āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2739

মুক্তির আনন্দ
ফয়সাল আহমেদ ইমন (ইমু)
💞

সারা দিন চলে গেল একটা ফাইল হাতে, আজ দুই মাস ধরে এই একটা কাজই করছি। কি করব? চাকরিটা চলে গেছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বিষাদের মেঘ গুলোও তাড়া করে বেড়াচ্ছে হায়নার মত। প্যকেটে হাত দিয়ে দেখি ১০ টার সাথে একটা দুই টাকার নোট। তাই হেঁটে বাসায় ফিরলাম। রাত প্রায় দশটা বেজে গেছে। দরজা খোলে ভেতরে গেলাম। বোঝতে পারছি নুসরাত আর নিহাদ ঘুমিয়ে গেছে। (নুসরাত আমার বউ আর নিহাদ আমার ছেলে) একটা কথা কখনোই বিশ্বাস করতাম না যে, ভালোবাসা কখনো ফুরিয়ে যায়। কিন্তু অভাব থাকলে , তা জানালা নয় বরং মেইন গেইট দিয়েই পালিয়ে যায়। সোফায় বসে মনে পড়ে গেল আজ থেকে ৩ বছর আগের কথা। তখন চাকরিটাও ছিল আর ভালোবাসাতো থাকবেই। রাত করে যখন বাসায় ফিরতাম, বউটাকে দেখতাম খাবার টেবিলে ঘুম ঘুম চোখে গাল ফুলিয়ে বসে থাকত। কত বাহানা করে যে, তার রাগ ভাঙাতাম তার অন্ত নেই। আর আজ? আচ্ছা টাকার মধ্যে কি ভালোবাসা ঘুমায়? জানা নেই। একা একাই খাবার খেয়ে নিলাম। সারা দিনের ক্লান্তিতে বিছানায় ঘা লাগাতেই ঘুমের দেশে হারিয়ে গেলাম।
সকালে ঘুম ভাঙল নুসরাতের চেঁচামেচিতে,
--নিহাদ স্কুলে যেতে চাচ্ছে না।
--কি বাবা, কি হয়েছে স্কুলে যাবে না কেন?
--কি ভাবে যাবে? জুতো টা যেই ভাবে ছিড়ে আছে, এটা কি পড়া যায়? আল্লাহ আমার কপালেই এইসব লিখে রাখছে। মাঝে মাঝে মনে চায় মরে যাই(নুসরাত)
শেষ কথাটা বুকের ভেতরে আঘাত হানলো। বোঝতে না দিয়ে একটা মৃদু হাসি দিলাম।
--আচ্ছা, বিকেলে এনে দিব, তুমি আজকে একটু কষ্ট করে যাও বাবা।
আজ একটা চাকরির ইন্টারবিও আছে আর আবির বলেছিলো কিছু টাকা দিবে, তাই বেরিয়ে পড়লাম। ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে গেল। এসে দেখি নুসরাত, নিহাদকে পড়াচ্ছে।
ফ্রেস হয়ে খাবার খেয়ে বিছানায় একটু গা লাগালাম, তখনই নুসরাত এসে বলল,
--আজই স্কুলে যেতে চাচ্ছিলো না, কালকে কি করব?
--আচ্ছা, তাকে তুমি রেডী করে দাও। এখনি বের হব জুতা কিনার জন্য।
একটু পর, নুসরাত নিহাদ কে নিয়ে আসল।
বেরিয়ে যাব ঠিক তখনই,
--শুন।
--হুম।
--টাকা আছেতো?
কিছু না বলে একটা মুচকি হাসি দিলাম।
একটা শপিং মলে ঢুকে বাবা, ছেলে মিলে জুতা দেখছি।
--আব্বু, ঐ জুতাটা নিবে?
সেলস ম্যানকে বলে জুতাটা বের করে আনলাম।
--তুমার পছন্দ হয়েছে।
--হ্যাঁ।
--ঠিক আছ, এটাই নিব।
দামাদামি শেষে প্যাকেট করতে বললাম।
-- আব্বু, নতুন জুতা পড়ে বাসায় যাই?
-- আচ্ছা, তাকে জুতাটা পড়িয়ে, পিছনের প্যকেটে হাত দিয়ে দেখি প্যকেট কাটা আর ম্যানিব্যাগ নেই।
আশে পাশে কিছুক্ষন খোঁজলাম, সেলস ম্যানকে বললাম, কিন্তু তিনি কোন সাহায্য করতে পারে নি। সেলস ম্যান আমার পরিচিত ছিলো, তাই বাকি দিতে রাজি হয়, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে বাকি নেওয়া পসিবল না আমার পক্ষে, এমনিতেই অনেক ঋন হয়ে গেছে। নিহাদের পা থেকে জুতাটা খোলে পুরান জুতা পড়িয়ে দিলাম।
--আমরা নতুন জুতা নিব না আব্বু?
-- নিব বাবা, কাল এসে নিয়ে যাব।
সে কিছু বলল না আর, শুধু জুতার দিকে তাকিয়ে ছিল।
একটু হাটার পর সে বলল, তার পা ব্যাথা করছে। তাই কাধে নিয়ে রাস্তার ধারের সোডিয়ামের আলোতে হেটে চললাম।
--তোমার পা ব্যাথা করে না আব্বু?
--না, বাবা।
--কেন?
--আমি যে বড় তাই।
--আব্বু, আমরা রিকসা করে বাসায় যাব না?
না, আজ আমরা হেটে যাব।
--কেন?
--সন্ধা বেলা হাটলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
--আমাকে একটা ক্রিকেট ব্যাট কিনে দিবে আব্বু? আমার বন্ধু রাফাতের বাবা তাকে কিনে দিয়েছে।
--আচ্ছা কিনে দিব।
--কালকে জুতাগুলো এনে দিলে, পরের দিন এইগুলো পড়ে যাব আব্বু?
--হ্যাঁ।
এভাবে ছোট ছোট বায়নার আবদারের আশা দিয়ে হেটে চলছি দুই জন।
৩০ মিনিট হাটার পর বাসায় আসলাম, খুব ক্লান্ত লাগছে।
নুসরাত পানি এনে দিল।
--জুতা কোথায়?
--আনি নি।
--কেন? (অবাক চোখে)
-- ম্যানি ব্যাগ হারিয়ে গেছে।
--তুমি আসলে কেন বাসায়? তুমি হারিয়ে গেলে না? আমার জীবনটা একবারে শেষ করে দিলে। কি পাপ জানি করেছিলাম, আল্লাহ তার শাস্তি দিচ্ছে। আল্লাহ মরনও দেয় না আমার, বলে সে নিহাদের কাছে চলে গেল।
তার শেষের কথা গুলোকে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকলাম ছাদে দাড়িয়ে। আচ্ছা কি করলে এই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাব?
হ্যাঁ, আমি আমার উত্তর পেয়েছি। আর সেটা হলো মৃত্যু। একমাত্র মৃত্যুই পারে একটু শান্তি দিতে।
ছাদের শেষ প্রান্তে দাড়িয়ে চোখ বোঝে দুই হাত প্রশারিত করলাম। মুক্তির আনন্দে চোখ বেয়ে পানি পড়ছে। যখনই উড়াল দিতে যাব তখনই কেও একজন টান দিয়ে ছাদে নিয়ে আসল, হ্যাঁ সেটা নুসরাত।
--একি করছো?
--আমি মুক্তি পেতে চাই নুসরাত, আমাকে যেতে দাও। আমি আর যন্ত্রনা সইতে পারছি না।
-- তুমি চলে গেলে আমাদের কি হবে? আমিও বাঁচব না, আমি তোমাকে ভালবাসি। আমাকে মাফ করে দাও প্লিজ। নিহাদের কথা একটু ভাব! তুমি চলে গেলে সেও মরে যাবে।
--তাকে জড়িয়ে দড়লাম, দুজনের চোখ বেয়েই পানি পড়ছে। আজ সেখানে কোন অবহেলার চিহ্ন নেই, শুধু আছে ভালবাসা।
একটা মৃত্যু কখনই মুক্তি দিতে পারে না, মুক্তির জন্য প্রয়োজন এক টুকরু ভালবাসা।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ