āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2730 (3)

#অবহেলিত A.b

৫ম পার্ট

আবুবক্কর A.b

মিনহা: তুই আমাকে একটু সুযোগ দিবি??
আমি: আমিতো কিছুই বুজতে পারছিনা কিসের সুযোগ দিতেহবে তোকে?
মিনহা: তুই জদি কিছু মনে না করিস, আমি তোর বাকি জীবনে পৎ চলার সঙ্গি হতেচাই।
তোর হাসি,কান্না,সুখ,দঃখের ভাগিদার হতেচাই।
প্লিজ A.b আমাকে ফিরিয়ে দিসনা।
তোকে আমি খুব খুব ভালোবেসে ফেলেছিরে।
তোকে ছাডা মনেহয় আমার বাকি জীবন পারি দেওয়া অসম্ভব হবেরে।

আমি: তোর বাবা,মা আমাদের মেনে নেবেনতো??
মিনহা: তুই সুধু হ্যাঁ বল, বাকিসব আমি ঠিক করবো।
আমি: আচ্ছা তোর যেটা ভালোমনেহয়।
মিনহা: এবার কান্না করছে।

হয়ত এ কান্না সুখের হবে, নাহয় প্রিয় মানুষকে আরো কাছে পাওয়ার।

সকালে অফিসে বসেআছি
একটু পর তানহার হাজবেন্ট সাইফুল
এসেছে।
আমি তাকে বসতে দিলাম।
অফিসের স্টাপকে ডেকে কফি,আর নাস্তা দিতে বল্লাম।

আমরা নাস্তা করতে করতে গল্পে মেতে উঠলাম।
ওকে বুজতে দিইনি আমি কতটা কষ্টে ওর সাথে কথা বলছি।

গল্প করার শেসে ওকে একটা রুমে নিয়ে তার কাজ বুজিয়ে দিই।
সাইফু সুধু ছলছল আর বিস্ময় ভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

আমি চলে এসে আমার অফিসে বসে আছি।
আবার তানহার কথা মনে পরলো।
ওর কথা মনে পরতেই দুচোখ বেয়ে সুধু পানি ঝরতেছে।

কিছুক্ষন পর মিনহা আমার অফিসে এসে আমাকে শক্ত করে জডিয়ে ধরে বলে আমি একেবারে বাডি থেকে চলে এসেছি তোর কাছে।

আমিও তাকে জডিয়ে ধরে বলি ঠিকআছে।
আমার সাথে এক জায়গায় জেতে হবে তোকে।
মিনহা: কোথায়??
আমি: আগে চল।

আমি আর মিনহা আমার গাডিতে করে রওনা দিলাম।
গন্তব্য মিনহার বাডি।

মিনহাদের বডির সামনে এসে বল্লাম গাডিথেকে নাম।
মিনহা হতাশা ভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে কিছু না বলে নিরবে চোখের জল ছেডেদিলো।

আমি মিনহার হাত ধরে ওদের বাডিতে প্রবেশ করলাম।
তার বাবা,মাকে ডেকে বল্লাম আপনাদের একটা কথা বলতে আমি এখানে এসেছি।
আন্টি: কি কথা বাবা?
আমি: মিনহা আমাকে ভালোবাসে এই কথা আপনাদের বলছিলো?
আন্টি: হ্যাঁ
আমি: আমিও মিনহাকে ভালোবাসি, আমি তাকে বিয়ে করতেচাই আপনাদের মতামত জানতে এখানে এসেছি।
আম আর কিছু নাবলে মিনহাকে নিয়ে বেরিয়ে চলে এসেছি।

মিনহা আমাদের ঘরে আমার বাবা,মার সাথে গল্পে মেতে আছে।

আমার ছোটভোন এসে বলে বিয়ে কবে করবি ভাইয়া?
আমি: আরোকিছু কাজ আছে সেগুলা শেষকরে বড পার্টি দিয়ে সবার সামনে মিনহাকে তোর ভাবি বানাবো বুজলি।
আচ্ছা ঠিক আছে ভাইয়া।

মিনহাকে আমাদের বাডি নিয়ে আসলেও তাকে এখনো বিয়ে করিনি।
কারন তার পরিবারকেউ আমাদের বিয়েতে নিয়ে আসবো সেই আশায়।

আজ রবিবার সাইফুলকে বল্লাম দোস্ত আমার একটা রিকুয়েস্ট রাখবি?
সাইফুল: সুধু মাথানেরে হ্যাঁসুচক উত্তর দিলো।
আমি: কালকে তোর মেয়েটাকে একবারের জন্য অফিসে নিয়ে আসতে পরবি প্লিজ??
করুন দৃষ্টিতে বল্লাম
সাইফুল: আচ্ছা
আমার চোখে মুখে বিশ্ব জয়ের হাসি ফুটলো।

আজকে তাইবা তানহার মেয়ে এসেছে আমার অফিসে।

সাইফুল তাইবাকে আমার অফিসে রেখে চলে জায়।

আমি: কেমন আছ মামুনি?
তাইবা:..............?
আমি: কি হল মামুনি কথ বলছনা কেন?

এবার তাইবা কান্না করে বলতে সুরুকরে
তুমি আর মিনহা আন্টি আমাদের বাডি থেকে চলে আসার পর আম্মু খুব কান্না করেছিলো।
আম্মু দুইদিন কিছুই খায়নি।
আব্বুও কিছু খায়নি।

আমি তাইবাকে জডিয়ে ধরে তার কপালে চুমু দিয়ে বলি চলো আমরা মার্কেটে যাবো।

আমি মিনহাকেও ফোন দিয়ে আসতে বল্লাম।

আমি,,তাইবা,,আর মিনহা তিনজন মার্কেটিং করতে বেরহলাম।
মিনহা তাইবার কাপর পছন্দ করেদিল।
প্রায় অনেক টাকার সপিং করেছি।

আমরা অফিসে এসে সপিং গুলা দেখতেছি,
তাইবা অনেক খুশি হয়েছে।
আমাদের এসব কান্ড সাইফুও উকি দিয়ে দেখেচে।

এরপর সাইফুল তার অফিস রুমে গিয়ে সুধু অঝর ধারায় কান্না করতে লাগলো।

আমি,,,মিনহা,,তাইবাকে নিয়ে সাইফুলের অফিসে গিয়েছি দেখে সাইফুল তারাতারি চোখ মুছেফেলে।

আমি: সাইফুল তাইবাকে এই সপিং গুলা মিনহা কিনেদিয়েছে প্লিজ এগুলা ফেলেদিসনা হাত জোরকরে বলি।

সাইফুল কোনো কথা না বলে আমার পা জডিয়ে ধরে।

এরপর সাইফুল??????????

Abubkkar A.b

#অবহেলিত A.b

৬ষ্ঠ পার্ট

আবুবক্কর A.b

এরপর সাইফুল কান্না করতে করতে বলে, তুই কি মানুষ নাকি অন্য কিছু?
আমি তোর সাথে এত কিছু করেছি, তোকে অনেক কষ্ট দিয়েছি, আডালে থেকে অনেক অপমানও করেছি, তার পরও তুই আমার জন্য এত কিছু করলি।
প্লিজ আমাকে ক্ষমা করেদে।

আমি সাইফুলকে উঠিয়ে বলি জা করেছিস হয়ত নাজেনে করেছিস, হয়ত কারো কথায় করেছিস।

যাইহোক এখন আমরা আবার আগের মত থাকবো।

এরপর তাইবা বল্ল আংকেল আমাকে বাডিতে দিয়ে আসো।
আমি: তুমি তোমার আব্বুর সাথে যাবে।
তাইবা: না আমি তোমার সাথে যাবো।
আমি আর কথা নাবাডিয়ে মিনহা,আর তাইবাকে নিয়ে তাইবার বাডিতে গিয়ে দিয়ে আসতেছি হটাৎ তানহা বলে উঠলো

তানহা: আপনারা একটু বসুন প্লিজ?
মিনহা: আসলে আমাদের কাজ আছে অন্য একদিন আবার আসবো।
এবার তানহা আমাদের সামনে তাইবাকে নিয়ে আসে।
তানহা বলে তাইবার জন্য একটু বসুন প্লিজ।
এবার তাইবাও বল্ল বসতে আমি মিনহাকে বল্লাম তুই কি বলিস?

মিনহা বল্ল তাইবা জখন বলছে একটু বসি।
আমরা বসে আছি তাইবা সব কাপর গুলা তানহাকে দেখাচ্ছে।
তানহাও খুশি।
অনেক্ষন গল্পকরে চলে আসতেছি।
ঠিক তখন তানহা আমার এসে মিনহার সামনে আমার পা জডিয়ে ধরে কান্না জুরে দিলো।
বলতে লাগলো আমাকে ক্ষমা করেদিন, আমি আপনাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি, অনেক অপমানও করেছি, প্লিজ তাইবার দিকে তাকিয়ে তাইবার মাকে ক্ষমা করেদিন।

মিনহা তনহাকে উঠিয়ে বলে A.b তোকে অনেক আগে ক্ষমা করেদিয়েছে।

তানহা মিনহাকে জডিয়ে জোরে জোরে কান্না করতেছে।
আমি সেখান থেকে বেরিয়ে গাডিতে বসে অনেক কান্না করতে লাগলাম।
সুধু বিশ্বাসের অভাবে আমার প্রিয় মানুষ আমাকে ছেডে চলেগেলো।
বুকের বাম পাশের চিনচিনে ব্যথা আবারো বেডে গেছে।

এরপর মিনহা আর আমি বাসায় চলে আসি।

রাতে মিনহাকে নিয়ে ছাদে দাডিয়ে আছি।
কেউ কোন কথা বলছিনা।
আমি নিরবতা ভেঙ্গে বল্লাম,
তুই আমাকে নিয়ে সুখি হতে পারবি?
মিনহা বল্ল আমি সুধু তোর সুখ,দুঃখের সাথি হতেচাই।
সারা জীবন তোর বন্ধু হয়ে পাশে থাকতে চাই।
আমি: তুই আমাকে এতো ভালোবাসিস?
হ্যাঁ আমার জীবনের থেকেও বেশি।
আমি তাকে জডিয়ে ধরে বলি আমাকে ছেডে কখনোও জাবিনাতো?
এই জীবন থাকতে কখনওনা।

এবার তাকে আরোশক্ত করে জডিয়ে ধরে তার কপালে চুমু একেদিই।
মিনহাও আমাকে জডিয়ে ধরে আছে।

জানুয়ারির ১০,তারিখ মিনহার জন্মদিন।
তাই ঠিক করলাম তার জন্মদিনেই আমরা বিয়ে করবো।

সেই হিসেবে আমি প্রস্তুতি নিতে লাগলাম
মিনহার পরিবারকে কিভাবে আমাদের পরিবারের সাথে মিলিয়ে দেয়াযায়।

হটাৎ আমার আম্মু অসুস্থ হয়ে পরে।
আম্মুকে মেডিকেল ভর্তি করলাম।
আমি আম্মুর পাশে গিয়ে বসলাম।
আম্মু বল্ল বাবা একটা কথা বলি রাখবিতো?
আমি: হ্যাঁ মা রাখবো বল।
আম্মু: তুই মিনহাকে বিয়েকর বাবা,
মেয়েটা তোকে অনেক ভালোবাসে,
আমাদেরও অনেক খেয়াল রাখে।
তুই মিনহাকে আমার ঘরের লক্ষী বানাবি।
আমার আর কিচ্ছু লাগবেনা।
আমি মাকে জডিয়ে ধরে বলি হ্যাঁ মা মিনহাকে তোমার ঘরের লক্ষী বানাবো।
মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।

মিনহা আমাদের সব কথা দরজার বাইরে দাডিয়ে সুনে।
ভিতরে গিয়ে আমার মাকে জডিয়ে ধরে অনেক জোরে কান্নাজুরে দিলো।
এসব দেখে আমার চোখেও জল চলেআসে।
একটা মানুষ কতটা আপন হলে এই রকম করতে পারে।

আজ জানুয়ারি মাসের ৭,তারিখ,
১০,তারিখে আমাদের বিয়ে।
তাই সবাইকে কার্ডদিয়ে দাওয়াত করলাম।

সুধু একজন ছাডা, আর সে হল তানহা
মিনহা বল্ল তানহাও যেন আমাদের বিয়েতে উপস্থিত থাকে।

তাই বাধ্য হয়ে তানহার বাসায় গিয়ে একটা কার্ড দিবো।
আমি তানহার হাতে কার্ডদিয়ে বলি সবাইকে নিয়ে চলে আসবেন।

চলে আসার সময় তানহার তানহার চোখে চোখ পরতেই দেখি তানহার চোখে পানি।
আর অনেক উকি দিয়ে তাইবাকে একবারও দখিনি।
তাইবার কিছু হয়নিতো? তাইবা ঠিক আছেতো? এসব ভাবতে বুকের ভিতর মোছর দিয়ে উঠলো??????????

Abubkkar A.b

#অবহেলিত A.b

৭,ম এবং শেষ পার্ট

আবুবক্কর A.b

অনেক উকিদিয়েও যখন তাইবাকে দেখিনি
তখন, অনিচ্ছা সত্তেও তানহাকে জিগ্যেস করে ফেল্লাম।
আমি: তাইবা কোথায়?? ওকে দেখা যাচ্ছেনা কেন?
তানহা: ওর বাবার সাথে নানু বাডি গেছে।
আমি: ও অচ্ছা

আর কিছু নাবলে সোজা বাডিতে চলে আসি।
প্রেস হয়ে কিচুক্ষন ঘুম দিলাম।
তার পর বিকেলে কাউকে কিছু না জানিয়ে সোজা মিনহাদের বাডি চলে গেলাম।
মিনহার মা আমাকে দেখে, কান্না করতে লাগলো।
আমি কিছুই বুজতে পারিনি।
আমি: আন্টি কান্না করছেন কেন? আংকেল কোথায়??
আন্টি কিছু নাবলে একটা রুমে নিয়েগেলো।
রুমটা খুব অন্ধকার, সেখানে একটা মানুষ বসে আছে।

খেয়াল করে দেখি আংকেল (মিনহার আব্বু)
আমি: কি হয়েছে আংকেলের?
আন্টি: মিনহা চলে জাওয়ার পর তোমার আংকেল এই রুমে একা একা বসে থাকে।
কারো সাথে কোনো কথাও বলেনা
এখান থেকে তেমন বেরও হয়না।
এসব বলতে বলতে আন্টি কান্না করতে লাগলেন।

আমি কিছু বলার ভাসা হারিয়ে ফেল্লাম।
চোখথেকে দু ফোটা পানিও পরলো খেয়ালি নেই।
আমি তাতারি চোখ মুছে বাডিতে চলে আসি।

মিনহাকে ডাক দিতেই এসে হাজির।
আমাকে এই রকম দেখে জিগ্যেস করলো কি হয়েছে??
আমি কিছু নাবলে সজোরে একটা মিনহার গালে থাপ্পর বসিয়ে দিলাম।

ও আহত ভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
কি হল এটা ও ভুল দেখেনিতো।
একটুপর আমার ভোন মিনহাকে খুজতে খুজতে আমার রুমে এসে গেছে

আমরা কেউ কোনো কথা বলছিনা।
আমার ভোন মিনহার দিকে তাকিয়ে আম্মু বলে খুব জোরে চিল্লানি দিলো।
সাথে সাথে আম্মুও আমার রুমে হাজির।

আমার ভোন ইসারা দিলো আম্মুকে মিনহার গালের দিকে।
আম্মুও বিস্বাস করতে পারছেনা। আমি মিনহার গায়ে হাত তুলেছি।

আম্মু আমার কাছে এসেই আমাকে অনেক জোরে জোরে কয়টা থাপ্পর দিয়ে বল্লেন মিনহাকে সরি বলতে।
ততক্ষনে মিনহা চোখ ফুলিয়ে পেলেছে।

আমি কিছু নাবলে,, আম্মু,,আমার ভোন,,মিনহা,, সবাইকে নিয়ে মিনহাদের বাডি গেলাম।

আমি আংকেলের অন্ধকার রুমে গিয়ে আম্মুকে বল্লাম।
মিনহা জদি আংকেলের পায়েধরে ক্ষমা চায় তাহলে আমিও মিনহাকে সরি বলবো।

মিনহা আংকেলকে জডিয়েধরে কান্না করতে করতে বলে। আব্বু আমাকে ক্ষমা করেদাও। বলতে বলতে কান্না করছে।

আংকেলও কান্না করছে, আংকেল মিনহাক জডিয়ে ধরে।
হয়ত এতক্ষনে মিনহাকে ক্ষমা করেছেন।

এবার আম্মু মিনহার বাবা,,মায়ের সাথে অনেক কথা বল্লেন।
একপর্যায়ে আম্মু মিনহার মায়ের হাত ধরে আমার জন্য মিনহাকে চাইলেন।
ওরা আর কিছু বলেনি সুধু হ্যাঁ বলে মাথা ঝুকালেন।

আজকে ৯,জানুয়ারি আমার বিয়ে।
সবাই বিয়েতে এসে হাজির।
তানহা,,সাইফুল,,তাইবাও এসেছে।
আমার অফিসের সবাই এসেছে।
খুব ধুমধাম করে বিয়ে হয়ে গেল।

সবাইকে আজ রাতেও থাকতে বলা হলো।
সবাই আছে আমাদের বডি ভর্তি মেহমান।
অনেকে গল্পে মেতে আছে।

এর ভিতর আমার কিছু বন্ধু আমার বাডির ছাদ সাজানোর কাজে ব্যস্ত।
সবকিছু রেডি, রাত পৌনে বারোটা সবাইকে ছাদে ডাকা হলো।
সবাই এসেছে, 

১২,১,মিনিট
সবাই লাইট জ্বালিয়ে হ্যাপিবার্থডে মিনহা বলে উঠলো।
মিনহা লজ্বায় আমার বুকে মুখ লুকালো।
তানহা এসব দেখে হয়ত নিরবে নিরবে কান্না করে।
তানহা জখন মিনহাকে উইস করতে আসে তখন তানহার চোখ জলে ভরা ছিলো।

সবাই সবাইকে গান গাইতে বল্লো।
সবাই খুব করে গান গাইলো।
এবার সবাই আমাকে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করে।

আমি সুরু করলাম

তুই চাইলে হতেপারি ওই আকাশের তারা
তুই চাইলে হতেপারি পাহাডের ঝর্না ধারা।

তুই চাইলে হতেপারি ঢেউয়ে ভরা নদী
তুই চাইলে হতেপারি তোর রিদয়ে আকা ছবি।

তুই চাইলে হয়ে জেতাম নজরুলের মত কবি
কিন্তু তোর অবহেলায় হয়েছি আজ অবহেলিত,Ab

এরপর মিনহা আমাকে শক্তকরে জডিয়েধরে।
সবার চোখে আনন্দের আভা লেগে আছে।

সুধু তানহা কান্না করতেছে।

সমাপ্ত

প্রিয় পাঠক গল্পের ভুল,ক্রটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

ইতি::::::::::Abubkkar (A.b)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ