___অবাধ্য প্রেম___
.
ময়মনসিংহ নগরীতে...!!
ঠিক এই মূহুর্তে রেগে আছে ওম।
.
এইমাত্র স্নান করে এসেছে। চুলগুলো এখনো ভেজা। হাতে রাখা ভেজা কাপড়গুলো নাড়তেই চোখে পড়ে ওম'কে। ওম গায়ের জোরে ক্রিকেটের ব্যাটটা দিয়ে বলের উপর আচ্ছামত আঘাত করছে। সে দেখেই বুঝে গেছে নিশ্চয়ই ওম রেগে আছে। গামছা দিয়ে চুলগুলো মুছতে মুছতে এক'পা দু'পা করে এগিয়ে আসছে ওমের দিকে। নূপুরের ঝনঝন আওয়াজ, বাতাসে ভেসে আসা চুলের সুগন্ধ আর মুচকি হাসির শব্দে ওম ঠিক টের পেয়ে গেল অহনা বৌদি আসছে।
.
কিন্তু আজ ওম অহনা বৌদির দিকে ফিরে তাকালো না। বাহ্ বাহ্ খুব রেগে আছে দেবরজী।
--(মধুর গলায়) কি ব্যাপার দেবর সাহেব..?? মনে হচ্ছে আজ অনেক রেগে আছেন..?? (অহনা বৌদি)
---(ওম কোন কথা বলেনা। ও ওর কাজেই ব্যস্ত)
--কি আমার সাথে কথা বলবে না..?? কেউ ছেকা দিয়ে চলে গেল..??
---(পারেও বটে বৌদি। যখন তখন মজা করতে। বৌদির লাল টুকটুকে মুখখানার দিকে তাকিয়ে) জানেন বৌদি, কতদিন যাবত মা'কে বলছি একটা বাইক কিনে দেওয়ার জন্য। কিনেি দিচ্ছেনা। উল্টো আমাকে ভয় দেখায়।
--ও তাই..?? তা কাকীমা কি বলে..??
---সকালে কি হয়েছে জানেন..?? শুনুন তাহলে বলছি.....
"---মা, তুমি বাবাকে বলে কবে আমার বাইকটা কিনে দেবে....?? (ওম)
--আমি বাইকের ব্যাপারে কিছু জানিনা....তোর বাবা আসলে উনাকে বলবি..!!(মিসেস জয়দেব)
---কেন মা? তুমিই তো পারো বাবাকে বলে দিতে!! সেই কবে থেকে বলছি....আমি কি এখন ছোট নাকি?? বন্ধুদের সবারই বাইক আছে শুধু আমার নাই।।
--তোর বাইকের কি প্রয়োজন...?? একটা গাড়ি তো তোর বাবা এখানে রেখেই গেছে।। দরকার হলে তুই এটাি ব্যবহার করবি!
---মা তুমিও এমন করছ....!!
--রাস্তা-ঘাটে যেভাবে এক্সিডেন্ট হচ্ছে....না না বাইক দেওয়া যাবে না।। তোর বাবা কি বলবে? আমিই তোকে দিব না।।
---আমি কি এখনোও ছোট নাকি....?? অনার্সে পড়ি। আর দেখেশুনে চালাব তো.....!!
--বললাম না, বাইক দেওয়া যাবেনা।
আমার চোখে মুখে আগুনের ছাপ। রেগে একেবারে চোখ লাল হয়ে গেছে।
---এই গাড়ি নিয়ে কি যেখানে-সেখানে যাওয়া যায়...?? কত ওলি-গলি এ শহরে গাড়ি কি ঢুকবে সেসব জায়গায়..??....মা তুমি বুঝ, গাড়ির সাথে বাইকের তুলনা করা যায় না।।
--না, তবুও বাইক কিনা যাবে না।।
---মাত্র ৪ লাখ টাকার মধ্যে সবকিছু হয়ে যাবে....!! বেশি লাগবে না মা.....!!
--ওম, বিরক্ত করিস নাতো।।
পাশ থেকেই পূজা হঠাৎ বলে ওঠল.....
--বাবার একদম নিষেধ তোকে বাইক কিনে দেওয়া হবে না।।
---(আমি আরো রেগগে যাই ঠিক যেমন গরম কড়াইয়ে পানি ছিটা).... এই শেওড়া গাছের পেত্নী, তুই চুপ থাক।। তোকে কে কথা বলতে বলেছে....?? তোর জন্যই হচ্ছে না।।
--(খামাখা শুধু শুধু এই মেয়েটাকে দোষ দিলাম। তৎক্ষণাৎ পূজার মনটা খারাপ হয়ে যায়। এবং সে মনে মনে বিড়বিড়াতে থাকে-তুমি যতই চেষ্টা কর, বাবা তোমাকে বাইক কিনে দিবে না এটাই ফাইনাল)
.
তারপর মা উনার বেডরুমের দিকে রওনা হলেন...
আবারও এক চিলতে আশায় পিছন থেকে বললাম....
---তাহলে তুমি কি বাবাকে বলবে না.....??
--ওম যাতো বিরক্ত করিস না এখন......!!
রাগ সামলাতে না পেরে পূজা'র হাত থেকে টিভির রিমোটটা কেড়ে নিয়ে জানালার বাইরে ছুঁড়ে মারলাম.....!!
--(পূজা আবারো মনে মনে ফিসফিস করছে- কিছু না পেয়ে এখন আমার প্রতি রাগ দেখাচ্ছে।।)
ফিসফিস করা ছাড়া পূজা'র এখানে আর কিছুই করার নেই।। দাদার মুখের উপর কথা বলার সাহসটা এখনও হয়ে ওঠেনি ওর।"
.
--ও আচ্ছ, এই কথা। আমি আনো ভাবলাম বিয়ে করে ফেলেছো। এখন বাসায় মানছেনা...!!(অহনা বৌদি)
---কি যে বলেন না..? আপনি থাকতে আমার অন্য কোন মেয়ে লাগবে নাকি?? আপনিই তো আমার বউ!!(ওম)
--হুমমমম, ভারী দুষ্ট হয়ে গেছ তুমি....!! আচ্ছা শোন, এই রোদের মধ্যে এভাবে ব্যাটের সাথে বলের সংঘর্ষ ঘটিয়ে রাগ মেটানো ঠিক না।। রোদে পোড়ে জন্ডিস হয়ে যাবে।। আবার চেহারাটাও নষ্ট হয়ে যাবে.....তখন দেখবে কোন মেয়ে ঝুটবেনা তোমার কপালে!!
তারপর অহনা বৌদির শাখা পড়া নরম হাতটা ধরে রুমে নিয়ে গেল ওম এবং এসিটা ছেড়ে দিল। ইসসসসসসসস, গরমে নরম গাল দু'টো একেবারে লাল হয়ে গেছে।
--আচ্ছা, গাড়ি থাকতে তোমার বাইক লাগে কেন...?? কি গার্লফ্রেন্ড বলে দিছে বাইক ছাড়া ঘুরবে না...??(অহনা বৌদি)
---বৌদি আপনিও...!!
--আচ্ছা, ঠিক আছে আমি বুঝতে পারছি।।
---আপনার কথাতো মা শুনে, আপনি যদি কিছু বলে দিতেন মা'কে....!!
--হুমমমম, ঠিক আছে দেখি কি করা যায়।। এখন আমি উঠি রান্না করতে হবে....তা নাহলে তোমার দাদা এসে আমাকে পিটাবে।।
---দাদা কি আপনাকে পিটায় নাকি??
--ওম, তুমি কিন্তু আগের থেকে অনেক দুষ্ট হয়ে গেছ....!!
---হুমমম, আপনিই তো বানাইছেন।।
--বুঝছি, তোমার সাথে কথা বলবে আমাকে পিটানোই খেতে হবে।।। আমি যাই এখন।।
.
বিকাল তিনটা বাজে......!!
ওমের মা মিসেস জয়দেব খাবার টেবিলে ওমের জন্য রাখা খাবার দেখে 'শেওড়া গাছের পেত্নী'কে ডাক দেয়........
--কিরে, ওম খেতে আসেনি...??
--না।(পূজা)
--যা ছাদে গিয়ে ওর রুমে খাবার দিয়ে আয়....!! ও আর আসবে না..!! খুব রেগে আছে মনে হয়।।
পূজা খাবারটা ওমের ঘরে রেখেই চলে আসল....।।
.
একদিন সকাল ১১ টায়........!!
ওম ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হল। সামনে মোড়ে ক্রসিং হওয়ার সময় একটা মেয়ের সাথে ওম জোড়ালো ধাক্কা লাগে এবং মেয়েটি চিৎকার করে ওঠে..আউউউউ। চুলগুলো রাবার দিয়ে বাঁধা ছিল। হাতের ব্যাগটা রাস্তায় পড়ে যায়। এমনভাবে ধাক্কা লাগে যে ওমের টি-শার্টের বামপাশে মেয়েটির ঠোঁটে দেওয়া লাল লিপস্টিকের ছাপটা ফটোকপি হয়ে যায়.! ওম সেটা খেয়াল করেনি বরং বলে.......
---দুঃখিত আমি...!! সত্যিই দেখতে পায় নি।। ব্যাথা পেয়েছেন আপনি...?? (ওম)
--(রেগে মেগে) দেখে শুনে চলতে পারেন না....!! মেয়ে মানুষ দেখলেই ছুঁতে মন চায়...!! (মেয়ে)
--না, আসলে সত্যিই আমি দেখতে পায় নি।। দুঃখিত.......!!
এটা বলেই সে নিচে পড়ে যাওয়া ব্যাগটা তুলে দেয় মেয়েটাকে।।
--ইডিয়ট কোথাকার..!!
এটা বলেই মেয়েটি মুখ বাঁকা করে দ্রুত চলে গেল।।
---আজব তো...??
.
তারপর ওম ভার্সিটিতে......
--কিরে দোস্ত কোথায় ছিলি..?? মেয়েটা কে ছিল দোস্ত?? (নিহা)
---ভার্সিটিতে আসতে না আসতেই তোরা শুরু করে দিলি..?? (ওম)
--কি শুরু করেছি মামা..!! কার সাথে ডেটিং করে এসেছো এটা বলো আগে...??
---মানে কি?? দুর.....তোর সাথে কোন কথাই নাই।
ওম দ্রুত চলে গেল ডিপার্টমেন্টে!!
---দোস্ ক্লাস শুরু হয়নি....?? (ওম)
--না, এখনও হয়নি।। কিন্তু তোর এই অবস্থা কে....?? (সাব্বির)
---কেন..... কি হয়েছে??
---সত্যি করে বলতো কোন মেয়ের সাথে ডেটিং করে আসলি...?? নিশ্চয়ই রুমডেটিং দিয়ে।। নাকি তোর ঐ মিষ্টি-দুষ্ট বৌদির সাথে.....??
--এই তোদের আজ কি হয়েছে বলবি আমাকে...?? এমন করতাছস কে তোরা...??
--কি হয়েছে.....বলবো মামু...!!
---হ্যাঁ বল....!!
--তোর টি-শার্টে এটা কি দেখেছিস...?? লিপস্টিকের দাগ....!! কে দিয়েছে....??
---কোথায়....?? ও শিট।(জিহ্বায় কামড় বসিয়ে) খেয়ালই করিনি।। আর বলিসনা রাস্তায় আসার সময় একটা মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে।। মনে হয় সেসময়ই লেগে যায়....!! আর কি অাজব মেয়ে....দুঃখিত বলার পরেও চেচাচ্ছিল!! মন চাইছিল একটা থাপ্পর দিতে।। পরে আবার ভাবলাম...ঐ সুন্দর নরম গালে দাগ বসে যাবে।।
--এখন কি করবি......??
---হুমমমমম......কি করা যায়।। একটা কাজ করা যায়, টি-শার্টটা উল্টিয়ে পড়লে কেমন হয়রে সাব্বির.....??
--গুড আইডিয়া.....ভালোই হয়।।
---তাহলে এটাই করা যাক।।
.
বিকালবেলা...........!!
ওম ঘুমাচ্ছে...!! অহনা বৌদি এসে দরজায় টক টক করছে।। করছে তো করছেই.......!!!
---(কাঁচা ঘুমে অনিচ্ছাসত্ত্বেও) কে? (ওম)
--কি ব্যাপার দেবরজী...!! ঘুমাচ্ছ নাকি...!!
উফফফ......এই বৌদিটা আমাকে শান্তিতে ঘুমোতে দিবে না।। কিছু হলেই রুমে চলে আসে।।
---হুমমমম, একটু......।।
তারপর ওম চোখ কচলাতে কচলাতে দরজাটা খুলল। সামনে একটা জ্বলন্ত পরী দাড়িয়ে আছে।। সুন্দর করে একটা শাড়ি পড়েছে অহনা বৌদি....এমনিতেই সে অনেক সুন্দর তার উপর আবার লাল পাড়ের সাদা শাড়ি।। এই বৌদিটা না আমার মাথাটা নষ্ট করেই ছাড়বে....!! নাকি ঘুমের ভারে উল্টো-পাল্টা দেখছি..??
--দেখতো ওম, আমাকে কেমন লাগছে....??(অহনা বৌদি)
---আচ্ছা, আমাকে একটা চিমটি কাটেন তো..??(ওম)
--কেন..??
---আরে দেন দেখি..!!
--(একটা হাসি দিয়ে) এই দিলাম।
---(ওমা এতো দেখি সত্যিই) হুমমমম, অনেক সুন্দর!! একদম পরীর মত...।। সাক্ষাত স্বর্গ থেকে নেমে আসা দেবী।
--ইসসসসস, বেশি হয়ে যাচ্ছে...!! আজই কিনেছি এটা। তাই তোমাকে দেখাতে এলাম।।
---আপনার স্বামীকে দেখান আগে...!! তা নাহলে একদিন আপনাকে নিয়ে পালিয়ে যাব...!!
--ইসসসসসস....শখ কত!! আমার সাথে তুমি পারবে না..??
এটা বলেই চলে গেল হাসি মুখে অহনা বৌদি......
---বৌদি....বৌদি...বৌদি। যাক বাবা চলেই গেল। শুধু শুধু ঘুমটা নষ্ট করলো..!!
.
ওম ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে বিকাল ৫ টা। যাক একটু বাহির থেকে ঘুরে আসি....!!.. ওম তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ যাওয়ার পর পকেটে হাত দিয়ে দেখে মোবাইলটা নিতে ভূলে গেছে। বাসায় গিয়ে ছাদে ওঠতেই আবার একটা মেয়ের সাথে ধাক্কা খাওয়ার উপক্রম....
---এই....এইইইইই...
ঠিক এই মূহুর্তে মেয়েটা চিৎকার করে ওঠে।। মেয়েটার চিৎকারের যন্ত্রণায় ওম কান দুটো চেপে রাখে। তারপর মেয়েটি চিল্লিয়ে বলে.....
--আপনি এখানেও চলে এসেছেন....?? নিশ্চয়ই সেদিন পিছন পিছন এসে বাসাটা চিনে গেছেন!! আজ ঠিকই চলে এসেছেন.....!! তাও একদম ছাদে।।(মেয়ে)
---কি বলছেন আপনি...?? কে আপনি...?? (ওম)
--এখন নিশ্চয়ই বলবেন....আপনার নাম কি...?? তারপর বলবেন, আমি তোমাকে ভালবাসি।।।। ভালোই ভালোই বলছি চড়-থাপ্পর খাওয়ার আগে এখান থেকে চলে যান!!!
---আজব তো.....!!
--একদম কথা বলবেন না...!! যান এখান থেকে...!!
(কি মেয়ে রে বাবা, আমাদের বাসা থেকে আমাকেই চলে যেতে বলছে)
ঠিক এই মূহুর্তে অহনা বৌদি......
--কি হয়েছে শ্রেয়া...??(অহনা বৌদি)
--দেখুন না বৌদি, এই ছেলেটা গতকাল রাস্তায় আমার পিছু নিয়েছিল....আর আজ বাসার খোঁজ নিয়ে এখানে চলে এসেছে...!!
এইযে মিস্টার আপনি এখনও যাচ্ছেন না কেন...?(আঙ্গুল তুলে ওমের দিকে চোখ রাঙিয়ে শ্রেয়া)
ওমের তো রাগ একেবারে মাথায় ওঠে গেছে....! এই মেয়েকে কি আস্তই গিলে ফেলবে নাকি বুঝতে পারছে না...?? ওম কিছু বলার আগেই অহনা বৌদি....
--শ্রেয়া ওর নাম ওম। এটা ওদেরই বাসা।। আর ও এখানে চলে আসেনি তোমরাই ওদের বাসায় এসেছো.......!!
--মানে বৌদি....??(শ্রেয়া)
--হুমমমমম, এটা ওমদের বাসা।। আর ও এই সুন্দর কুটির ঘরে থাকে।।
--(খুব লজ্জায়) সরি বৌদি.......!!
--আমাকে সরি বলার কি হল...?? ওমকে সরি বল...!!
রাগপরী হঠাৎ লজ্জাবতী হয়ে গেল। ভয় ভয় কন্ঠে......
--সরি, প্লিজ আমাকে মাপ করে দিন!! আমি সত্যিই বুঝতে পারিনি.....!!
---হুমমমম, ঠিক আছে। কিন্তু কারও সম্বন্ধে কিছু না জেনে আর কখনও কিছু বলবেন না!! (ওম)
-হুমমম, ঠিক আছে।।
.
মোবাইল নিতে এসে ওম নিজেই মোবাইল হয়ে গেল...!! মেজাজটাই নষ্ট করে দিল মেয়েটা। বাপরে বাপ..এ মেয়ে নাকি অন্যকিছু..?? তবে যাই হোক, মেয়েটা কিন্তু অনেক সুন্দর। শুধু সুন্দর না, একদম রাতের পরী...!!
__কাজলমাখা চোখ দুটো অসম্ভব সুন্দর
লাল টুকটুকে ঠোঁটজোড়া দেখলেই স্পর্শ করতে মন চায়।
পাগল করা গরম নিঃশ্বাস কাছে টানার ইচ্ছা জাগায়
রাগমাখা মায়াবী চেহারা ছেড়ে যেতে মন না চায়।
এই সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ!♥
সবথেকে আকর্ষনের বিষয় হলো মনোমুগ্ধকর স্মেল.....!! ইচ্ছে করছিল তখনি 'রাগপরী'টাকে ছুঁয়ে দিতে।। অহনা বৌদি মনে হয় কিছুটা বুঝতে পেরেছিল অস্থিরতা দেখে।।
.
______লেখক: Swift Biplob (Messy Writer)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
2757
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§:ā§§ā§Ē PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ