★★ কখনো ভাবিনি তোমাকে পাবো ★★
.
-আমি বাসের জানালার পাশে কানে হেড
ফোন গুজে দিয়ে বসে আছি। উদ্দেশ্য (আমতলী সরকারী কলেজ)
---আমার ঘুম চলেই আসছিল এমন সময় এক কিন্নর কণ্ঠী বালিকার
ডাকে জেগে উঠি (আমি)
-- এই যে মি. শুনছেন.......?
আমি অবাক দৃষ্টি তে চেয়ে আছি
মেয়েটি দিকে,
--মেয়েটা দেখতে
কালো কিন্তু তার চোখের আলোয় যেন তার
প্রত্যেক অংগ আলোকিত হয়ে আছে।এ যেন
কোনো এক কালো মেঘে ঢাকা অপ্সরী।কি
অপরূপ তার চাহনি।
---কানে শুনেন না নাকি??
--- জ্বি বলেন।(ভাবনার জগত থেকে ফিরে
এসে)
---- আমি বসব.
--- আমি কি ধরে রেখেছি??
---একটু সরে বসেন।
--- জ্বি।
কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে মেঘ সুন্দরী আবার
চেঁচিয়ে উঠল...
.
---এত ঘেসে বসছেন কেন?
--- আজব এত জায়গা লাগে নাকি??
----হুম লাগে আরও চেপে বসেন!
-----আর কই চাপবো দেখতেই তো পাচ্ছেন
জায়গা নেই।
----- আমি জানি না?
------- ধুররর........
বলেই অন্য সিটে গিয়ে বসলাম।
.
--তারপর দেখলাম মেঘ সুন্দরী তার এক বান্ধবী
কে পাশে বসিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে
ভেংচি কাটছে।
এসব দেখে, রেগেমেগে
মেয়েটির কাছে গেলেই মেঘ সুন্দরী কানে
হাত দিয়ে মিষ্টি সুরে বলল!!
:- সরিইইইইই
সাথে সাথে আমার সব রাগ পানি হয়ে গেল।
.
----ইটস ওকে, বলে আবার নিজের সিটে গিয়ে বসলাম ।
মেয়েটি খিলখিল করে হাসছে। যে হাসিতে
কোনো অভিনয় নেই সহজ সরল হাসি। তবে এ
হাসি দেখার সৌভাগ্য আর বেশি ছিল না
কারন মেঘ সুন্দরী বাস থেকে নেমে গেছে।
আমার খুব ইচ্ছে করছিল তার সাথে
আরেকবার কথা বলার।
.
পরের দিন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড রিয়া র ছোট্ট ভাইয়ের
এর বার্থডে পার্টিতে গেলাম। পার্টি রিয়াদের
বাসাতেই ছিল।
বাসার সামনে দাঁড়িয়ে
কলিংবেল চাপ দিতেই দরজা খুলে দিল।
.
--মনে হয় কেউ আমার অপেক্ষায় ছিল।
কিন্তু দরজার ওপাশে যে দাঁড়িয়ে ছিল তাকে
দেখে আমি যেন ৪২০ ভোল্ট এর শক খেলাম, এত
সেই মেঘ সুন্দরী।
--আমার মুখ দিয়ে কোনো
কথা বেরুচ্ছিল না।সে শুধু হা করে তাকিয়ে
আছে।
.
---আপনি এখানে???
----না মানে এটা রিয়াদের বাড়ি না।
---- হুম।
----- আমি রিয়ার ফ্রেন্ড।
এরই মাঝেই রিয়া এসে উপস্থিত।
.
---কিরে দোস্ত এতক্ষন লাগে??
----সরি দোস্ত রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল।
-------আচ্ছা এখন ভিতরে চল।( রিয়া)
----- হুম চল।
আমি ভিতরে ঢুকেই রিয়াকে জিজ্ঞেস
করলাম...... .
.
---দোস্ত মেয়েটা কে??
--- ও আমার কাজিন।
-----আচ্ছা।এখানেই থাকে??
----হুম এখানে আসছে ভর্তি হবার জন্য।
-----মানে এখানেই থাকবে তোদের বাসায়??
- হ রে বাপ ।এত পেচাল পারিস না চল কেক
কাটতে হবে। চল.........
.
--- আমি তো খুশিতে আত্মহারা। তার মানে এখন
মেঘ সুন্দরী মানে ওর সাথে প্রায়ই আমার কথা
হবে।
খুব সুন্দর করে সেজেছে কিন্ত তাকে সাজ
ছাড়াই বেশি ভাল লাগে।
সেদিন আর কোনো কথা হল না কিন্তু বারবার
আড় চোখে দেখছিলাম তাকে।
.
--ব্যাপারটা সেও বুঝেছে বাট রাগ করে নি।
একবার চোখে চোখ পড়ার সাথে সাথেই একটু
ভয় পেয়ে হাত রাখা পানির গ্লাস থেকে
পানি ফেলে দিলাম।
দেখে সেই কি হাসি রে
মামা।
.
--তারপর প্রায় প্রতিদিন না হলেও ২-৩ দিন
পরপর রিয়াদের বাসায় যেতাম কারণ শুধু
একটাই ও......
---মেয়েটা বেশ দুষ্টু ছিল... একদিন
তো জিজ্ঞেস করেই ফেলল.....
--আপনি এ বাসায় এত ঘন ঘন আসেন
কেন??
-- আমি কি বলব ভেবে পাচ্ছি না...
---- কি ব্যাপার কথা বলেন না কেন ??
.
-- ইয়ে না মানে রিয়ার কাছে কিছু কাজ
ছিল তো তাই...
----ও আচ্ছা বুঝছি...
এরকম প্রশ্নের ফাদে ফেলত মেয়েটা.........
.
তো একদিন রাস্তায় হাটছিলাম উদ্দেশ্য
রিয়াদের বাসা। পথের মাঝেই রিয়ার
ফোন।
---- হ্যালো দোস্ত!!
--- হ্যা রিয়া বল?
---- কই তুই??
---- এই তো তোদের বাসার রাস্তায়।
দোস্ত একটা হেল্প করতে পারবি??
.
(মনে মনে বললাম সালি. আর টাইম পাইলি না)
-------- কি বল??
--আসলে ওর আজকে ওর স্কুলে কি এক
ফাংশন ছিল তাই দেরি করে ছুটি হয়েছে। এখন
ওকে একটু বাসায় দিয়ে আসতে পারবি আমি
একটা কাজে ফেসে গেছি।
.
-- আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে
"আচ্ছা বুঝেছি তুই কোনো টেনশন
নিস না "
আমি ওকে কে বাসায় পৌছে দিব।
---আমাকে আর কে পায় ডিরেক্ট দৌড় দিলাম
ওর স্কুলে । ( ধানখালী আস্রাফ একাডেমি)
.
----স্কুলের সামনে এসে দেখি ও দাঁড়িয়ে
আছে। সবুজ রঙের শাড়ীতে দারুন লাগছিল
তাকে বেণী করা চুলের মাঝে ছোট একটা
লাল গোলাপ দেয়া।
মেয়েটি কালো কিন্তু খুব
মায়াবী তার চেহারা আল্লাহ যেন তাকে খুব
নিখুঁত ভাবে বানিয়েছেন।
.
আমি তার কাছে যেতেই বলল......
--- আপনি এখানে??
---- হ্যা মানে রিয়া এর আর্জেন্ট কোন কাজ
চলে এসছিল তাই আমাকে বলেছে তোমায়
বাসায় দিয়ে আসতে।
----- ও আচ্ছা চলেন তাহলে।
------ চল।।
দুজন পাশাপাশি চুপচাপ হাটছি হঠাত লক্ষ্য
করলাম ওর হাতে এক গোছা গোলাপ ফুল।
এত ফুল??
.
---- হুম আমার বয়ফ্রেন্ড দিয়েছে..
------ মানে??? ( আমার মাথায় যেন হঠাত বজ্রপাত
হয়েছে)
----মানে কি আবার আমার বি এফ থাকতে পারে
না।
ঠাসসসস দিলাম একটা ওর গালে ও অবাক
হয়ে তাকিয়ে রইল।
আমি ভর্কে গিয়ে বললাম।
.
----- তুমি শুধু আমাকে ভালবাসবে আর কাউকে না
"তুমি শুধু আমার".....
(নিশ্চুপ হয়ে তাকিয়ে আছে)
---- আমি কোনো অভিনেতা না যে বড় বড়
ডায়লগ দিব এক কথায় বলে দিচ্ছি ভালবাসি
তোমাকে।
ভালবাসবে আমাকে।??
--- এটা মুখে বললেও তো হত এভাবে মারা
লাগে। রিলেশনের আগেই মারছো পরে কি
হবে জানি (কাঁদো কাঁদো স্বরে একটানে বলে
দিল)
-----" আই এম সরি"
বাট তোমার মুখে বিএফ এর কথা
শুনে মাথা ঠিক ছিল না তাই আমাকে মাফ
করে দাও প্লিজ।
---- আর কোনোদিন গায়ে হাত তুললে হাত ভেঙে
গলায় ঝুলিয়ে দেব।
.
---- আচ্ছা।
--- হুম Love u too চল।
----- তোমার বিএফ???
---- তোমার হবার ইচ্ছে না থাকলে আগের টা
কেই ধরবো।
.
---- না না কি বল??
---- হুম এখন বাসায় দিয়ে আস।
------- চল।।
ওহহো ওকে তো পরিচয় করানোই হইনি।
ওহ আপনাদের সাথে আমি খালি খালি মিথ্যা কথা বল্লাম .......
আসলেই ও পরির মতো সুন্দর আর নামটা অজানাই থাক..........
এটাই হলো বর্তমান যুগের প্রেম।
writer: Arefin Emi Arif (বাবুনীর দুষ্টু বাবুটা)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ