গল্প --- বদলে যাওয়ার গল্প,,,,,,,,,,,
:
লেখা --- ``````````` „একজন আমি„ `````````````` ।
:
:
:
কলেজ থেকে বেড়িয়ে বাসায় যাবার জন্য রিকশায়
উঠল সারফিন। কিছুক্ষন পরেই তার চোখটা আটকে গেল মোরের কাছের টংএর দোকানটায়। সে দেখতে পেল নিলয় সেখানে আনমনে সিগারেট টানছে ।
যে ছেলেটা সিগারেটের গন্ধ সহ্য করতে পারত না সেই ছেলেটা এখন নিজেই সিগারেট খাচ্ছে । এসব কিছু ভাবতে ভাবতে ৩বছর আগে ফিরে গেল সে। সারফিন তখন অনার্স ১ম বর্ষ আর নিলয় ৩য় বর্ষ।
কোনো এক বৃষ্টির দিনে তাদের পরিচয় টা হয়েছিল ফেসবুকের মারফত। তারপর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব, পরে তা ভালবাসায় পরিনত হয়। ভালই চলছিল দিনগুলি।
কিন্তু সমস্যা হল কিছু দিন পর। হঠাৎ করেই সারফিনের বাবা খুব অসুস্থ হয়ে পরাতে তিনি চান তার একমাত্র মেয়ের বিয়ে দেখে যেতে। সারফিনের বাবা যে সারফিনের জন্য আগে থেকেই তার বন্ধুর ছেলে অনির এর সাথে বিয়ের কথা পাকাপোক্ত করে রেখেছেন তা সারফিন যানতো না। সারফিন যখন যানতে পারলো তখন তার কিছুই করার নেই, তার বাবা মৃত্য শয্যায় তার হাতটি ধরে বলেছিল " মারে অনি সত্যিই খুব ভালো ছেলে, আর আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুইতো কোনোদিন চলিশ নি তাই তোর কাছে না শুনেই আমি অনির বাবাকে কথা দিয়েছি। সুখে থাকিস।""
এসব কিছু নিলয় কে জানালে সে কিছুই বলেনি,
অন্যদিকে ঠিক আজকের মতন আনমনে তাকিয়ে ছিল।
অবশ্য চোখের কোনে কিছু জল জমা হয়ে গিয়েছিল।
কিন্তুতা মুছেই ছোট্ট একটি কথা বলেছিল,
"সুখে থেকো। "
সারফিন নিজের ভালবাসাকে বিসর্জন দিয়ে, তার
বাবার দেয়া কথা রাখতে বাধ্য হয়েই বিয়ে করেছিল।
বিয়ের পর আর কখনও নিলয়ের সাথে কথা হয়নি, আর সে কথা বলবেই কোন মুখ নিয়ে। এসব ভাবতে ভাবতে চোখের কোনদিয়ে কখন যে জল গড়িয়ে পরেছে খেয়ালই করে নি সারফিন।
বাসায় এসেই ফ্রেস হয়ে কল করল নিলয়ের সেই নম্বরে।
রিং হচ্ছে কিন্তু রিসিভ হচ্ছে না।
এইদিকে নিলয়ও তার পর থেকে কিছুটা সময় লাগলেও
নিজেকে কোনো রকম সামলে নিয়েছে। যে ছেলেটা
সবসময় হাসিমুখে থাকতো, বন্ধুদের সাথে আড্ডা
জমাতে পটুছিল, সে এখন আর হাসিমুখে থাকে না।
আড্ডায় মেতে উঠে না। তাতে কি ।
সে এখন নিকোটিন কে সঙ্গে নিয়ে একাই চলতে
পারে। অবস্য গোপনে সে সারফিনের খোজখবর যানতো
তার এক বান্ধবীর কাছ থেকে। পড়ালেখা শেষ
করার পর বেশকিছুদিন বেকার থাকার পর কিছুদিন
যাবত একটা কোম্পানিতে আছে সে।।
বাসায় ঢুকতে না ঢুকতেই কে যেন ফোন করছে,
স্কিনের দিকে তাকাতেই বুকের বাম পাশটায়
হঠাৎ করেই কেপে উঠল নিলয়ের।
একি...!!
সারফিনের নম্বর থেকে কল..!! চুপ করে আছে। সে এখন কি করবে..?? হ্যা সে ফোন রিসিভ করবে, কিন্তু কোনো ভাবেই সারফিনকে বুঝতে দেওয়া যাবেনা যে তাকে সে এখনও ভালোবাসে।
এসব ভাবতে ভাবতে নিজেকে গুছিয়ে ৪ বারের বার
যখন ফোনটা বেজে উঠল সে রিসিভ করল,
নিলয় - হ্যালো। কে বলছেন...?
সারফিন - কেমন আছো নিলয়...??
নিলয় - ভাল। কিন্তু আপনি কে..??
সারফিন - সারফিন।
নিলয় - কোন সারফিন, কোথাকার সারফিন, আমি কোনো সারফিনকে চিনি না। পরবর্তিতে আমাকে আর ফোন করবেন না।
সারফিনব - সারফিন অবশ্য কিছু বলতে চেয়েছিল, কিন্তু তার আগেই ওপাশ থেকে লাইনটা কেটে দিল।
হ্যা নিলয় মনে হয় সারফিনকে তা বোঝাতে পেরেছে।
চোখের কোন দিয়ে একটু জল অবশ্য গরিয়ে পরল,
কিন্তু তা মুছে নিজে নিজেই বলে উঠল
""আমি আজও তোমায় ভালোবাসি,
সেই আগের মতই রে পাগলী ।""
( বি:দ্র:-- লেখাটা হয়ত কাল্পনিক কিন্তু বাস্তবেও অধিকাংশ সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এমনটা হয়। )
:
:
``````````` „একজন আমি„ ``````````````
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ