āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ŧ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2562

নীল শাড়ি শারমিনের খুবই পছন্দের । আর শাড়িটা
দেখে আমারও খুব ভাল লাগলো । কিন্তু সমস্যা হল
দোকানদার হারামী ৫,০০০ এর কমে ছাড়বেই না । কি
আর করা . . . পাঁচটা কচকচে নোট দোকানদারের
হাতে তুলে দিতে হল । আমার একটা মাত্র বউ ! তার
জন্মদিনে এইটুকু গিফ্টতো আমাকে করতেই হবে ।
মার্কেট থেকে বেরিয়ে রিকসার জন্য অপেক্ষা
করছি । হঠাত্ খেয়াল করলাম পেছন থেকে এক
মাঝবয়সী ভদ্রমহিলা আমার নাম ধরে ডাকাডাকি
করছেন ।
"তারেক ভাই . . এই তারেক ভাই . ."
"জ্বী আন্টি আমাকে বলছেন ?"
"ছি ছি ছি ! এসব কি বলছেন ! আপনি কি আমাকে
চিনতে পারেন নি ?"
সরি আন্টি । চিনতে পারছি না আন্টি । আপনি কে
আন্টি ?
ভদ্র মহিলা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে
থাকলেন । কোন এক অজ্ঞাত কারনে তার চোখে
পানি জমতে শুরু করেছে । কি বলা উচিত্ বুঝতে
পারছিলাম না ।
- - -
আজকের বিকেলটা বেশ ঝিরঝিরে । চিরচেনা
ব্যাস্ত রাজপথও অন্য দিনের তুলনায় বেশ ফাঁকা
লাগছে । কেমন মিষ্টি একটা হাওয়া বইতে শুরু
করেছে , অথচ আধাঘন্টা আগেও কেমন ভ্যাপষা গরম
ছিল । রিকসা ভ্রমনটা বেশ লাগছে ।
আচ্ছা আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে কি মানুষের মন
পরিবর্তন হয় ? নাকি মন পরিবর্তনের সাথে
আবহাওয়া পরিবর্তন হয় ? ?
ধুর ! এত ভেবে কাজ নেই । একটা কিছু হলেই হল ।
আসল কথা হল আমার এখন বেশ লাগছে । ভেতরে
ভেতরে এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছি । একটু
আগেই যে চরম একটা প্রতিশোধ নিলাম ।
- - -
তখন আমি ক্লাস টেনে , আচমকাই প্রেমরোগে
পেয়ে বসল আমাকে । মেয়েটি পড়ত নবম শ্রেনীতে ।
ভাল ছেলে , পড়ালেখা নিয়ে ব্যাস্ত । কিভাবে যে
এই জিনিসটা আমার উপর আছর করলো বুঝলাম না ।
খুব ভালবেসে ফেলেছিলাম মেয়েটাকে . . . খুবই ।
রিক্তা নিজেও বিষয়টা ভাল করেই জানতো । এবং
ওর কথা-বার্তায় এমন একটা ভাব ছিল যে , সেও
আমাকে পছন্দ করতো ।
কথায় আছে মানুষ ভাবে এক , হয় আরেক । কিন্তু
সৃষ্টিকর্তা যে কথাটা এভাবে আমার উপর এভাবে
এপ্লাই করবেন , তাও আবার রিক্তাকে দিয়ে . . .
এটা আমার কল্পনাতেই ছিল না ।
আমি ওকে বলেছিলাম , "I love you ।"
আর রিক্তা আমাকে বলেছিলো , "আপনি আমার
ভাইয়ের মত ! !"
"ভাই" শব্দটাকে তখন পৃথিবীর সবচেয়ে জগন্য শব্দ
মনে হচ্ছিল । কোথা থেকে যে ডিকশনারিতে এই
শব্দটা এল !
এর মাসখানেকের মাথায়ই আচমকা বিয়ে হয়ে যায়
রিক্তার । তারপর এই দীর্ঘ এতগুলো বছর ওর সাথে
কোন যোগাযোগ ছিল না আমার । তাই আজ
মার্কেটে যখন আবার মুখোমুখি হলাম , খুবই অবাক
হয়েছিলাম । কোন কথাই বলতে পারলাম না । যদিও
প্রথমে কিছুটা কনফিউশন ছিল । কিন্তু ও যখন
ম্যানেজারের সাথে কথা বলছিল তখন ওর ভয়েসটা
শোনার পর সব কনফিউশন দূর হয়ে গেল । সেই কন্ঠস্বর .
. . যেন এতটুকুও বদলায়নি ।
আমার ধারনা ছিল রিক্তা হয়ত আমাকে চিনতে
পারবে না । কিন্তু "ও" আমাকে ঠিকই চিনে
ফেলেছে । এবং আমার নামটাও ঠিকঠাক মনে
রেখেছে । তাহলে কি রিক্তাও আমাকে . . .
- - -
আমার আসলে কিছুটা অবাকই লাগছে এখন . . . এই
মহিলাটার জন্যই কি-না আমি একসময় পাগল ছিলাম !
ওকে আসলেই অনেক বয়স্ক দেখাচ্ছিল ।
সেদিন রিক্তা আমাকে "ভাই" ডেকে আমার কত বড়
উপকার যে করেছে . . . সেটা ভেবে বেশ ভাল
লাগছে এখন !
"ভাই" শব্দটাকে এখন খুব একটা খারাপ লাগছে না !
_ _
লেখায়: FA Tarek

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ