āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2444 (2)

""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম"""""""""""""""""
                         পর্ব (৪)
নতুন এক সকাল, অজানা এক রহস্য নিয়ে নাস্তায় জয়েন হলাম,জাসমিন আবিদার সাথে টুকিটাকি হেল্প করতেছে।
একটু মজা করে বললাম কি রে তুই মেহমান দিয়ে কাজ করাচ্ছিস কেন,,
আমি শত বারণ করেছি ভাইয়্যা কে শোনে আমার কথা।

ওকে চলো নাস্তা করে নেই,নাস্তার ফাঁকে মুখরোচক কিছু গল্পে মাতোয়ারা,
এক পর্যায় আমি জাসমিনকে জিজ্বাসা করলাম নিশ্চয় আপনার বাসার সবাই খুব টেনশনে আছেন,তাছাড়া এতক্ষনে পুলিশ কমপ্লেই করে ফেলেছেন,,

আবিদা ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বললো তুই কি রে ভাই....!!!
আমি ১ ঘন্টার জন্য যদি কোথায় যাই তাহলে তুই কত বার কল করিস........?
তর কলের জন্য কোন দিনই শান্তিতে কিছু করে আসতে পারি না........
ও আচ্ছা মনের কষ্টটা লাগব করার আজ খুবই সুযোগ পেয়েছো তাই না?
উফ সিরিয়াস কথায় তর ফাযলামী......!!

-শোন ও তো আজ দু দিন থেকে বাসার বাহিরে স্বাভাবিক এরকম পরিস্হিতি হবেই।
আর তুই কি আর কথা বলার সময় পেলে না?
জাসমিন নিশ্চুপ হয়ে আমাদের ঝগড়াটা উপলব্ধি করছে।
অবশেষে নাস্তার পর্বটা শেষ করে আমার রোমে চলে গেলাম।
খানিকটা পর আবিদা এসে বলল ভাইয়্যা তোরা বাসায় থাক আমি কলেজে যেতে হবে,,,,
এ কি বলিস আজ কি না গেলে হয় না?
না হয় না যেতে হবে আমার কিছু কাজ আছে
তাহলে জাসমিনকে সাথে নিয়ে যা,তা কি করে হয় আমাকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে সো সে বাসায়ই থাকুক আমি তাড়াতাড়ি ফিরে আসবো।
এই বলে চলে গেল, আমি আমার রোমে আর জাসমিন আবিদার রোমে।
আমি রোমে বসে ফেসবুক ইউজ ও গান শুনতে লাগলাম,,,,
হঠাৎ রোমের দরজায় কারো উপস্হিতি টের পেতেই পিছন দিকে তাকালাম।
দেখতে পেলাম জাসমিন প্রবেশ করার জন্য অনুমতির অপেক্ষা করছে।
হ্যাঁ এসো......
ধীর পায়ে হেটে হেটে রোমের মধ্যিখানে এসে দাঁড়ালো।
-কিছু বলবেন?
-জ্বি,
-ওকে বসেন...
-আসলে আমি আপনাদের বিপদে ফেলে দিয়েছি তাই না?
- মৃদু হেসে কি যে বলেন এসব? এখান বিপদে ফেলার কি? আর কেনই বা এমনটি ভাবছেন?
-নিজের বাসা মনে করতে পারেন কোন চিন্তার কারণ নেই।
-আমাকে বাসায় দিয়ে আসবেন?
-বাসায় গেলে কি সমস্যা হবে না?
-যাই হোক আপনাদের আর কষ্ট দিতে চাই না।
-আমাদের কোন কষ্ট হচ্ছে না বরং আবিদা একজন সঙ্গি পেল।
আমার বলার মতো কিছু নেই আবিদাকে যদি মানাতে পারেন তাহলে যাবেন ও আসুক কি বলেন?
-জ্বি

এই বলে রোম ত্যাগ করলো কিছুক্ষণ পর আমার জন্য কফি বানিয়ে নিয়ে আসলো, সত্যি অনেকটা অবাক হয়ে গেলাম,ও জানলো কি করে এই সময় আমি কফি পান করি, না কি আবিদা বলে গিয়েছে.....!!!

দুপুর একটার দিকে আবিদা কলেজ থেকে ফিরে আসলো,
কাপড় চেন্জ করে ফ্রেশ হয়ে সোজা আমার রোমে কি রে ভাই্যয়া কি করিস?
-কিছু না বসে গান শুনরাম।
-তুই তো গান শুনতেছিস বেচারীর কোন খবর রেখেছিস?
-শোন জাসমিন আমার কাছে এসেছিল,ও বলতেছে ওর বাসায় চলে যাবে আমি তর কথা বলে দিয়েছি যদি তুই যেতে দিস তাহলে যাবে.....
-বাসায় যাবে ঠিকই কিন্তু গিয়ে কি বলবে? কোথায় ছিল এই দুই দিন?
-আমি মনে করি সকল সমস্যা থেকে বের হওয়ার একটাই রাস্তা তুই ওরে নিয়ে ওর বাসায় যাবে,বলবে এ দুই দিন তর সাথে আমাদের বাসায় ছিল।
-কিন্তু উনারা যখন জিজ্বাসা করবেন তাদের জানিয়ে আসলো না কেন?কিংবা আসার পর জানাল না কেন তখন কি উওর দেব?
-কোন অবস্হায় বাসায় পাঠানো যাবে না।
-তাহলে কি করবো?
-আমাদের এখানে থাকতে তো কোন সমস্যা নেই?
-হ্যাঁ সমস্যা নেই যদি আইনগত সমস্যা হয় তখন আমরা কি জবাব দেব?
-সময় হলে সময়ের গান গাইবে আপাতত আমাদের সাথে থাকুক।
-আর শোন আমি ওরে বুঝাবো তুই কোন চিন্তা করিস না।।

"ধীরে ধীরে ওর চলেফেরা,কথা-বার্তা,হাসি-খুশির ডানা গজাতে লাগলো।
ওর ছোটখাট বিষয় দিন দিন আমাকে মুগ্ধ করে তুলছিল।বিশেষ করে ওর হাসি যে কোন পুরুষকে মুগ্ধ করবেই।
সত্যি এক সময় ওর জন্য মনের গহীন থেকে এক অদৃশ্য ভালবাসার জন্ম হয়ে গেল।"
যত দিন যায় ততোই আপন হতে থাকে,আবিদার সাথে তাল মিলিয়ে কাজে ভাগ বসিয়ে দিল,,,,,
অন্য দিকে আবিদা আম্মুকে বলেছে জাসমিন আমাদের বাসায় কয়েকদিন থাকবে,
সো এই ব্যাপারটা নিয়ে তেমন একটা টেনশন করতে হল না।

স্বপ্নীল এই ভূবনে বৈচিত্রময় মানুষের ভিড় থেকে নিয়তি এমন একজনকে আমার সামনে হাজির করেছেন মাঝে মাঝে মনে হয় হয়তো এই আমার জন্য এক মহা পরিক্ষা। চলবে+++

""""""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম"""""""""""""""""""""""
                                পর্ব (৫)
কখনো মন বলে ভালবেসে যাই,কখনো সংশয়,কখনো বা ছলনার ইন্দ্রজাল কিংবা সমাজের পরিস্হিতি,ঘুম পাখি উড়ে গেল,হারিয়ে গেল মুক্তমনা স্বভাব,ভাবনার নদীতে ওর আগমন ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকলো,

সত্যি সত্যি আমি ওরে ভালবেসে ফেলেছি!!
না কি সবই আমার মনের ভুল,ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে দুরত্বের পর্দাটা উঠে যাচ্ছে।

কখনো কফির আড্ডায় নয়তো ছাদের উপর বৈকালের মৃদু বাতাসে স্নান করতে করতে পরস্পর কথা-বার্তা আর হাসির মায়া জালে বন্ধি হতে থাকলাম।

পরিবার ও সমাজ যে মানুষটিকে খুব একটা সহজে মেনে নিবে না সেই মানুষটাকে আমি কি করে আপন করে নেব?
আর কি-ই বা করে ভালবাসবি বলে ভালবাসবো?

আমি কি পারবো এই উভয় সংকটময় সমস্যা থেকে ওরে মুক্তি দিতে?

দ্যাৎ আমি এসব কি ভাবছি?আচ্ছা আমি এসব ভাবছি ও কি এসব নিয়ে কোন কিছু ভাবতেছে, আমার তো মনে হয় না।

বেচারীর মনের উপর অনেক চাপ,কি করবে না করবে কিছুই ভেবে পাচ্ছে না এরই মধ্যে আমি এই টপিক নিয়ে মাথা ঘামানো উচিত হবে না।

-আবিদা বল তো এখন কি করা যায়?
-কি করা যায় মানেটা একটু বুঝিয়ে বলবে তো?
-ইয়ে মানে জাসমিনের ব্যাপারটা..
-ও আচ্ছা, তুই কি ওরে নিয়ে কিছু ভাবতেছিস?
-হ্যাঁ ভাবতেছি কিন্তু......
-কিন্তু কি আবার? আমাকে বল শুনি।
-তুই ১ম এ আমাদের সম্পর্কে যেমনটি ভেবেছিলে আমরা যদি ঠিক এমন হয়ে যাই তাহলে কেমন হয়?
-বুঝলাম না কিছু তুই এত প্যাচিয়ে কথা বলিস কেন একটু খুলে বল তো.....
- নাহ্ থাক অন্য সময় বলবো।
-উফ..! তুই না মাঝে মাঝে এমন কিছু করিস মাথাটা নষ্ট হয়ে যায়।
-তুই থাক আমি গেলাম আমার অনেক কাজ আছে,তর মতো অহেতুক ভাবনা নিয়ে বসে থাকলে আমার হবে না।।

এই বলে আবিদা চলে গেল,আবার ও ভাবনার নদীতে নিজেকে ডুবিয়ে দিলাম নিরুত্তর হয়ে ফিরে আসা এক ব্যার্থ মানব হিসেবে নিজেকে দাঁড় করালাম।।

-এই যে আমার রাগী বোন আজ চল কোথায় বেড়াতে যাই এই বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ হয়ে থাকতে থাকতে বোরিং লাগতেছে।
-কি রে আজ বেড়ানোর সখ জাগলো কোথায় থেকে? আর বলতো শুনি কোথায় যাবে?

-সেটা তো তুই সিলেক্ট করবে।
-ওকে আমাদের বাগান বাড়ি যেতে পারি।
যেই ভাবা সেই কাজ সূর্যের প্রখরতা হ্রাস পেতেই আমরা বাগান বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলাম।।

আকাশটা আধ-ছায়া, দক্ষিণা বাতাশে অন্য রকম এক অনুভূতির আনাগোনা।

হ্যাঁ জাসমিনের জন্য আবিদা দুটি ড্রেস ক্রয় করে এনেছিল  আজ পরিধানও করেছে সত্যি মানিয়েছেও দারুণ।

পাশাপাশি হেটে কোন এক রমণীর সঙ্গে পথ চলার অভিজ্ঞতা এই প্রথম কারণ এরকম পরিস্হিতি হয়ে উঠার কোন ক্ষেত্র কোন দিনই তৈরি হয় নাই।

অবশেষে পৌছে গেলাম আমাদের বাগান বাড়ি, তবে আগের মতো সতেজতা হারিয়ে ফেলেছে তবুও অন্যরকম এক ভাল লাগার অনুভূতি জাগ্রত হল।

চুল গুলো বাতাশের সাথে দুল খাচ্ছিল, অন্যমনস্ক হয়ে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিল,হাজারও চিন্তা মনের উপর অত্যাচার করছিল, হয়তো মুখ খুলে কিছু বলতে না পেরে সকল অজানা ও রহস্যময় প্রশ্ন গুলো মনের ভেতরে কবর দিচ্ছিল।

বারংবার মন বলছিল ওর পাশে যাই, এটা-ওটা বলে একটু হাসিতে মাতিয়ে রাখি,কিছু অনুভূতির বিনিময় করি কিন্তু চাইলেই কি সব সম্ভব?
"চাওয়া পাওয়ার মাঝে মিল থাকা চাই তাহলে তো চাইলে পাওয়া যায়"

অবশেষে আবিদাকে ইঙ্গিত করে বললাম ওরে একটু হাসি খুশি রাখার জন্য।
কিন্তু হিতের বিপরীত হয়ে গেল।
আবিদা একটু বড় আওয়াজে বলতে লাগলো কি রে তোমরা দুজন এত দুরে দুরে থাকার মানে কি, তোমারা পরস্পর কথা বরতে কোন সমস্যা?
এসেছি আনন্দ করে টাইম পাস করার জন্য কিন্তু গোমড়া মুখ বানিয়ে বসে থাকলে হবে?

-ওভার পন্ডিত বোনটা আমার মাঝে মাঝে কি যে করে আর কি যে বলে ভিষণ রাগ উঠে,,,
ঐ দিকে বেচারী লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে এ দিকে ও ফান করছে,

একটু কাছে আসার চেষ্টা করলাম,ততোই দেখি দুরে দুরে অবশেষে আনন্দ ফুর্তি করে গোধুলি লগ্নে বাসায় ফিরে গেলাম।

সন্ধ্যার পর নিত্য দিনের ন্যায় ছাদে বসে তারা গুলোর সাথে মনের কথনে মগ্ন ঠিক তখনই অশরীরি কোন এক অদৃশ্য হাতেরর ছোঁয়া স্বীয় কাধের উপর অনুভব করলাম। (চলবে)

""""""""""""""""""ধর্ষিতার প্রেম"""""""""""""""""""
                              পর্ব (৬)
সেই অদৃশ্য হাত আর কারো নয় সে তো জাসমিন,কিন্তু এই সময় নিভু নিভু আলোতে কেন সে এসেছে...........!!!

-আপনি হঠাৎ এখানে?
-আবিদা বলেছেন এখানে এসে বসতে উনি কফি নিয়ে আসতেছেন।
-ও আচ্ছা, বসেন,,,,
-শোনেন আপনাকে কিছু কথা বলতে চাই।
-বলেন কি কথা বলবেন।
-আপনি সব সময় এভাবে একাকী থাকেন কেন?
-আসলে আমার একাকী ভাল লাগে তাই একাকী থাকা।
-কিন্তু কেন জানতে পারি?
-হ্যাঁ অবশ্যই আজ নয় অন্য এক দিন ঠিকই জানবেন।
-আমি কিছু কথা বলতে চাচ্ছিলাম.....
-অবশ্যই কেন নয় বলেন.........

-আমাদের সাথে থেকে আপনার অনুভূতি কেমন...
-যাই বলি না কেন তার পর ও কম হয়ে যাবে, তবে এতটা খারাপ ভাগ্যের পর একটি নিরাপদ আশ্রয় ও দুজন ভাল মনের মানুষ পেয়ে মনে হয় আমি কোন এক কালে হয়তো ভাল কাজ করেছিলাম সেই কাজের প্রতিদান স্বরূপ এই পাওয়া।
আমি কোন দিন স্বপ্নে ও ভাবি নাই আমার সাথে এমন কিছু ঘটবে যা আমার গুছানো জীবন এলোমেলো হয়ে যাবে।
কেন আমার ভাগ্যটা অন্য দশটা মেয়ের মতো হল না?
সত্যি আমার ভাগ্যটা খুব খারাপ তাই না?

-ভাগ্যকে দোষ দিয়ে কোন লাভ নেই,কারণ এটাই কপালের লিখন,,,,,,,,
আমি বলবো তার পর ও আপনার ভাগ্য অনেক অনেক ভাল আপনি ওদের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছেন।
এমন ও মেয়ে আছে যারা দিনের পর দিন এই অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করে দিনাতিপাত করছে,যারা না বলতে পারছে আর না সইতে পারছে।

সমাজ কি? আমরা বিবেকহীন সমাজের অধিবাসী, সমাজ আমাদের দিয়ে তৈরি সো কে কি বলল আর কে কি করলো সে দিকে না তাকিয়ে নিজেকে নিজের মতো গড়ে তুলেন ও তুলার চেষ্টা করেন।

-জ্বি কিন্তু নিজের উপর নিজের ঘৃণা হচ্ছে, অন্যরা তো আর বেশি ঘৃনা করবে।
-কোথায়?না তো আমি,-আবিদার চোখে কি সেই দৃশ্য দেখেছো, আমরা সব কিছু জানার পর কি কোন প্রতিক্রিয়া  করেছি,না করি নাই তাহলে বিষয়টা এই ৩জনের মধ্যে রেখে দেওয়াই ভাল।
-বুঝলাম ৩ জন কিন্তু সত্য আজ না হয় কাল বের হয়ে আসবে তখন কি করবো, কি জবাব দেব?

এরই মধ্য কফি নিয়ে আবিদা চলে আসলো।
তোরা কি করিস, জাসমিন কেমন লাগছে?
-জ্বি ভালোই লাগছে,
-এই নাও কফি পান করো....
-আমার ভাইয়্যাটা বোবা হয়ে গেল না কি? ইদানিং কথার মাত্রা কমিয়ে দিল ব্যাপার কি?
-দুর না তো তর মতো বকবক করার অভ্যাস আমার নেই তুই একটা এফ এম রেডিও।
-আমি যদি এফ এম রেডিও হয়ে থাকি তাহলে তো তুই আমার ভাই, বল তুই কি?( হাহাহা)অট্রহাসিতে জমে উঠলো সন্ধ্যার আড্ডাটা।

খুনশুটি আর গল্পগুজবে অনেক সময় পার করে দিলাম, কিছু ভাল লাগার সময় আর কিছু ভাল লাগার বিষয় জানাজানি।
অতঃপর আমরা রোমে চলে গেলাম ডিনারের পর্ব শেষ করে প্রত্যেকই স্বীয় রোমে চলে এলাম।

দুজন একসাথে থাকার সুবাদে চুটিয়ে গল্প করতে পারে,
এক সময় জাসমিন বলে উঠলো এভাবে আর কত দিন আমি থাকবো আপু,কোন এক ফায়সালা করতে হবে বৈ কি?
সাথে সাথে আবিদা বলে উঠলো অবশ্যই আমার ভাবি হয়ে থাকা যায়..............

-আপু এ কি বলেন......!!!
-যা সত্য তাই বলতেছি, কারণ আমার ভাইয়্যার উপর দৃঢ় বিশ্বাস আছে ওর বোনকে হ্যাপি করার জন্য যে কোন কিছু করতে রাজি থাকবে।
নাহ্ আপু তা হয় না,
-কেন হয় না? না হওয়ার কি আছে?
-কারণ তো আপনারা দুজন ভাল করেই জানেন, আমি জেনে শুনে আপনাদের নিকট এই খারাপ-ইজ্জতহীন মেয়েকে সমর্পন করতে পারি না,
এটি বিবেকহীন একটি কাজ,এটা নিমক হারামি হয়ে যাবেবে,সত্যি আপু এটা বিরাট অন্যায়।

আমি কোন সময়ই রাজি হতে পারবো না,আমার এই অপবিত্র দেহ দিয়ে আর কোন পবিত্র মানুষের দেহ অপবিত্র করতে চাই না,,
এই সমাজে এখন ও যে বেঁচে আছি সেটাই অনেক বড় পাওয়া,আপু প্লিজ আমাকে আমার উপর ছেড়ে দেন।।।

-না জাসমিন তুমি হয়তো আমার রক্তের কেউ না কিন্তু তোমার সাথে আমার আত্মার একটি সম্পর্ক হয়ে গেছে যে সম্পর্কটি তুমি এখনও বুঝে উঠতে পার নাই।।।

-আমি চাই না তুমি কোন সমস্যায় জর্জরিত হয়ে নিজেকে নিঃশেষ করে দাও,চাই না তোমার জীবন হাস্যকর হয়ে যাক।
আমি এ ও চাই না কোন অবস্হায় তোমার জীবন ধ্বংস ও অসহ্যময় হয়ে উঠুক।।।

-তুমি নিজেকে বুঝার চেষ্টা করো,বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখো।
-মিথ্যে এই স্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই আপু ,কি পেলাম স্বপ্ন দেখে?
আপু আমি ও চাইছিলাম কোন একজনকে ভালবেসে সেই একজনার হতে, কিন্তু ঐ নরপশু গুলো কি সেটা করতে দিল?
ছিনিয়ে নিয়ে ধুলিসাৎ করে দিল সব।।

-তাতেই কি জীবনের মানে শেষ হয়ে গেল?
তুমি দৃষ্টান্ত হয়ে যেতে পারবেনা?

-আপনি তো জানেন আপু একটি মেয়ের সবচেয়ে দামি হল তার ইজ্জত,একবার যদি তা চলে যায় সহস্র বছর কান্না কিংবা কোন মূল্য দ্বারা ক্রয় করা বা শুধরানো যায় না, এই সমাজে ইজ্জতহীন নারীর কোন দাম আছে,,,,,,,??

-তা তো ঠিক, তবে তোমাকে কিছু কথা বলি,তোমার বেঁচে থাকা, তোমার স্বপ্ন গুলোকে সাজানো শুধুই তোমার জন্য।।

-অভিশপ্ত দেহ নিয়ে কি করে বাঁচি আপু?
-তোমাকে তো অবশ্যই বাঁচতে হবে,মানুষ পতিতালয় থেকে ফিরে এসে নিজেকে মু্ক্ত করে নতুন জীবন শুরু করে,কতেক প্রেমের নামে দেহ ব্যবসা করে সব কিছু হারিয়েও বাঁচে,কতেক তোমার মতো নরপশুদের কবল থেকে মুক্ত করে জীবনকে সংগ্রামী হিসেবে গড়ে তুলে ওরা যদি পারে তুমি পারবে না কেন?

-আর মনে করে -ঔষধ গুলো খেয়েছো তো?
-হ্যাঁ খেয়েছি আপু।
-ওকে,রাত অনেক হয়ে গেছে ঘুমিয়ে যাও।।।
আর একটি কথা আমাকে আপু আপু না ভেবে বন্ধু মনে করতে পারো সো আর আপু ডাকটা যেন না শুনি।
-হুমমমম ওকে............(চলবে++)

Collected

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ