āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

954

---------"একবুক ভালোবাসা"---------
.
-দেখো স্বপ্নিল তুমি একদম আনরোমান্টিক!এরকম একটা আনরোমান্টিক ছেলেকে আমি আর একমূহুর্তের জন্যও ভালোবাসবো না।ভালো থেকো!(ছোঁয়া)
-তা তোমার কেনো মনে হচ্ছে আমি আনরোমান্টিক?(আমি)
-আমার বান্ধবীদের কাছে শুনেছি প্রেমে তাদের বয়ফ্রেন্ড তাদের কোমল হাতে স্পর্শ করে,রুমডেট করে!আর তুমি জীবনে কোনোদিন আমাকে স্পর্শ করেছো কিনা তা আমার মনেই পড়ছে না!(ছোঁয়া)
-দ্যাখো ওসব ভালোবাসা দেহলোভী,দেহের স্বার্থ হাসিল করার পর তারা চলে যায় ব্রেকাপ নামের ধারালো অস্র দিয়ে আঘাত করে।এতে কি হলো,একটা মেয়ের জীবন নষ্ট হলো!তারা পরবর্তীতে স্বামীর জন্য কিছু দিতে পেরেছে!পেরেছেকি তাদের স্বামীর নিকট একটা স্বতী দেহ সপে দিতে?এটাকে প্রেম না একজন নারীর সতীত্ব আর একজন পুরুষের প্রাপ্য অধিকার হনন বলে!আর আমরা বিয়ের পরেই না হয় ওভাবে ফ্রি হয়ে নিবো।(আমি)
-ঠাসসসসস।তোর মতো আনরোমান্টিক ছেলের সাথে আর একটা সেকেন্ডও নষ্ট করছি না। (কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছোঁয়া একটা দিয়ে চলে গেল)।
.
-ছোঁয়াটা এমন কেনো।কিছুই বুঝতে পারছি না!কিছু ভালো লাগছে না ছোঁয়া আমাকে এভাবে ফেলে চলে গেলো!ওর কথা ভেবে বাড়ীর ছোট রাস্তার শুরুতে বসে আছি। [এই ভর মাগরিব ওয়াক্তে এক পৌড় বয়স্ক লোক এসে বললো বাবা আমাকে একটু সামনের বড় বাশ ঝাড়টা পার করে দিবে?লোকমুখে শুনেছি ওটা নাকি ভালো না]
-আমিও ওদিকটায় যেতে ভয় পাই।আমার কাকা যেদিন বলেছিল একদিন ওই বাশ ঝাড়ের পাশ দিয়ে মাগরিব ওয়াক্তে আসার সময় তিনি কিছু বুঝে উঠার আগে তার গালে কে যেনো প্রচন্ড জোরে চর দিয়েছিল কিন্তু চারিদিক খুঁজে দেখে কেউ নেউ।তারপর তিনি দ্রুত ওখান থেকে দৌড়ে চলে আসেন।তবুও কি আর করা পৌড় লোকটার মায়াভরা চেহারা আর আকুতির কন্ঠে আমি আর না বলতে পারলাম না।পৌড় লোকটাকে সাথে নিয়ে যাচ্ছি।এই যাহ এই ফুলচার্জ দেয়া মোবাইল আবার বন্ধ হয়ে গেলো কেনো!কিছুতেই চালু করতে পারছি না!
.
-সমস্যা নেই বাবা টর্চ লাগবে না আমরা দুজন আছি আর এখনো এতো অন্ধকার হয়নি।(পৌড় লোক)
-আশ্চর্য আমি টর্চ খুজছি লোকটা জানলো কিভাবে? (আমি,মনে মনে)
-তোমার নাম কি বাবা?(পৌড় লোক)
-স্বপ্নিল।(আমি)
-তা স্বপ্নিল এই বাশ ঝাড় সম্পর্কে তুমি কতটুকু জানো?নির্ভয়ে বলতে পারো আমরাতো দুজন আছি।(পৌড় লোক)
-আসলে কাকা,এখানে নাকি অনেক খারাপ কিছু  ঘুরে বেড়ায়।যখন স্বাধীনতার যুদ্ধ হয় তক্ষন এখানে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প রাজাকাররা পাকিস্তানিদের সাহায্য করতে মাইন ফিট করে উড়িয়ে দেয়।তখন থেকে এই বাশ ঝাড় এমন আর দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও এখানে অনেক লাশ পাওয়া যেতো!কেউ কেউ বলতো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এরা পাকিস্তানিদের সাহায্য করতো।কিন্তু কারা মেরে এদের এখানে ফেলে সে হদিস মিলে নি।খুব ভয়ংকর ভাবে মারা হয় তাদের।।এখনো রাতের বেলায় বিকট চিৎকারের সাথে অনেকে "জয় বাংলা" বলে মিছিলের ধ্বনি শুনতে পায়!(আমি)
.
-তুমি কার থেকে শুনছো?(পৌড় লোক)
-আমার দাদার কাছে আমার দাদাও মুক্তি বাহিনীর যোদ্ধা ছিলেন।যখন মাইন বিষ্ফোরন হয় আমার দাদা সে রাতে বাড়ী গিয়েছিল বাসার সবার খোজ-খবর নিতে!(আমি)
-এতোটা ভয় থাকা সত্ত্বেও তুমি আমাকে সাহায্য করতে এসেছো তোমার এরকম মানবতার জন্য রইলো আমার একবুক  ভালোবাসা। আর আমি হচ্ছি একাত্তরেই সেই মুক্তিকামীদের একজন।তোমার দাদার মতো ভাগ্য আমাদের হয়নি, স্বাধীন দেশ আমি দেখতে পারি নি।ভালো থেকো,দাদার মতো দেশপ্রেমী হতে চেষ্টা করো,,,বিদায়।(এই বলে পৌড় লোকটি মিলিয়ে গেলেন কোথায় যেনো)।
.
-আমিতো এতোক্ষনে ভয়ে একাকার।কিন্তু গর্ব বোধ হচ্ছে একজন শহীদের সাথে কথা বলছিলাম।যাওয়ার আগে যিনি আমাকে দিয়ে গেছেন বুক ভরা ভালোবাসা। কিন্তু যাই কিভাবে!ওইতো এদিকে একটা লোক আসতেছে কাছে আসতেই দেখলাম একটা মেয়ে অপরূপ সৌন্দর্য্যের অধিকারীনি!
-আপনি একা যাচ্ছেন?আমিও একা চলেন একসাথে যাই!(অচেনা মেয়ে)
-আচ্ছা তাহলে ভালোই হয়!(আমি)
-কিছুদূর যাওয়ার পর,, এমন কোনো মেয়ে আছে যাকে তোমার হৃদয় সঁপেছো?(অচেনা মেয়ে)
-হুম আছে কিন্তু আজ সকালে সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।(আমি)
.
-চিন্তা করো না সব ঠিক হয়ে যাবে।তোমার সততা আমাকে মুগ্ধ করেছে।একটা সুন্দরি মেয়ে তোমার পাশে থাকা সত্ত্বেও তুমি তাকাও নি পর্যন্ত।এরকম মানবতা যদি পাকাসেনা আর রাজাকার বাহিনীর থাকতো তাহলে আমার ইজ্জত আর জীবন দিতে হতো না!তোমার জন্য রইলো আমার একবুক ভালোবাসা! (এই বলে মিলিয়ে গেলো মেয়েটি ধোঁয়াশা অন্ধকারে।আমার বুঝতে বাকি রইলো না তিনি ছিলেন একাত্তরের সেই দুই লক্ষ মা-বোনের একজন)!
.
[পরেরদিন সকালে ছোঁয়া ফোন দিলো,স্বপ্নিল একবার পুকুর আসতে পারবে]?
-হুম বলো কেনো ডাকলে?(আমি)
-আসলে তুমিই ঠিক আমি ভুল ছিলাম!(ছোঁয়া)
-কেনো মনে হলো?(আমি)
-আসলে কাল আমার যে বান্ধুবী বলেছিল তার বয়ফ্রেন্ড খুব রোমান্টিক,তার সাথে রুমডেট করেছিল? তার সেই বয়ফ্রেন্ড আরেকটা মেয়েকে নিয়ে রুমডেট করতে গেছে যা আমি নিজ চোখে না দেখলে তোমার ভালোবাসা বুঝতাম না।।তোমার জন্য চিরকাল থাকবে আমার একবুক ভালোবাসা।তুমি আমাকে মাপ করে দাও।(ছোঁয়া)
.
[ছোঁয়ার কথাতে আমার মনে পড়ে যায় কালকে রাতের সেই মুক্তিকামীদের কথা যারা আমাদের
মাঝে নাই কিন্তু রেখে গেছে তাদের একবুক  ভালোবাসার সুন্দর উপহার আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ]
.
-মাঝে মাঝে ভাবি  বিয়ে-বন্ধন হীনা প্রেমগুলা যদি পঞ্চইন্দ্রিয়ের ধরা ছোয়ার বাহিরে থাকতো তাহলে আমাদের পৃথীবি কতই না সুন্দর হতো!জানি তা হয়তো হবে না,আকাশ-কুসুম কল্পনা মাত্র।
.
পাঠকদের জন্যও রইলো আমার একবুক ভালোবাসা!ধন্যবাদ।
.
লেখকঃ সংগ্রামী মধ্যবিত্ত (স্বপ্নিল লেখক)
.

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ