āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2739

"আপনার ফোন নাম্বারটা পাওয়া যাবে"
রাস্তা দিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছি হঠাত্‍ সুমধুর কন্ঠে কথাটা শুনে তাকিয়ে দেখি না মেয়েটাকে তো চিনিনা.আর চেনার কথাওনা.এই এলাকায় নতুন এসেছি চার পাঁচ দিন হলো.আর এ এলাকায় আমার তেমন কোন আত্লীয় স্বজনও নাই..
"কী হলো?"
"জ্বী!আমাকে বলছেন?"
"হুম.এখানে যখন আর কেউনাই অতএব আপনাকেই বলছি!"
"ও তা আমি কী আপনাকে চিনি?"
"আজবতো আপনি আমাকে চিনেন কী না
সেটা আমি বলবো কীভাবে"
"ও ঠিক আছে.অপনি কী আমাকে চিনেন?"
"অতো কথা বলতে পারবোনা নাম্বার চাইছি দিলে দেন না দিলে না করেন"
"অপরিচিত একজনকে কেন নাম্বার দিবো বলুনতো?"
"ওকে নাম্বার লাগবেনা.আমি নিজে থেকে কথা বলতে আসছি বলে ভাব দেখাচ্ছেন!সব ছেলেরা আসলে এরকমই,মেয়েরা নিজেথেকে কথা বলতে আসলে এমন ভাব দেখায় মনে হয় কীনা কী"
কী আজব মেয়েরে বাবা চেনা নাই জানা নাই হুটকরে এসে নাম্বার চেয়ে বসে,আবার বলে আমি কীনা ভাব দেখাই.কিন্তু মেয়েটা কে?কে আছে আছে তাতে আমার কী?তবে মেয়েটা কিন্তু অনেক কিউট.প্রথম দেখাতেই ভালোলাগা কাজ করেছে আমার.যাকে বলে লাভ ইজ ফাষ্টসাইড.যা আমি এসব কী ভাবছি চেনা নাই জানা নাই কোথাকার কোন মেয়ে.আর আমি কী ভাবছি.
ডিপ্লোমা পাশ করে অনেক ঘুরাঘুরীর পর সদ্য একটা কম্পানীতে চাকরী পেয়েছি.সেই সুবাদে এই এলাকায় আসা.বাবা মা গ্রামে থাকেন.আমি এখানে একাই একটা রুম ভাড়া নিয়ে থাকি.
.
"এইযে মিঃ ভাবওয়ালা শুনছেন?"
আরে কালকের সেই মেয়েটানা?ঐ বাসার ছাদে কী করে?আমার আবার প্রতিদিন সকালে ঘুমথেকে উঠে হাটাহাটির অভ্যাস আছে.সময় সল্পতার কারণে বাহিরে হাটাহাটি করতে যাওয়া হয়না.তাই ছাদে আসা.
"কী হলো মিঃ,আপনিকী সবসময় ঘোরের মধ্যে থাকেন না কী??"
"জ্বী না মানে,আপনি ঐ বাসার ছাদে কী করেন??"
"আমাদের বাসার ছাদে আমি কী করি মানে?"
"ও,এটা আপনাদের বাসা?"
"হুম,আপনি আমার দিকে এভাবে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন কেন?"
"কৈ নাতো মানে?"
"কৈ নাতো মানে বললেই হবে নাকি?আপনিতো দেখি আচ্ছা বদলোক"
"কী বলছেন আপনি এসব?"
"আপনার জন্যকী একটু ছাদেও উঠতে পারবোনা নাকী?"
"ওকে স্যরি,আমি যাই তাহলে?"
"কৈ যান দ্বারান বলছি"
"মানে?"
"মানে কিছুনা,এতো ভাব দেখান কেনো?"
"আপনার কী মাথায় কোন সমস্যা আছে নাকী?"
"না"
"তাহলে কথা নাই বার্তা এভাবে নিজেই ডেকে এনে ঝাড়ি দিচ্ছেন,আবার রাস্তাঘাটে ফোন নাম্বার চাচ্ছেন কেন কিছু বুঝতে পারছিনাতো?"
"না মানে এমনিতেই আরকী.দেখলাম অপনি কেমন,সে জন্য সরি,প্লিজ ক্ষমা করেদেন প্লিজ"
"ওকে."
"আপনার নামতো হৃদয় তাইনা?"
"হুম"
"আপনার বাবামা গ্রামে থাকেন.আর আপনি এই বাসায় একাই থাকেন চাকরী করেন সেজন্য তাইনা?"
"হুম"
"আজবতো কী হুম হুম করছেন বারবার?"
"তা কী করবো?"
"আমার পরিচয়তো একবারো জিঞ্জেস করলেননা?"
"হুম"
"আবার হুম!থাক আপনাকে জিঞ্জেস করতে হবেনা আমিই বলছি..আমার নাম জুঁই..বাবা মায়ের একমাত্র লক্ষী মেয়ে.এবার অনার্স ফাষ্ট ইয়ারে পড়ি.আর সবাই বলে আমি দেখতে নাকি অনেক কিউট."
"ওকে.আমি আসি.আমার অফিসে যেতে হবে"
"ওকে আসেন"
সত্যিই কী আজীব মেয়ে বাপরে বাপ.নিজের প্রশংশা নিজেই করে.বলেকীনা বাবা মায়ের একমাত্র লক্ষী মেয়ে.আবার নিজেই বলে সে নাকি দেখতে অনেক কিউট.তবে কথাটা অবশ্য মিথ্যা বলেনি.আসলেই দেখতে সে হেব্বি কিউট.আমার অবশ্য তাকে অনেক ভালোলেগেছে.সে জন্যইতো ফ্যালফ্যাল করে তাকাতে গিয়ে ধরা খেয়ে ঝাড়িও খাইলাম সাথে.কিন্তু মেয়েটা অনেক বেশি কথা বলে.আমার অবশ্য বাঁচাল টাইপের মানুষ বেশি পছন্দনা.তবে মানিয়ে নিতে পারবো সময়ের সাথেসাথে.আরে আমার অফিসেরতো লেট হয়ে যাচ্ছে.অফিসে যাওয়া বাদদিয়ে কোথাকার কোন বাচাল মেয়েকে নিয়ে আমি এসব কী ভাবছি.তারাতারি অফিসে চলে যাই আমার সাধের চাকুরীর না হয় আবার তেরোটা বাজবে.
.
"হ্যালো!কে বলছেন??"
"জানাটা কী খুব প্রয়োজন?"
"তাইতো মনে হয়"
"হয়তো অপরিচিত কেউ.কেন কথা বলা যাবেনা নাকী??"
"ঘুরানো পেচানো কথা একদম ভালোলাগেনা আমার তাও আবার মধ্যরাতে বুঝেছেন.এখন দয়াকরে পরিচয়টা দিলে খুশি হবো."
"আপনিতো সবসময় এরকম ভাবনিয়েই থাকেন তাইনা??"
"হুম যদি সেটা মনে করেন তাইই.এবার পরিচয়টা দিন.আর কী জন্য ফোন দিয়েছেন সেটা বলে আমাকে উদ্ধার করুন.অনেক রাত হয়েছে আমি ঘুমাবো.সকালে অফিসে যেতে হবে"
"ওকে বলছি"
"হুম বলুন"
"আমি জুঁই.ফোন করেছি আপনার সাথে কথা বলার জন্য.এখন হয়েছে?"
"হুম হয়েছে.কিন্তু আমিতো এখন কথা বলতে ইচ্ছুক নই!."
"কেনো?"
"এমনিতেই!বাইই"
"আপনি আসলেই একটা অনুভূতিহীন!বাইই."
এহ আমি অনুভূতিহীন বললেই হলো.রাত দুইটার সময় ফোন করে পরিচয় না দিয়ে আবার প্যাচানো কথা বললে কারনা রাগ উঠবে.তবে আমি মনেহয় ওভার রিয়াক্ট করে ফেলেছি.মনেহয় এতটা রাগ প্লাজ ভাব দেখানো উচিত্‍ হয়নি আমার.তবে ফোনে জুঁইয়ের কন্ঠটা কিন্তু আরো হেব্বি শোনা যায়.যদিও আমি একটু ভাবনেওয়ায় কন্ঠটা ভালোকরে লক্ষকরে শুনিনী.তবুও মনেহচ্ছে আমি ফোনে তার কন্ঠের প্রেমে পরে গেছি.হুররর এতরাতে এসব কী ভাবছি আমি?সকালে আবার অফিসে যেতে হবে আমার.কিন্তু ও আমার নাম্বার পেলো কোথায়?মনেহয় বাড়িওয়ালা আংকেলের কাছথেকে নিয়েছে.এটাই হবে.ওহ শিড কোথায় পেয়েছে পেয়েছে তাতে আমারকী আমি এখন ঘুমাই.
.
প্রায় পাঁচ ছয় দিন হতে চললো মেয়েটাকে এরমধ্যে একদিনও দেখলামনা কোথাও.কাল রাতে সাহস করে তার নাম্বারে একবার ফোনও দিয়েছিলাম কিন্তু ফোন বন্ধ ছিলো.মনের মধ্যে কেমন যেন মিসিং মিসিং ফিল করছি.সেদিন রাতে মনেহয় ওরকম করে কথাবলা আমার উচিত্‍ হয়নি তার সাথে.মুড না দেখিয়ে ভালোকরে কথা বলতে পারতাম তার সাথে.যেহুতু মেয়েটাকে আমি প্রথম দেখেই আমি ক্রাশ খেয়েছিলাম সেহুতু একটু রোমান্টিক কথাবার্তা বলে পটানোর কাজটাও এগুতো পারতাম.মেয়েটা ঠিকই বলেছে আমরা ছেলেরা আসলে এরকমই মেয়েরা নিজে থেকে কথা বলতে আসলে একটু বেশিই ভাবদেখাই. কিন্তু একটা জিনিস বুঝছিনা মেয়েটা আমার পেছনে কেন লেগেছিলো??আমিতোদেখতে আহামরী সুন্দর বা স্মার্ট না.বলতে গেলে ক্ষ্যাত একরকম মার্কা চেহারার অধিকারীইই.আবার রোমান্টিক কথাবার্তাও বলতে পারিনা.তা সে কী জন্য আমার প্রেমে পড়তে যাবে!নাকি আবার স্হানীয় মেয়ে ফন্দিতে ফেলে টাকা পয়সা খাওয়ার ধান্দা আটছিলো.কিন্তু আমাকে পটানো সহজনা ভেবে ফটছে আমার এখান থেকে.কিন্তুনা মেয়েটাকে দেখে তো এমন মনে হয়না.ভালোই মনে হয় মুটামুটি.
.
"এইযে শুনছেন?"
"হুম.আপনি?"
"হুম.এতদিন কোথায় ছিলেন?"
"মেডিকেলে"
"মেডিকেলে কেনো!!!"
"জ্বর!"
"ওহহ তাই বলেন"
"হুম"
"ফোন বন্ধ ছিলো কেন?"
"আমার প্রেমে পরছেন নাকী??"
"কী মনে হয়?"
"এরকম আনরোমান্টিক ছেলের সাথে প্রেম করতে আমি ইচ্ছুক নই"
"তবে?"
"আমার বয়ফ্রেন্ডকে দিনে দুইবার তাজা লাল গোলাপ দিয়ে প্রোপোজ করতে হবে"
"এগুলো করাকী খুব জরুরী"
"হুম.বাসার সামনে এসে পড়েছি প্রায় আপনি চলে যান বাবা দেখলে সমস্যা হয়ে যাবে."
"ওকে.ফোনটা খোলা রাইখেন রাত্রে"
"পারবোনা যান"
.
.
.
"এইযে মিঃ রিক্সায় উঠেন"
"আরে আপনি"
"হুম.এখন উঠেন তারাতারি"
"হুম"
"মুড অফ কেন?মন খারাপ নাকী?"
"না কিছুনা"
"নাহ!কিছুতো একটা হয়েছে"
"আসলে আমার চেহারাটাই এরকম মন খারাপ মন খারাপ"
"বলুন বলছি কী হয়েছে.আমার মুড অফ করে থাকা মানুষ একদম ভালোলাগেনা"
"ফোনটা বন্ধ না রাখলেই পারতেন"
"ফোনটা ভেঙ্গে ফেলেছি সেদিন"
"কোনদিন?"
"আপনার সাথে কথা বললাম সেদিন"
"কেন?"
"একটু ভাব কমদেখালেও পারতেন.জানিতো আপনাদের মতো ছেলেদের খবর"
"ওহহ.সরি"
"পরে যাবেনতো রিক্সাথেকে এদিকে চেপে বসুন.আপনি আসলেই একটা খ্যাত"
"হুম.আজকে বাসার ছাদে দশটা লাল গোলাপের গাছ কিনে লাগিয়েছি"
"এত গাছ কী করবেন?"
"প্রতিদিন কষ্ট করে দোকানে গিয়ে ফুল কিনে আনতে পারবোনা,আর দোকানের ফুল বেশি তাজাও পাওয়া যায়না"
"তা এত ফুল দিয়ে কী করবেন শুনী??"
"আপনার হাতটা একটু ধরি?"
"এখন না বিয়ের পর"
জুঁই কথাটা বলে নিজেই লজ্জা পেয়ে মুখ লুকালো.রিক্সা ওয়ালা মামা দেখি ড্যাবড্যাব করে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে.আমি তাকে বললাম মামা কাজী অফিস এখান থেকে কতদূর.কথাটাশুনেজুঁই বলল "কাজী অফিসে কী করবেন?"
আমি বললাম "তোমার হাতটা চিরদিনের জন্য ধরে রাখতে চাই."
রিক্সাওয়ালা মামা রিক্সা চালাচ্ছে. আমি আর জুঁই রিক্সায় বসে আছি.আমি তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছি.জুঁই লজ্জায় মুখ তুলতে পারছেনা!গন্তব্য কাজী অফিস.বিয়েটা আগে সেরে ফেলি পরে কী হওয়ার হবে.কথায় আছেনা "মিয়া বিবি রাজী তো কিয়া করেগা কাজী"
.
.
লেখা: মোবাশ্বের (ফাজিল)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ