, সম্মান ও প্রথম হরতাল।
.
বিসিপি (বাংলাদেশ সিভিল পার্টি) নির্বাচনে জয়ী হবার পর তাদের চেয়ারপারসন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সোহেল খন্দকার দেশ উন্নয়নের প্রধান বাধা দূর্নীতি দূর করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিলেন। তারমধ্যে প্রথমে তিনি নিজ দলের অসত্ নেতাদেরকে প্রমাণ সহ বহিষ্কার করলেন তারপর ঘুষখোর পুলিশদের পদ অবনতি সহ ট্রান্সফার করালেন। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে তিনি জনগণকে সচেতন হতে বললেন, নিজেদের অধিকারের প্রতি সচেতন হতে বললেন। প্রতিটি থানার সামনে অভিযোগ বক্স খুললেন এছাড়াও কল ও অনলাইন সুবিধাও চালু করেছেন।
.
সোহেল বাসভবনে বসে কিছু কাগজপত্র চেক করছে। পিএ এসে আরও কিছু কাগজপত্র দিয়ে বলল,
-- এই নিন স্যার। এগুলো হচ্ছেন আয় ও ব্যয়ের উত্সের লিস্ট।
- হুম। ঠিক আছে। পরে দেখব আগে সিএমজিদের (সিক্রেট মেম্বার্স অব গভার্নমেন্ট) সাথে আমার মিটিং ফিক্সড কর।
-- এই সপ্তাহে আপনার শিডিউল ফ্রি নেই। পরবর্তী সপ্তাহে করব?
- তোমাকে কতবার বলেছি প্রযুক্তির ব্যবহার করা শিখ। ওদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে মিটিংয়ের ব্যবস্থা কর। একটা কথা মনে রাখবা সিমজি অত্যন্ত সিক্রেট। এ যাতে কোনো মতে ফাঁস না হয়।
-- জ্বি স্যার।
.
ভিডিও কনফারেন্স,
- আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজের ফলে আজ আমাদের দেশে ঘুষের সমস্যা সমাধান হয়েছে। এবার আপনাদের মিশন হবে জনগণকে সচেতন করে তোলা। আর এরজন্য আপনাদেরকে গ্রাম বাংলার পুরানো পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আর এই পদ্ধতির নাম "যাত্রা"। যাত্রায় যেমন নাচ গান ও নাটকের মাধ্যমে বিনোদন ও শিক্ষা দেয়া হত। ঠিক তেমনই আপনাদেরকে নাটক করে জনগণকে সচেতন করতে হবে। তাদেরকে বুঝাতে হবে যে তারাই ক্ষমতার প্রধান উত্স। তবে এই নাটক মানুষের মাঝে ঢুকে এমন ভাবে করতে হবে যেন মানুষ না বুঝে এটা নাটক। এর জন্য সকল ব্যবস্থা আমি করে দিয়েছি। আপনাদের হাতে কিছু কাগজপত্র আসবে। বাকি কাজ সেখানেই উল্লেখ থাকবে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। জয় বাংলা। আল্লাহ হাফেজ।
.
পুলিশের উপর তদারকি করার পর থেকে সিএমজিদের মধ্যে এক ধরণের দেশপ্রেম জেগে উঠেছে। দেশের উন্নয়নে তারা অবদান রাখছে এতে তারা গর্বিত।
.
আজ সকালেই লিয়াকত আলী সোনারগাঁও থানায় ইন্সপেক্টর পদে যোগ দিয়েছেন। তিনি নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি রাস্তার wrong side দিয়ে যাচ্ছেন। স্বভাবতই বাংলাদেশে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। হঠাৎ তিনি দেখলেন একটি লোক তাকে থামার সিগন্যাল দিচ্ছে। তিনি থামলেন।
= কি সমস্যা? (লিয়াকত)
= আপনি wrong side দিয়ে যাচ্ছেন।
= ঐ বেটা তুই আমাকে চিনিস? আমার ড্রেস দেখে বুঝতেছিস না আমি পুলিশ?
= ব্যবহার ঠিক করুন। আপনি যেই হোন না কেন নিয়ম ভঙ্গ করার অধিকার কারও নেই।
= মাথায় সমস্যা আছে? জেলে ঢুকিয়ে দুটা পিটানি দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
.
লিয়াকত লোকটাকে থাপ্পড় মেরে দিল। আশেপাশে লোকজন জমা হয়ে গেল। সবাই এসে লিয়াকতকে জিজ্ঞেস করলো, "স্যার কি হইছে?"
= লোকটা আমার রাস্তা আটকিয়ে আমার সাথে তর্ক করতেছে। ঐ বেটা যা সর। পরবর্তীতে চোখের সামনে দেখলে জেলে ঢুকিয়ে দিব।
লিয়াকত মোটরসাইকেল চালিয়ে চলে গেল।
.
পিছন থেকে লোকটা চেচিয়ে বলল, "আমি আপনার নামে থানায় মানহানির মামলা করব।"
সবাই লোকটাকে ঝাড়ি দিয়ে বলল, "এএএহ! আসছে উনি মামলা করতে। যান কাজে যান। নয়তো জেলের ভাত খেতে হবে।"
= আপনাদের জন্যই আজ পুলিশ শোষক হয়ে গেছে। আপনারা চুপ থাকেন তাই কিছু অসত্ পুলিশ অন্যায় চালিয়ে যায়। কিন্তু আর না। পুলিশের অন্যায় অবিচার আর চলবে না। আমি কেইস করব।
উপস্থিত লোকজনের একজন বলল,
= কোথায় মামলা করবা? সবই ওদের লোক। উল্টা আরও মাইর খাবা।
= প্রয়োজনে সবার নামে কেইস করব। তবুও ন্যায় আদায় করে নিব। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনেন নায়? তিনি অভিযোগ বক্স স্থাপন করেছেন। যদি পুলিশ মামলা করতে না দেয় তবে অভিযোগ তো আছেই।
.
লোকজন অট্টহাসি দিয়ে বললো,
= আরে মিয়া এগুলো সব ভুংভাং। নেতাদের কাজই তো মিথ্যা বলে জনগণকে খুশি রাখা।
= ভাই আপনাদের মধ্যে কেউ কি আমার সাথে স্বাক্ষী হিসেবে যাবেন? পুলিশটা যে আমাকে থাপ্পড় মেরেছে তা তো আপনারা দেখেছেন।
সবাই নানান বাহানা ও হাসি তামাসা করে চলে গেল। তবে একজন রাজি হল।
.
অতঃপর তারা সোনারগাঁও থানায় এসে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বেশ উচ্চস্বরেই বলল,
= আমি একজন পুলিশের নামে মামলা করতে চাই।
থানায় উপস্থিত সবাই লোকটার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে।
= কি হল আপনি শুনতে পাননি?
= কার নামে মামলা করবেন? আর কারণটা কি?
= লিয়াকত আলী নামে একজন পুলিশ অফিসার রাস্তার wrong সাইড দিয়ে হুন্ডা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তাকে থামিয়ে wrong সাইড দিয়ে যেতে নিষেধ করায় তিনি আমার সাথে দুর্ব্যবহার করেছে এবং গায়ে হাত তুলেছেন। উনি (সাথে আসা লোকটি) হলেন স্বাক্ষী।
= ঐ মিয়া মাথা কি ঠিক আছে? এই সামান্য ব্যাপার নিয়ে কেউ মামলা করে?
= আপনার কাছে আমি কথা শুনতে আসি নাই। মামলা করতে এসেছি।
= অপেক্ষা করুন।
.
পুলিশের সেই কর্মকর্তাটা লিয়াকত আলীকে ফোন করলো। কিন্তু মোবাইল অফ। কিছুক্ষণ পর ফিরে এলো।
= আপনি ওখানে যেয়ে বসুন। স্যার এলে আমি আপনাকে ডাকব।
= আপনি মামলাটি লিখবেন নাকি আমি আপনার নামেও অভিযোগ করে অভিযোগ বক্সে দিব?
= আপনার যা ইচ্ছে করেন।
.
লোকটা বেরিয়ে পরলো। তারপর কাগজ কলম কিনে নিজের পরিচয় ও নাম্বার সহ অভিযোগটি লিখে থানার বাইরে থাকা অভিযোগ বক্সে জমা দিল। কিছুদিন পর জানা গেল যে লিয়াকত আলী ও সেই পুলিশ কর্মকর্তার চাকরি চলে গেছে। খবরটা সবার মাঝে ছড়িয়ে পরলো। সবাই বেশ অবাক হল। সামান্য একয়া কারণে পুলিশের চাকরি চলে গেল!
আসলে এই পুরো ব্যাপারটা সিএমজি কর্তৃক পরিচালিত একটি নাটক। জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে নাটক করা হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান, রাস্তাঘাট ও বাজারে এমন নাটক ঘটতে লাগলো। এর ফলে মানুষ কিছুটা সচেতন হল। তারা বুঝলো যে এই সরকারের অধীনে তারাই সব। শোষণ আর চলবে না। তবে এর জন্য তাদেরকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। তাদের সচেতন থাকতে হবে। অন্যদিকে পুলিশও বুঝলো যে অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে। এতে তাদেরই মঙ্গল।
.
ঢাকার পর নাটকের এই খেলা অন্যান্য বিভাগেও হতে লাগলো। আমি অমুক নেতার লোক, আমি অমুক ধনীর ছেলে এসব চরিত্রকেও কেন্দ্র করে অনেক নাটক সাজানো হয়েছে। যার ফলে মানুষের মনে একটা জিনিস ঢুকে গেছে আর সেটা হল ন্যায়ের সামনে সবাই সমান। ধীরে ধীরে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেল। অভিযোগ বক্সের কারণে পুলিশও নিজ দায়িত্বে ঠিকমতো পালন করতে লাগলো।
.
সোহেল দলীয় কার্যালয়ে বসে আছে। তখন পিএ বলল,
-- স্যার এবার কাজটা ঠিক হয়েছে। পুলিশ সোজা হয়ে গেছে।
- হুম। তবে আমি চাই তারা মন থেকে সোজা হোক। তুমি প্রতিটি থানার সাথেy আমার ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা কর।
-- জ্বি স্যার।
.
ভিডিও কনফারেন্সে,
- আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সেটা হল আমি আপনাদের নিয়ে এত উদ্বিগ্ন কেন? কারণটা হল অন্যান্য বাহিনী হল দেশ সুরক্ষার জন্য। আর আপনারা দেশ সুরক্ষার পাশাপাশি জনগণের সেবায় নিয়োজিত। আচ্ছা দিন শেষে আপনি যখন বাসায় যান আপনার বাবা-মা, স্ত্রী সন্তানদের চোখের দিকে তাকিয়ে আপনি কি বলতেন পারবেন আপনি সততার সাথে দিনটি পালন করেছেন? আপনি কি জানেন আপনার সন্তানকে ঘুষখোরের সন্তান বলা হয়। আপনার বাবা যখন ভাল পোষাক পরিধান করে কোথাও বেড়াতে যায় তখন লোকজন বলে ঘুষের টাকায় কেনা। সামনে সালাম পিছনে ধিক্কার এটাই আপনার পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন দিন মজুর সমাজ থেকে যে সম্মান তা আপনারা পান না। ধিক্কারের সাথে বেঁচে থাকতে কি লজ্জা হয় না? মানবতাকে জাগ্রত করুক। নিজে সম্মানের সাথে বাচুন। নিজের পরিবারকেও সম্মানের সাথে বাঁচতে দিন। জনগণের মন থেকে ধিক্কার সরিয়ে ফেলুন। তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাব সৃষ্টি করুন। এতে দেশের মঙ্গল। বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করতে চাই। আপনাদের সাহায্য একান্ত কাম্য। পরিশেষে একটা কথা মনে রাখুন অভিযোগ বক্সে যদি আপনাদের নামে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় এবং তা যদি প্রমাণিত হয় তবে চাকরির পাশাপাশি সম্মানও হারাবেন। আপনি সততার সাথে চলুন দেশ উন্নয়নের চাকায় চলবে। জয় বাংলা। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
.
কথাগুলো পুলিশের মনে প্রভাব ফেলল। এত বছরে তারা অবৈধভাবে অনেক টাকা পেয়েছে ঠিকই কিন্তু সম্মান পায়নি। তাছাড়া এখন আর ঘুষ খাওয়ার মত পরিবেশও নাই। চুপিচুপি ঘুষ চাইলেও অভিযোগ বক্সে জমা হবে যাবে। শুধু পুলিশ নয় সরকারি সবক্ষেত্রেই ঘুষ বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ জনগণ সচেতন হয়ে গেছে।
.
পুলিশ জনগণের সাথে বন্ধু সুলভ আচরণ করতে লাগলো। কোথাও কোনো সমস্যা দেখলে পুলিশ নিজে যেয়ে যাচাই করে। তারপর এলাকা, মহল্লা ঘুরে ঘুরে জনগণকে সচেতন করতে লাগলো। "আপনাদের ছোট-বড় যেকোনো সমস্যা হলে আমাদের কাছে আসুন। ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র অভিযোগ আমাদেরকে জানান। আমরা আপনাদেরই সেবায় নিয়োজিত।"
.
একদিন এক পুলিশ অফিসার তার পরিবারের সাথে ডিনার করছে। তখন তার ছেলে বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "baba I'm proud of u. আজ আমার বন্ধুরা আমাকে বলেছে তোর বাবা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে তাই আমরা নিরাপদে চলতে পারি।" জানো বাবা, "আগে ওরা প্রায়ই বলত ঘুষের টাকা দিয়ে খাই চলি পরি কিন্তু এখন আর এসব বলে না। I'm proud of u."
.
কথাগুলো শুনে অফিসারের চোখ দুটো অশ্রুশিক্ত হয়ে গেল, টলমল করছে। এখনই যেন পানি গড়িয়ে পরবে। টলমল করছে তার স্ত্রীর চোখ দুটোও। এই সম্মান আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ অফিসার তার সন্তানকে বুক ফুলিয়ে বলতে পারবে যে সে সততার সাথে কাজ করে।
.
সার্কের একটি সম্মেলনে সোহেল কাঠমান্ডু গেল। সেখানে পাকিস্তানের সাথে একটি চুক্তি করলো। বিগত দেড় বছর ধরে বিরোধীদল গুলো হরতাল-অবরোধের কোনো সুযোগ পায়নি। তাই এবার এই সুযোগটা মিস করতে চায়নি। চুক্তিতে কি হয়েছে তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তাই বিরোধীদল গুলো একজোট হয়ে বলছে, এই সরকার রাজাকারদের হাতে দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্tর করছে। চুক্তির প্রতিবাদে হরতাল ডাকা হল।
.
সকল কার্যক্রম শেষে সোহেল হোটেলে এসে রেস্ট নিচ্ছে। আগামীকাল দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিবে। পিএ এসে বলল,
-- স্যার চুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে হরতাল ডেকেছে বিরোধীদল গুলো।
কথাটা শুনে সোহেল মুচকি হাসি দিল।
-- স্যার আপনি হাসছেন?
- আমি এই দেড় বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে সম্পর্কটা তৈরি করেছি আগামীকাল তার প্রতিফলন দেখা যাবে।
-- বুঝলাম না।
- পুলিশ কি পুরানো দিনের হরতালের মত বর্বরতা চালাবে? মানুষ কি প্রতিবাদের নামে অস্ত্র হাতে নিবে? এগুলোই আমি দেখতে চাই। এই সুযোগ এনে দেয়ার জন্য বিরোধীদল গুলোকে ধন্যবাদ জানাতে হবে।
-- আপনাকে বুঝা বড় দুষ্কর।
সোহেল মুচকি হাসি দিয়ে বলল, "গুড নাইট। আগামীকাল কি হয় তা দেখার জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমাব যেন সূর্য তাড়াতাড়ি উঠে।" পিএ চলে গেল। সোহেল ঘুমিয়ে পড়লো।
.
পরেরদিন সকালে,
হরতালের উদ্দেশ্যে যাত্রাবাড়ি থেকে একটি মিছিল বের হল। কিছুদূর যাওয়ার পর পুলিশের একটি প্লাটুন দাঁড়িয়ে আছে। মিছিলটি পুলিশের সামনে আসতেই একজন অফিসার মাইক দিয়ে বলল,
= আপনাদের অভিযোগ থাকলে তা অভিযোগ বক্সে দিন। এভাবে মিছিল করে রাস্তাঘাট আটকিয়ে জনসাধারণের দূর্ভোগ সৃষ্টি করবেন না।
যারা মিছিলের আয়োজন করেছে তারা আগেই প্ল্যান করে রেখেছিল তারা একটা ঝামেলা বাধাবে। তাই মিছিলের মধ্যে থেকে একজন পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ইট মারলো। পুলিশ তাদের সামনে ঢাল দিয়ে অবস্থান নিল। সেই অফিসার আবার বলল,
= আমরা আপনাদের সেবায় নিয়োজিত। আমরা আপনাদের উপর কোনো রকম অ্যাকশনে যেতে চাই না। কিছু লোকের উস্কানিতে আপনারা কোনো রকম বিশৃংখলা করিয়েন না।
.
তবুও কিছু লোক ইট পাটকেল মারতে লাগলো। তবে পুলিশ কিছুই করেনি। কিছুক্ষণ এভাবে চলার পর পুলিশ আকাশে দু রাউন্ড গুলি ছুড়লো। এতে সবাই পালিয়ে গেল। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এভাবেই সারাদেশে হরতাল পালন হল। হতাহতের সংখ্যা খুবই কম হয়েছে।
.
সোহেল দেশে ফিরে এলো। সংবাদ সম্মেলনে চুক্তির ব্যাপারে খুলে বলল। বাণিজ্যিক চুক্তি করা হয়েছে। এতে উভয় দেশেরই লাভ হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সোহেল বলল,
- আমি পুলিশ বাহিনীকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই এই কারণে যে হরতালের সময় তারা জনগণের সাথে বন্ধুর মত ব্যবহার করেছে। জনগণেরও উচিত পুলিশের সাথে ভাল ব্যবহার করা। চক্রান্তকারীদের উস্কানিতে এসে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়াবেন না। আমি জনগণের উদ্দেশ্য একটা কথা ক্লিয়ার করতে চাই যে আপনাদের কোনো রকম সমস্যা হলে পুলিশে জানাবেন। আর সরকারের কোনো পদক্ষেপের উপর প্রতিবাদ জানাতে চাইলে সেটা জেলা প্রশাসককে জানাবেন। আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধান দিব। হরতালে ক্ষতি আপনাদেরই। চলাচলে দুর্ভোগ, বাণিজ্যিক ক্ষতি সহ আরও অনেক সমস্যা রয়েছে। দেশ আপনাদের সুতরাং সিদ্ধান্তও আপনাদের নিতে হবে। আল্লাহ হাফেজ।
.
সংবাদ সম্মেলন শেষে সোহেল বাসভবনে ফিরতে লাগলো। মনের মধ্যে একটাই আশা দেশের উন্নয়ন।
.
লিখাঃ Nishi Chowdhuri (রাত্রির আম্মু)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
2741
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ž:ā§Šā§Ŧ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ