"""""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম""""""""""""""""""""
পর্ব ১০
রাত্রি নিশিতে নিরবে নির্জনে আপন করে পাওয়ার বাসনায় শত স্বপ্ন বুকে নিয়ে রাত্রি যাপন করে পর দিন সকালে জাগ্রত
হয়ে চিন্তা করতে লাগলাম এভাবে একটি মেয়েকে তার পরিবারে কাছে দেওয়া কতটা উচিত হবে তা আমার ঠিক বোধগম্য হচ্ছিল না।
অবশেষে ঠিক করে নিলাম বিয়েটা করেই ওর পরিবারের দরজায় গিয়ে দাঁড়াবো,কিন্তু আব্বু-আম্মুকে বিষয়টি জানাতে হবে।
সেই দায়িত্বটা আবিদার কাঁধে দিলা কারণ আম্মুকে রাজি করলেই আব্বুর ভোটটা পেয়ে যাব সো আবিদাকে আম্মুর কাছে পাঠিয়ে দিলাম যাতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে আসে।
এ দিকে জাসমিনকে জিজ্বাসা করলাম কি করবো কারণ ওর ও মতামত জানার প্রয়োজন আছে যাতে কোন দিন এই কথা বলার অপশন না থাকে যে "আমার মতামত না নিয়েই সব কিছু করেছো"
জাসমিনের সোজাসোজি উওর আমার কোন মতামত নেই আপনার মতামতই আমার মতামত এতে আমাকে যদি স্বর্গে যেতে হয় আমি রাজি আর নরকে যেতে হলে ও আমি রাজি।।
-তা বুঝলাম আমি পরামর্শ চাচ্ছি কি করলে ভাল হয় আর কি করলে খারাপ হয় সেটা,
-পুরুষ জাতিকে আল্লাহ নারীদের থেকে একটু বেশি বুঝ শক্তি দিয়ে পাঠিয়েছেন সো আপনিই যা বলবেন সেটাই আমার জন্য ভাল হবে।।
প্রতিটি মানুষের নিজস্ব মতামত আছে সেটা গ্রহণ করা উচিত,আজ কাল মা বাবা ছেলে-মেয়েদের মতামতের কোন গুরুত্ব না দিয়ে বিয়ে দেন সুখি করার জন্য তারা কতটুকু সুখি হয় সেটা তো দেখার বিষয়
একসাথে ৩টি জীবন নষ্ট করে দেন
১/মেয়ের জীবন
২/মেয়ের প্রেমীকের জীবন
৩/ মেয়ের বর্তমান স্বামীর জীবন
"সুখ সুখ বলে ওরা করে হাহুতাশ সুখ তো পাবেন না সে বৃথা সুখের আশা"
সো আমি বলতে চাইছি প্রতিটি মানুষের মতামত খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অবশেষে আমার আব্বু-আম্মুর মতামত পেয়ে গেলাম,আমার খুশি দেখে কে?
উনাদেরকে জাসমিনের এই ঘটনা শুনানো হয় নাই,আবিদা বলেছে তারা পরস্পর ভালবাসে তারা বিয়ে করতে চায়,,,,
যাই হোক আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম দু একদিনের ভেতরে বিয়ে কাজ সম্পুর্ণ করে নেব।।
আমি, আবিদা ও জাসমিন ৩জন মিলে এই দিন সন্ধ্যা পর মার্কেটে গিয়ে বিয়ের জন্য কাপড়সহ যাবতীয় খরচ করে নিয়ে আসলাম।
সবার চেহারায় একটি খুশির আভা খেলা করছিল কিন্তু জাসমিনের চেহারা থেকে অমানিশার অন্ধকার ছিটকে পড়ছিল,কিন্তু কারণ কি?
কি কারণে এই অবস্হা?
প্রায় সময় দেখি একাকী কোন একজায়গায় ভাবুক মন নিয়ে বসে থাকে আমাকে জানতে হবে কি হয়েছে.............
ধীরে ধীরে ওর পাশে গিয়ে বসলাম, জিজ্বাসা করলাম
-কি হয়েছে তোমার?
-এখানে একাকী বসে আছ কেন?
-না তো কিছু হয় নাই.............!!
-কিছু হয় নাই তাহলে চোখে পানি কেন?
-কোথায় না তো পানি নেই........!!
-আমার কাছে গোপন করার চেষ্টা কর না, বিষয়টা কি আমাকে বলো
-তেমন কিছু না আব্বু আম্মুকে খুব মিস করতেছি,,,,,,,
ও আচ্ছা এই তো দু একদিনের মধ্যে উনাদের সাথে সাক্ষাত হয়ে যাবে সো আর কান্না করনা।
-একটি মেয়ের কতটা স্বপ্ন থাকে, যারা এতকাল কষ্ট করে লালন পালন করেছে আজ তাদের সেই লালন পালনের ফলটা কি রকম দিচ্ছি?
তাদের অনুপস্হিতিতে আমার বিয়য়ে হবে, তাদের অনুমতি ছাড়া আমার বিয়ে হবে,
একজন মা -বাবা তাদের সন্তানকে নিয়ে কত শত স্বপ্ন দেখে, নিজ হাতে সব কিছু করে, সকলল আত্মীস্বজন আসবে আনন্দ ফুর্তি করবে সমগ্র বাড়িটি বিয়ের আমেজে ভরে উঠবে, লাল শাড়ি পড়িয়ে বরের হাতে তুলে দিবে তাদের খুবই আদরের ছোট্র খুকিটাকে।।
কোন সন্তান বাবা-মা কে বুঝে আর কোন কোন সন্তান বাবা মাকে বুঝে না আমি কি না বুঝার তালিকায় পরে গেলোম?
ওকে বিয়েটা তোমার মা বাবার সামনে ও অনুমতিক্রমে হবে,দেখি বাবা মায়ের সাথে কথা বলে তুমি এসব নিয়ে কোন টেনশন কর না রিলাক্স থেকো।
আব্বু আম্মুর সাথে কথা বলে রায় আসলো এরকম হলে তো ভাল হবে কিন্তু জাসমিনের পরিবার মেনে নিবে কি না যদি না নেয় তখন কি করা?
যা করবে বুঝে শুনে করতে হবে তা না হলে বিরাট সমস্যা দেখা দিবে।
ঐ দিকে জাসমিনের পরিবার ৩/৪ দিন থেকে জাসমিনের কোন খুঁজ খবর না পেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও স্যুসাল জগতে ওর মিসিংটা প্রচার হতে থাকলো।
সেই সুবাদে আমি শুয়ার পূর্ব মুহুর্তে যখন ফেবু ইউজ করছিলাম তখন এমন একটি নিউজ চোখের সামনে চলে আসলো যা যথারিত আমাকে স্তব্ধ করে দিল।
কিছু সময়ের জন্য আমার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম,জাসমিন সম্পর্কে এই নিউজ সকল এড্রেস দিয়ে বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে।
বিষয়টি নিজের ভেতরে রেখে পর দিন আব্বু আম্মুর অনুমতি নিয়ে বোরকা পরিধান করিয়ে জাসমিন ও আমি তাদের বাড়িতে পৌছে গেলাম।
যখন জাসমিনের সাথে আমাকে দেখতে পেলেন তখনই অন্যরকম এক দৃষ্টি নিক্ষেপে করলেন,মনে হচ্ছিল যে সকল দোষের দোষি আমিই........!!!
জাসমিনকে পেয়ে পরিবারের প্রতিটি সদস্য এতটাই আনন্দিত হল যা ভাষায় বলে বুঝাতে সক্ষম হব না।।
জাসমিনকে রোমের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হল, কিন্তু আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম,হঠাৎ জাসমিন ইশারা দিল রোমে প্রবেশ করান জন্য ভয় ভয় মননোভাব নিয়ে প্রবেশ করলাম।
আমি বসে আছি কেউ আমার কথা বলে না কেউ আমার সাথে কথা বলে না সবাই জাসমিনকে নিয়ে ব্যস্ত,,,,,,,,
আরে বাবা কোথায় আসলাম?
একটু পর জাসমিনের আব্বু আসলেন, আমার সম্পর্কে জানতে চাইলেন বলার পর তিনি বললেন আপনি না হলে হয়তো আমার মেয়েকে ফিরে পাওয়া হত না।
কোনন কিছুর বিনিময়ে তোমার এই অবদান শোধ করা যাবে না।
এই কথা গুলো শুনে বড়ই অবাক হলাম জাসমিন কি সমস্হ ঘটনা বলে দিয়েছে?
না কি বলে নাই?আমার উচিত ছিল একটু বলে দেওয়া জানি না কি থেকে কি হবে।
আচ্ছা জাসমিনকে একটু ডেকেন দেন, ৫ মিনিট পর জাসমিন যখন আসলো তখন বললাম তোমার সম্পর্কে কি কি বলেছো?
বলেছি আমাকে কিছু লোক কিডনাপ করেছিল আমি সেখান থেকে পালিয়ে যখন আসছিলাম তখন উনি আাকে ওদের হাত থেকে বাঁচিয়ে নিজের বাসায় আশ্রয় দিয়ে রেখেছিলেন।
বিয়ের কথা কিছু বলেছো?
এ সম্পর্কে এখনও কিছু বলি নাই।
ওকে তুমি বলতে হবে না আমি নিজে তোমার আব্বুর সাথে কথা বলে যাব।
তোমার আব্বুকে নিয়ে এসো , উনি আসার পর আমি নিজ থেকে বলতে লাগলাম আমি ও আমার পরিবার চায় বিয়ে করে জাসমিনকে আমাদের বাসায় নিয়ে যেতে এতে যদি আপনি সম্মতি দেন তাহলে আব্বু আম্মু আপনাদের সাথে কথা বলবেন,শুন বাজান "গাছ নাম কি তর ফলে পরিচয়" তাই আলোচনা করতে হবে না তোমার আব্বু আম্মুকে বলে দিও আমি রাজী আছি,
উনাকে বলবেন একটা তারিখ ফিক্সড করে আমাকে জানাতে।
বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গেল, বিয়ের জন্য যেসব কাপড়-চোপর ক্রয় করছিলাম সে গুলো পাটিয়ে দিলাম আর বললাম কোন আয়োজন করতে হবে না আমরা কয়েকজন যাব আর জাসমিনকে নিয়ে আসবো মোটকথা ঘরোয়া পরিবেশে বিয়েটা সম্পুর্ণ করতে চাই..............চলবে++
""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম"""""""""""""""""""""
শেষ পর্ব (১১)
"আজ সেই ধর্ষিতা মেয়ের বিয়ে"
সব কিছু ঠিক ঠাক বিয়ে বাড়িটা সাজ সাজ,আসতেছে আত্মীস্বজন জমে উঠলো বিয়ের আয়োজন।
আমাদের সকল আত্মীয় স্বজন চলে আসলেন, আবিদা যে রকম বলেছিল ঠিক সেরকম নিজ হাতে কাজ কাম করছে, আত্মীস্বজনদের থাকা-খাওয়া সব কিছু সামলিয়ে নিচ্ছে।
জাসমিনের বাড়িতে গুঞ্জন শুরু হলো জাসমিনকে অপহরণ করে নিয়ে তার ইজ্জত নষ্ট করা হয়েছে,কে বা কারা এই কথা ছড়িয়েছে সেটা জানা যায় নাই।
জাসমিন ফোন দিয়ে এই গুজব ছড়ানোর সংবাদটি আমাকে জানাল,আর বলল আব্বু আম্মু আমাকে জিজ্বাসা করছে ঘটনা সত্যি কি না আমি কি জবাব দেব?
কি আর জবাব দিবে, ওকে তুমি কিছু বলতে হবে না এক কাজ করো তোমার আব্বুর কাছে মোবাইলটি নিয়ে যাও।
জাসমিন তাই করলো.............
যখন জাসমিন ফোন নিয়ে ওর আব্বুর কাছে দিল তখন উনি যথারিত ভয়ে ভয়ে কথা বলতে লাগলেন যেন কথা গুলো কন্ঠনালী অতিক্রম করতে খুবই কষ্ট হচ্ছিল,
বিষয়টি তুলে ধরে বললাম যা শুনতেছেন সে দিকে ভ্রুক্ষেপ না দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকেন।
অবশেষে বিয়ের সকল কাজ সুসম্পূর্ণ হল,জাসমিনকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসলাম।
বিয়ে খেয়ে অনেক আত্মীয় স্বজন চলে গেলেন বিশেষ কিছু মেহমান রয়ে গেলেন,
সে দিকে বাসর সাজানো হচ্ছে,ফুলে ফুলে টাইটম্ভুর করে তুলা হচ্ছে , পড়শি মেয়েরা একের পর এক এসে আমার ধর্ষিতা বউকে দেখে যাচ্ছে, সবাই তার রূপের গুনাগুন বর্ণনা করে যাচ্ছে,
আত্মীয় স্বজনদের মধ্য থেকে কিছু ছেলে এসে সেলফি,পিক ও নানান আড্ডায় মত্ত।
মা-বাবা ও আবিদা জাসমিনকে পেয়ে খুব হ্যাপি,মা তো বলে দিয়েছেন আবিদা একটি বোন পেল আর আমার বড় মেয়ে বাড়ি আসলো।
এই সেই করে রাত প্রায় ১১টারও বেশি,পড়শি ভাবিরা মজা নিচ্ছে, আমাকে নিয়ে হাসাহাসি, আর আলোচনার উর্ধে,
অবশেষে দুজন ভাবি আমাকে নিয়ে জাসমিন থাকা রোমে রেখে চলে আসলেন,,,,,,,,,,,,,,,
এই রাত যেমন একজন পুরুষের জন্য মহামুল্যবান রাত ঠিক তেমন-ই একজন নারীর জন্যও মুল্যবান।
মাথায় ঘুমটা দিয়ে বসে আছে জাসমিন, ধীরে ধীরে আমি পাশে গিয়ে বসলাম ঘুমটা তুলে দিয়ে বললাম কাপড়টা চেন্জ করে ওযু করে এসো,,,,,,,,,,,,,,,
কথাটি শুনে জাসমিন আমাকে জড়িয়ে কান্না শুরু করে দিয়ে বলতে লাগলো হে আল্লাহ কেন এই মহান মানুষটির কপালে আমার মতো ধর্ষিতা মেয়েকে রেখেছো,দোষ তো আমি করেছি ওর দোষটা কিসে?
আর কেমন করে আপনি আমাকে আপনার বুকে ঠাই দিলেন সেটা আমি এখন ও বুঝে উঠতাম পারলাম না....!
এই পাগলী এখন কি এসব বলার সময়?
বিশেষ করে তিনটি জিনিস যা স্বয়ং আল্লাহর তার হুকুমে করিয়ে দেনঃ
১/মানুষের জন্ম
২/মানুষের বিয়ে
৩/মানুষের মৃত্যু
তুমি আমার কপালে সেটা দুনিয়াতে আসার আগেই নির্ধারিত করে রাখা,আর তোমার সাথে এরকম ঘটনা ঘটে আমার ঘরে আসা এটা একটা মাধ্যম সো এসব চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই।।
যাও কাপড় চেন্জ করে ওযুটা পড়ে এসো আমিও রেডি হচ্ছি,ওযু করে আসার পর জায়নামায বিছিয়ে একই জায়নামাযে নফল দুররাকাত নামায পড়ে মহান প্রভূর দরবারে দুহাত তুলে দোয়া করলাম যাতে পরস্পর সারাজীবন এক সাথে কাটাতে পারি,পরস্পর সুখ-দুঃখ্য ভাগাভাগি করে থাকতে পারি,যতই সমস্যা আসুক না কেন বন্ধুন যেন ছুটে না যায়।
সত্যি আমি গর্বীত আমি ধর্ষিতার কাছ থেকে এমন ভালবাসা পেয়েছি আমি বিস্বাস করি জাসমিন না হলে হয়তো প্রকৃত ভালবাসা বুঝে উঠা আমার পক্ষে সক্ষম হত না।
অফুরন্ত ভালবাসা আর সোহাগ দিয়ে আমার জীবনটা রাঙিয়ে তুলল।
ধর্ষণ +ধর্ষণ ১ম ধর্ষণ করেছিল জীবন এলোমেলো আর ২য় ধর্ষর্ণ রাঙিয়ে দিল জীবন।
ভালবাসা দেহে নয় ভালবাসা মনে জাসমিন তারই প্রমাণ করে যাচ্ছে.................
জাসমিন এ ও প্রমান করে যাচ্ছে যে ভালবাসতে জানে সে বাঁচতে জানে আত্মহত্যা সমাধান নয়।
............................................................................
★যে মেয়েটি কয়েকদিন আগে ধর্ষিতা হিসেবে এই বাসায় প্রবেশ করছিল সেই মেয়ে আজ বউ সেজে এই বাসায় প্রবেশ করলো।
★যদি জাসমিন ধর্ষিতা হয়ে বউ হতে পারে তাহলে কেন জাসমিনের মতো হাজারও মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়?
★একটা মেয়ের দেহ ধর্ষিত হতে পারে কিন্তু তার ভেতরে থাকা ভালবাসা তো আর ধর্ষিত হয় না তার পর ও কেন আমাদের সমাজ ধর্ষিতাকে ঘৃণা করে??
★ধর্ষিত কি তার সেচ্ছায় হয়ে থাকে? কেন আমরা বিবেকহীন এই অপবাধটি তাদের গায়ে মাখিয়ে তাদের বেঁচে থাকা অসম্ভব করে তুলি?
★আজ ও ধর্ষিতা না হয়ে যদি আমার বোন ধর্ষিতা হতো তাহলে কি আমি তাকে ধর্ষিতা বলে অবহেলা করতাম না না কখনোই না তাহলে কেন অন্য একটি মেয়েকে ঘৃনা করা?
★ধর্ষণের ফলে হয়তো তার ইজ্জত হারাতে পারে তার ভালবাসা নয়,ধর্ষিতাও পারে আপনাকে অনাবিল সুখ শান্তি ও ভালবাসা দিতে।।
★সবার কাছে অনুরোধ করছি ধর্ষিতাকে অবহেলা না করে তার যথাযথ মুল্যায়ন করে ভালবাসার হাত বাড়িয়েন দেন।
..................................................................................
বিঃদ্রঃঅসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি সেই সমস্হ পাঠকদের যারা প্রতিনিয়ত লাইক-কমেন্ট এর মাধ্যমে আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন।
ধন্যবাদ জানাই "চিনি পিঁপড়ার গল্প" নামক ভালবাসার গ্রুপের সকল এডমিন ও মডেরোটরদের যারা এঅধমকে সদস্য হওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
♥ননীরব প্রেম♥নামক নতুন একটি গল্প নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব,আপনারা যারা এখনও আমার Monjur hussen নামক পেজ এ লাইক দেন নাই আশা করি একটি লাইক দিয়ে রাখবেন কারণ আমি আপনাদের হারাতে চাই না
#সবার কাছে অনুরোধ আমার কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,কারণ আমি মানুষ আর মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে।সবাই ভাল থাকুন ও সুস্হ থাকুন এই কামনা করি।
"""""""""""""""♣সমাপ্ত♣""""""""""""""""""
Collected
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ