))ফাযিল পোলা(((
😁😁
>> আম্মু......ভু.........ভুত......আম্মু (নুসাইবাহ জোরে চিৎকার দিয়ে উঠল । আর সাথে সাথেই বাড়ি শুদ্ধ লোক হাজির । আর আমি ভয়ে খাটের তোলায় ।
>> কিরে এরকম ষঁাড় এর মত চিল্লাস কেন(নুসাইবাহ এর আম্মু
>>> তাহলে কি করব শুনি ; ঘুম থেক উঠে যদি ভুত দেখতে হয় তাহলে ......( একটু রাগি গলায়)
>>> ভুত ; হাহাহাহাহাহ ;( নুসাইবাহ এর বাবা )
এই সাত সকালে ভুত হাহাহাহাহাহ ,
সবাই একসাথে হেসে উঠছে । আহারে বেচারির অবস্থায়ই না এখন কি হাহাহাহা আমার ত তার চেহারার কথা মনে পড়েই হাসি পাচ্ছে হাহাহাহা । আমি ত খাটের তলায় বসে সেই মজা নিতেছি হাহাহাহাহ ।
>> মামুনি তুমি মনে হয় স্বপ্ন দেখেছ তাই ......আচ্ছা এখন যাও ফ্রেশ হয়ে নাও ( আমার আম্মু)
>>> হুম ঠিক বলেছেন ভাবি ( নুসাইবাহ এর আম্মু )
সবাই চলে গেছে , উফ বাইচা গেছি । কিন্তু বেচারি মেয়েটা যে এখন মাথা গরম কইরা আছে আর তা বলতে হবে না । আর তাই বাইর হওয়ার সাহস পাইতাছি না
অহ আমার পরিচয় টা আগে দিয়ে নেই । আমি নাসির ; এইবার অনার্স ৩য় বর্ষে । আর যারে ভয় দেখাইয়া পচাইলাম সে হইল আমার আন্টির মেয়ে নুসাইবাহ , আমার সাথেই পড়ে । আমি ত সেই ধরনের ফাযিল , যারে পাই তার লগেই আছি ্ হাহাহাহ একেবারে হেনস্ত কইরা ছাড়ি দেখলেন ত মেয়েটারি কিতা করলাম । কেউ শান্তি পায় না
>>> ওই ফাযিল উঠ ( আমার কান ধইরা উঠাইতাছে )
>> আরে ওই ওই ছাড় ছাড় লাগে ত ; ছিরা যাইব ত
>> না আজ তুমারে আমি আর ছারতেছি না বাছাধন , আমারে ভয় দেখানি ; এখন এর মজা পাইবা
>>> উফ বেথা লাগে ত ছার না
>> জিনা আগে তোরে শাস্তি দিমু
>> অ তাই , আরে আঙ্কেল ( হঠাৎ কইরা দরজায় চাইয়া , আর অমনি অ ভয় পাইয়া আমার কান ছাইরা দিছে হাহাহা এইবার আমারে কই পায় দে দৌড়
>> আরে ওই ফাযিল দারা বলতেছি , আমার সাথে চিটিং ভাজি , দারা তুই আজকে
>> এহ আমি আর তোর কাছে ধরা দিতেছি না , হাহাহাহ বাই বাই
এখন শুরু হইয়া গেছে চোর পুলিশ খেলা । আমি হইলাম চোর আর অ হইল পুলিশ । পুরা ঘোর তছনছ কইরা লাইছি
>>> অই তোরা কি শুরু করলি , সকাল সকাল ( আম্মা )
আমি ত আম্মার পিছে গিয়া লুকাইলাম
>>> দেখ আম্মা আমারে হুদাই মারতে আইছে
>> কিহ আমি তোরে শুধু শুধু মারতাছি ওই দারা তোর আজকে খবর আছে
>> এহ কইলেই হল খবর আছে ( মুখ ভেংচি মাইরা )
বইলাই আবার দৌড় ।
>> আরে আরে করস কি ( আমি ভয় পাইয়া)
>>> আ......আম্মু
এইরে আমার উপরে পইরা গেছে তাও সোফায় পড়ছি নইলে আমার হাড্ডি আর আস্ত থাকত না , উফ কি ভারির ভারিরে
দুইজন দুইজনের চোখের দিকে তাকাইয়া আছি । আহা বালিকার চোখে ত আজ দুষ্টামি দেখতে পাইতেছি না আজ সেখানে দেখাতেছি অন্য কিছু । আজ কিহ যে হল আমিও চেয়ে আছি তার দিকে অপরুপ নয়নে । কি সুন্দর তার চোখ দেখলেই মন জুড়াইয়া যায় ।
আরে ছবি তুলে কেটা ওমা চাইয়া দেখি
>> আরর আব্বা ছবি তুল কেন( আমি অবাক হইয়া)
বালিকার এতখনে হুস ফিরছে । কখন যে আব্বা আম্মা আর আন্টি আঙ্কেল আইছে টেরি পাইছি না তারা তারি কইরা দুইজন উইঠা দারাইলাম
>> না তোদের রোমান্টিক দৃশ্যটা স্মৃতি হিসেবে রাইখা দিলাম ( মুচকি হাইসা)
সবাই দেখি আমাগো দিকে তাকাইয়া মুচকি মুচকি হাসতেছে । আর উনি ত লজ্জায় একেবারে লাল টকটকা হইয়া গেছে উফ কিযে সুন্দর লাগতাছি । লজ্জায় ঘোরে দৌড় দিছে
>>> দুর আব্বা মুডটাই নষ্ট কইরা দিলা , একটু রোমান্টিকতা করবার দিবা না নাকি
>> ওরে আমার রোমান্টিক ছেলেরে যান এইবার হাত মুখ ধুয়ে খেইয়ে দেয়ে কলেজ যান , সময় ত আর কম হল না ( আম্মা
ওহ আপনাদের ত বলতেই ভুইলা গেছি আমি আর অ একি কলেজ & একি বাসায় থাকি । নিজস্ব বাসা আব্বু আর আঙ্কেল দুইজনে মিলে করছে ।
যাক খেয়ে দেয়ে কলেজ এর দিকে রোয়ানা দিলাম সাথে বালিকা মানে নুসাইবাহ
দুইজন এ রিকশা দিয়া যাইতাছি
>>> ওই কি করস ( নুসাইবাহ )
>>> আরে রিকশাটার ঢাকনা দিয়া তোরে ঢাইকা দিতাছি যাতে রোদে পুইরা মুখা কালা না হইইয়া যায়
>>ইসস কি ঢং , ঢং দেইখা ত আমার লাফ দিতে ইসসা করতেছে
>> তাইলে দে না করছে কে ,না পারলে আমি ধাক্কা দেই
>>> কিহ এত বড় কথা দুর থাক তুই আমি গেলাম , ওই মামা রিকশা থামাউ
>> আরে আরে কই যাস খারা , দুর ( একটা বিরক্তি ভাব নিয়া রিকশা থেইকা নামলাম পরে ভাড়াটা দিয়া বালিকার পিছে দৌড় দিলাম
>>> ওই দারাছ না , আমি আর পাইতেছি না
>> পারব না ,
>> প্লিজ রাগ করিস না ; আমি সত্যি আর পারতেছিনা একটু দারা না প্লিজ্জ
>> জি না না না ( চিৎকার দিয়ে)
>> আ......রে......আ......ও......ই
পরে আর মনে নাই কিছুই হঠাৎ মাটির মধ্যে জ্ঞান হারাইয়া পইরা গেলাম
বাসায় আনার পড় , সবার চিল্লাচিল্লির শব্দ শুনবার পাইছি , কি ভায়েরা মনে করছেন সত্যি কি অজ্ঞান হইয়া গেছি । জীবনেও না নাটক করলাম হাহাহাহ ভাই স্কুলে নাটকের লিগা প্রথম হওয়ার রেকর্ড আছে আমার তাই পাগলি মেয়েটা বুঝতেই পারে নাই আমার নাটক হাহাহাহা । যখন পইরা গেছি , তখন একটা চিল্লান মাইরা আমার কাছে আইছে , সাথে সাথে কয়েকটা লোক নিয়া বাসায় আইছে । আমি এখনও ভাব ধইরা আছি ।
একটু পড় ডাক্তার আইল,
>> ডাক্তার সাহেব আমার ছেলেটার কি হইছে ( আম্মা )
>> হুম বেপারটা খুবই জটিল , তবে চিন্তার কারণ নাই , একটা গরুর ইঞ্জেকশন মারলে সব ঠিক হইয়া যাইব
এ বলে কি আর কিছু পাইল না শেষমেষ ......
একটা চোখ দিয়া উকি মাইরা দেখি ইঞ্জেকশন খুলতেছে । খাইছে এখন কি করি সত্যি সত্যি মারলে ত আমি শেষ
>> আরে আরে ডাক্তার কাকু করেন কি । এইটা আর মারার দরকার নাই আমি সুস্থ হইয়া গেছি এই দেখেন ( আমার এরম কাজ দেইখা সবাই অবাক হইয়া আমার দিকে তাকাইয়া আছে । প্রত্যেকটা চোখ আমার দিকে এরম ভাবে তাকাইয়া আছে মনে হয় গিলা খাইব । আমি অবস্থা বেগতিক দেইখা দিলাম দৌড় একেবারে বাড়ির বাইরে ।উফ কি বাচাটাই না বাচছি । কিন্তু পরে কি করুম......
বাইরে ত আইসি । এখন কিযে করাম বুঝতাছি না ।এতখনে বাসায় আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হয়ে গেছে এইটা নিশ্চিত । এখন বাসায় যাইতেও ভয় করতাছে । দুর সামনে টং দোকানে গিয়া এক চাপ খাইলাম তারপরে কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি কইরা বুকে সাহস নিয়া বাড়ির দিকে গেলাম । এক পা আগাইলে দশ পা পিছাই । কি করুম আমার আত্মা দুরুদুরু করতাছে । যাক অবশেষে দরজার কাছে আইছি আল্লাহ্ ভরসা কইরা কলিং বেল এ টিপ দিলাম দেখি কি হয়
দুরু যা কেউ ত দরজা খুলে না , কেমনটা লাগে
ওমা দরজা দি খুইলা গেছে যাক আম্মা দরজা খুইলা দিছে । ওমা কথা না কইয়া যাইতাছে গা । মুখের ভাব দেখাইয়া ত মনে হইতাছে.........আমার ত গলা শুকাইয়া গেছে আর খিদাও লাগছে প্রচুর
>> আম্মা ভাত দেও না খিদা লাগছে (চিল্লান দিয়া কইলাম)
>>............(নিশ্চুপ)
>>কি হল কথা বল না কেন ( একটু রাগ দেখাইয়া)
>> ......( তাও কথা বলে না দুর কেমনটা লাগে)
নিজেই গেলাম রান্না ঘরের দিকে ওমা রান্না ঘর দেখি তালা মাইরা রাখছে আল্লাহ এখন কি করাম খিদার জালা এমনি সহ্য করবার পাইনা উফ ভাল্লাগে না এক প্রকার বিরক্তি ভাব নিয়া নিজের ঘরের দিকে গেলাম
হায় হায় আমার ঘরেও তালা মাইরা রাখছে
দুর এখন নুসাইবাহ দের ঘরের দিকে গেলাম
>> আন্টি ও আন্টি খিদা লাগছে খাইতে দেও
>> ......( আন্টিও নিশ্চুপ । ও আল্লাহ সবাই আমার লগে এ কেমন যুদ্ধ শুরু করছে
>> তুমি ও আমার সাথে .........( একটু করুমা স্বরে বইলা উইঠা গেলাম
কি আর করাম খিদার জালা লইয়া পেত্নিটার ঘরের দিকে গেলাম ঘুম পাইছে খুব নিজের ঘরে ত আর জাইগা পাইলাম না
>> কি রে ঘুমাইয়া গেসস নাকি
>>......( বালিকাও দেখা যায় কথা কয় না এ কেমন জালা)
>> থাক তোর আর কষ্ট কইরা কথা কইতে হইব না এখন আমার ঘুম পাইছে সর আমি ঘুমামু
অমা বালিকা এমন ভাবে তাকায় আছে কেন ভুল কিছু কইছি না নাকি তাতে আমার কি আমি
পাছ কাইটা শুইয়া পরছি
>>> ওমারে গেলাম রে.........ইসসস হাড্ডি মনে হয় সব শেষ ( উফ নুসাইবাহ আমারে ধাক্কা দিয়া খাট থেইকা ফালাইয়া দিছে )
>> ওই ফাযিল তোর এইনে কি যা ভাগ , আর যদি কোনো দিন এইখানে দেকছি তোরে । তুই বাইর হইইয়া যা ঘোর থেকে ( চিল্লান দিয়া দাঁত গুলালে যাবানির মত কথা কইতাছে)
আমি ত অবাক হইয়া গেছি এটা কি সেই নুসাইবাহ আমি যারে এতদিন ধরে চিনি এটা কি সেই যে আমারে ছাড়া একমুহুর্ত থাকতে পারে না আজ সেই আমাকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলতেছে
আমিত শুধু অবাক হইয়ে তার মুখের দিকে তাকাইয়া আছি । আজ তার চোখে কোনো ভালবাসা দেখতে পারতেছি না সেখানে শুধু ঘৃণা দেখতাছি
থাক মনেত দুঃখ মনে রাইখা বাড়ির বাইরে চলে আস্লাম
দুর ভাল লাগতাছে না কিছু একটু খালি ফাযলামুই করছিলাম এত বড় শাস্তি দেওয়ার কি আছিল
যাক এখন আমারে কষ্ট দিছে না আমিও তাগরে কষ্ট দিমু দেখুক কেমন লাগে আমি যানি আমারে ছাড়া একদীনও থাকতে পারব না ওই বাড়ির কেউ
এখন কইদিন আর বাসায় যামু না দেখি কি হয় ।
দোস্তরে ফোন দিলাম...
>> ওই হারামি কই তুই ( আমি)
>> আবে এত রাতে কই থাকুম বাসায় ত আছি
>> অ আচ্ছা দুস্ত একটা ভেজাল হইয়া গেছে
>>> কি হইছে
পরে হারামিটারে সব খুইলা কইলাম ( আবার ভাইবেন না কাপড় খুইলা কইছি তাইলে আর মান ইজ্জত থাকত না )
যাক একটা ব্যবস্থা ত হইছে এই কইদিন আমার থাকুন যাইব তবুও আজকে নুসাইবাহ এর আচরণ এ অনেক কষ্ট পাইলাম
আমার সাথে সে এরম করতে পারল
দুস্ত এর বাসায় খালি ওর আম্মা আছে ওর আব্বা কইদিন এর লিগা দেশ এর বাইরে গেছে এই জন্যে থাকতে পাইতেছি যাক কি আর করার এখন একটু ঘুমানো জাক
সকালে উঠে নাস্তা করে তারাতারি নুসাইবাহ এর কলেজ যাওয়ার রাস্তায় গেলাম
পকেটে কিছু টাকা আছে তাই এখন আর এক্টা নাটক করুম
ওই ত পেত্নিটা আইতাছে তারাতি রাস্তার পাশের দোকান থেইকা একটা কলা আর একটা রুটি নিয়া খাইতে লাগলাম আর লগে চা
মেয়েটা আমারে দেকতেছে আর অবাক হইয়া তাকাইয়া আছে
অবাক হওয়ারি কথা কারণ সে যানে আমি কখনও বাইরের জিনিস খাই না
ওরে দেখাইতেছি মানূষ খিদা লাগলে যেইভাবে পায় খিদা মিটায়
আর আমি ত সকালে নাস্তা কইরাই আইছি দুস্ত এর বাসা থেইকা
যাক আমি খাবারটা শেষ করে ওরে না দেখার ভান করে উঠে গেলাম
যানি এখন সে কলেজ এ না গিয়ে বাসায় যাবে কারণ সে ত আর আমার কষ্ট দেখতে পারে না
যাক এইভাবে দুইদিন চালাইলাম
পরেদিন এরম ভাব দেখাইলাম যাতে মনে কড়ে আমার টাকা শেষ
এই খাইছে আজকে দেখি আব্বাও সাথে আমি তারাতারি কইরে উঠতে যামু
>> ওই হারামি দ্বারা কই যাস ( আব্বা জোরে ডাক মারা শুরু করছে
আমি না শুনার ভান কইরা চইলা যাইতেছি
আবার ডাক দিল
>> ওই হারামি দ্বারা বলতেছি ,
এখন দ্বারাইয়া গেলাম
>> কি এখন ভাব দেখানি শুরু করসস নাকি আমাদের চিনস ই না , আর দোকান এর এমন আজাইরা জিনিস খাইতে কে বলছে শুনি ( এক প্রকার ধমকের শুরেই বল্ল)
>> কি আপনার কথা শেষ তাহলে আমি আসি
আসলে কথা বলতে ইচ্ছা করতেছে তাই চইলা আসলাম
আর আব্বা আর নুসাইবাহ দুইজনেই আমার এরকম আচরণ এ অবাক হয়ে আছে
দেখুক এখন কেমন লাগে মজা......এই ভাবেই কয়েকদিন যাওয়ার পর
>> ওই বেটা উঠ ( দুস্ত আইয়া ডাকা শুরু করছে ঘুমাইতেছিলাম
>> ওই হালা ডাকস কেন
>> তারাতারি উঠ এক জায়গায় যামু
>> মানে কি এই সাত সকালে কই যাবি
>> চল ত গেলেই দেখতে পাবি । আর পাঞ্জাবি পইরা নিস
>> এ আবে কি হইছে তোর পাঞ্জাবি পরুম মানে ...
>> দুর এত কথা কস কেন জেইটা কইছি সেইটা কর ত
কি আর করার অগত্যা তার কথা শুন্তে বাদ্ধ হইলাম
>> কিরে তুই আমারে কই নিয়া আইলি এত সাজানি কেন জাইগাটা ( আমি চারদিক অবাক হইয়া দেক্তাছি )
>> একটূ পরেই টের পাবি
>> তোর মতিগতি আমার কিন্তু ভাল লাগতাছে না
>> দুর চুপ থাকত
কি আর করার হারামিটার পেটে এ বোমা ফাটাইলেউ কথা বাইর করতে পারুম না
তাই আমি চারাদিকে চোখ বুলাইতে লাগলাম এত মানুষ আর কত সুন্দরীও আছে দেখা যায় যাক একটু ফাযলামি ত করা যাইব
কিন্তু সেই চিন্তা একটু পরেই দুর হইইয়া গেল দুস্ত এর কথা শুইনা
>> কাজি সাহেব জামাই আইসা পরছে বিয়া পরানি শুরু করেন( দুস্ত)
>> ওই হালা কস কি জামাই কে আর কার বিয়া? ( আমি ত অবাক হইয়া গেছি )
>> কার আবার তোর ( দেখি হালায় মুচকি মুচকি হাসে)
আমি পুরাই আকাশ থেইকা পরলাম বলে কি
>> ওই তোর মাথা কি ঠিক আছে আমার বিয়া মানে...
>>আমার মাথা ঠিক ই আছে এইবার চল ত অনেক দেড়ি হইইয়া গেছে
>>> এহ তোর কথায় আমি বিয়া করুম নাকি ফহিন্নি তুই কইত্তে না কইত্তে মেয়ে ধইরা আনবি আর আমি বিয়ে করুম জা ভাগ
>>> দেখ তোর কিন্তু বিয়া করতেই হইব নইলে.........
>>> কি নইলে কি
>>> নইলে তুই আমারে আর দুস্ত ডাকবার পাইতি না
>>> ওই এইটা তুই কি কস তুই হইলে আমার জানের দুস্ত তুই এইটা কইতে পারলি
>> হুম বলতে পারলাম এখন তুই রাজি কিনা বল
>> আচ্ছা যা রাজি তবুও আমার বন্ধুতা ভাংতে পারুম না
অগত্যা রাজি হলাম কিছু করার নাই জানের জিগার দুস্ত আমার ওর কিছু হইলে আমি এমনিতেই পাগল হইইয়া যামু তাই কবুল টা বইলাই ফেল্লাম জানি না কার লগে যে বিয়া দিছে
ওমা কি দেখি এইটা ......আমার পরিবার এর সবাই এইনে কি করে আব্বা আম্মা আন্টি আঙ্কেল চাচা মামা সবাই দেখি আইসা পড়ছে বুঝতাছি না কিছু
>> যাক তবে বিয়েটা করলি ( আব্বু)
>> মানে , কার লগে বিয়ে দিছে
>> কেন আমার ঘরের লক্ষী মেয়ে নুসাইবাহ এর সাথে ( আব্বু)
বলে কি ......আল্লাহ কি হইল এইটা
>> তার মানে তোমারা সবাই জানতা , এর লিগা আমার দুর্বল জায়গাটা কাজে লাগাইলা
>>> হুম আমার ফাযিল পোলা ( আম্মু)
>> আমি এই বিয়ে মানি না ( এক প্রকার চিল্লান দিয়ে বল্লাম
সবাই আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । ঠিক ই ত বলছি যেই মেয়ে আমারে ঘোর থেকে বের করে দেয় তার সাথে আমি ......।।জীবনেও না
>> মানে কি তুই এখন কবুল বলসিস আর ওর সাথি তোকে থাকতে হবে বেস ( আম্মু)
>> আমি পারব না , (
রাগ দেখিয়ে উঠে যাইতেছি , এমন সময় কে জেন আমার হাতটা ধরল
পিছন ফিরে দেখি নুসাইবাহ
আমি হাতটা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলাম কিন্তু পারলাম না অনেক শক্ত করে ধরে আছে
>> কই যাস হ্যাঁ শুনি আমারে বিয়ে করে এখন ফালাইয়া রাইখা চলে যাইতেসস
>> তাতে তোর কি , আমি ত আর তোর কেউ না
>> কে বলছে কেউ না তুই এখন আমার স্বামী
>> কিসের স্বামী আমি এই বিয়ে মানিনা , যে আমাকে ঘৃণা করে আমাকে ঘোর থেকে বের করে দিতে পারে তার সাথে আমি জীবনেও না ( কথা গুলো একপ্রকার রাগ দেখিয়েই বল্লাম)
>>প্লীজ আমাকে তুই ক্ষমা করে দে , ওই দিন আমি রাগের মাথায় তোর সাথে খারাও বেবহার করে ফেলছি আমি তোর কাছে হাত জোর করে ক্ষমা চাইছি ( করুনা স্বরে বলতেছে )
আমি অন্যদিকে মুখ করে আছি ওর দিকে একটুও তাকাই নাই , ওই দিন আমি যে কষ্ট পাইছি কি বলে বুঝাব
কাছের মানুষ টা যখন কষ্ট দেয় তখন সবচেয়ে বেশী আগাত লাগে
>> কি কথা বল্বি না আমার সাথে
>>......
>>> ওকে বলতে হবে না আমি চলে যাচ্ছি
কি করে বলব কথা আমার ত অনেক ইচ্ছা করছে কিন্তু পারছি না ত
দেখি ও চলে যাচ্ছে ।আটকাতেও পারতেছি না , আজ কি সুন্দর বউ সেজেছে একদম পরীর মত লাগতেছে সবার চোখ আমার দিকে সে আস্তে যাচ্ছে যদি আমি আটকাই সেই আসায় কিন্তু আমি যে পারতেছি না পা আমার অবশ হয়ে আস্তেছে
কেন পারতেছি না নিজেও জানি না
আজ এই ফাযিল ছেলের কি হল বুঝতেছি না
তারা তারি করে ওকে কোলে তুলে নিলাম
>> ওই কই যাস আমারে থুইয়া হুহ
অ শুধু অবাক হয়ে দেখছে দুইজন দুইজনের চোখের দিকে তাকিয়ে আছি কি সেই চোখের চাহনি ওই চোখ যেন আমাকে তার কাছে টানছে
হে আমি পেরেছি তাকে আমার কাছে আনতে
>> আমি জামি তুই আমায় আটকাবি কারণ তুই আমার ছাড়া থাক্তেই পারবি না ( কান্না শুরে )
্র>>> হুম ঠিক বলেসিস , তুই আমার কলিজা তুই যদি চলে যাস তাহলে আমি যে মরে যাব
>> চুপ ওই কথা আর মুখে আনবি না ( আমার মুখে চেপে ধরে
কখন যে নিজের চোখে পানি চলে এসেছে নিজেও জানি না । আজ এই ফাযিল ছেলেটি কাউকে ভালবাসতে পেরেছে পেরেছে সবার হৃদয় এ জায়গা করে নিতে
>> অওকে অনেক রোমান্টিকতা হইছে ,
তা আমার ফাযিল পোলা এখন একটা ছবি হয়ে যাক ( আব্বু)
>> আরে আব্বু দাড়াও দাড়াও আগে ভাল করে ওরে কোলে নিয়া নেই যে ভাড়ির ভাড়ি আমি ত কাহিল হইয়া গেছি
_>> কিহ আমি ভারি থাক তাহলে আর নিতে হবে না ( অভিমান করে
>> আরে বউ আমার অভিমান করছে
কে বলছে ভারি এই দেখ নিলাম তোমারে কোলে
>> আরে......আরে করস কি পরে যাব ত
ভয়ে সে আমার গলে জড়ায়া ধরছে
>> হ্যাঁ বউ আমার ভয় পাইছে ্ আব্বা এইবার তূলো ছবি
>> রেডি
>>> হুম
বউ দেখি লজ্জায় লাল হইইয়া গেছে
হাহাহাহাহাহাহাহ
#ফাযিল_পোলা
#সমাপ্ত
Collected
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ