āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2755

অভিনয়ের ভালবাসা থেকে বিচ্ছেদ
-------: সিনিয়র v/s জুনিয়র :-------
:
:
:
লিখা: নীল সাগর
:
:
:
নিহা ঐ নিহা কলেজে যাবিনা মা তাড়াতাড়ি উঠ ৯টা বেজে গেছে কলেজ যাবি কখন।রাত জেগে জেগে সকালে দেরি করে উঠা ভালই নিয়ম হয়েছে তোর তাড়াতাড়ি উঠে কলেজ যা।
নিহা:কি মা ৯টা বেজে গেছে আর তুমি আমাকে এখন ডাকছ।
আমিতো তোকে সেই কখন থেকে ডাকছি কিন্তু তোর তো উঠার নাম গন্ধই নাই।নিহা তাড়াতাড়ি করে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে এসে হালকা নাস্তা করেই বেড়িয়ে গেল কলেজের উদ্দেশ্যে।কলেজে গিয়েই দেখে শুভ তার জন্য দাড়িয়ে আছে তার কাছে যেতেই
শুভ:কিরে তোর এত লেট হল যে?
নিহা:আর বলিস না ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গেছে।আচ্ছা পরে কথা বলব এখন চল ক্লাসের দেরি হয়ে যাচ্ছে নাতো স্যার বকা দিবে।
শুভ:আচ্ছা চল।
এই বলে দুইজন ক্লাসের উদ্দেশ্যে চলে গেল।ক্লাস শেষ করে শুভ নিহার জন্য দারিয়ে আছে কিছুক্ষন পর নিহা আসল।
শুভ:আচ্ছা নিহা সেদিন  ঐ ছেলেটা কে ছিল যার সাথে দাড়িয়ে তুই কথা বলছিলি?
নিহা:ও হল ইভান আমার ফ্রেন্ড আমারা একি কলেজ থেকে ইন্টার পাস করেছি তারপর অনার্সে উঠে আলাদা হয়ে গেছি।
শুভ:কি ঐ খ্যাত ছেলেটা তোর ফ্রেন্ড?
নিহা:ঐ তুই কাকে খ্যাত বলছিস ভালকরে দেখেছিস ওকে?
শুভ:হুম ভাল করে দেখেছি তোকে আর বলা লাগবেনা।
নিহা:দেখ তুই শুধু আজাইরা কথা বলছিস না দেখে ঐ কিন্তু তোর...
কথাটা শেষ করতে যাওয়ার আগেই ইরা চলে আসল।
ইরা:কিরে তোরা কি নিয়ে তর্ক করছিস?
শুভ:দেখো ইরা আপু কোথাকার এক খ্যাত ছেলের জন্য নিহা আমার সাথে ঝগড়া করছে।
নিহা:না ইরা আপু ঐ ওকে ভালোকরে না দেখেই খ্যাত বলছে।ভালোকরে দেখলে কিন্তু এমন কথা বলত না।
ইরা:তোরা কাকে নিয়ে কথা বলছিস আমাকে বলবি তো?
নিহা:ওর নাম ইভান আমার কলেজ লাইফের প্রথম  ফ্রেন্ড।
ইরা:ও আচ্ছা এখন তোরা ঝগড়া থামা চল কোথাও থেকে ঘুরে আসি।
নিহা:আচ্ছা চল আপু।
ইরা:কিরে শুভ তুই যাবিনা?
শুভ:হুম চলো।
এই বলে তারা কলেজ থেকে বের হয়ে ঘুরতে চলে গেল।অবশ্য তারা এখন ঘুরতে যাবে নদীর ধারে সেখান থেকে ইভানের বাসা বেশি দূরে না।শুভ আর নিহা রাজশাহী কলেজে অনার্স সেকেন্ডে ইয়ারে পড়ে আর ইরা ও তাদের কলেজে পড়ে তবে তাদের থেকে এক ইয়ার সিনিয়র। কিন্তু তারা খুব ভাল বন্ধুর মত অবশ্য বন্ধুর মত হলেও তারা ইরাকে বড় বোনের মত শ্রদ্ধা করে।ইরা কলেজে সবসময় একা আর চুপচাপ থাকত নিহা আর শুভ বন্ধুত্ব হওয়ার পরে একটা জিনিস লক্ষ্য করল যে ইরা সবসময় একা একা আর চুপচাপ থাকে তো তারা দুইজন একদিন ইরার সাথে কিছুসময় কথা বলল এতে ইরার তাদের দুইজনকে অনেক ভাললেগে গেল তারপর থেকে কলেজে আসলেই তারা তিনজন এক সাথে থাকে।আর ইভান নিউ গভ: ডিগ্রি কলেজে অনার্স ২য় বর্ষের ছাএ।নিহার সাথে ইভানের পরিচয় হয় তারা যখন ইন্টারে নতুন ভর্তি হয় তখন। তারপর থেকেই তারা দুইজন খুব ভালো বন্ধু হয়ে গিয়েছিল।ইভান খুব শান্ত আর চুপচাপ  সভাবের ছেলে দেখতেও মোটামুটি সুন্দর আর স্মার্ট।নদীর ধারে এসেই নিহা বলল..
নিহা:আচ্ছা ইরা আপু ইভানকে ডাকি তার বাসা এখান থেকে বেশি দুরে না যদি তোমাদের সমস্যা না হয়?
শুভ:আবার ঐ খ্যাতকে এখানে ডাকবি তাহলে তো ঘুরতে আসাটাই বৃথ্যা হয়ে যাবে।
নিহা:দেখ শুভ ফাউল কথা বলবি না বলছি।
ইরা:ঐ তোরা থাম সবসময় খালি ঝগড়া করা আচ্ছা ডাক কোন সমস্যা নাই।আর শুভ ঐ আসলে তুই একটু চুপ থাকবি এগুলো শুনলে সে কষ্ট পাবে মনে থাকবে তো?
শুভ:হুম আপু থাকবে।
নিহা:আচ্ছা আপু আমি ইভানকে ফোন দিচ্ছি থামো।
তারপর নিহা ইভানকে ফোন দিলো কিন্তু ফোনটা রিসিভ হলনা তাই নিহা আবার ফোন দিলো এবার ফোন রিসিভ করল ইভান।
ইভান:হ্যা নিহা বল।
নিহা:কি ব্যাপার ফোন ধরছিলানা কেন।
ইভান:একটু বিজি ছিলাম তাই কিছু বলবা?
নিহা:হুম।কোথাই তুমি?
ইভান:এইতো বাসাতে কেন।
নিহা:না মানে আমরা তোমাদের এইখানে নদীর ধারে ঘুরতে আসছি তাই তোমাকে ফোন দিলাম ।তুমিকি এইখানে আসতে পারবা যদি তোমার কোন কাজ না থাকে তাহলে।
ইভান:না না আমার কোন কাজ নাই আমি ২০মিনিটের মধ্যে আসছি।
নিহা:আচ্ছা আসো বাই।
ইভান:হুম বাই।
তারপর ইভান রেডি হয়ে তাদের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো।কিছুক্ষন পর ইভান সেখানে পৌছে গেল।সেখানে এসে ইভান এদিক সেদিক তাকাতে থাকলো ইরা ব্যাপারটা লক্ষ্য করল তারপর ইরা নিহাকে বলল
ইরা: ঐ ছেলেটাই কি ইভান।
নিহা:হুম আপু ওটাই হল ইভান।
ইরা: ছেলেটা তো অনেক সুন্দর কিরে শুভ তুই না বললি ছেলেটা খ্যাত দেখেছিস ছেলেটা কতো সুন্দর আর স্মার্ট।তুইতো ওর কাছে কিছুই নারে আর বলছিস খ্যাত কোথাকার।
শুভ:আপু আমি দূর থেকে দেখেছিলাম তাই বুঝতে পারিনি।হুম ছেলেটা আসলেই অনেক সুন্দর।
ইরা:নিহা ছেলেটাকে তো আমার খুব ভালোলেগে গেল তার সাথে প্রেম করতে ইচ্ছা করছে।
নিহা:কি বলছো আপু?এটা কিভাবে সম্ভব ও তো তোমার থেকে বয়সে ছোট ।
ইরা:হুম জানি।আমি তো আর তার সাথে সত্যিকারের প্রেম করব নারে।
নিহা: তাহলে কেমন প্রেম করবে।
ইরা:আসলে আমি তার সাথে কিছুদিনের জন্য অভিনয়ের প্রেম করতে চাচ্ছি।
নিহা:এটা তো সম্ভব না সে রাজি হবেনা।
ইরা:তুই একবার বলে দেখ না তুই বললে হয়তো রাজি হতে পারে।
নিহা:না আপু রাজি হবেনা ঐ এসব লাইক করেনা।অনেক মেয়েই তাকে ভালবাসার অফার দিয়েছিল কিন্তু সে কারোটাতেই রাজি হয়নি। আর তোমার টাতেও রাজি হবেনা তার উপরে তুমি অভিনয় করতে চাচ্ছো আবার  বয়সেও তুমি বড়।
ইরা:তুই একবার বলে দেখনা রাজিও তো হতে পারে।
নিহা:না আপু আমি বলতে পারবনা তুমিই বলো।
ইরা:তোকে বলতে হবেনা আমিই বলব যা।
নিহা:হুম তুমিই বল থামো আমি ওকে ডাকি ঐ ইভান এই দিকে আসো।
ইভান:তোমরা এই খানে আর আমি অন্য দিকে খুজছিলাম।
নিহা: ফোন দিলেই তো পারতে।
ইভান:আমি ভাবলাম তোমাদেরকে এইখানেই পাবো তাই ফোন দেইনি আর তোমরা তো এইখানেই ছিলে তাইনা।
নিহা:হুম ঠিক আছে এবার এখানে বসো তোমার সাথে পরিচয় করিয়ে দেই এই হল শুভ আমার ক্লাসমেট আর ইনি হল ইরা আপু আমাদের এক ইয়ার সিনিয়র।আর তোমাদের কে তো ইভানের ব্যাপারে সব আগেই বলেছি।জান ইভান ইরা আপু আমাদের সিনিয়র হলেও সবসময় আমাদের সাথেই থাকে আমাদেরকে খুব ভালোবাসে।
ইভান:হুম বুঝলাম।আপুকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে আপু অনেক ভালো।
ইরা:আমি ওতটাও ভালো না।আচ্ছা ইভান তোমার বাসাই কে কে আছে?
ইভান:আব্বু আম্মু আমি আর আমার ছোট বোন।
ইরা:তোমার ছোট বোন কিসে পড়ে?
ইভান:ও অনেক ছোট এবার ক্লাস টু তে উঠল।
ইরা:ইভান তোমাকে একটা কথা বলার ছিল?
ইভান:জি আপু বলেন।
ইরা:দেখ ইভান আমি তোমাকে সরাসরি
একটা কথা বলতে চাই জানিনা তুমি
কথাটা কিভাবে নিবা তারপরো বলছি।
ইভান তোমাকে আমার খুব ভাললেগেছে
এজন্য আমি তোমার সাথে কিছুদিনের জন্য অভিনয়ের ভালবাসা করতে চাই
সত্যিকারের ভালবাসা করা তোমার
আমার পক্ষে সম্ভব না আর তুমি এটাতে
রাজি হবানা আমি জানি।সমাজ এটা কখনো মেনে নিবে না তাই তোমাকে এই প্রস্তাব তা দিলাম শুধু তোমাকে আমার খুব ভাল লেগেছে তাই জানি প্রস্তাব টা তোমার জন্য খুবই খারাপ কিন্তু কি করব বলো তুমি যদি আমার বয়সে ছোট না হতে তাহলে সত্যি আমি তোমার সাথে প্রেম করতাম। তুমি আমার চেয়ে ছোট তাই এই প্রস্তাব দিলাম প্লিজ না বলনা।
ইভান এই কথা শুনে অবাক হয়ে গেল সে
ভাবতে পারেনি ইরা আপু তাকে এমন
প্রস্তাব দিবে পরক্ষনে নিজেকে সামলে
নিয়ে বলল
ইভান:ছি আপু এইটা আপনি কি বললেন আর এটা কিভাবে সম্ভব বলেন?
ইরা:জানি এইটা তোমার জন্য খুব খারাপ
ব্যাপার কিন্তু তুমি চাইলেই এটা সম্ভব।
আর আমিতো তোমাকে সত্যিকারের জন্য
ভালবাসতে বলছিনা তুমি শুধু কিছুদিনের
জন্য আভিনয় করবা তারপর আমরা আবার আগের মতো যা ছিলাম তাই হয়ে যাব।
ইভান:হুম আপু বুঝলাম কিন্তু আমরা যদি
আভিনয় করতে করতে একে অপরের প্রতি
দুর্বল হয়ে পরি তখন কি হবে।
ইরা:সেটা নিয়ে তুমি ভেবনা আমি এমন
কিছু হতে দিবনা সেদিকে খেয়াল রাখবো তুমি শুধু হ্যা বল।
ইভান:আচ্ছা আমাকে ভাবার জন্য
একদিনের সময় দেন।
ইরা:না তুমি এখনি বল।
ইভান:এত তাড়াতাড়ি ডিসিশন নেয়া কি
ঠিক হবে?
ইরা:আমি তো তোমাকে বললাম কিচ্ছু
হবেনা আমি সেদিকে লক্ষ্য রাখব তুমি
শুধু হ্যা বল।
ইভান:আচ্ছা নিহা তুমি কি বলছ এটা করা
কি ঠিক হবে?
নিহা:আমি কি বলবো বলো তোমাদের
যেটা ভাল মনে হয় সেটা কর।
ইভান:এটা কোন কথা হল হয়ত হ্যা বলো
না হলে না বল।
নিহা:ইরা আপু যখন এতবার বলছে আর সবদিকে যখন লক্ষ্য রাখবে বলছে তখন
তোমার হ্যা বলাই উচিৎ আর কিছুদিনের ই
তো কথা তুমি রাজি হয়ে যাও।
ইভান:আচ্ছা ঠিক আছে আমি আপনার
কথাই রাজি শুধু কিছুদিনেরজন্য মনে
রাখবেন।কিন্তু আমার একটা শর্ত আছে
অভিনয় করতে করতে আপনি আমার উপর বা আমি আপনার উপর যদি দুর্বল হয়ে পরি তখন সেটা আপনাকে ঠিক করতে হবে কিন্তু এখন বলেন আমার শর্তে আপনি রাজি কিনা?
ইরা:ঠিক আছে তোমার শর্তে আমি
রাজি আর তোমাকে এগুলো নিয়ে টেনশন
করতে হবেনা।তাহলে আজ থেকে আমরা
তুমি করে কথা বলব এবং সপ্তাহে একদিন
দেখা করব আর ফোনে তো কথা হবেই ঠিক আছে?
ইভান:আচ্ছা ঠিক আছে।
ইরা:তুমি আমার সাথে যখন দেখা করতে
আসবা তখন নতুন নতুন জামা কাপড় পড়ে আসবা আর স্মার্ট হয়ে আসবা বুঝলা।যদিওতুমি এমনি ই অনেক স্মার্ট।
ইভান:আচ্ছা ঠিক আছে।
আর এভাবেই শুরু হল ইভান আর ইরার
অভিনয়ের ভালবাসা।ভালই চলতে লাগল
তাদের দিনগুলো সবসময় ফোনে কথা বলে একে অপরের টেককেয়ার করা কারনে
অকারনে লাভ ইউ মিস ইউ বলা আর
সপ্তাহে একটা দিন ঠিক করে নিয়েছিল
সেদিন তারা দেখা করবে বলে। তো আজকে তাদের দেখা করার ১ম দিন ইভান
পার্কের সামনে এসে ইরার জন্য অপেক্ষা
করছে কিছুক্ষন পর ইরা আসল তারা দুইজন মিলে পার্কে চলে গেল।কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করে তারপর একটা বেঞ্চে এসে বসল।সেখানে কিছুক্ষন তারা গল্প করল হঠাৎ ইরা ইভানের কাছে ফুচকা খাওয়ার
আবদার করল ইভান ইরাকে নিয়ে একটা
ফুচকার দোকানে গেল দুইজন একসাথে
ফুচকা খাওয়া শেষ করে যে যার বাসায়
চলে গেল। এখন একসপ্তাহ তাদের আর
দেখা হবেনা তাই এই কয়দিন তারা
ফোনে কথা বলে দিনগুলো পার করবে।সুখের দিনগুলো একটু তারাতারি কেটে যায় তাই এই ৭টি দিন ও পেড়িয়ে গেল এবং দেখা করার সময় ঘনিয়ে এল নির্দিষ্ট দিন অনুযায়ী আবার তাদের দেখা করার সময় চলে আসল।আজকে তারা ২য় বারের মত দেখা করবে তারা দুইজন আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিল এবার তারা নির্জন কোন জায়গায় দেখা করবে।
যেহুতু জায়গা আগে থেকেই ঠিক করাছিল
তাই তারা দুইজন সেখানে চলে গেল।আজকে তারা নির্জন এক রাস্তায় একে অপরের হাত ধরে হাটছে কিছুক্ষন হাটার পরে একটা খোলা মাঠে ঘাসের উপর তারা বসল।একজন আরেক জনের কাধে মাথা রেখে সুখ দুখের কথা বলতে লাগল।তারা অভিনয়ের ভালবাসা করলেও তাদের কে দেখে বুঝা যেত না মনে হত তারা সত্যি কারের ভালবাসায় আবদ্ধ আছে একে অপরের প্রতি ভীষন ভালবাসা তাদের, বলতে গেলে খুব ভালই সময় কাটছিল তাদের।তারা ফোনে এতটাই মগ্ন থাকত যে কিভাবে কথা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যেত তারা বুঝতেই পারতনা।ইতে মধ্যে তারা ৩য় বার দেখা করতে এসেছে কিন্তু ইরা লক্ষ্য করল যে সে ইভানের প্রতি কিছুটা দুর্বল অনুভব করছে তাহলে কি ইরা ইভানকে সত্যি ভালবেসে ফেলল না না এটা কিভাবে সম্ভব সেতো বলেছিল সে এটার প্রতি লক্ষ্য রাখবে।কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে ইরার ছটপটানিটা বেড়েই চলেছে সেটা হল ইভানকে হারানোর ভয় তাহলে কি ইরা সত্যি ইভানকে ভালবেসে ফেলেছে?হ্যা ইরা ইভানকে ভালবেসে ফেলেছে কিন্তু সে ইভানকে বলতে পারছেনা কারন ইরা তাকে কথা দিয়েছিল যে সে এগুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখবে আর ইরা সেটাই করছে। সেদিন ইরা ইভানের সাথে যতসময় ছিল শুধু এগুলো কথায় ভেবেছে কিন্তু ইভানকে বুঝতে দেয়নি।এর পরের দিনগুলো ইরার জন্য খুব কষ্ট দায়ক ছিল কাউকে ভালবেসে ফেললে এবং সেটা বলতে না পারাটা যে কতটা কষ্টকর তা ইরা হারে হারে টের পাচ্ছিল তবুও ইরার নির্বাকের মত সহ্য করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিলনা। দেখতে দেখতে তাদের ৪র্থ বার দেখা করার সময় চলে আসল সেদিনো তারা অনেক ঘুরাঘুরি করল ইভান সেদিন একটু পাগলামি করল একসাথে হাটতে হাটতে হঠাৎ ইরার সামনে হাঠু গেরে বসে একটা গোলাপ দিয়ে প্রপোজ করল।ইরার সে সময় খুব কান্না করতে ইচ্ছা করছিল কিন্তু ইরা কান্না না করে মুখে হাসি ভাব এনে তার কাছ থেকে গোলাপ টা নিলো।ইরা মনে মনে ভাবছিল তার আর ইভানের ভালবাসাটা যদি সত্যি হত তাহলে কতই না ভাল হত।এখন তারা দুইজন পাশাপাশি বসে আছে তবে ইভান কেমন জানি করছে ইরা ব্যাপার টা বুঝতে পেরে বলল
ইরা:ইভান তোমার কি কিছু হয়েছে।
ইভান:আসলে ইরা আমি তোমাকে একটা কথা বলতে চাই।
ইরা:হুম বল।
ইরা:দেখ ইরা সামনে আমার এক্সাম আমার কিছুই পড়া হচ্ছেনা এভাবে চলতে থাকলে আমি পাশ করতে পারবনা তাই যত তারাতারি সম্ভব আমাদের অভিনয় টা শেষ করতে হবে।
কথাটা শোনার পর ইরার মনটা ভিশন্যতাই ভরে গেল তবে সেটা ইভানকে বুঝতে দিলনা পরক্ষনে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল।
ইরা:ঠিক বলেছ তুমি আমারো মনে হয় শেষ হওয়াটাই ভাল।আচ্ছা ইভান আমার একটা কথা রাখবা।
ইভান:হুম বল।
ইরা:আমরা শেষ বারের মত অন্য একদিন দেখা করতে পারি।
ইভান: আচ্ছা ঠিক আছে।
তারা দুইজন প্লান করল দুইদিন পর তারা শেষ দেখা করবে।এরপর তারা আবার কিছু সময় ঘুরাঘুরি করে যে যার বাসায় চলে গেল।বাসায় আসার পর থেকে ইরার
মনটা খুব খারাপ।ইরা তার আর ইভানের
কাটানো সময় গুলোর কথা ভাবছে আর কাদছে আবার ইভানের পাগলামি করার কথা মনে করে হাসছে।হয়ত কাউকে বেশি ভালবাসলে যা হয়।দুইদিন পর তাদের অভিনয়ের ভালবাসাটা সম্পূন্য ভাবে শেষ করবে তাই তারা সেদিন দেখা করবে।এটাই তাদের শেষ দেখা করা।দুইটা দিন পার করতে তাদের অনেক কষ্ট হয়েছে অভিনয় করে হলেও তো তারা একসাথে অনেক সুন্দর মূহুত্ব কাটিয়েছে তাই খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক কিন্তু ইরার বেশি খারাপ লেগেছে সে এই দুইদিন ঠিক মত কিছুই খেতে পারেনি সবসময় মন খারাপ করে থেকেছে।অবশেষে সেইদিন চলে আসল তো তারা দুইজন শেষ দেখা করতে এসেছে আজ দুইজনেরই মন খারাপ তবে ইরার একটু বেশিই খারাপ লাগছে হয়ত উভানকে একেবারে হারিয়ে ফেলবে সে কারনে। সেদিন তারা বেশি ঘুরলনা দুইজন পাশাপাশি বসে আছে কেউ কোন কথা বলছেনা।হঠাৎ ইভানই কথা বলা শুরু করল...
ইভান:কি গো চুপ করে আছো যে মন
খারাপ?
ইরা:না তেমন কিছু না।আচ্ছা ইভান
আজকের পর থেকে কি তুমি আমাকে ভুলে যাবে আর কখনো আমার সাথে যোগাযোগ করবে না?
ইভান:ভুলে যাব সেটা বলবনা আর
যোগাযোগ আগে যেমন হত তেমন আর হবেনা।মাঝে মাঝে হয়ত হতে পারে।
ইরা:সে কোন কথা বলছেনা তার খুব
কান্না করতে ইচ্ছে করছে।সে চিল্লিয়ে বলতে চাচ্ছে ইভান আমি তোমাকে সত্যি অনেক ভালবাসি আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাইনা।আমি সারাজীবন তোমার সাথে কাটাতে চাই কিন্তু সে এগুলো মুখ ফুটে বলতে পারছেনা ঐ যে একটা শর্ত ছিল হয়ত সেটার কারনে।
ইভান:সে ও চুপ করে আছে আসলে ইভানের ও এতদিনে ইরাকে ভাললেগে গেছে কিন্তু সেও সাহস করে কিছু বলতে পারছেনা। ঐ সময় কি সে শর্তটা না হলেই ভাল হতনা তাহলে হয়ত দুটি মন আজ ছটফট করতে করতে আলাদা হত না।অবশেষে সময় শেষ হতে চলেছিলো ইরা আর সহ্য করতে না পেরে ইভানকে জরিয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিল ইভান কি করবে বুঝতে পারছিলনা শুধু বলছিল এই পাগলি কাঁদছো কেন তুমি প্লিজ কান্না থামাও। ইরা তবুও কেদেই চলেছিল কান্না থামানোর কোন নামই ছিলনা।প্রায় অনেকক্ষন পর ইরা কান্না থামালো তারপর ইভানের কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে চোখেল জল মুছে  ইভানকে বলা শুরু করল.....
ইরা:আজ আমাদের শর্ত অনুযায়ী আমাদের অভিনয়ের ভালবাসা এখানে শেষ হল আজ থেকে আমাদের পথ আলাদা।তবে ইভান তোমার সাথে আমার অনেক সুন্দর সময় কেটেছে যা হয়ত কখনো ভুলতে পারবনা।জীবনে সুন্দর মূহুত্বের তালিকায় তোমার সাথে কাটানো দিনগুলো শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে থেকে যাবে যা হয়ত পুরনো স্মৃতি হয়ে মাঝে মাঝে তোমার কথা মনে করিয়ে দিবে দেখ শেষ বেলায় এসে কি সব কথা বলছি এবার আসল কথায় আসি এতদিন যা হয়েছিল সব ভুলে যেও এগুলো ভেবে কখনই কষ্ট পাবানা একটা জিনিস মনে রাখবা জীবন কখনই কারো জন্য থেমে থাকে না সে তার গতিতে এগিয়েই যাই ভাল থেকো আর নিজের খেয়াল নিও আল্লাহ হাফেয।এই কথা বলে ইরা ইভানকে কোন কথা বলার সুযোগ না  দিয়েই সেখান থেকে কাদতে কাদতে চলে গেল।আর ইভান তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়েই রইল শুধু মনে  মনে বলল তুমিও ভাল থেকো।ইরা একবারো পিছে ঘুরে তাকালনা হয়ত মায়া বেরে যাবে তাই।অযথা মায়া বারাতে চাইনি ইরা।ইরা তার ভালবাসার কথাটা ইভানকে বলতে চেয়েছিল কিন্তু ইভানের শর্ত আর সমাজের কথা ভেবে বলেনি।হয়তো ইরা ইভানের শর্তের কথা ভুলে যেয়ে তার ভালবাসার কথাটা বললেও এই সমাজ হয়ত তাদের ভালবাসাটা মেনে নিতনা সবসময় তাদেরকে নিয়ে হাসা হাসি করত।আর ইরা ইভানের কথাও ভেবেছিল সে চাইনি এসব কারনে ইভানের কোন সমস্যা হক তাই ইরা সব দিকের কথা বিবেচনা করেই তার ভালবাসাকে মনের মধ্যে চেপে রেখেই চলে গেল।এমন হাজারো ইরার মত মেয়েদের ভালবাসা মনের মধ্যেই চাপা পরে যায় শুধু কিছু শর্ত আর সমাজের কারনে।আর এভাবেই শেষ হয়ে যায় ইরা নামক মেয়েদের ভালবাসা আর অন্ধকার হয়ে যায় তাদের জীবন।আচ্ছা আমাদের সমাজ গুলো আর সমাজের মানুষ গুলো এমন কেন বলতে পারবেন??????
------------------------------সমাপ্ত----------------------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ