#অবহেলিত A.b
৩য় পার্ট
আবুবক্কর A.b
হটাৎ আমার ফোনে আননোন নাম্বার থেকে কল আসে।
প্রথমবার কল রিসিব করিনি।
দ্বিতীয় বার কল রিসিব করতেই ঝারি সুরু করলো।
কিরে ফোন ধরতে এত্ত সময় লাগলো কেন।
কার সাথে ইটিশ পিটিশ করছিলি??
আমি: কে আপনি?? আপনি কারকাছে কল দিছেন??
আমি: মিনহা এবার চিনতে পারচোচ?
আমি: কেমন আছস? কোথায় আছস?? তুই কবে আসবি??
মিনহা: আমি কালকে বাডিতে আসছি, তোর কথা খুব মনে পডছিলো তাই কল দিলাম।
কালকে আমারসাথে একটু দেখা করতে পারবি??
আমি: হ্যাঁ অবশ্যই। তুই আমার সবচাইতে আপন মানুষ, তোর সাথে দেখা করবোনা মানে।
মিনহা: তাহলে কালকে সকালে আমাদের বাডি চলে আসবি।
আমি: ওকে বাই
মিনহা: বই টু সি ইউ
ওহচ্ছে মিনহা আমার সবচাইতে কাছের মানুষ।
আমরা একসাথে পডা সুনা করছিলাম।
হটাৎ ওর বাবার চকরির ঢাকায় টান্সপার হওয়ায় ওরা ঢাকায় চলে জায়।
ও চলে জাওয়ার পর আমি নিজেকে খুব একা একা অনুভব করি।
সব কিছু খালি খালি লাগে।
মিনহা, আর আমি আমরা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসি।
কিন্তু এই ভসলোবাসা সুধু বন্ধুত্বের মাঝেই সিমাবদ্ব ছিলো।
রাত প্রায় অডাইটা বেজে গেছে।
রুমে এসে ঘুমিয়ে পরলাম।
সকাল ৮টা বেজে গেছে।
মিনহার ফোনে ঘু ভাঙ্গে।
মিনহা: কইরে তুই?
আমি: এইতো চলে আসছি
মিনহা: তারাতারি আয়না প্লিজ
আমি: পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসতেছি।
মিনহা: ওকে
ঘুমথেকে উঠেই তারাতারি ফ্রেসহয়ে চলে গেলাম মিনহাদের বাডিতে।
তাদের গেটেইর বাইরে দাডিয়ে মিনহাকে কল দিলাম।
মুনহা এসে গেইট খুলে সাথে সাথে আমাকে জডিয়ে ধরে বল্ল।
তুই অনেক সুকিয়ে গেচিস,
অনেক কালো হয়ে গেছিস,
তোর সরিরের একি আবস্তা করেছিস।
আরো অনেক কথা।
হইচে হইচে বাইরে দারকরিয়ে রাখবি নাকি ভিতরে নিয়ে জাবি??
আমরা ভিতরে গেলাম।
আমি সোফায় বসেআছি।
মিনহাও সাথে আন্টিও।
একটুপর আন্টি চলে গেলো।
আমরা গল্গ করতে লাগলাম।
হটাৎ মিনহা বলে উঠলো তোর তানহা কেমন আছে??
আমি:.....................!!
মিনহা: কিরে কি হলো?
আমার বুকের বাম পাশটায় আবার চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলাম।
আমি: ও খুব ভালো আছেরে।
মিনহা আমার চোখের জল দেখে বল্ল A.b তুই কাদছিস কেন?
আমি: তানহা আমাকে ছেডে বডলোকের এক ছেলেকে বিয়ে করে অনেক সুখে আছে।
মিনহা বল্ল আজ বিকেলে আমাকে এককটু সময় দিতে পারবি?
কেন কোথায় জাবি আবার
মিনহা: তোরসাথে ঘুরবো, আর এক বান্দবির বাসায় জাবো
আমি: আচ্ছা ঠিকআছে
আমি মিনহাদের বাসা থেকে চলে আসার সময় মিনহা আমাকে জডিয়ে ধরে বলে তোর সাথে অনেক কিছু হয়েগেছেরে।
আমি জানতামনা, তোকে তানহার কথাবলে তোর কষ্ট বাডিয়ে দিলাম।
আমাকে ক্ষমা করেদিস।
আমি: আরে বোকা কোনো সমস্যা নাই।
আমি চলেআসি
বিকেলবেলা আবার জেতেহবে।
দুপুরে খাওয়া দাওয়া সেরে মিনহাকে ফোন দিলাম।
বিকেলে আমরা কোথায় জাবো?
মিনহা: গেলেই বুজতে পারবি
বিকেলে ও আমাকে ওদের একটা গাডিতে করে কোথায় নিয়ে জাচ্ছে কে জানে।
একটা বাডির সামনে এসে গাডি পার্ক করলো।
বাডিতে ডোকার পর আমার এক পুরোনো বন্দু সাইফুল।
কেমন আচস দোচ?
হ্যাঁ ভালো
ওর পাশে বাচ্ছা মেয়েটাকে দেখে আমার চোখতো কপালে।
তাহলেকি সাইফুল তানহার হাজবেন্ট?
না আমি কিছু ভাবতে পারছিনা।
আডালে গিয়ে অনেক কান্না করলাম।
আমার সবচাইতে ভালো বন্দু ও আমার সাথে এইরকম করলো কেন?
ভাবতেই চোখ জলে ভরেউঠে।
এর মধ্যে মিনহা????
Abubkkar A.b
#অবহেলিত A.b
৪র্থ পার্ট
আবুবক্কর A.b
হটাৎ তানহা আমাকে ডাকদেয়।
আমি তারাতারি চোখ মুছে ভিতরে গেলাম।
আমি জানতাম আমার জন্য ভিতরে এক আস্চর্য অপেক্ষা করছে।
ভিতরে জেতেই মিনহা আমাকে বল্ল কিরে বাইরে কি করছিলি?
আমি: সাইফুলের সাথে কথা বলতেছিলাম।
তানহাও আমার দিকে তাকিয়ে যেন আকাশ থেকে ছিটকে পরলো।
তানহা আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
আমি মিনহার পাশে গিয়ে বসলাম।
মিনহা তানহাকে বলতে সুরুকরে।
মিনহা: ও হচ্ছে আবুবক্কর A.b, ও একজনকে ভালোবাসতো, কিন্তু সেই হতভাগি মেয়েটা A.b কে চিনতে পারেনি।
মেয়েটা খুব লোভি ছিলো, তার বাবার টাকাও ছিলো, হয়ত টাকার গৌরবে A.b কে অনেকের সামনে অপমানও করেছিলো।
কিন্তু মেয়েটার অহংকার, আর গৌরব বেশি দিন স্থায়ি হয়নি।
তানহা কিছু বলতে পারতেছেনা, সুধু মাথা নিছের দিকে ঝুকিয়ে নিরবে কান্না করছে।
আমি: মিনহা তুই এসব কথা এখানে বলছিস কেন??
মিনহা: আমার বান্দবির সাথে তোর কথা সেয়ার করতেছি তুই চুপচাপ বসেথাক।
আমি আর কিছু বলতে পারিনি।
মিনহা আরো অনেক কথা বল্লো তানহাকে।
তানহাও যেন বাকশক্তি হারিয়ে ফেল্লো।
মিনহা বল্ল মেয়েটা এখন কেমন আছে কে জানে।
আচ্ছা তোর হজবেন্ট কোথায়রে?
তানহা এবার মাথা তুল্লো, হাত দিয়ে বাইরে দেখিয়ে দিলো তানহার স্বামিকে।
আমার আর কিছুই ভালো লাগছেনা।
এর মধ্যো তাইবা তানহার মেয়ে এসে আমাকে জডিয়ে ধরে গালে চুমু দিয়ে বল্ল আংকেল কেমন আচো তুমি।
আমি: হ্যাঁ মামুনি আমি ভালো, তুমি কেমন আচো?
তাইবা: না আমি ভালোনেই।
আমি: কেন মামুনি কিহয়েছে?
তাইবা: তুমি আমাকে যে জামা গুলা কিনে দিচো, সব আব্বু পুরিয়ে দিছে।
আমি তাইবাকে আরো শক্তকরে জডিয়েধরে বলি সব ঠিকহয়ে জাবে তুমি চিন্তা করবেনা মামুনি।
তাইবা আমাকে বল্ল আংকেল তুমি অনেক ভালো।
মিনহা আর আমি বাইরে সাইফুলের সাথে কথাবলতে গেলাম।
আমি সাইফুলকে বল্লাম দোস্ত তুই কি করছিস এখন?
সাইফুল কিছু নাবলে আমাকে জডিয়েধরে বলে আমাকে ক্ষমা করেদিস।
আমি তোকে অনেক বড ধোকা দিয়েছি।
আমি তোর জান পাখিকে তোর কাছথেকে ছিনিয়ে নিয়েছি।
প্লিজ আমাকে ক্ষমা করেদে।
আমি: ধুর বোকা এগুলা বলিসনা।
তুই একটা কাজকর কালকে আমার অফিসে একটু দেখাকরিস।
সাইফুল কিছু নাবলে সুধু মাথা নাডালো।
আমি আর মিনহা চলে আসছি।
আমি মিনহাকে বল্লাম তুই তানহাকে এসব কথা বল্লি কেন?
জবাবে মিনহা বল্ল আমি একদিন তানহার সাথে তোর ব্যপারে কথা বলছিলাম।
তানহা বলেছিলো ও নাকি তোকে অনেক ভালোবাসে।
ও নাকি তোকেছাডা বাঁছবেনা।
তাহলে ও তোরসাথে এইরকম করলো কেন??
তাই তাকে এসব কথাগুলো বলতে বাদ্য হইচি।
তুই আমাকে ক্ষমা করেদিস।
আমি এখন আমার বাসায় সুয়ে আছি সুধু তানহার সাথে কটানো পুরোনো স্মৃতি গুলা মনেপরতেছে।
এরভিতর মিনহা আমাকে ফোনকরে কান্না করতে করতে বলে তার বাবা,মা তাকে বিয়ের কথা বলতেছে।
আমি কিচুই ভাবতে পারছিনা, সব আপন মানুষ গুলা আমার থেকে দুরে সরে জাচ্ছে।
কিছুই ভাবতে ইচ্ছে করছেনা।
তাই ছাদে গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে সুধু নিরবে কান্না করতেছি।
এই কান্না সুধু আপন মানুষ গুলোকে হারানোর কান্না।
অনেক রাত প্রায় দুইটা বাজে মিনহা ফোনদিয়ে বলে তোকে একটা কথা বলার ছিলো।
আমি: চোখ মুছে আস্তে করে বল্লাম কি কথা বলবি বল।
মিনহা:??????????????
Abubkkar A.b
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ