āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2445

ইচ্ছামত বকা দিচ্ছি রিতুকে, অনেকদিন বকা দিইনি। মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে বকা দিই,ওকে কাদিয়ে দিবার জন্য, ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে, কান্না দেখে পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছি।আজ আরেকটু বেশি বকা দিচ্ছি,
`
-- রান্না বান্না করতে পারোনা, এত বড় মেয়ে। তোমাকে তো পাড়ার কোন গাধাও বিয়ে করতো না। বিছানাটাও গুছাতে শেখো নাই।
সবকাজ আমাকেই করতে হয়।
`
আমার বকা যত বাড়ছে বালিকা বধুর কান্নার সুর তত বেড়েই চলছে।
`
-- আমি তো আগেই বলেছিলাম, রান্না বান্না আমি করতে পারব না। তখন তো বলেছিলে বিয়ের পর শুধু ভালবাসবে,কাজ করা লাগবেনা।
`
কথাগুলা বলতে বলতে কান্নার সুর আরেকটু বাড়িয়ে দিলো। বিয়ের আগেও বকুনি দিলে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদতো চুপটি করে। এখনো একটু বদলায়নি।
অভিমানটা চেপে ধরে বেলকুনিতে গিয়ে আচলে মুখ লুকিয়ে কাদছে।
`
আমি মুচকি মুচকি হাসছি ওর মিষ্টি অভিমান দেখে।চুপি চুপি কাছে গেলাম। কাছে যেতেই কান্না আরো বাড়িয়ে দিলো। অভিমানে মুখটা লুকিয়ে নিলো।
সামনে গিয়ে ভেজা বিড়ালের মত দু কান ধরে বললাম, সরি মহারানী।
অবশ্য কান দুটো ধরেছিলাম রিতুর। রেগেমেগে আরো দু চার ঘুষি দিয়ে আমার বুকে মাথাটা চেপে দিল খুব পচা বলে।
`
ভাল লাগে এগুলা উপভোগ করতে। মিষ্টি বকুনি আর মিষ্টি অভিমানে ভালবাসায় প্রতিটা সুর্য অস্ত যায়। অফিস থেকে দেরী করলে ফিরলে বউ এর মিষ্টি ঝারি শুনতে ভালই লাগে। অভিমান ভাঙাতে কিংবা অভিমান করে একটু বেশি ভালবাসা উপভোগ করতে ভাল লাগে।
`
রাতে একসাথে পূর্নিমার চাঁদ দেখা, কিংবা মধ্য রাতের শহরে সোডিয়াম লাইটের আলোতে দুজন রিকশায় হারিয়ে যাওয়া। এর বেশি কিছু চাইনি। বোকা মেয়েটা এতটা ভালবাসতে জানে জানা ছিলনা। বোকা মেয়েরা সম্ভবত যাকে ভালবাসে সবকিছু দিয়ে ভালবাসে।
`
-- আচ্ছা শোন, আমাদের বেবী যখন হবে তখন তো আমি দিন রাত ঘুমাব আর তুমি ওর সব কিছু সামলাবে।
`
কচু সামলাব বলে ভেংচি মেরে চলে গেলো আমার সামনে থেকে। আরো বলে দিয়ে গেলো, বেবিকে গোসল করানো থেকে শুরু করে ইয়ে টিয়ে সব পরিষ্কার নাকি আমাকেই করতে হবে। আর উনি মহারানীর মত ঘুমাবেন।
বালিকার আবদার শুনে রাগও উঠে আবার মুচকি হাসিও পায়।
`
ও হ্যা পাঠকদের বলা হয়নি, আমি বাবা হতে চলেছি। বাবা হবার আনন্দ যে কতটুকু, তা যে বাবা হয়নি সে বুঝবে না। একটা পিচ্চি আমাকে বাবা বলে ডাকবে,নির্ভরতার আঙুলটি ধরে হাটঁবে। ভাবতেই কেমন জানি ভাল লাগছে।
`
কাজ যেনো বেড়েই চলল, বধুর সেবাও এখন করতে হয়। পাশে পাশে থাকতে হয়। এগুলার মাঝেও অনেক আনন্দ খুঁজে পাই যখন ওর মাঝে মা হবার আনন্দটা দেখি আর ভালবাসার তৃপ্তির চাপ ওর মুখে দেখতে পাই।
`
সেদিন খু্ব ব্যাথা উঠল রিতুর। হার্টবিট চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তেছিল। হাসপাতালের করিডোরে বিষন্ন মনে দুশ্চিন্তার চাপ নিয়ে বসে আছি।
অনেক সময় পর সুখবর পেলাম,
রাজ নামে কেউ বাবা হয়েছে।
আনন্দে আত্মহারা হয়ে মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলছিলাম।
`
মেয়ে হয়েছে। একদম রিতুর মত। স্বভাবটাও হয়েছে ওর মায়ের মতই। একটু বকা দিলেই ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদে চুপটি করে। জন্মের দিন থেকেই মেয়েকে আমাকেই সামলাতে হয়। সে ধরেও না মেয়েকে। সবকিছু আমাকেই করতে হয়। বালিকা বধুর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হচ্ছে আমাকে। আর উনি মহারানীর মত দুর আকাশ থেকে নিশ্চই চুপটি করে দেখেন।
স্বার্থপরের মত দুরের আকাশ থেকে মুচকি হেসে হয়তো বলে,
বলেছিলাম না সব করতে হবে।
আমিও করি, সব করি। ইচ্ছা করে মেয়েটাকে কাদাই, আর উপভোগ করি ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদাটা, খোজে পাই আমার রিতুকে। মাঝে মাঝে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুব বকা দিই ওকে,আমার ছোট ছোট স্যাক্রিফাইস এর জন্য সেদিন কেন এত বড় স্যাক্রিফাইস করলো, খুব বকা দিই, কেবল ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেউ কাঁদেনা,,,!! হারিয়ে গেছে চিরদিনের জন্য দুরের আকাশে!
`
লিখা: Kabyo Raz Mithun (রোমান্টিক প্রিন্স)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ