āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3435

গল্পের নাম-                বিচারক
"
"
'দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ যখন অবসরে গিয়েছে,তখন আর ওই কলেজে কোন অধ্যক্ষ নেই।অনেক শিক্ষক কে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে অধ্যক্ষ দিয়েছে।এরপর অবশেষে ওই কলেজে হৃদয় আহমেদ নামে একজন নতুন অধ্যক্ষ এসেছে।কলেজ খুব ভাল ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করছে।
নতুন অধ্যক্ষ আসার পর  থেকে কলেজের রেজাল্ট ও অনেক ভাল হচ্ছে। সবই আল্লাহর রহমত, আর তার ইচ্ছে।

একদিন ওই দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের একজন ছাএী নুসরাত জাহান আর একজন দ্বিতীয় বর্ষের ছাএ সিয়াম ইসলাম আসলো,অধ্যক্ষের কাছে!!!
এসেই বলল-

>আসতে পারি স্যার??(সিয়াম ও নুসরাত)

>হুম আসো(অধ্যক্ষ সাহেব)

>বলো! তোমাদের দুজনের কি কোন সমস্যা হয়েছে??(অধ্যক্ষ সাহেব)

তখনই মেয়েটি বলতে থাকলো--

>স্যার আমি যখন "আই এল সি" কোচিং এ কলেজ ছুটির পর পড়তে যাচ্ছি।

তখন এই সিয়াম বজ্জাত ছেলেটি আমায় কোচিং সেন্টার এর নিচে আমায় ধর্ষন--------(কান্না করে করে নুসরাত বলেছে, পুরোটা বলতে ও পারে নি)

>না স্যার আমি এইসব কিছু করিনি। আর আমি এইসবে অকে কোন জোর করিনি,  ওর সাথে আমার পরিচয় আমরা যখন বর্নমালা স্কুল এন্ড কলেজে পড়েছি তখন থেকে।(সিয়াম)

>অধ্যক্ষ হৃদয় আহমেদ তখন অনেকটা চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন,

আবার  একটু সমস্যায় ও পড়ে গিয়েছেন,
কারণ ঘটনাটি সিয়ামের একতরফা ছিল
না দু জনের সম্মতি
ছিল?
তখন অধ্যক্ষ সাহেব একটি
কৌশল আবিষ্কার করেন,
সে নুসরাত কে বলল মা তুমি আমার পাশে এসে বস,কান্না করো না।
এর উপযুক্ত বিচার আমি করছি।
একটু অপেক্ষা করো।

আর ছেলেটিকে বলল তুমি আমার বরাবর বস,

তখনই অধ্যক্ষ সাহেব তার পকেট
থেকে  একটি নতুন ৫০০ টাকার নোট দিয়ে বলল,
আজ হচ্ছে রবিবার তুমি আগামী রবিবার,
মোটকথা
এক সপ্তাহ পরে
তুমি যদি বরাবর এই নোটটি আমাকে
এনে দিত পারো,
তবে
তুমি কোন দোষী হবে না।

আর তুমি যদি দোষী না হও।
তাহলে সিয়াম কে এই কলেজ থেকে বাহির করে
দিব,
একবারে লাল রং এর স্বাক্ষর দিয়ে দিবো।
যাতে আর কোথাও ভর্তি হয়ে কোন মেয়ের
সম্মান না নিতে পারে।

>ওকে স্যার (চোখের পানি মুছতে মুছতে নুসরাত বলল)

>যাও মা,এবার বাসায় যাও।(অধ্যক্ষ সাহেব)

>ওকে স্যার!(নুসরাত)

নুসরাত তখন অধ্যক্ষ সাহেবের দেওয়া নতুন ৫০০ টাকার নোট নিয়ে
বাসায় চলে গেল।

এবার অধ্যক্ষ সাহেব  সিয়ামকে
বলল,,,

>শুনো সিয়াম তোমার কাজটা হলো,
তুমি যেভাবেই
পারো, তুমি নুসরাতের থেকে
৫০০ টাকার
নোটটি নিয়ে আসবে।(অধ্যক্ষ সাহেব)

তখন সিয়াম নুসরাতের কাছে গিয়ে
এই ৫০০
টাকার নোটের
জন্য অনেক কাকুতি মিনতি করল,
কাজ হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ৫০০ টাকার নোট দুই হাজার
টাকার ক্রয়
করতে চাইল।

কোন কাজ হয়নি।

পরে ছেলেটি মেয়েটিকে জোর করে
ধরে শরীরে আঘাত
করে টাকা নিতে চাইলো।
কোন কাজ হয়নি।

এক সপ্তাহ পর দুই জনই  অধ্যক্ষ সাহেবের
কাছে
আসলো,

>আসতে পারি স্যার (নুসরাত)

>আরে নুসরাত আসো আসো,
এখনে বসো!(অধ্যক্ষ সাহেব)

>স্যার, ওই সিয়াম বজ্জাত ছেলেটি
আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকার নোটটি
নেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছে,
আমি দেইনি স্যার।
এবং কি!
সে আমার বাড়ীতে গিয়ে জোর করে
এই নোট আনতে
চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমার শরীরে
আঘাত করে,
তাতেও আমি দিইনি স্যার।(নুসরাত)

তখন অধ্যক্ষ হৃদয় আহমেদ এর আর
বুঝতে বাকি নেই।
সে বলল-

>শুনো নুসরাত  আমার বুঝতে আর বাকি
নেই।
৫০০ টাকার নোটটি যেভাবে রক্ষা করেছ,
তুমি চাইলে
ওই দিন তোমার সাথে "আই এল সি"
কোচিং সেন্টারে  যেভাবে সিয়াম
তুমায় বিভিন্ন কিছু করেছে,
প্রতিটি অঙ্গে যখন সিয়াম অশ্লীলতা করছে,
তুমি কি তখন ঘুমিয়ে পড়েছিলে??
বেয়াদব,
৫০০ টাকার নোটটি যেভাবে রক্ষা করেছো।
তোমার সম্মানটা ও তো  সেভাবে রক্ষা করতে
পারতে।
সুতরাং তোমরা
দুজনই সমান অপরাধী।

এই নাও,তোমাদের টি.সি দুজনই এখনই এই কলেজ থেকে বাহির হয়ে যাও।

অতঃপর সিয়াম ও নুসরাত দুজনই চলে গেছে।
আমি কিছু বোন কে বলছি।

আমি সব মা-বোনকে বলছিনা।
কেউ রাগ
করবেন না।
বোন আপনি আপনাকে কতটুকু চিনেন?
আপনি জানেন আপনার পায়ের নীচে
জান্নাত।
আপনি জানেন,ইসলামের সর্বপ্রথম শহীদ
মহিলা।
আপনি কি জানেন?
সর্বপ্রথম বিশ্ব
নবীকে নবী হিসেবে
বিশ্বাস করেছিল একজন মহিলা।

আপনি কি জানেন?
সর্বপ্রথম ইসলাম কবুল
করেছিল
একজন মহিলা।
আপনি কি জানেন?
আল্লাহ একজন
মানুষকে সালাম
দিয়েছিল,
তিনি ছিলেন একজন
মহিলা।
আপনি কি জানেন?
ডেলিভারীতে
আপনার মৃত্যু হলে,
আপনি শহীদ হবেন।
কেন এই সামান্য জিন্দেগীতে
আল্লাহর নাফরমানী
করছেন?
বোন,
,৫০০০টাকা দিয়ে চুলে সিল্ক করতে
পারেন।
কিন্তু ৫ টাকা দিয়ে ব্যান্ড কিনে চুল
বাধতে
পারেন না?
৪০০০ টাকা দিয়ে দামি জামা
কিনতে পারেন।
কিন্তু ১০০টাকা দিয়ে উড়না কিনে
বুকটা
ডাকতে পারেন না??
১০০ টাকা দিয়ে মেহেদী লাগতে
পারেন!
কিন্তু ২ টাকা দিয়ে ব্লেড কিনে
হাতের
নখ গুলা কাটতে পারেন না?

তিন হাজার টাকা জিন্সের প্যন্ট
কিনতে পারেন.
কিন্তু
৫০০ টাকা দিয়ে একটি বোরকা কিনতে
পারেন না।
আর শুনেন আমার সকল মা-বোনেরা
যেসব দেশে নারীরা বেপদ্দায় চলেফেরা করে।
সেসব দেশে ধর্ষনের লীলা চলবে না।
তো কি চলবে????
সে দেশে কি নারীদের সালাম দিবে নাকি!
সারা পৃথিবীতে যদি সব নারীরা পদ্দায় চলাফেরা করতো।তাহলে ইনশাল্লাহ খবরের কাগজে একটাও ধর্ষনের নিউজ শুনতাম না।
আজ ধর্ষন কেন হচ্ছে??
সব নারীদের বেপদ্দায় চলাফেরার কারনে???
অনেক মেয়েকে বলি আপু আপনি কি নামায পড়েন?
তখন বলে হুম পড়ি,
পদ্দায় থাকেন??
হুম থাকি।
মুখ কি ঢেকে রাখেন??
না এইটা পারি না,এটা আমার নিশ্বাসের সমস্যা হয়।
এইসব বলে। শুনো  মেয়েরা যেদিন ধর্ষনের মুখে পড়বে সেদিন বুঝবে?
নিশ্বাস কোনদিক দিয়ে বাহির হয়েছে।
আমার মনে হয়, আজ কালকের মেয়েরা নিজের পুরো শরীরটা যেভাবে পুরুষদের দেখিয়ে বেড়ায়।
আমার মনে হয়
ওইসব মেয়েরা মনে মনে  চায় যে,
তাদের কে কেউ জোর করে ধর্ষন করুক।
আর ভাল ভাবে ধর্ষন না করতে পারলে ছেলেটা খারাপ তাকে ফাঁসিয়ে দিবে।

শুনো মেয়েরা সূরা আল বাকারাহ্ আছে,হে আমার  মুমিন বান্দারা তোমরা যদি ইসলামে প্রবেশ করতে চাও, তাহলে পরিপূর্ন ভাবে প্রবেশ করো।আংশিক ভাবে প্রবেশ করো না।
 
তাই আমার সকল বোনদের কে বলছি,
ইসলামে আংশিক ভাবে প্রবেশ করো না,পরিপূর্ন ভাবে প্রবেশ করো??

ঠিক তেমনি পদ্দা করো,পরিপূর্ন ভাবে, আংশিক ভাবে নয়।

আর যদি পদ্দা আংশিক ভাবে করো,তাহলে রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে চলেফেরা করলে যে পাপ হবে,ছোট ছোট পোশাক পড়লেও একই পাপ হবে!!
জাহান্নামের ভয়ানক আগুনে পুড়তে ইচ্ছে হলে বেপদ্দায় চলাফেরা করতে পারো।

হে বোন যারা আজকে তোমাকে সমান
অধিকার দেওয়ার নামে তোমাকে
রাস্তায় বের করে এনেছে, মনে
রেখো কেয়ামতের দিন এরাই
তোমাকে জাহান্নামে টেনে নিয়ে
যাবে।

                ~সময় থাকতে সাবধান হও~

                               সমাপ্ত

[-বিদ্র-গল্পটা জানি না আপনাদের কাছে কতটুকু কাল্পনিক,তবে আমার বিশ্বাসে অনেকটা বাস্তবতা ও বর্তমান কার্লচালের ওপর ভিত্তি করে লিখেছি,আশা করি ভুলক্রটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন'কেননা মানুুষ মাএই ভুল-]

লেখক-হৃদয় আহমেদ এ এইস

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ