āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2734

গল্পঃবিয়ের বয়স.....
-
আমি রিপা। একটা সরকারি কলেজে ব্যবস্হাপনা
বিভাগে
অনার্স করছি।এইবার ২য় বর্ষ।
-
শুয়ে আছি, খুব কান্না পাচ্ছে।এখন আর বাসা
থেকে
বের হতেই ইচ্ছে করেনা।বের হলেই
অনেকের কথা শুনতে হয়।সরাসরি না বললেও
আড়ালে ঠিকই আলোচনা হয়।
তখন ই মায়ের আগমন।কিরে রিপা কলেজে
যাবিনা??
না মা কলেজে যাব না।
কেন?তুর না ১০দিন পর পরীক্ষা,এখন কলেজে না
গেলে কেমন করে হবে??
মা আমার বাসা থেকে বের হতেই ইচ্ছে করেনা।
কেন? আবার কি হলো?
নতুন করে কি আর হবে?প্রতিদিনকার মতই।
আজকেও কলেজ যাবার সময় একজনকে বলতে
শুনলাম,কি ব্যাপার এই মেয়েটাকে সেই কবে
থেকে দেখছি বিয়ের বয়স হইছে,কিন্তু বিয়ে
কেন হচ্ছেনা?কোন সমস্যা নেই তো?অন্যজন
ও তালে তাল মিলালো,হয়তো বা।না হলে কেন
বিয়ে হয়না।আর চেহারা ও তো তেমন খারাপ না।
তবে কি অন্য রকম কোন সমস্যা??
হর হামেশাই শুনতে হয় এইসব কথা।কতদিন ভালো
লাগে এমন কথা শুনতে বলো তো মা?
সেজন্যই তোমাকে বলি,চলো এই গ্রাম ছেড়ে
শহরে চলে যাই।যেখানে কিনা কারো সময় নেই
অন্যের ব্যাপার নিয়ে ভাবতে।সবাই সবাই কে
নিয়েই ব্যস্ত।
মা বলল,কিযে বলিস মা,,,কে কি বলল,বা বলবে
সেই
ভয়ে কি গ্রাম ছেড়ে পালাবো?
তবে থাকো তুমি এখানে।একদিন হয়তো এমন কথা
শুনতে শুনতে আমি মরেই,,,,,,,
বলতেই মা হাত দিয়ে আমার মুখ টা চেপে ধরল।
কি
সব পাগলের মতো বলছিস।
যানো মা,মাঝে মাঝে আমার নিজের ও মনে হয়
আমার হয়তো বিয়েই হবেনা।না হলে বয়স তো
আর কম হলোনা।২০ এ পা রাখছি।
মা একটু হেসে বলল,কেন আল্লাহ কি তোর
জোড়া না মিলিয়েই পৃথিবীতে পাঠাইছে
নাকি?
মাথায় হাত দিয়ে বলল,আরে বোকা মেয়ে
যেদিন
আল্লাহ হুকুম করবে,সেদিন ঠিক ই হবে।জন্ম,মৃত্যু
,বিয়ে এই তিনটা জিনিস ই আল্লাহ র হাতে।
যাতে
কারো কোন হাত থাকেনা।তোকে কি
পড়াশোনা
করাইছি এই জন্যই?যে এই সাধারন বিষয় গুলা
বুজবিনা??
বুজি মা।সবই বুজি।কিন্তু রোজ রোজ একই কথা
শুনতে ভালো লাগেনা।
তাই আর বাসা থেকেই বের হবোনা।
মা বলল,পাগলামি করলেই থাপ্পর খাবি।
সবার কথাকে উপাক্ষা করেই তোকে সামনে
এগুতে হবে।তুই কলেজেও যাবি আর প্রাইভেট
পড়াতেও যাবি।
আর এখনি কলেজে যা,বলেই প্রায় আমার ইচ্ছার
বিরুদ্বেই কলেজে পাঠালো ।
রাস্তা দিয়ে হাটঁছি আর ভাবছি।আমার বয়স তো
কেবল
২০।কিন্তু রমা আন্টির মেয়ের বয়স প্রায় ২৫ হবে।
তার ও তো বিয়ে হয়নি।কই তাকে তো কখনই
এমন কথা শুনতে হইছে বলে শুনিনি।তবে কি
আমাদের আশেপাশের মানুষ গুলোর দৃষ্টিভঙ্গি
বা
ভাবনাতেই সমস্যা?যারা কিনা অন্যের মেয়ের
দোষ
খুঁজতেই বেশি ব্যস্ত?তাছাড়া আমাদের পাশের
বাসার
আহাদ ভাইয়ার ও তো প্রায় ৩০ বছর।কই উনাকে
তো কেউ কিছুই বলেনা।তবে কি উনি ছেলে
বলেই বয়স হলে বিয়ে করতে হবে আর আমি
মেয়ে বলেই তাড়াতাড়ি করতে হবে?না হলেই
আমার এই সমস্যা ওই সমস্যা?
কেন??প্রতিবাদী হতে হবে আমাকে।আবার
কেউ কিছু বললেই মুখে মুখে উওর দিয়ে দেব।
না থাক।তবে তো আবার বলবে আমি বেয়াদব।
কেননা এইটাই আজকাল কার সমাজের রিতি।
বড়রা ভূল
বললেও সমস্যা নাই।আবার ছোটরা ঠিক বললেও
তা
বেয়াদবি হয়ে যায়।
কি যে করব?কি যে বলব,বুজিনা।
ততখনে কলেজে পৌছে গেলাম।
ক্লাশে ম্যাডাম কিছু কথা বলল,আমরাই নাকি
আগামীর
ভবিষ্যৎ।আমরাই তরুন সমাজ।আমরাই পারি বাল্য
বিবাহ
রোধ করতে।
দাড়িয়ে বললাম,ম্যাডাম বাল্য বিবাহ রোধ
নয়,আগে
আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গির উন্নতি করা উচিত। এমন
সমাজ
গড়ে তুলা উচিত যেখানে ছেলেদের মতো
মেয়েদের ও বয়স বাড়লে, সবার কটু কথা শুনতে
না হয়।বরং এইটা ভাবতে হয় মেয়েদের জন্ম
কেবল বিয়ে আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকতে নয়।
ছেলেদের মতো কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে সমাজের
উন্নয়নে এগিয়ে আসতে।
এইদিকে একটা ছেলের বয়স ৩০-৪০ চল্লিশ হয়ে
গেলে সে নাকি ভালো ছেলে,যে নিজেকে
প্রতিষ্ঠিত করে পরে বিয়ে করবে।আমরা বলি
ছেলেটার বিয়ের বয়স ই ভালো করে হয়নি।তবে
কেন মেয়দের ২০ হলেই তাকে বিয়ে দিয়ে
সংসারি করে দিতে হবে??
তার কি নিজের শিক্ষা লাভ বা অন্যকে কিছু
শিখাতে
ইচ্ছে করেনা??
-
এইটা শুধুই একটা গল্প নয়,বাস্তব ঘটনার
পরিপেক্ষিতে
লিখা।এইটাই আমাদের বাস্তব সমাজ।যেখানে
সমাজ
কে দেশকে শিক্ষিত তথা উন্নত করতে ব্যস্ত।
অথচ আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির যেখানে উন্নতির
নাম ই
নেই।আমরা পড়ে আছি সেই মান্ধাতার
আমলেই,যেখানে মেয়েদের বিয়ের বয়স ২০
হলেই নাকি বুড়ি হয়ে যেত।মেয়েদের পরিবার
কে শুনতে হতো না না রকম কথা।সমালোচনা
শিকার
হতো মেয়েগুলো।৮-১৫ই ছিল বিয়ের প্রকৃত
বয়স।
আমাদের সমাজ কিংবা দেশ তখনই উন্নতি
হবে,যখন
আমাদের টিন্তাধারার উন্নতি হবে।
-
লিখাঃতানিয়া....

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ