বিকাল বেলা।না বিকেল বলা যায় না সন্ধ্যার দিকে
ছাদে বসে ক্ল্যাশ ওফ ক্ল্যান খেলছি।ঠিক সেই
সময় একটা মেয়ে আমার সামনে এসে বসল।
--কি ব্যাপার শুভ তুমি আবার এই গেমস নিয়ে বসলে।
তোমাকে না মানা করছি গেমস খেলতে।(ইপ্সিতা)
--........(কোনো কথা বলছি না)
--কি ব্যাপার,,কথা কানে যায় না।দাড়াও তোমার মার কাছে
গিয়ে বলছি যে "তুমি ফোনে একটা মেয়ের
সাথে লুতুপতুময় প্রেম করছো।
--এই তোমার ওপস সরি এই তোর সমস্যা কি হ্যা
আমার পাকা ধানে মই না দিতে পারলে তোর
পেটের ভাত হজম হয় না।
--কি তুমি আমাকে সব সময় ঝগড়ার সময় তুমি করেই
বলবে।তাইলে ঝগড়াটাও ভালবাসা দিয়ে পরিপূর্ন
থাকবে।এই চলো না আমারা ঐ জায়গাটাতে বসে
দুজনে চাঁদ দেখি।
--দেখবো না আমি চাঁদ,,তুমি একাই দেখো আমি
রুমে যাচ্ছি।(মেজাজটাই খারাপ করে দিলো।একটু
শান্তিতে গেমসও খেলতে পারবো না।উফ প্যারা
একটা)
--এই শোনো আমি কিন্তু তোমাকে অনেক
ভালবাসি।
--এই এক কথা শোনতে শোনতে বোর হয়ে
গেছি।নতুন কিছু থাকলে বলো।
--তোমার শ্বশুর শ্বাশুরীর জামাইকে আমি ভালবাসি।
একি তুমি না তোমার রুমে যাচ্ছিলে।আবার আসলে
কেনো??
--আসলে আজকে নতুন ভাবে ভালবাসি কথাটা বললে
তো।তাই আর যাই নি।আর আজকে ভালবাসি কথাটা নতুন
ভাবে বললে তার মানে তুমি নিশ্চয়ই আমাকে কিছু
একটা সারপ্রাইজ দেবেই।
--হুম,,নিশ্চয়ই সারপ্রাইজ দেবো।এর জন্যই আমার
হাতটা অনেক দিন ধরে নিশপিশ করছে কাউকে মারার
জন্য।
--আগে গিয়ে বসি তারপর না হয় মারবে।
--হুমম চলো।
দুজনে বসে আছি একে অপরের হাত ধরে।আমি
ইপ্সিতাকে দেখছি আর ওকে চাঁদের আলোতে
আরো সুন্দর লাগছে।নীরবতা ভেংঙ্গে ইপ্সিতা
আমাকে বলল
--আচ্ছা শুভ তোমাকে যে আমি এতো প্যারা দি
তারপর আমাকে এতো ভালবাসো কেনো??আমি
তো দেখতেও বেশি সুন্দর না??তারপর ও তুমি
আমাকে এতো ভালবাসো কেনো??
--তোমার এই প্যারার মধ্যেই আমি ভালবাসা খুঁজে
পাই।আর যদি সুন্দরের কথা বলি তাহলে তুমি
আজকের চাঁদটার দিক তাকাও।জানো আজ চাঁদটা
এতো আলো দিচ্ছে কেনো?
--না।
--তোমাকে সৌন্দর্য দেখে ওর হিংসা হচ্ছে তাই ও
আজ এতো আলো দিচ্ছে।কিন্তু ও বুজতে
পারছে না ওর আলোতে তোমাকে আরো
বেশি সুন্দর করে তুলছে।
ইপ্সিতা কোনো কথা বলছে না।শুধু লজ্জায়
আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে আছে।আমিও এই
সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দিলাম আস্তে করে
কপালে একটা চুমু খেলাম।চুমু খেতে সময় লাগল
কিন্তু ইপ্সিতা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠতে
সময় লাগল না।
--একি,,তুমি চুমু খেলে কেনো??
--আর কয়েকদিন বাদে আমাদের বিয়ে একটা চুমু
খেয়েছি তাতে কি হইছে।
--কিছু হউক বা না হউক তুই চুমু খাবি কেনো??
তোকে আমি বলছি না বিয়ের আগে কোনো চুমু
খাওয়া যাবে না আর তুই ও তো বললি ঠিক আছে।
তারপরও তুই.....(বলেই কান্না শুরু করে দিলো)
--আচ্ছা তোমাকে চুমু খেয়েছি এখন তুমিও
আমাকে একটা চুমু খাও,,তাহলেই তো সমান সমান
হয়ে যায় নাকি।
--ঠিক আছে,,গাল টা এদিক আনো?
--উম্মা...চল এবার রুমে যাই।
..
..
কি ভাবছেন এটা আমার বর্তমান।জ্বি না এটা আমার
অতীত।আমার বর্তমান সময় টা খুবই খারাপ যাচ্ছে।
কারনটা হচ্ছে ইপ্সিতা।ও এখন আমার কাছে নাই।আমার
উপ্রে রাগ ওর বাবার বাড়ি চলে গেছে।আমার
উপ্রে রাগ হওয়ার কারন হচ্ছে গত কয়েকদিন
পর্যন্ত আমাকে বলছে ওর বাবার বাড়ি নিয়ে
যেতে।কিন্তু অফিসের কাজের চাপে যাওয়া হচ্ছে
না।এই কারনেই রাগ করে চলে গেছে।এ পর্যন্ত
অনেক বার ফোন দিচ্ছি ফোনটা বার বার বন্ধ
বলছে।দুই দিন পর্যন্ত বউ ছাড়া আছি।তাই আজ চিন্তা
করলাম শ্বশুর বাড়ি যেতেই হবে।আর তাছাড়াও
অনেক দিন পর্যন্ত শ্বশুর বাড়ির আদরটা খাওয়া হয় নি।যা
ভাবা সেই কাজ।ইপ্সিতা দের বাড়ি যেতে সময়
লাগবে এক ঘন্টার মত।তাই ভাবলাম একটু টুইটারে
লগ ইন করি।কিছু সময়ের মধ্যে আমি পৌঁছে গেলাম।
বাসার সামনে গিয়ে কলিংবেল বাজাচ্ছি,,কিন্তু কেউ ই
তো দরজা খুলতে আসছে না।আমি কলিংবেল
বাজাচ্ছি এটা কি কেউ টের পাচ্ছে না নাকি ইচ্ছা
করেই খুলছে না।কি করা যায়।ইপ্সিতার ছোটো
বোনের কাছে ফোন দিলাম কারন এই বাড়িতে
সবার থেকে ওই আমাকে বেশি ভালবাসে এবং
অনেকটা সম্মান ও করে।
--কই তুমি??
--বাসার মধ্যে।
--তা কলিংবেল বাজাচ্ছি কেউর কানে যায় না।
--তার মানে আপনি সত্যি এসেছেন।আমি তো
ভাবলাম দিদি মিথ্যা কথা বলছে??
--কি বলছে তোমার দিদি??
--সে বলছে আজ আপনি আসবেন??আর আপনি
আজ আসবেন বলেই আমাকে দরজা খুলতে
দিচ্ছে না এমনকি দিদি আমার সামনে বসে আছে।
--তোমার বাবা মা গেছে কই??তাদের দরজা খুলতে
বলো।
--তারা বাসায় নেই আর তারা বাসায় আসবে সন্ধ্যার পর।
তত সময় বসে থাকা লাগবে।
এই ইতি কি কথা বলছিস এত সময় ফোন রাখ।সারাদিন
ওভাবে বসে থাকলে ও
দরজা খোলা যাবে না।তার চেয়ে বরং বল বাড়ি চলে
যেতে।ফোনের ওপাশ থেকে এই কথা গুলা
বলল ইপ্সিতা।
ফোনটা কেটে দিল।কি করা যায় ভাবতেছি বাসায়
আমার এখনি ডুকতে হবে আর ইপ্সিতার রাগটা ও
একবারেই ভেংঙ্গে দিতে হবে?
আইডিয়া খোঁজ শুভ আইডিয়া।নিজের সাথেই নিজেই
কথা বলছি।
পেয়েছি আইডিয়া!!!
ফোনটা বের করে ইতিকে(ইপ্সিতার বোনের
নাম) ভিডিও কল দিলাম।
প্রথম বার রিসিভ করল না কিন্তু এবার দেওয়ার সাথে
সাথে রিসিভ করল।আমি হ্যালো বলেই মাটিতে
পড়ে গেলাম।এমন একটা ভাব দেখালাম মনে হয়
আমি অনেকটাই অসুস্থ।ইতি আমাকে জিজ্ঞেস
করল
--কি হয়েছে??
আমি কাঁপা কাঁপা সুরে বললাম আমার শরীরটা খুবই খারাপ
লাগছে।তারপর ইচ্ছা করেই ফোনটা হাত থেকে
ছেড়ে দিলাম।যাতে আমাকে আর দেখা না যায়।ওপাশ
থেকেই ইতি কয়েক বারই হ্যালো হ্যালো
বলছিলো।আমি ইচ্ছা করেই কোনো উত্তর
দেয় নি।যাতে মনে হয় আমি সত্যিই অসুস্থ।কিছু সময়
পরেই ইপ্সিতা আর ওর বোন দৌঁড়ে আসল আমার
কাছে।আমার হাত ধরে ইপ্সিতা মাটি থেকে উঠাল।
কিন্তু আমি তো ওর হাত ধরে যাবো না তাই এমন ভাব
করলাম মনে হয় আমি ওর হাত ধরে যেতে
পারবো না।তাই ও আমার হাতটা ওর কাধেঁ নিল আর
ইপ্সিতা ও আমার কাধেঁ হাত দিয়ে আমার হাতটা ধরে
আস্তে আস্তে ঘরে নিয়ে গেল।আমিও সুযোগ
পেয়ে ওর কাধেঁ মাথাটা দিয়ে দিলাম।আহ!!কি শান্তি!!
আমাকে শুইয়ে দিয়ে ইপ্সিতা আমাকে জিজ্ঞেস
করল
--কি হয়েছে তোমার??
--আমি তো জানি না।
--তার মানে তুমি সব ইচ্ছা করে করছো।
--হ্যাঁ,,না মানে আমার শরীর সত্যিই খারাপ ছিলো.
--তাহলে সে সময় কি হয়েছিলো।
--তোমাকে দেখার ইচ্ছা হয়েছিলো??তাই একটু
ইচ্ছা করেই অসুস্থের ভান করছিলাম।
--আমি তো ভয় ই পেয়ে গেছিলাম।
--কেনো??
--তোমার যদি কিছু হতো তাহলে আমি কার সাথে রাগ
করতাম।
--তাহলে আমাকে একা রেখে চলে আসলে
কেনো??
--কই একা রেখে আসলাম এই যে আমি তোমার
পাশেই আছি।না শুধু পাশে না এই দেখো
তোমাকে জড়িয়ে ধরেছি।এখন তোমার সাথেই
আছি।
--চলো।
--কোথায়।
--লং ড্রাইভে।
--আজ হঠাৎ করে এতো ভালবাসার উদয় হলো
কেনো??
--আগের থেকেও অনেক ভালবাসি তাই।
:
লেখক:Abir Virat Kohli
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ŧ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
2561
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Š:ā§Šā§Ŧ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ