āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2741

ডিভোর্স পেপারটা এনে রিতুর কাছে দিলাম।
পেপারটা দেখে ও খুব ভয় পেয়ে যায়। প্রতিটা মেয়েই হয়তো এই ডিভর্স নামক কাগজটাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। কোন মেয়েই এই কাগজটি তার প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে কখনো আশা করেনা, কিংবা কল্পনাও করতে পারেনা তার হাতে কখনো এ কাগজটি উঠবে। রিতুর চোখেও প্রচন্ড ভয় দেখলাম।
`
রিতু চুপ করে বসে আছে। কোন কথা বলছে না, মুখ থেকে হয়তো সব ভাষা গুলা হারিয়ে গেছে। দুনিয়াটাকে মিথ্যে মনে হচ্ছে।
একটু কষ্ট করে একটা প্রশ্ন করলো,
--তুমি কি অন্য কাউকে বিয়া করবে?

আবারো রাগ ধরে গেলো আমার।বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম। একদিনের জন্য ঝগড়া করতে চাইনা। প্রতিটা সময় ও আমাকে সন্দেহ করে। আমার নাকি রিলেশন আছে। আর সন্দেহ করার সুযোগ পাবে না, আর ঝগড়া হবেনা প্রতিদিন, আর কইপিয়ত দিতে হবেনা, ছোট্ট একটা কাগজের সই আমার সব ডিপ্রেশন থেকে আমাকে মুক্তি দিবে। কালকেই সব শেষ হবে। নতুন জীবন শুরু হবে আমার। একাই বেচে থাকব নতুন করে।
`
অনেক রাত করে বাসায় ফিরলাম। দেখলাম খাবার টেবিলে রিতু বসে আছে। ও প্রতিদিন ই আমার জন্য খাবার টেবিলে অপেক্ষা করে। আজ হয়তো শেষ রাত। আর কোনদিন কোন মেয়ে আমার জন্য রাত জেগে অপেক্ষা করবে না। দেরি করে আসাতে আর কোন মেয়ে বকা দিবেনা। মিষ্টি শাসন করবে না। একটু ইতস্তত হয়ে বললাম।
-- কি ব্যাপার তুমি খাওনি?
--না তোমার অপেক্ষা করছিলাম।
--আমি বাইরে খেয়ে এসেছি। তুমি খেয়ে নাও।
`
বাহিরে খেয়ে এসেছি,,,এই কথাটা শুনার পর রাত জেগে খাবার টেবিলে অপেক্ষা যেকোন স্ত্রীই কষ্ট পাবে। আমি সেদিন বাহিরে খাইনি, আমি আজ ওর সাথে খেতে পারব না, কষ্ট হবে ভীষন। তাই বললাম খেয়ে এসেছি।
`
রিতু কিছু না বলে না খেয়ে চুপচাপ শুয়ে পড়ল। আজ কোন কইপিয়ত চাচ্ছে না, কোন প্রশ্ন করছে না, করেই বা কি হবে, কালকেই তো শেষ সবকিছু। একদিন সন্দেহ করে কি হবে।
`
আমি খুব বোকা ছিলাম, ওর সন্দেহের কারন কখনো বুঝতে চাইনি। কখনো ওর মনটা বুঝতে চাইনি। বেলকুনিতে গিয়া দাড়ালাম। জীবনের সব অংক যোগ করছি। আমি কি রিতু কে সত্যিই টাইম দিতে পারছি কখনো?
কখনো কি দুজন মিলে একটু গল্প করেছি কোন জায়গায় গিয়ে?
ওর চাওয়া পাওয়াকে কি কখনো দাম দিয়েছি?
কখনো কি বুঝতে চেয়েছি ওর সন্দেহের মানেটা আমাকে হারানোরর ভয়, ওর সন্দেহর মানেটা ওকে অবহেলা করা।
`
ডিপ্রেশন বেড়ে যাচ্ছে। কখনো ভাবিনি সময় করে রিতুর কথা। বিয়ের আগে তো প্রচুর ভাবতাম। বিয়ের পরে কি ছেলেরা এমন হয়ে যায়?
আমি কি কোন ভুল করছি। মাথা ব্যাথাটা বেড়ে যাচ্ছে।
রুমে ঢোকে দেখলাম রিতু ফুপিয়ে ফূপিয়ে কাদছে মাথা নিচু করে।
মাথায় হাত দিয়ে কি শান্ত্বনা দিব?
হাতটা এগিয়ে নিলাম। কিন্তু ওর নির্মল কেশকে ছুতে বাধা দিল এই মন। কিসের শান্ত্বনা দিব?
আমিই তো এই কান্নার কারন।পাশ বালিশটার দিকে তাকালাম। অসহায় মনে হচ্ছে বালিশটাকে। রুম, বাসা, জীবনটাকেই অসহায় মনে হচ্ছে। কি করব? ডিভর্স আটকে দিব?
আবারো ডিপ্রেশন বেড়ে যাচ্ছে।
'
রিতু সারারাত ঘুমায়নি, ঘুমকাতুরে মেয়েটা বিয়ের আগে কথা বলতে বলতে ঘুমিয়ে যেত। কিন্তু এখন ঘুম নামক জিনিষটা হারিয়ে গেছে। আমার জন্য নয় কি?
'
সকালে বললাম,
-- সই করে ফেলো।
`
আমিও বলতে চাচ্ছিলাম না। কেন জানি শয়তান ভর করেছে। ও আমার দিকে অসহায় ভাবে তাকাল, ডিভোর্সটা দুজনের সিদ্ধান্তেই।
--কি ব্যাপার এভাবে তাকিয়ে আছো কেন? সই করো।
`
ও দেরি করছিল। মনে মনে চাইছিল আমি ওকে একবার জড়িয়ে ধরে বলি,
পাগলি তোমাকে ছাড়া আমাকে কে এত বাসবে বেশি ভাল।
`
কিন্তু আমি তেমন কিছু করছি না। ও কলমটা হাতে নিলো।
কেন জানি আমার কলিজাটা কেউ ধরল। আমার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল।
`
ওর হাত থেকে কলমটা বার বার পড়ে যাচ্ছিল। চোখের জল পড়ে কাগজটাও নষ্ট হচ্ছে। এই একটা সই কি একটা সম্পর্ককে নষ্ট করে দিতে পারে। ও বার বার তাকাচ্ছিল আমার দিকে, যেন আটকে দেই।
`
আমার চোখ দিয়ে অজান্তেই পানি পড়তে শুরু করল। ওর হাতটা ধরলাম।
ও হকচকিয়ে উঠল, মনে হচ্ছে কোন মৃতজীবন প্রান ফিরে পেয়েছে।
'
ডিভর্স পেপারটা ছিড়ে ফেললাম। ও শুধু অবাক হয়ে দেখছিল আমায়। কান্নামাখা হাসি দিয়ে ওকে বললাম।
--ডিভর্স পেপার টা ছিড়ে দিতে পারো নি বোকা। এত ভালাবাসো আবার, খুব তো বকা দাও, আর এটা করতে পারলে না।
`
রিতু খুব দ্রুত শক্ত করে হঠাৎ জড়িয়ে ধরে অভিমান মাখা কন্ঠে বলল,
--তুমি পারোনি ছিড়ে ফেলতে, আর কোনদিন যদি এই সব পেপার টেপার আনো তো তোমাকেই ছিড়ে ফেলব।
`
মেয়েটা খুব কান্না করছিল শক্ত করে ধরে। হুম এখন শান্ত্বনা দিতে পারি,, হাতটা ওর নির্মল কেশে রাখতে পারি। আর বলতে পারি,
--আমিও তোমায় ভীষন ভীষন ভালবাসি। আর কখনো অবহেলা করব না।
'
বিঃদ্র: একটা সম্পর্কে যখন ই অবহেলা জিনিষটা চলে আসে, তখনই শত ঝামেলার সৃষ্টি হয়।
শত সন্দেহর সৃষ্টি হয়...:'(

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ