āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2444 (3)

"""""""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম"""""""""""""""""""""""
                                  পর্ব(৭)
রাত্রি নিশিতে চোখেরই কোণে ভেসে উঠা সেই ধর্ষিতা মেয়ের ছবি আমাকে আরো প্রভাবিত করে তুলল,চিন্তা -চেতনায় সহজ সরল মুখখানি ভেসে উঠে আমাকে ভাবিয়ে তুলল।

আমি পেতে চাই একান্ত আপন করে, কিন্তু ওর কাছে আমার ভাল লাগাটা প্রকাশ করবো কি করে,রাজি হবে?না কি প্রত্যাখ্যান করবে?

আচ্ছা আবিদাকে দিয়ে বলাতে পারি যদি তার পর ও রাজি না হয় তাহলে লজ্জায় আর সামনে আসতে পারব না।

সকাল হোক তার পর দেখা যাবে কি করা যায়,সকাল হয়ে বেলা অনেক হয়ে গেল জাসমিনের কোন অস্তিত্ব আঁচ করতে পারলাম না ব্যাপার কি?

আবিদা আবিদা আবিদা তোরা কোথায়?
ভাইয়্যা এই তো আমি কেন কি হয়েছে?
তোদের খুঁজে পাচ্ছিলাম না তাই ডাক দিলাম, এদিকে একটু আয়......
আসতেছি একটু ওয়েট................

কিছুক্ষণ পর আবিদা আসাতে জিজ্বাসা করলাম জাসমিন কোথায়?
-জাসমিনের মাথায় খুব ব্যাথা করছে সে শুয়ে আছে।
-ও ঘরে কি মেডিসিন আছে?
-হ্যাঁ, খাইয়ে দিয়েছি,,,,
-গুড

আচ্ছা ভাইয়্যা তর কি মন খারাপ?জাসমিন থাকাতে কোন সমস্যা হচ্ছে?
-দুর পাগলী মন খারাপ হবে কেন আর সমস্যাই বা কেন হবে।
সত্যি আমার এই ভেবে ভাল লাগে তর সাথে একটা কথা বলার, আড্ডা দেওয়ার সঙ্গি পেলে,তাছাড়া ও অনেক ভাল একটা মেয়ে তাই না?

"শান্ত-শিষ্ট, মনযোগী, মিশুক,ওর মধ্যে অনেক গুন আছে যা অন্য সকল মেয়েদের মধ্যে সচরাচর পাওয়া যায় না"

-আজ দেখি তারিফটা একটু বেশি বেশি হচ্ছে ব্যাপার কি?
-আরে তারিফের কি যা সত্যা তাই বললাম আর কি,তুই সব সময় নেগেটিভ ভাবিস এটা তর বদ অভ্যাস।।
- ভাইয়্যারা বদের হাড্ড থাকে তুই ও কম না।

-অনেক্ষণ চুপিচুপি আড়াল থেকে দেখতে থাকলাম,ইচ্ছে করছিল পাশে যাই আলতু করে মাথায় হাত ভুলিয়ে দেই,
পরোক্ষনেই মনে হল সেই অধিকার কি আমার আছে?

একা একা অসুস্হ শরীর নিয়ে শুয়ে আছে,যদি পাশে বসে একটু গল্প করে একাকীত্ব তো দুর করতে পারি।
যেই ভাবা সেই কাজ,,,,,,,,,,

রোমে প্রবেশ করে নিলাম,আমাকে দেখতেই ধরপর করে উঠে বসে গেল,হ্যালো উঠতে হবে না শুয়ে থাকেন,সকাল থেকে দেখতে না পেয়ে আবিদার কাছ থেকে জানতে পারলাম আপনি অসুস্হ সেজন্য দেখতে আসলাম।

-এখন কি অবস্হা?
-জ্বি, কিছুটা ভাল।
-বেশি হলে চলেন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই,,
-জ্বি না এসব ঠিক হয়ে যাবে,ডাক্তারে যেতে হবে না।
-শোনেন অধিক টেনশনের কারণে এই অবস্হা,টেনশন বাদ দিয়ে রিলাক্স থাকার চেষ্টা করেন।
-জ্বি............

এই বলে রোম থেকে বেরিয়ে আসলাম,হয়তো বেচারীর অনেক কষ্ট হচ্ছে লজ্জায় কিছু বলতে পারতেছে না।
আবার ও আবিদাকে ডাক দিয়ে বললাম ওর যদি অসুস্হতা বেশি ফিল করে তাহলে লজ্জা না করে যেন আমায় বলে আমি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্হা করবো,,,

বিকাল নাগাদ কিছুটা ভাল হয়ে গেল মনে হচ্ছিল জাসমিন অসুস্হ ছিল না ছিলাম আমি।
নিজ মনের সাথে খুনশুটি করে আমার ২৪ ঘন্টা অতিবাহীত হয়,বুকের বাম পাশের ফাঁকা জায়গায় কোন এক রহস্যময় হৃদয়ের উপস্হিতি অনুভব করতে থাকি।

"সন্ধ্যা পর ছাদে বসে আছি,কফি নিয়ে জাসমিন ছাদে আসলো,জিজ্বাসা করলাম আপনি কি কফি পান করেন না,
-জ্বি করি
-তাহলা কফি কোথায়?
-নীচে রাখা আছে,
-যান নিয়ে আসেন,দুজন গল্প করে করে কফি পান করবো, কোন সমস্যা নেই তো?
-হতবিম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছ। কি জবাব দিবে হয়তো ঠিক বুঝতে পারতেছে না,আবার বললান যান নিয়ে আসেন,ঠিকই গিয়ে নিয়ে আসলো।

কোন কথা নেই, আপন মনে বসে কফির কাপে চুমুক খাচ্ছিল,ভাবছি ও কথা বলা শুরু করুক কিন্তু আমার চাওয়াটা ডিঙ্গিয়ে আমিই কথা বরতে শুরু করলাম,,,,,,,
-এখন শরীরের অবস্হা কেমন?
-দিনের তুলনায় অনেক ভাল।
-শোনেন ব্যক্তিগত একটা প্রশ্ন করতে চাইছিলাম যদি অনুমতি দেন
-এখানে অনুমতি চাওয়ার কি কোন প্রয়োজন আছে?
-জানি না,তার পর ও সবার মন মানসিকতা সব সময় একরকম থাকে না সেজন্যই অনুমতি চাওয়া

আচ্ছা জিজ্বাসা করেন কি জানতে চান?
-হ্যাঁ তেমন কিছু নয়,জানতে চাইছিলাম
  "আপনি কি কাউকে ভালবাসতেন"
............................................................(চলবে+++)

"""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম""""""""""""
                         পর্ব (৮)
এই জীবনে ভালবাসা,ভালবাসা বুঝে উঠার আগেই যে মানুষটি তার ইজ্জত হারিয়ে ফেলে তার ভালবাসার কথা শুনে কি-ই বা হবে?

ঠিক বুঝলাম না একটু বুঝিয়ে বলবেন প্লিজ?

সত্যি বলতে এসব ভাল লাগা আর ভালবাসা থেকে নিজেকে মুক্ত করে রাখতাম কেননা আজকাল যেসব ভালবাসা রয়েছে সে সব স্বার্থের ভালবাসা,দেহ ভোগের ভালবাসা,আর ভোগ শেষে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলা ভালবাসা।
কয়জন মানুষ রিয়েল লাভ করে, কয়জন মানুষ স্বার্থ ছাড়া লাভ করে?

কিন্তু যে সবের ভয় করতাম সেই সব আমার গায়ে জড়িয়ে গেল ফলটা আপনার সামনে,,,

না হতে পারলাম কারো মনের মানুষ, আর না হতে পারবো কারো যোগ্য স্ত্রী,নিজের ভেতরে এক রাশ যন্ত্রণা নিয়ে সারা জীবন কাটাতে হবে আমায় , তবে মাঝে মাঝে বড্ড ইচ্ছে করে এই ভুবন ছেড়ে দুর কি -বা বহুদুর নিজেকে হারিয়ে ফেলি,যেখানে নেই কোন মানুষের আনাগোনা আর নেই কোন লোক লজ্জার ভয়,আর নেই মানুষ রূপি নরপশুদের বিচরণ।

পুরুষ তারা তো একটা মেয়ের জীবনকে ধ্বংস করে সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচে,কিন্তু কেন নয় একটা ধর্ষিতা মেয়ে?
পুরুষ হলে ১০খুন মাফ আর মেয়ে হলে........?

কোন মেয়ে ইচ্ছে করে তার ইজ্জত হারায় না,হয়তো অভাবের তাড়নায়,হয়তো প্রতারণায় জড়িয়ে নয়তো বা সমাজের নরপশুদের হিংস্র থাবায়, একাই একজন নারী এই দোষটা/অপবাদটা সারাজীবন বহন করবে..............???

কি সমাজ!!!
কি বিবেক!!!
আর কি পুরুষ জাতি....!!!

-আপনি কেন এই সমাজ ছেড়ে চলে যাবেন?
ওরা যদি এই জগন্য কাজ করার পর ও সমাজে থাকতে পারে আপনি কেন পারবেন না?

আমি কি নিয়ে পারবো?
কিছুক্ষণের জন্য মেনে নিলাম কেউ জানল না কেউ বুঝল না কিন্তু আমি আমিত্বকে ঘৃণায় নিমজ্জিত।আমার এই অবস্হা নিয়ে আমার পরিবারের সমনে কি করে দাঁড়াবো?
দিক্কারে দিক্কারে আমার বেঁচে থাকা অসহনী হয়ে উঠবে।

-আজ না হয় কাল আমার এই অপবিত্র দেহ নিয়ে কারো বউ হয়ে তার সংসারে যাব, যখন সে শুনতে পারবে বুঝতে পারবে আমি সতী নারী নই তখন আমি তাকে কি জবাব দেব?

-জেনে শুনে সৎ একজন মানুষের জীবনে আমি অসৎ একটি নারীর গমন বিবেক-ই বাঁধা দেয়।কেউ চায় না এমন কি কোন পুরুষ-ই চায় না তার স্ত্রী আমার মতো অসতী হোক।

-ধরে নিলাম সে বুঝল না জানল না কিন্তু প্রতিনিয়ত বিবেক আমাকে ধিক্কার দিবে আর আমার কর্ণকোহরে আওয়াজ শুনিয়ে যাবে তুই সতী নয়,তুই পবিত্র নয়,তুই একজনকে ঠকাচ্ছিস,আমি আমার বিবেক কে কি উওর দেব?

-আপনার কথা গুলো ঠিক কিন্তু সমাজের প্রতিটি পুরুষ এক রকম না, যেমন ভাল তেমন খারাপ আছে।

"আচ্ছা যদি এই সকল প্রশ্নের সম্মুখীন হতে না হয় তাহলে কি কাউকে ভালবাসতে পারবেন?

-কথাটি কল্পনা করা যায় কিংবা স্বপ্নে দেখা যায় বাস্তব তো বহু দুর,হাস্যকর কথাটি না বললে ও পারতেন কারণ এ জীবনে যেখানে বেঁচে থাকা দুষ্কর সেখানে ভালবাসা শব্দটি বড়ই বেমানান।

-না আমি সত্যি বলছি তুমি কি কাউকে ভালবাসতে পারবে?
-কে বাসবে ভাল আমাকে?
-কে আবার যে ভালবাসবে সে তো তোমার সামনে,
সে কি তোমাকে ভালবাসততে পারে না?
সে কি তোমার ভালবাসা পেতে পারবে না?

আমার এই কথা গুলো শুনে দু-চোখ দিয়ে বৃষ্টির ন্যায় অশ্রু ঝরাতে থাকলো।
প্রায় মিনিট পাঁচেক কোন কথা না বলে শুধু আমার চোখে চোখ রেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে চেয়ে থাকলো।

ওর কান্না দেখে আমার ও চোখের কোণে অশ্রু টলমল করছিল, ওরে বুঝতে না দিয়ে মুখটি অন্যদিকে ফিরিয়ে মুছে নিলাম।
দু -হাত বাড়িয়ে আলতু করে শত বেদনায় ঝরা অশ্রুর ফোঁটা গুলো আলতু করে গন্ডদ্বয় থেকে মুছে দিলাম।
ওর অপবাদের স্তুপটি নিজ দেয়ে মাখিয়ে নিলাম।

শোন তোমার এই চেহারায় কান্না মানায় না, শুধু হাসবে আর হাসাবে এই বলে ওর মাথাটা আমার কাধের উপর রেখে বলতে লাগলাম তোমাকে আমি অনেক ভালবাসি আর আমি তোমার কাছ থেকে কিছুই চাই না চাই শুধু তোমার মনের ভালবাসাটুকু চাই,তুমি কি সেই ভালবাসা আমাকে দিবে?

আবার ও কান্না,এই কি হল কান্না থামাবে?কান্নাকাটি আমার একদম ভাল লাগে না সো আমি যে প্রশ্ন করেছি তার উওর দাও,

মাথা নাড়িয়ে সহমত পোষণ করলো,তখন আমার খুশি দেখে কে.........💘💘😂😂

কিন্তু আমি খেয়াল করে দেখি নাই আমার দুষ্টু বোনটি আমাদের পিছনে দাঁড়িয়ে আমাদের সব কথা শুনছিল,,,,,,,

হঠাৎ পিছন থেকে আওয়াজ আসতে লাগলো....Congratulations.........(চলবে)

""""""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম"""""""""""""""""""""
                                পর্ব(৯)
আমি চাইছিলাম সকল সমস্যার জাল উন্মুচন করে কেউ না কেউ জাসমিনের দিকে ভালবাসার হাত বাড়িয়ে নির্দিষ্ট ছায়ার আবির্ভাব ঘটুক, জাসমিনকে তার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে সারা জীবন ওর ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রাখুক।

মুক্ত করুক ধর্ষিতা নামক এই জীবনব্যধি শব্দ থেকে,নিজেকে স্বাধীন হিসেবে প্রতিষ্টিত করুক।

ভালবেসে ভুলিয়ে দেক তার সতীত্ব হারানোর ইতিহাস,ধুলিসাৎ করে উড়িয়ে দেক ততার মহাপ্রলয়সম এক যন্ত্রণার রাত্রি।।

সেটা আমার ভাই হোক কিংবা অন্য কেউ কিন্তু বিশেষ করে আমি এটা চাইছিলাম আমার ভাইয়্যাকে রাজি করে জাসমিনকে আমাদেরই ঘরে রেখে দেব,কিন্তু সুযোগ পাচ্ছিলাম না কি করে বলবো আর কি তরে রাজি করাবো!!
বলার পর রাজি হবে কি না সে নিয়ে সংশয় ফিল করছিলাম।

আমার স্বপ্নটা অবশেষে বাস্তবে রূপ নিল সত্যি ভাইয়্যা তর মতো ভাই সব বোনের কপালে জুটে না জুটলেও তর মত মনমানসিকতার অধিকারী হয় না রে.......।।।

আমাদের সমাজে যদি এরকম আরো ৪/৫ ভাই হতো তাহলে ধর্ষিতারা সুসাইড করে অকালে নিজের জীবন বিসর্জন দিত না।শত মায়ের ভালবাসা-বাবার ভালবাসা,ভাইয়ের মমতা-বোনের আদর এসব ছেড়ে পারি জমাতে হতো না মৃত্যু নামক না ফেরার কোলে।

আফসোস এই সমাজে এমন মানুষ পাওয়া খুব-ই মুশকিল।
যেই মানুষটি ধর্ষণ করে সেই সবার সামনে এসে বলবে এই মেয়েটি নষ্টা, এই মেয়েটি ধর্ষিতা,এই মেয়েটির চরিত্র ভাল না.....!!

আচ্ছা তোরা দাঁড়া আমি মিষ্টি নিয়ে আসতেছি,তোদের এই অদ্ভুত ভালবাসাটিকে আমি স্মরণীয় করে রাখতে চাই,

আবিদা ছাদ থেকে রোমে চলে গেল, আবারও আমরা দুজন খুব পাশাপাশি বসে আছি,

"সত্যি কথা বলতে কি আজকের আকাশে প্রচুর জোস্না নেমেছে,মনে হচ্ছিল তারকারাজী মিটমিট করে আমাদের পাণে চাহিয়া হিংসা করছে, ঝিঁঝিঁ পোকা যেন মধুর গান ধরেছে,দক্ষিণা বাতাশে যখন ওর চুল গুলো নিয়ে খেলা করছিল তখন চুল গুলো আমার মুখের উপর আঁচরে পরছিল,মনগহীনে এমন এক ভাল লাগা অনুভব করলাম যার কোন ধারণাই আমার ছিল না।

হঠাৎ জাসমিন দাঁড়িয়ে গেল সাথে আমি ও দাঁড়ালাম,
মাথাটি নীচু করে বলতে লাগলো আমি আপনার ভালবাসার যোগ্য নয়,আমার বিবেক বলছে আমি আপনাকে ঠকাচ্ছি।

আরে পাগলী যাকে ঠকানো হচ্ছে সেই মানুষটি যদি সব কিছু জানার পর ও তার বুকে আগলে নেয় তাহলে কি আর ঠকানো হয়?

এদিকে এসো, আসতে চাইল না হাতটি ধরে কাছে টেনে নিলাম বাহুযুগলে বন্ধি করে আলিঙ্গণে কষ্ট বিনিময় করে নিলাম।
এরই মধ্যে আবিদা চলে আসলো পরস্পর দুরত্ব সৃষ্টি করে নিলাম।

-আমি আগ বাড়িয়ে আবিদাকে জিজ্জ্বাসা করলাম কি রে এসব কি?
-তেমন কিছু না এই নাও গোলাপ জাসমিনকে আমার সামনে প্রপোজ করো,,,
-কি বলিস আর প্রপোজের কি কোন প্রয়োজন আছে?
-আছে আছে অবশ্যই আছে.......!!
আমি যেভাবে বলে দেব তুই ঠিক তেমন করে প্রপোজ করবে
-ওকে ওকে জানিনা তর মাথায় কি খেলা করতেছে,,,,,,
-তুমি বলবা...........

"ও গো প্রিয়া আমি ভালবাসি তোমাকে আমার সর্বাঙ্গ দিয়ে,আমি চাই তুমি ভালবাসো আমায় তোমার মনটা দিয়ে,
আমি ছাড়বো না কবু এ হাত রাখবে তো আমার হাতে তোমারই এ হাত"

তার পর জাসমিনের হাতে ফুলটা তুলে দিবা,আমি ঠিক তাই করলাম কিন্তু..............
কিন্তু জাসমিনের আঁখি যুগল থেকে অনবরত আনন্দশ্রু ঝরছিল,বাকহীন মানুষটি মুর্তির ন্যায় দাঁড়িয়ে আছে,খুব ভালবাসি আর ভালবেসে সারাটি জীবন তোমার কোলে মাথা রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে চাই।

অন্য দিকে আবিদাও কান্না করছিল,আমি কি আর চোখের অশ্রু ধরে রাখতে পারি.......?
আবিদা আমাদের আত্মভুলা পরিস্হিতি থেকে বের করে আনলো।তিনজন মিলে আনন্দ ফুর্তি করে নীচে নেমে গেলাম।।

পর দিন সকালে বসে একটা সিদ্ধান্ত নেব কি করা যায়,বিয়ে না কি আপাতত জাসমিনকে ওর বাসায় ফিরিয়ে দিয়ে আসবো, পরিবারের সম্মতি নিয়ে বিয়ে করবো কিনা বিয়ে করে জানাবো।।..........(চলবে+)

Collected

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ