গল্পঃ ভালোবাসার বন্ধন।
.
.
-রিহান তোর মা তো মাথা ঘুরে পড়ে গেছে (বাবা)
> কখন (রিহান)
-ত্রিশ মিনিটের মতন হলো (বাবা)
> এখন কেমন আছে (রিহান)
-তোকে দেখতে চাচ্ছে,বার বার তোর কথা বলছে। (বাবা)
> আচ্ছা বাবা আমি আসতেছি।
.
রিহান কোনরকমে ফোনটা পকেটে রেখে মাকে দেখার উদ্দেশ্য করে রুম থেকে বেরিয়ে পড়ে।
.
রিহানের পরিচয় বলতে,
রিহানের বাবা একটি কোম্পানিতে চাকরি করে,চাকরির সুবিধার জন্য
সেইখানেই থাকে ওর বাবা মা,আর রিহান পড়াশোনার জন্য ম্যাচে থাকে।
.
মায়ের অসুস্থতার কথা শুনে রিহান দ্রুত বেরিয়ে পড়ে,একদম তাড়াহুরো করে বেরিয়ে পড়ে,
কি এমন হলো মায়ের,
খুব চিন্তিত হয়ে পড়ে রিহান।
মাকে দেখার জন্য রিহানের মনটা ছটফট করতে থাকে।
.
এমন অনেক বার হয়েছে,তবে কানটা ভিন্ন। বাড়িতে গেলে মা বলবে আমার তেমন কিছু হয়নি।
তোকে বিয়ে করানোর জন্য আমি এমন করি।
দেখ রিহান আমার এমন যদি হয় তখন কি করবি বল।
তাই বলিকি বিয়ে কর।
মেয়ে ঠিক করাই রয়েছে।
.
২
.গাড়ি করে বাড়িতে চলে আসে রিহান,গেট দিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে,
অানমনে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকে ,আনমনে উপরের দিকে উঠতে উঠতে হটাৎ করেই রিহান কারো সাথে ঢাক্কা খায়।
ঢাক্কা খাওয়ার পরে রিহান খেয়াল করে দেখে একটি মেয়ে।
মেয়েটি রিহানের সাথে ঢাক্কা খেয়ে পাথরের মতন দাড়িয়ে আছে, কোন কথা বা নড়াচড়া করছে না।
ঠিক জেনো পাথর হয়ে গিয়েছে।
তবে মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে মেয়েটি অনেক রেগে গিয়েছে।
.
-আই এম সরি (রিহান)
> ইটস ওকে (মেয়েটি)
-আমি আসলে বুঝতে পারিনি।
>ঠিক আছে।
এটা ছেলেদের একটা অভ্যাস।
.
রিহান মেয়েটির কথা শুনে মেয়েটির দিকে আরাকবার তাকিয়ে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে চলে যায়।
আরো কিছু বলতো রিহান,কিন্তু অারো কথা শুনিয়ে দিলে ঝগড়া বেধে যেতো।
সেইজন্য চুপচাপ হয়ে উপরে চলে যায়।
যতবার এখানে রিহান এসেছে প্রায় মেয়েটির সাথে রিহানের দেখা হয়েছে।
কিন্তু তেমন করে কোন কথা হয়নি মেয়েটার সাথে।
.
৩
.
রিহান দ্রুত মায়ের রুমে ঢুকে পড়ে।
-মা কি হয়েছে তোমার (রিহান)
> তেমন কিছু না,একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম(মা)
-তোমাকে বাড়ির এতোকাজ করতে হবে কেনো (রিহান)
> বাড়ির কাজ আমি ছাড়া কে করবে বল, আমি ছাড়া তো আর কেউ নেই এই বাড়িতে। তোকে এবার বিয়ে করতে বলেছিলাম,তুই কি করেছিস বিয়ে।
তাহলে আমার আর এতো কষ্ট করা লাগতো না।
.
রিহান আর কথা বলে না,বিয়ের কথা শুনলেই রিহানের মুখে থেকে সব কথা হারিয়ে যায়।
আর এক বছর পরে রিহানের পড়াশোনা শেষ হয়ে যাবে,পড়াশোনা শেষ করে একটা জব করবে তারপরে বিয়ে,
কিন্তু মায়ের জন্য সেটা মনে হয় আর হবে না।
সেই একই কথা বলে মা।
.
-আচ্ছা মা এবার আমি বিয়ে নিয়ে ভাবব,তুমি আগে সুস্থ হও।
> আমি এখন সম্পুর্ন সুস্থ।
-এইতো বিয়েতে রাজী হয়েছি বলেই তুমি সুস্থ হয়ে গেলে।
> হ্যাঁ।
-তুমিও পারো মা।
> দেখ বাবা আমি চাই তুই বিয়ে করে বউমা নিয়ে আয় বাড়িতে,তাহলে আমার সাথে কথা বলার মতন কাউকে তো পাবো। একা একা থাকতে ভালো লাগে না আর।
.
রিহান ওর মায়ের ভাষা বুঝতে পেরেছে,
রিহানকে বিয়ে করানো ওর মায়ের মুল উদ্দেশ্য।
রিহান আর কোন কথা বাড়ায় না, মায়ের রুম থেকে বেরিয়ে আসে।
.
একটু ক্লান্ত হয়ে পড়ে রিহান।
রিহান ফ্রেস হয়ে এসে,একটু ঘুমিয়ে নেই।
.
ঘুমিয়ে নিয়ে বিকেলের দিকে রিহান খোলা আকাশের নিচে যায়,অর্থাৎ রিহান বাড়ির ছাদে চলে যায়।
সুন্দর একটা পরিবেশ,
হালকা বাতাস,সূর্যের লাল রক্ত বর্ন ধারন, পাখির কিচির মিচির শব্দ এক কথায় সব মিলিয়ে দারুন পরিবেশ।
এই রকম পরিবেশ রিহানের অনেক ভালো লাগে।
.
কিন্তু এই দারুন পরিবেশেও রিহান একটি খারাপ বিষয় দেখতে পাচ্ছে।
একটি মেয়ে ছাদের এককোণে বসে কাঁদছে,দুর থেকে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে না,তবে দেখে বুঝা যাচ্ছে।
মেয়েটি বার বার হাত দিয়ে চোখ মুচছে,আর একভাবে মোবাইলের দিকে তাকিয়ে আছে।
বার বার হাত দিয়ে চোখ মুছাতে রিহান বুঝতে পেরে গেছে মেয়েটি কাঁদছে।
মেয়েটির কাছে
রিহান এগিয়ে গেলো,
.
-এইযে আপনি কাঁদছেন কেনো? (রিহান)
> মেয়েটি পিছনে ঘুরে রিহানকে একবার দেখার পরে উত্তর দিলো, এমনি কাঁদছি।
-এমনি কেউ কাঁদে নাকি।
> কেউ না কাঁদলে আমি কাঁদি।
-ওহ,আচ্ছা আপনার নামটা কি জানতে পারি।
> সাদিয়া।
-নামটা বেশ সুন্দর, তবে।
> তবে কি।
-আপনার কান্না বলে দিচ্ছে আপনি এমনি কাঁদছেন না।
> এই আপনি কে?
-ওইযে সিড়িতে ঢাক্কা খেলেন যার সাথে আমি সেই।
> ও সেই ছেলেটা আপনি।
যার সাথে কয়েকমাস ধরে দেখা হচ্ছে আমার।
কি জন্য এসেছেন এখানে,নতুন করে ঢাক্কা খেয়ে আবার সরি বলতে।
-আরে কি যে বলেন,তখন একটু চিন্তিত,আর আনমনে ছিলাম যার জন্য ওমনটা হয়েছে।
> আপনি এখান থেকে যান, আমার বর দেখলে পরে আমার সমস্যা হবে।
.
রিহান সাদিয়ার কথা শুনে থতমত খেয়ে যায়।
এই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে দেখলে কেউ বলবে না।
রিহান সাদিয়ার কাছে থেকে সরে আসে।
.
ছাদের এক কোনে এসে দাড়িয়ে পড়ে রিহান,
কিন্তু তার ছাদে দাড়িয়ে থাকতে এখন ইচ্ছে করছে না।
সুন্দর পরিবেশটা এখন ঘোলাটে হয়ে গেছে।
কেনো যে মেয়েটার সাথে কথা বলতে গেলো রিহান।
.
ছাদ থেকে নেমে পড়ে রিহান, নিচে নেমে এসে রিহান মায়ের কাছে যায়।
রিহান তার মায়ের কাছে এসে মায়ের সাথে থাকে কিছুক্ষন।
.
-রিহান তোর জন্য একটা মেয়ে দেখে রেখেছি তোকে তো সেটা বলেছিলাম।(মা)
> আচ্ছা মা মেয়ে যখন দেখে রেখেছো তখন আর না করতে পারছি না। তবে বিয়েটা ছয় মাস পরে করি।
-সত্যি বলছিস তো।
> হ্যাঁ মা সত্যি বলছি।
রিহানের মা ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে একটু হেঁসে বলে, তুই সত্যিই আমার পাগল একটা ছেলে।
আচ্ছা শোন যাকে আমরা পছন্দ করেছি তোর জন্য, সেই মেয়েটা আমাদের বাড়িতে আসে প্রতিদিন।
> বলো কি।
-হ্যাঁ।
> আমি তো তাকে কখনো দেখলাম না।
-দেখতে চাস।
> বিয়ের আগে মেয়েটাকে একটু দেখা তো দরকার।
-আচ্ছা তুই এখন ছাদে গিয়ে দেখ মেয়েটা ছাদে বসে আছে।
.
রিহান তার মায়ের কথা শুনে একটু চিন্তিত হয়ে পড়ে।
ছাদের সেই মেয়েটি তার জন্য ঠিক করা মেয়ে নইতো।
সেই মেয়ে যদি হয় তবে একদিক থেকে ভালো হয়েছে,
অন্য ছেলেদেরকে তার কাছে থেকে দুরে থাকতে বলে।
এমন মেয়ে কতজন আছে যে অন্য ছেলেদের সাথে কথা বলার সময় বলে আমার বর দেখলে সমস্যা হবে আপনি চলে যান এখান থেকে।
.
রিহান মায়ের কাছে থেকে আবারো ছাদে চলে আসে।
এসে দেখে ওই মেয়েটি বসে আছে।
তাহলে এই মেয়েটি রিহানের বউ হবে।
রিহান একটু মুচকি হাসে ।
তবে তার কাঁদার কারন জানতে হবে।
রিহান সাদিয়ার কাছে এগিয়ে যায়।
.
-একটা কথা বলতাম আপনাকে (রিহান)
> আপনি আবার এসেছেন।
-কয়েকটি প্রশ্ন ছিলো, প্রশ্ন করেই চলে যাবো।
আপনি শুধু উত্তর গুলো দিবেন।
> হ্যাঁ করুন।
-আপনার বরকে আপনি কখনো দেখেছেন।
> সেটা আপনাকে বলবো কেনো?
-না মানে আমি জানি আপনি আপনার বরকে দেখেন নি।
> আপনি কেমন করে জানেন।
-আমি জানি,তবে সব প্রশ্নের উত্তর আগে দিন।
> হ্যাঁ বলুন।
-আপনি আপনার বরকে কেমন ভালোবাসেন।
> আপনি তো বোকা ছেলে।
-কেনো?
> আমি আমার বরকে কোনদিন দেখিনি, বাবা মা তার বন্ধুর ছেলের সাথে আমার বিয়ে ঠিক করেছে।
তাকে না দেখেও আমি অনেক ভালোবাসি তাকে।
আর আপনার জানা উচিত মেয়েরা তাঁদের স্বামীকে কেমন ভালোবাসে।
-সেটা তো ভালো করেই জানি ।
আচ্ছা আপনাদের বিয়ে তো এখনো হয় নি তাহলে তাকে বর বা স্বামী বলছেন কেনো।
> এক সময় তো হবেই তাই আগে থেকে বললে কোন সমস্যা নাই।
-ওর সাথে কথা বলেছেন ফোনে।
> না, সে এখন এসব নিয়ে আগ্রহী না,পড়াশোনা শেষ করে আমাকে বিয়ে করবে আর তখন সে আমাকে দেখবে,আর আমিও তাকে দেখবো।
-এসব আপনি জানেন কেমন করে।
> আমার শাশ্বুরি মা আমাকে সব বলেছে।
-তাহলে এখানে কান্না করছিলেন কেনো।
> শাশ্বুরি মা বলেছে আমাকে সে নাকি আমাকে ফোন করবে।
কিন্তু এতোদিন হয়ে গেলো সে ফোন করে না ।
সেইজন্য মাঝে চোখের জ্বল ফেলি ।
তবে তাকে কাছে পেলে মজা বুঝাবো আমি।
এতোদিন কেনো সে আমার থেকে লুকোচুরি খেলবে।
আমি তো তার বউ হবো। সেটা কি সে বুঝেনা।
-আপনার জন্য তাহলে সুসংবাদ আছে।
> কেমন সুসংবাদ।
-আপনার বর ফোনে এখন থেকে আপনার সাথে কথা বলবে।
> সত্যি বলছেন।
-হ্যাঁ ।
-বিশ্বাস হচ্ছে না,আপনি আমার বরের কে হন।
> বন্ধু।
-আপনি একটু ওনাকে বলবেন জেনো আমার সাথে ফোনে কথা বলে।
অনেকদিন ধরে অপেক্ষাই আছি ওর সাথে কথা বলবো, দুষ্টুমি করবো।
আরো অনেক কিছু করবো।
> আচ্ছা বলে দেবো, এখন আসি।
.
সাদিয়াকে বোকা বানিয়ে দিয়ে চলে আসলাম।
আমি মাকে মানা করেছিলাম আমার কিছু জেনো সে না দেখে।মেয়েটি কেমন সেটা আমি আগে দেখবো। তারপরে তাকে বিয়ে করবো। আর আমাকে সাদিয়া যদি আগে
দেখে তাহলে আর তাকে বিয়ে করবো না।
মা আমার কথা রেখেছে।
বহুদিন ধরে মা মেয়েটির কথা বলে আসছিলো।
আর এবার তাকে দেখা হয়ে গেলো।
.
ছাদ থেকে নেমে এসে মায়ের কাছে গেলাম।
মার কাছে সাদিয়ার কথা বলে দিলাম।
আর বিয়ে করবো সেটাও মাকে বলে দিলাম, তবে বিয়েটা দেরিতে করবো।
মায়ের কাছে থেকে বিদায় নিয়ে আবারো সেই চিরচেনা শহরে চলে আসলাম।
যেখানে অনেকদিন ধরে পড়ে রয়েছি।
.
এখানে এসে আবারো সাদিয়ার কথা মাঝে মাঝে মনে পড়তো।
কিন্তু সাদিয়াকে ফোন দেবার মতন সাহস পায়নি।
পড়াশোনা নিয়ে বিজি হয়ে পড়লাম আবার।
.
রিহান সকাল সকাল ঘুম থেকে কোনদিন উঠেনা।
ফোনের কারনে আজকে তাকে এতো সকালে ঘুম থেকে উঠতে হলো।
ফোনটা এক নাগারে বেজে চলেছে।
ঘুম ঘুম চোখে ফোনটা হাতে নিয়ে কলটা রিসিভ করলো রিহান।
-ওই ইতর, বদমাইশ, বাঁদর একটা ছেলে।
আমাকে এমন করে বোকা বানিয়ে রাখলে কেনো এতোদিন।
আমার কাছে আসলে তবুও তোমার পরিচয়টা দিলে না কেনো।
পরিচয় দিলে কি তোমাকে খেয়ে ফেলতাম নাকি।
তোমার হাতে হাত রেখে একটি রাত শুধু আকাশের তারা গুলোকে দেখতাম।
আর তোমার কোলে মাথা রেখে একটু ঘুমাতাম।
আমার এইটুকু ইচ্ছে তুমি পূরন করতে দিলে না।
কতদিন ধরে মনের মাঝে এই ইচ্ছেটুকু রয়েছে।
তোমাকে নিয়ে আমার কত স্বপ্ন তুমি কি সেটা জানো।
তুমি তো সেটা জানবে না , আর জানতেও চাও না।
একনাগারে রাগে আর ফুফাতে ফুফাতে কথা গুলো বলল সাদিয়া।
রিহান সাদিয়ার এমন করে কথা বলা শুনে বুঝতে পেরেছে এটা সাদিয়া।
সেইজন্য রিহান চুপচাপ সাদিয়ার কথা শুনে গেছে।
রিহান বুঝতে পারছে মা বলে দিয়েছে আমিই তার বর।
-আমি কি এইগুলো ইচ্ছে করে করেছি নাকি (রিহান)
> ইচ্ছে করেই করেছো।
তুমিই তো আমার থেকে আড়ালে রয়েছো অনেকদিন ধরে।
তোমাকে দেখতে দাওনি।
কাছে এসেও পরিচয় দাওনি।
আমার এতোদিনের জমানো ইচ্ছে গুলো তোমাকে প্রথমদিন দেখার পরে পূরন করবো ভেবেছিলাম।
তুমি সেটা করতে দাওনি ।
কি দোষ করেছি আমি।
-আমার ভুল হয়েছে।
দোষটা তোমার না আমার দোষ।
> আমি এতো কিছু শুনতে চাই না।
দোষ যার হোক সেটা কোন বিষয় না।
আমার এখন তোমাকে প্রয়োজন।
চোখ বন্ধ করে চোখ খুললে জেনো তোমাকে সামনে দেখতে পায়।
তোমাকে একটু ছুয়ে দেখতে চাই।
এতোদিনের অপেক্ষা শেষ করতে চাই আমি।
-আচ্ছা তুমি চোখ বন্ধ করো আমি আসতেছি।
রিহান জানে সে সেখানে এতো দ্রুত যেতে পারবে না।
তবুও তাকে মিথ্যে শাত্বনা দিয়েছে।
যদি কিছু সময় তার মন ভালো থাকবে।
.
রিহান আবারো বেরিয়ে পড়েছে সাদিয়ার উদ্দেশ্যে।
মেয়েটির এতোদিনের ইচ্ছে গুলোকে সে শেষ হতে দিবে না।
এই সামান্য ইচ্ছে গুলোকে সে পূরন করবে।
আর এই ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো ভালোবাসাকে অনেক সমুধুর করে তোলে।
.
রিহান সাদিয়ার ফোনে একটি ম্যাসেজ করে আমি আসবোনা তোমার ওখানে। পড়াশোনা শেষ করে যাবো।
ম্যাসেজটি দিয়ে রিহান ফোন অফ করে রাখে।
যাতে করে সাদিয়া রেগে গিয়ে কিছুক্ষণ কান্না করে,আর রাগ কষ্ট কান্নার পরেই তো বুঝতে পারা যায় ভালোবাসা শব্দের মানে।
.
যখন সে সাদিয়ার সামনে গিয়ে দাড়াবে তখন সাদিয়া কি করবে সেটা বুঝে গেছে রিহান।
সাদিয়া কান্না করতে করতে এসে রিহান কে জড়িয়ে ধরে বলবে আমাকে কাঁদাতে কি তোমার ভালো লাগে।
এতোদিনের জমানো ভালোবাসা সব রিহানের মাঝে বিলিয়ে দিবে।
কারন সাদিয়ার সব ভালোবাসা গুলো রিহানকে ঘিরে ।
কিন্তু সাদিয়া বুঝবে না রিহান কতটুকু ভালোবাসে তাকে।
সাদিয়া তখন অনেক অভিযোগ নিয়ে বসবে রিহানের কাছে,
আর রিহান সেগুলো শুনে পূরন করার চেষ্টা করবে।
চলুক না এমন করে তাঁদের এই সম্পর্ক।
.
.
লিখাঃ রাফি ( পড়া চোর)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ