āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ā§Š āĻ…āĻ•্āϟোāĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2955

"শ্বশুর বাড়িতে প্রথম যাত্রা"
লেখায়:- Eyvan Rahman(গাঙচিল)
--------------
বুধবার রাতে বউয়ের কল-----
ঝিনুক:- হ্যালো স্যার তুমি কি করো?
আমি:- আমি ফেসবুকে কাজ করতেছি।
ঝিনুক:- কত কইলাম আমারে একটা ফেসবুক খুলে দাও,কিন্তু দাও না।
আমি:- ধুর এটা ভালো না।
বউ:- তুমি যে চালাও।আর শুনো আমারে বাপের বাড়ি রাইখা গেছো আজ পাঁচ দিন হলো।তোমার কি একটু কষ্ট হয় না আমার জন্য।
আমি:- হয়,কি আর করুম বলো সরকারি চাকরি করি তাই বিজি থাকি।
বউ:- অত্ত কথা রাখো কাল এসে আমায় নিয়ে যাও,আর ভাল্লাগে না আমার।
আমি:- শুক্রবারে আসতেছি।অফিস ছুটি তিনদিন।একটু ধৈর্য্য ধরো।
বৃহস্পতিবার বাড়িতে গেলাম।একটু ফিলিংসটা অন্যরকম প্রথম শ্বশুর বাড়ি যাবো।মানুষ যেন আমার খারাপ বলতে না পারে।আম্মাকে সব বললাম,আম্মা কিছু টিপস দিলো।আমার চাচাতো ভাইয়ের বউ অর্থাৎ ভাবীকে বললাম।ভাবী আমার বয়সে অনেক ছোট তাই তেমন ফ্রি না বলে নাকের নিচে ঘুন ঘুন করে কিছু টিপস দিলো।
এইবার আমার ফ্রি ভাবীকে বললাম,তাঁর টিপস------
ভাবী:- কথা খুব কম বলবা।
আমি:- এমনিতেই কম কথা বলি তো?
ভাবী:- ওহ্ নো,স্বাভাবিক কথা বলবা,আর ফ্যাঁক ফ্যাঁক করে হাসবা না।বউরে পাইয়া বেশি মগ্ন হবা না।
আমি:- ছিঃ কি বলেন?
ভাবী:- আর লজ্জামুখর ভাব নিয়ে থাকবে।আর আশেপাশে মানুষদের সম্মান করবা।আর কি যেন বললা লজ্জার কথা------(হি হি হি এক গাল হেসেই যাচ্ছে)
আমি:- তারপর কি করুম?
ভাবী:- আর খাবে কম,যদি বাজারে যেতে বলে যাবে ভালো বাজার করবে।একটুই হবে।
আমি:- ওকে আমি যাই,মানসিক প্রস্তুতি নিতে থাকি।
শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে রেডি হলাম।
৩কেজি মিষ্টি নিয়ে রওনা হলাম।একটু লজ্জা লাগছে বটে,কিন্তু কি আর করার বিয়ে করেছি।
শ্বশুর বাড়িতে গেলাম।অন্যের মা-বাবা কে মা-বাবা বলতে কেমন কেমন লাগে।যাক মা-বাবার সাথে কুশল বিনিময় করলাম।দেখি বউ রুম থেকে বেরিয়ে আসছে।বাহ্ আমার চোখ কপালে উঠেছে।সাদা শাড়ির মাঝে হাতে কাজ করা ফুল,সবুজ রংয়ের রেশমি চুড়ি,দুগালে নুয়ে পরেছে চুল,লিপস্টিক দিয়েছে।আর আমার সাদা ও সবুজ রং খুব পছন্দ তাই তাই দুই রং মিলিয়ে সেজেছে।মনেহলো বউটারে-----------(চুপ বলা যাবে না)
ঘন্টাখানেক পর খাওয়ার পালা----
এনেছে হাতে গুনে ৮টি আইটেম,এর মধ্যে আমার প্রিয় খাবার খাবার হলো আলু ভাজি,মশুরির ডাল,মুরগি, আর ডিম পোচ্।
ভাবীর কথা মাথায় রেখেছি বেশি খাওয়া যাবে না।তাই কম খেয়েছি।উফফফ খাওয়ার এক ঘন্টা পর এমন খিদা লাগছে কেমনে বলি এখন।বউ আমারে টেনে রুমে নিয়ে গেলো,আমি বললাম একটু বাজারে যাবো।বাজার থেকে খেয়ে আসলাম।বউয়ের চাচি,বোন,দাদিরা দেখতে আসছে আমায়।আমি খুব লজ্জা মোড নিয়ে কুশল বিনিময় করি।
আমি একমাত্র ছেলে,আর আমার বউ হলো একমাত্র মেয়ে।কিন্তু ওর একটা ছোট ভাই আছে,নাম রিজন।
রিজন কে না দেখলে ও না চললে বুঝতাম না ব্রিটিশরা কত শয়তান ছিল।সব সহ্য করেছি।এইবার রাতে খাওয়ার পর একটা সিগারেট টেনে শেষ করা মাত্রই পেটে এমন মোচড় দিয়েছেরে ভাই বলার বাইরে।
কেমনে বলি টয়লেট কই?লজ্জাগিরি বহু দেখাইছি,বুকটা ফুলিয়ে বউরে দুই আঙ্গুল দেখিয়ে বললাম ওটা কোন দিকে।বেশ আমায় নিয়ে গেলো,আমি ভেতরে আমার বউ বাইরে।সবেমাত্র মধ্য পর্যায়ে কাজ, তখনি বউ দিলো এক চিৎকার,"ব্যাঙ ব্যাঙ".কেমনটা লাগে খুব দ্রুতই বেরিয়ে এসে বউকে জরিয়ে ধরে বলি কই ব্যাঙ, ব্যাঙ নাই।
বউ:- তুমি এত দ্রুত?
আমি:- হুমমম।
বাবা:- বাবা কি হয়েছে?(আমার শ্বশুর)
বউ:- ব্যাঙ বের হইছে।
রাতটা পেরিয়ে সকাল,বউ বলে বাজারে যাও।মহা বিপদ!গেলুম বাজারে আল্লাহ্ বলে।
এমন বাজারে গেলাম শালার ভালো কিছুই নাই।বউরে দিলাম ফোন,বউয়ের কথা মতো সব এনেছি।
দুপুরবেলায় এক দাদি এসেছে---
দাদি:- কিরে ছ্যারা আমার নাতনী কেমন?
আমি:- ভালো।(কি ম্যীনস করছে বুঝি নাই)
দাদি:- ভালো হলেই ভালো।আমার নাতনী সুখেই আছে।
আমি:- দুআ করবেন দাদি।
এবার রাতের বেলা:-----
আমি:- বউ কাল চলে যাবো।
বউ:- না,দু-চারদিন থেকে যাবে।
আমি:- না,আমার অফিসে কাজ আছে।খালি বউ নিয়ে থাকলে হবে না।
বউ:- তুমি এটা বলতে পারলে,আর কয়টা মেয়ের সাথে কি করো?
আমি:- ওহ্ এটা বলতে চাই নি।শ্বশুর বাড়ি বেশি থাকতে নেই।আমি ঘুমাবো।
বউ:- হি হি হি ঘুমানোর জন্য তোমাকে বিয়ে করি নাই।ঘুমানো যাবে না।চলো তুমি------------------(কবি চুপ)
পরেরদিন চলে আসবো বউয়ের মন খারাপ বাপের বাড়ি বলে কথা।অবশেষে চলেই আসলাম।এটাই আমার প্রথম যাত্রার অভিজ্ঞতা।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ