নীল গল্প-
.
ওই তোর হাসিব্বা মতো বেকার ছেলেকে আমি বিয়ে
করবো না।অন্য মাইয়ার পিছনে ঘুর যা,আমাকে
পটিয়ে লাভ নেই।আচ্ছা ঠিকাছে যাচ্ছি!এই মেয়ে
শুনো,তোমার নাম জানতে পারি?ওই হাসিব্বা তুই ওই
খানে ওই মাইয়ার সাথে কি করছ?কেনো তুইতো
বললি।কি!আমি থাকতে অন্য মাইয়ার পিছনে লাইন
মারতে যাস?আজ তোর একদিন কি আমার যে কয়দিন
লাগে।কেন আমিতো বেকার আমার মতো
বেকার ছেলে তোর লাইফ পার্টনার হয় কিভাবে??
না তুই তো মাঝির কাজ করিস বেকার কিভাবে হলি?কি?
আমি আবার কিভাবে মাঝির কাজ করি?কেনো তুইই
তো আমার হৃদয়ে ছলাত ছলাত ঢেউ তুলে
ভালোবাসার তরী চালাস।ও তাই বল।ওই মাইয়া তুই দাঁড়াই
আছিস কেনো?যা ভাগ? (আরেকটু আগে নিধিকে
ক্ষেপানোর জন্য যে অচেনা মেয়েকে ডাক
দিছিলাম)... আমাদের ভালোবাসার কথা সবাই জানতো
তাই আমার এবং নিধির পরিবার ঠিক করে রাখছে পারিবারিক
ভাবেই আমাদের বিয়ে হবে কিন্তু তার আগে
আমাকে নিজের পায়ে স্যাটেল হতে হবে।হ্যা
তিনমাস পরে একটা জব পেয়ে গেছি ভালোই জবটা
এনজিওতে পোগ্রামিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ
পেয়েছি। আগামি মাসেই আমার আর নিধির বিয়ে।হ্যা
বিয়ে হয়ে গেলো।কিগো তুই থেকে তুমিতে
আসবে না নাকি?? হ্যা গো আসবো তানাহলে যে
লোকের কাছে চক্ষুলজ্জা থেকেই যাবে।ও
হ্যা আমাদের বাবু হলে আমার নামে নাম রাখবে কিন্তু
ছেলে হলে নীল আর মেয়ে হলে নীলা।
(প্রায় দশ মাস পরে)আজ এনজিওতে প্রোগ্রাম
আছে আমি গেলাম নিজের খেয়াল রেখো।
তোমার গর্ভেই তো আমাদের বাবুটা। আচ্ছা
ঠিকাছে চিন্তা করো না যাও।আর কিছু হলে আমার মা
তো আছেই।।কিছুক্ষন পর নিধির মা (আমার শাশুড়ির কথা)
ফোন।বাবা হাসিব তারাতারি আসো নিধির ভীষন ব্যাথা
হচ্ছে।আমি তারাতারি এম্বুলেন্স নিয়ে কুমিল্লা টমাস
হসপিটালে।বাহিরে দাঁড়িয়ে আছি কিছুক্ষন পর অবস্থা ডক্টর এসে বলল
খুব ক্রিটিক্যাল যেকোনো একজনকে বাঁচানো
যাবে।আপনি কাকে বাঁচাতে চান?অনেক ভেবে
বললাম (অস্ফুট স্বরে) নিধিকে।কিছুক্ষন পর ডক্টর
এসে সরি স্যার আমরা চেষ্টা করেছিলাম নিধিকে
বাঁচাতে কিন্তু নিধিই মানা করছে।বললো এ
আপনাদের ভালোবাসার প্রথম ফল ভালোবাসার মহা
স্বাক্ষী কী করে একে পৃথিবীর কোল
থেকে বিদায় দেই?এই বলে চলে গেলো নিধি।
খুব করে কেঁদেছিলাম সেদিন।হয়তো চিৎকার
করতে চেয়েও বোবা হয়ে গেছিলাম কিন্তু
মনে হচ্ছিল আমার কান্নায় পক্ষীকূল ও কেঁদেছিল
খুব। আজ পাচ বছর পর মেয়েটা সব কথাই বলতে
পারে নিধির কথা মতো মেয়ের নাম রাখা হয়েছে
নীলা।ও বলতে ভুলে গেছিলাম সেদিন আমাদের
মেয়ে হয়েছিল।যখন বাবা বলে ডাক দেয় তখন
বুকের ভেতর অদ্ভুত ভালোলাগা সৃষ্টি হয়।একদম
নিধির মতো দেখতে।আজ বললো বাবা আমার
নীল জামা কোথায়।আমি কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলাম
ভাবলাম একদম মায়ের মতো হয়েছে পছন্দ
অপছন্দ সব নিধির মতো নীল রং নিধিও খুব পছন্দ
করতো।আজ নীলার কথা শুনে চোখের
কোনে পানি জমে গেলো। বাবা বাবা তুমি কান্না
করছো?কই মা আমি কাঁদছি না।না বাবা আমি জানি তুমি মায়ের
জন্য কাঁদছো।আমি দেখে আরো অবাক হয়ে
গেলাম এই মেয়ে কি করে না বললেও আমার
মনের সব কথা বুঝে যায়!অস্ফুটভাবে বললাম মা তুই
একদম মায়ের মতো হয়েছিস।তাই শুনে বললো
বাবা মা কি আর আমাদের কাছে ফিরবে না??আমি
বললাম তোর মা আছেতো মা।কোথায়?ওইযে
আকাশে দেখ ওখান থেকে তোর মা সব সময়
আমাদের দেখে।সেই থেকে আজো বাবা
মেয়ে একসাথে বসে রাতের আকাশে চাদ- তারার
খেলা দেখি এই বলে ওখান থেকেই তো নিধি
আমাদের দেখছে।
কিছু সময়ের মূল্য হয় না এই নিরবে বসে আকাশ দেখার
মাঝে এই নিরবতাই আমার নিকট শ্রেষ্ঠ সময়।আজো চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হয় নীল পরী খুব ভালোবাসি তোমায়!
.
লেখকঃ সংগ্রামী মধ্যবিত্ত (স্বপ্নিল লেখক)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻļুāĻ্āϰāĻŦাāϰ, ā§Ž āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
959
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧝:ā§Ģā§ PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ