āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2738

গল্প: নীলা নামের সেই মেয়েটি……
-
----নীলা দাড়া…… (রাজ)
----দেখ, তুই কি বলবি আমার জানা আছে!…… (নীলা)
----তাহলে রাজি হচ্ছিস না কেন? আমি কি খারাপ?
নাকি আমাকে তোর পছন্দ হয় না?
----আসলে সেরকম কিছুই না, তুই খুব ভালো। কিন্তু আমি
বিয়ের আগে প্রেম-ভালবাসায় বিশ্বাষী না……
----কেন, আমি কি বিশ্বাষযোগ্য না?
----তোকে কতবার বলব, আমাকে মাফ কর। আমার দ্বাড়া
ওসব হবে না। আর আমার বাবা-মা যেখানে আমার বিয়ে
ঠিক করবে? আমি সেখানেই বিয়ে করব……
অনেকদিন হলই নীলাকে প্রপোজ বা প্রেমের প্রস্তাব
দিয়ে আসছিল রাজ। রাজ আর নীলা ছোটবেলার বন্ধু।
দুজনের বাড়ি আলাদা দু গ্রামে হলেও, ছোটবেলা থেকেই
একই প্রাথমিক স্কুল,মাধ্যোমিক এবং উচ্চমাধ্যোমিকে
পড়াশোনা করেছে দুজন। ক্লাস ২ থেকে ওদের বন্ধুত্বটা
আজ ইন্টারমেডিয়েট ২য় বর্ষ পর্যন্ত দুজনের বন্ধুত্ব অটুট
আছে। ওদের বন্ধুত্বটা যে কারো কাছেই ইর্ষনীয় হতে
পারে। খুব ভালো বন্ধুত্ব দুজনার। কিন্তু, ওই যে, কেউ
একজন বলেছেন,
"ছেলে আর মেয়ের কখনো বন্ধুত্ব হয় না! এরা একে অপরের
প্রেমে পড়বেই""
কে জানে কথাটা না জানি কতটা সত্য। আর সেই সত্যতার
স্বরূপই রাজের এই ক্রমাগত প্রেম প্রস্তাব।
-
ছেলে এবং ছাত্র হিসেবে রাজের জুড়ি পাওয়া কষ্টকর।
আসলেই রাজ যথেষ্ট ভালো ছেলে এবং বিশ্বাষযোগ্য।
আবার মেয়ে হিসেবে নীলাও কম না। ওর উপমাটা হল, এ
যুগে এমন মেয়ে পাওয়া কষ্টকর। রূপ,গুন, বুদ্ধিমত্তা সহ
একজন মেয়ের যা যা থাকা দরকার? তার সবকিছুই যেন
নীলার ভিতরে আছে। সৃষ্টিকর্তা একসাথে এতকিছু হইত
২য় কোন মেয়েকে দেয়নি। তবে কেন জানিনা, ওর প্রেম-
ভালবাসার প্রতি বিশ্বাষ আর মন কোনটাই নেই।
-
----হ্যালো, নীলা……
----হুম বল………
----তোকে কিছু কথা বলার ছিল……
----দেখ তুই কি বলবি আমার জানা আছে!
----কি বলব?
----সেই পুরোনো ডায়ালগ! আমি তোকে ছাড়া বাচবো না,
তোকে আমি অনেক ভালবাসি ব্লা ব্লা……
এসব ছাড়া কোন কথা থাকলে বল……
----হুম আছে, তোর কাছে কোন ভুল করে থাকলে ক্ষমা
করে দিস……
----মানে? তোর কি হয়েছে?
----আমি চলে যাচ্ছি……
----কোথায়?
----যেখানে গেলে তোকে আর মনে পড়বে না।
ভালবাসততে ইচ্ছা করবে না। তাই তোকে ছেড়ে, তোদের
ছেড়ে দূড় বহুদূড়ে চলে যাচ্ছি……
----দেখ রাজ, পাগলামো করিস না…
হ্যালো, হ্যালো……
নাহ, ফোন কেটে দিয়েছে। এবং সাথে সাথে বন্ধও করে
ফেলেছে। এই ছেলেটা না! ওকে নিয়ে আর পারা গেল
না। এখন কি যে করি!"
-
আজ ১০-১২ দিন হল রাজের কোন খোজ নেই। বাড়িতে নেই,
ফোন বন্ধ। কলেজেও আসে না। কি হল, কি করল? তাহলে
কি রাজ সত্যি সত্যি………?
নাহ, আর ভাবতে পারে না নীলা। ওদের বাড়িতে একবার
যাওয়া দরকার। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এত বছরের
বন্ধুত্বে দুজনা দুজনার বাড়িতে মাত্র ২-৩ বার যাতায়াত
করেছে। খুব বেশিদূড় বাড়ি না হলেও কেন জানি যাওয়া
হয়ে উঠেনি।
-
সেদিনরাতে নীলা, রাজকে নিয়ে অনেকভাবে। আসলেই
ছেলেটা খুব ভালো। স্বভাব চরিত্রে যেকোন ছেলের
জন্য আদর্শ হতে পারে। আবার এটাও ভাবে যে, আসলেই
কি সে নিজে রাজকে একটুও ভালবাসে না? নিজেই
নিজেকে প্রশ্ন করে উত্তর পাই, তার মনের কোন এক
কোণে রাজের জন্য রয়েছে অগাধ ভালবাসা। যেটা সে এ
কদিনে টের পেয়েছে। আসলে বন্ধুত্বের জন্য কখনো টেরই
পাইনি বা বোঝার চেষ্টা করে নি।
সেদিনই রাতে হঠাৎ রাজকে ফোন দিলে, ওর ফোন
খোলা পায়। কয়েকবার ফোন দেয়ার পরে রিসিভ হয়……
----হুম বল,কি জন্য ফোন দিছিস?
----তুই কোথায় আছিস? ফোন বন্ধ রাখছিলি ক্যান? আর
কলেজে বা প্রাইভেট পড়তে আসিস না ক্যান?
----আমি সব ছেড়ে দিয়েছি……
----আমাকে ভালবাসাটাও?
----হুম……
----বা রে, এতদিন পিছন পিছন ঘুরলি, আর এখন আমায়
ভালবাসতে বাধ্য করে নিজে কেটে পড়ছিস?
----তুই তো আমাকে ভালবাসিস না……
----হুম, কিন্তু এখন বাসব……
এভাবেই শুরু হয় রাজ আর নীলার প্রেম কাহিনী। এবং
দুজনার সম্পর্কটা আরো মজবুত হয় আর অটুট থাকে।
প্রেমের সম্পর্ক হলেও ওরা আগের মতই তুই,তো, কারি
বলে কথা বলত। প্রেম করলেই যে তুমি, জাদু, সোনা,
মোনা, টোনা বলে সম্বোধন করে ডাকতে হবে? এমন তো
কেন ধরা বান্দা নিয়ম কানুন নেই। ওরা রাত জেগে কথা
বলত না, যখন তখন ফোনাআলাপ করত না। আধুনিক প্রেমের
মত সেক্স নিয়ে কোন কথা বলত না। ওদের প্রেমটা
সাধারণ ছিল, খুবই সাধারণ। কোন অবৈধ চাওয়া-পাওয়া
কামনা-বাসনা ছিল না। কিন্তু প্রেমের পরে ওদের
সম্পর্কটা আরো ভালো হয়, আগের থেকেও মধুর হয়, রাগ-
অভিমান একটু বেরে যায়। তবে মাত্রাতিরিক্ত না।
-
প্রায় ২ বছর চলে ওদের প্রেম। এবং আগের মতই, যেন একটু
ভালবাসা কমে যায় না। রাজ ওর মধ্যোবিত্ত বাবা-
মায়ের একমাত্র সন্তান। এবং পিতা-মাতার খুবই বাধ্যগত।
আর নীলারা দুই ভাই-বোন। ওদের পরিবার অপেক্ষাকৃত
গরিব। বাবা মারা গেছেন। মা আর ভাই মিলে সংসার
দেখভাল করে। তবে দিনকাল ভালোই কেটে যায় ওদের।
.
অনেক দিন পরে আবারো রাজের কোন খোজ খবর নেই। এর
আগেও মাঝে মধ্যো রাজ হাওয়া হয়ে যায়! আবার ফিরে
আসে। কিন্তু, এবার প্রায় ১ মাস হল কোন খোজ নেই
রাজের। এর আগে কখনো এতদিন নিখোজ থাকে নি সে।
ফোনটাও বন্ধ। আবার ওর বাড়িতে যেতেও দ্বিধা।
একদিন সন্ধ্যায় রাজ ফোন দেই……
----হ্যালো নীলা……
----হ্যালো, তুই এতদিন কোথায় হারিয়ে গেছিলে?
আমাকে কষ্ট দিতে তোর খুব ভালো লাগে??
----তোর আমাকে ভুলে হবে রে!
----কিহ্! কি বলছিস এসব……
----সত্য বলছি, তুই তো জানিস আমি বাবা-মায়ের কথার
অবাধ্য হয় না। আর তারা আমার বিঢে ঠিক করেছিল।
পাত্রি পক্ষে কথা দিয়েছিল। আমি তাদেরকে তোর কথা
বলেছিলাম। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
এখন আমি বিবাহিতা। আমি আর তোর নেই! বিশ্বাষ কর,
আমি তোকে অনেক ভালবাসতাম। আর এখনো ভালবাসি।
কিন্তু……
ক্ষণিকের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে যায় রাজ। আর নীলা যেন
জ্ঞান হারানোর উপক্রম। কথা বলার ভাষা হারিয়ে
ফেলে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নেমেছে। আধার কালো রাত!
আর এই আধার কালো রাতে মতই সে তার দু-চোখে
অন্ধকার দেখতে পায়। যাকে সে এত ভালবাসল। আবার
যে ছেলে তাকে এত ভালবাসল, আর শেষ-মেশ কিনা এই
হওয়ার ছিল। সে শূন্যে তাকিয়ে দু-চোখ জ্বল ফেলে।
ভাগ্যবিধাতার উপর দোষারোপ করতে থাকে। কেন তার
এত বড় শাস্তি হল??
নীলা রাগে নইত ভুলে বলে ফেলে……
----আমার ভালবাসা যদি সত্য হয়ে থাকে? তবে তুই একদিন
ঠিকই আমার কাছে ফিরবি। কিন্তু তখন আর আমাকে
পাবি না। তোকে অনেক কাদতে হবে……
-
ভালবেসে এভাবে কাদতে হবে? সেটা কিছুতেই বুঝতে
পারেনি নীলা। এটা ওর কোন অপরাধের সাজা? কি এমন
অপরাধ করেছিল সে? মনে করতে পারে না।
গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারত। কিন্তু জীবনের
গল্পগুলো এত সহজে এত তারাতারি শেষ হয় না। দেখতে
দেখতে কেটে যায় ২ বছর। নীলার জীবনে আবার প্রেম
আসে। প্রেম ভালবাসার প্রতি বিশ্বাষ উঠে গেছে
নীলার। তবুও ছেলেটা পাগলামো শুরু করে। মাঝেমধ্যো
বাড়িতে আসে। ওর মাকে বলে, নীলার সাথে বিয়ের
ব্যবস্থা করতে।
বিয়েটা হয়ে যায়। বিয়ের কিছু আগে কোথা থেকে যেন
রাজ চলে আসে। অনেক কান্নাকাটি করে। ফিরে পেতে
চাই নীলাকে। রাজের বিয়েটা ৬ মাসও টিকে নি।
যারসাথে বিয়ে হয়েছিল, সে পালিয়েছে তার প্রাক্তন
প্রেমিকের হাত ধরে। ২ বছরে অনেক কিছু পাল্টে গেছে।
রাজের বাবা কোন এক্সিডেন্টে মারা যাওয়ার পরে,
মা'টাও মারা যায় কোন এক অজানা অসুখে। ডাক্তারের
কাছে নেওয়ার সময় থাকে না। রাজ এখন আর ভাল ছেলে
নেই, নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কান্নাকাটি করলেও নীলা
গলে যায় না। ওর বিয়ে হয়ে যায়, ২য় ছেলেটার সাথে।
-
নীলার বিয়ে হলেও, সুখ যেন ধরা দেই না! যে ছেলেটা
বিয়ের আগে এতটা ভালবাসত, সেই ছেলেটা এখন আর
একটুও ভালবাসে না। সারাক্ষণ কথা শোনায়।
বিভিন্নভাবে দুঃখ দেই, নীলা অন্তসত্বা তাই সন্তানের
কথা চিন্তা করে সে দুঃখ-কষ্ট মেনে নেই।
জীবনটা এমনই, অথবা কিছু নীলাদের জীবন এভাবেই
কাটে। দুঃখ-কষ্টট এদের পিছন ছাড়ে না। পৃথিবীতে সবাই
সুখ পাই না। তবে কিছু মানুষ হইত, বেশিই দুঃখ-কষ্টে
থাকে।
-
লেখায়: Ovronil Adi (মৃত মানব)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ